

সায়ন্তন চৌধুরী | ২৩ অক্টোবর ২০২০ ০০:০২98786ভালোই লাগলো; অনেকটা নরম দৃশ্যকল্প-নির্ভর হলেও যেহেতু তৎসম সুললিত শব্দ ব্যবহারের বদলে, বিশেষত শেষ কবিতাটায়, ঝালাইয়ের কড়া দাগ, পলিথিনের পোশাক, নীলবাতির যাতায়াত প্রভৃতি এসেছে, তাই ভালো লাগল; শুধু টায়ারের আলপনা জাতীয় শব্দবন্ধ মাথার ভেতর কিছু অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগ তৈরি করল।
সুকান্ত দে | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩০ এপ্রিল ২০২১ ০১:৪৬105282"অপচয়ের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি, এই রাস্তা
খুব সাংকেতিক"
অদ্ভুত একটা স্টেটমেন্ট। তারপর একটা চলা। মানুষের দূর্বলতা, সে কবিতার ভেতর চেনা মানুষের ছায়া খোঁজে। বিভ্রান্তির দোষ ভালোবাসতে বাসতে কখন সে অচেনা ভাষায় বদলে যায়, টের পায়না।
৭ নং পড়ার সময় সেভাবে টানেনি কিন্তু সে যোগ হল --
"যাতে আমি শুয়ে শুয়ে বিছানায় নক্ষত্র শুঁকি,
খেয়ে ফেলি তার মিষ্টি আর সুস্বাদ, টক সব গন্ধগুলো
পিতলের পাত্রে রাখি"
৯ নং এর এই লাইনগুলোর পরে।
"আমি তো দীর্ঘ সময় এখানে ছিলাম, এই না বলার মধ্যে,
এই হাততালির চটাপট শব্দের মধ্যে, এই পেঁয়াজের
খোসার নিবিড়ে"
"বুকের ঈষৎ বাঁ দিকে ছলছল করছে তরল,
এ কি ভালোবাসা! নতুন মোড়কে সংলাপ!
তোমার আমার সেই লণ্ঠনের নীচে, জমা পাঠ শেষে
বিষ ও বিষাদ!"
অনেকদিন হল আমরা পুরনো ডিয়ারপার্ক আর সেই আধোঘুম চায়ের দোকানের ৪০ ওয়াটের হলদে আলোর ভেতর স্বপ্ন হয়ে ওঠার রাস্তা ভুলেছি। ফুটপাথ বদলের রাতলিপি আমার ছিল না। গরাদে মুখ রেখে বিপথগামীতাকে নিজের মতো সাজিয়েছি। সেখানে আক্ষেপের কুয়াশা নেমে আসতো সন্ধ্যে হলেই।