এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • আসুন এবার অন্তত কলাগাছকে কলাগাছ আর বেগুনকে বেগুন বলে ডাকি 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ | ৬৮৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • দেখুন, ঢেকে-চেপে লাভ নেই, কলাগাছকে কলাগাছ, আর বেগুনকে বেগুন বলেই ডাকা যাক। পশ্চিমবঙ্গে বহু মানুষ আছেন, আমিও তাঁদের একজন, যাঁরা মনে করেন, তৃণমূল-বিজেপি বাইনারিটা খুবই অকাজের। তৃতীয় কোনো শক্তি বিজেপির জায়গাটা নিলে ভালো হত। সেই পরিসরটা এমনিই ক্ষীণ ছিল, কিন্তু এই আরজিকর পর্বে চূড়ান্ত ভাবে ধ্বসে গেছে। সারা বাংলায় সার্ভে করে দেখিনি, আমি আমার কথা বলতে পারি, যে, হোক-কলরব থেকে কামদুনি যাই হোক, বাম ঘরানার আন্দোলনের একটা নৈতিক জোর ছিল এতদিন। সরকারি একটা  হাসপাতালে একজন ডাক্তার মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়ে গেলেন, অধ্যক্ষ তার নৈতিক দায়িত্ব নিতে চাইলেও মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দিলেন, এই যখন ঘটনাবলী, তখন এই আন্দোলনেরও একটা তীব্র নৈতিক জোর ছিল। গুজব শুরু থেকেই রটছিল, কিন্তু নৈতিক জোরটাও ছিল।  কিন্তু তারপর যেটা শুরু হল, স্রেফ গুজব আর মিথ্যের চাষবাস। দেড়শো গ্রাম, ভাঙা পেলভিক, গণধর্ষণ, জোর করে দেহ পোড়ানো, ময়নাতদন্তে গাফিলতি, বাথরুম ভেঙে ফেলা, সবকটা ডাহা মিথ্যে, এবং এগুলোই হয়ে দাঁড়াল কেন্দ্রবিন্দু। এগুলো কেউ রটালেন, মিডিয়া নিজেও রটাল, দায়িত্ব নিয়ে আন্দোলনের দিশা দেখানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিল। ওখানেই আন্দোলন গতি হারাল, নীতি ফিতি ভোগে চলে গেল। 

    এবার সেটা বড় কথা না। সব আন্দোলন তো সব সাফল্য পায়না, ফলে সেটা ক্ষতি না। অপূরণীয় ক্ষতি যেটা, সেটা টিভির না, বিকল্প শক্তি নৈতিক জোরটা হারালেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে বাম-ঘরানার লোকেদের সত্যবাদী যুধিষ্ঠির মনে করতামনা, ভুল-ভ্রান্তিও নিশ্চয়ই থাকে, কিন্তু সম্পূর্ণ অবিশ্বাস কখনও করেছি বলে মনে হয়না, মোটের উপর একটা সততার জায়গা থাকত বলেই মনে হয়েছে। এই আন্দোলনের পর, একটা তীব্র অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, যে, এরা আন্দোলন করছি, ওটাই এখন প্রায়োরিটি  বলে, যা খুশি বানিয়ে বলে দিতে পারে। অনেকেই দেখছি নন্দীগ্রাম টেনে আনছেন। সেই সময়ও তো গুজব রটেছিল। রটেছিল, কিন্তু সেটাই আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিলনা। গুজব খুবই জোরালো জিনিস, কিন্তু তার আয়ু ৭-১০-১৫ দিন, এক মাস। তার বেশি না। নন্দীগ্রামে গুজবের সিরিজ তৈরি হয়নি। এবং যা তৈরি হয়েছিল, সেগুলোও দীর্ঘদিন টেকেনি। যেটা টিকেছিল, সেটা হল জমি অধিগ্রহণ, ১৪ জনের মৃত্যু। সেগুলো একেবারেই গুজব না, এবং সেগুলো মানুষের হাড়ে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। বুদ্ধবাবুর সরকার প্লেটে করে এই কাঁপনটা সরবরাহ করেছিলেন, যে শাইনিং শিল্পের জন্য গরীবের যতটা দরকার জমি যেকোনো মূল্যে তাঁরা নেবেন। সেটা এতটাই, যে, ভোটে ৩৪ বছরের সরকারের পতন ঘটিয়ে দিয়েছিল। এর গুরুত্ব একবর্ণও না বুঝে, কে বা কারা ভেবে বসলেন জানিনা, যে, গুজব দিয়েই নন্দীগ্রামে বঙ্গবিজয় হয়েছিল, অতএব এখানেও করতে হবে। নন্দীগ্রামে কেউ সক্রিয়ভাবে গুজব তৈরি করেননি, এখানে সেটাই হল, ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু হল। সেও বেশ কদিন টিকল। তার মধ্যে সরকারটা পড়ে গেলে যেতে পারত। কিন্তু যায়নি। ফলে গুজব যখন উবে গেল, সেটা সঙ্গে নিয়ে গেল তৃতীয় শক্তির বিশ্বাসযোগ্যতাকে। নন্দীগ্রামে ছিল ঘটনা ঘিরে কিছু গুজব, যা উবে যাবার পর ঘটনাটা পড়েছিল, আর এখানে শুধুই গুজব, পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর পর আর কিছুই বাকি রইলনা। ফাউ হিসেবে গেল বিশ্বাসযোগ্যতা। এবং এটা হল ব্যাকল্যাশের শুরু। যাঁরা প্রতিনিয়ত "যে এখনও দর্শক, সেই ধর্ষক" বলে চিৎকার করে গেছেন, মধ্যবিত্ত সমাজে তাঁদের এখনও কিছু সমর্থন তো আছে, এই ফাঁকে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা ঠিক কোন ফুটো দিয়ে উবে গেল, ভেবে দেখতে পারেন। তাতে কী লাভ হবে, এই অবিশ্বাস কীকরে যাবে জানিনা, কারণ, এটা ব্যাকল্যাশের সবে শুরু। মিডিয়ায় ফুটেজ অবশ্য এখনও কিছুদিন পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সোমা মুখোপাধ্যায় বা শুভাশিস ঘটককেও একটা সময় সূত্র উল্লেখ করে যা লিখেছেন, তার নৈতিক দায় নিতে হবে।  

    গুজব তৈরি করেননি, এরকম মানুষই অবশ্য বেশি। একটা বড় অংশ ছিলেন এবং আছেন, তাঁরা গুজব ম্যানুফ্যাকচার করেননি, কিন্তু বিশ্বাস করেছেন। এঁদেরকে কী বলা যায়, সত্যি জানিনা। এই এতো কিছুর পর, রিপাবলিক, এবিপি সূত্র আর হোয়াটস্যাপকে তাঁরা অকাট্য সত্য বলে ভেবে বসলেন। এটা গণেশের দুধ খাবার চেয়েও খারাপ, কারণ, সেটা অন্তত স্লোগান ছিলনা। কী জানি দাঙ্গা টাঙ্গা হলে এঁরা গুজবে কান দিয়ে পাশের বাড়ির লোককে মারাও সমর্থন করে বসবেন কিনা। এঁদেরকে নিয়ে অবিশ্বাস তৈরি হয়নি ঠিক, কিন্তু হতাশা তো আছেই। কাদের জন্য লিখি, কী লিখি, এইসব। তৃণমূল সরকার তো ঠিক ধোওয়া তুলসিপাতা নয়, তার বিরুদ্ধে নানা জিনিস নিয়ে  প্রচুর সমালোচন এবং বড় আন্দোলনেরও জায়গা আছে। লিখবও সেসব। কিন্তু কথা হল, লিখে হবেটা কী। পরশুদিন টিভিতে হয়তো দেখাবে মুখ্যমন্ত্রী মানুষের মাংস খান। অবিশ্বাস্য কিছু নয়, দেখাতেই পারে। এঁরা সেটাই বিশ্বাস করে দলে দলে নেমে পড়বেন। আপত্তি  করলে চটিচাটা বলে গাল দেবেন। আজকাল কিছুতেই অবিশ্বাস হয়না। তবুও লিখব, যার যা কাজ।  

    এই হল আমার দিক। পশ্চিমবঙ্গের কতজন মানুষ এইভাবে ভেবেছেন বলতে পারবনা, তবে আমি ভেবেছি। এতদিন যারা উল্টোদিকে থেকে গালমন্দ করেছেন, তাঁদেরও কিছু ভাবনা আছে নিশ্চয়ই। ভাবুন, বলুন, শুনব। তবে অনুভূতির দোহাই দিয়ে তেড়ে গাল দিতে আসবেন না, যথেষ্ট  হয়েছে, ওটা আর টলারেট করা হবেনা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ | ৬৮৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    মা - Fazlul Huque
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Guru | 2401:4900:3f02:ff6f:e285:6c59:c874:***:*** | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৭:৩১539627
  • অনেক ধন্যবাদ সৈকতবাবু l আপনি গত আগস্টের গুজবের বাজারেও সঠিক তথ্যনিষ্ঠ লেখা লিখেছিলেন l অনেক ধন্যবাদ আপনাকে l
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:55a0:eff2:5244:***:*** | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:০৪539628
  • লেখাটার সাথে বেশ খানিকটা একমত না। 
     
    প্রথমত, আমার মতে, আর জি কর কান্ডে বামপন্থীদের সামনে থেকে আন্দোলনে আসা উচিত। আর সেই আন্দোলনকে শুধুমাত্র ডাক্তারের মৃত্যুতে আটকে না রেখে বৃহত্তর নারী সুরক্ষার আন্দোলনে নিয়ে যাওয়া উচিত। অকুপাই দ্য নাইট, বা পুরো পবতেই মেয়েদের অধিকার ইত্যাদিতে জোর দেওয়া উচিত। এটা প্রথম থেকেই বলেছিলাম, তবে এই আন্দোলন করার সময় এখনও আছে, সিপিএম চাইলে প্রকাশ্যে, নিজেদের ব্যানারে এই আন্দোলন এখনও শুরু করতে পারে। 
     
    দ্বিতীয় অমত আরও গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আর জি কর আর নন্দীগ্রামের তুলনা। যদিও এই তুলনাটা হয়তো করা যায় না, তবুও সৈকতবাবু যখন দুটো গুজবের তুলনা করেইছেন, তাহলে বলবো, নন্দীগ্রামে গুজব অনেক বেশী এফেক্টিভ ছিল কারন সেই আন্দোলনটা মমতা চালাচ্ছিলেন, উল্টোদিকে ছিলেন বুদ্ধবাবু। যিনি কিনা হেলে ধরতে না জেনে কেউটে ধরতে গেছিলেন। আজ যদি বামেরা ক্ষমতায় থাকতো আর মমতা অপোজিশানে, তাহলে এই আর জি কর নিয়েই মমতা বামেদের ঘুম উড়িয়ে দিতেন। নন্দীগ্রামের হলদি নদীর কুমীর, আর আর জি করের দেড়শো গ্রাম বীর্য, দুটোই একই রকম এফেক্টিভ বা পোটেন্ট হতে পারতো, যদি মমতার মতো দক্ষ রাজনীতিক বামেদের দিকে থাকতেন। আর মমতা যে বুদ্ধবাবু নন, সেটা প্রমান করে দিয়েছিলেন যেদিন জুনিয়র ডাক্তারদের মঞ্চে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন সেদিনই শেষ হয়ে গেছিল, আর এই কথাটা সেদিনই গুরুতে লিখেছিলাম :-)      
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:55a0:eff2:5244:***:*** | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:০৫539629
  • একমত না = অমত। 
     
    অমত কথাটা মনে পড়ছিলো না :-(
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:55a0:eff2:5244:***:*** | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:০৬539630
  • রিক্লেম দ্য নাইট (এই ভুলটা বারবার করি)
  • | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:১৮539631
  • সৈকত তো সেটাই  বলছে যে গুজব না ছড়িয়ে গুজবের ঘাড়ে ভর না করে যা হয়েছে সেটা নিয়েই আন্দোলন করা উচিৎ ছিল। সেটা খুবই সিরিয়াস ব্যপার তার জন্য গুজবের ঠেকনা দেবার দরকার ছিল না।  তো ডিসি এটার সাথে দ্বিমত কেন? 
     এখনো তাঁরা আন্দোলন করতেই পারেন তবে সেটা তো কী করিতে হইবের পার্ট।,  কী হইয়াছের অ্যানালিসিস নয়।  
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:55a0:eff2:5244:***:*** | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:২৭539632
  • তাহলে ঠিক করে বোঝাতে পারিনি। আমি বলতে চেয়েছি, নন্দীগ্রামে আর আর জি করে, দুজায়গাতেই গুজব ছড়ানো হয়েছিল। কিন্তু দিদি যেভাবে নন্দীগ্রাম গুজবের ফায়দা তুলেছিলেন, সেভাবে বামেরা আর জি করের গুজবের ফায়দা তুলতে পারলোনা। 
     
    "গুজব না ছড়িয়ে গুজবের ঘাড়ে ভর না করে যা হয়েছে সেটা নিয়েই আন্দোলন করা উচিৎ ছিল" - সে তো ইন প্রিন্সিপল ঠিকই। কোন আন্দোলনেই গুজব ছড়ানো ভালো না। তবে বাস্তবে যা হয়েছে, দুদলই দুটো ঘটনায় গুজব ছড়িয়েছে, তবে একটা দল তার ফয়দা তুলতে পেরেছে, অন্য দল পারেনি। কেন পারেনি, তার কারন একটা দলে ছিল / আছে দিদি, আর অন্য দলে ছিলেন বুদ্ধবাবু। 
  • | ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:৪১539633
  • মমব্যান ফায়দা তুলতে পেরেছেন কারণ তার পরে সিঙ্গুর। নন্দীগ্রাম আর সিঙ্গুরের  আন্দোলনের টাইমলাইন দেখলে বোঝা যায় মূল  ফায়দাটা কোত্থেকে এসেছে। 
     
    নি:সন্দেহে এখন বিরোধীপক্ষে মমব্যান থাকলে আরজিকরের আন্দোলন অন্য লেভেলে যেত। 
  • সৃষ্টিছাড়া | 103.85.***.*** | ২৮ নভেম্বর ২০২৪ ০৭:০২539718
  • আর জি কর অভয়া হত্যা গুজব, কামদুনি, বরুণ হত্যা, শিক্ষা দুর্নীতি, আর্থিক দুর্নীতি, নিয়োগ, বালি , কয়লা, ইমাম ভাতা, দুর্গা ভাতা সব গুজব ।
    বামপন্থা শিক্ষা গুজব।
    সত্যি হলো বাংলার মানুষ চাটুকার , আর সত্যি গুরু প্রবচন 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন