
আরাবল্লী আছে ওখানে, তবে কিনা বাতাসের অভিমুখের সঙ্গে সে পাহাড় সমান্তরাল। তাই একশো শতাংশ জলীয় বাষ্পে টাপুটুপু বাতাস বয়ে গেলেও, পাহাড়ের সঙ্গে ঠোকাঠুকি হল কই? ধাক্কাধাক্কি হবে , ঢাল পেরোতে না পেরে পাহাড়ের গা বরাবর হাওয়াটা ওপরে উঠবে, ঠান্ডা হবে , বাষ্প ঠান্ডায় ঘন হয়ে বড় বড় জলের ফোঁটা বানাবে, তবে না বৃষ্টি হবে! ... ...

অ্যাসেট ব্যাকড ফাইনান্সিংএ দুটো সমস্যা: ব্ল্যাকরক হেন অ্যাসেট ম্যানেজার ছ মাস, ন মাসের জন্য দু, দশ হাজার ডলার ধার দিয়ে ছুঁচো মারেন না, তাঁরা খোঁজেন গণ্ডার, যার ওজন অন্তত একশ মিলিয়ন এবং আয়ু পাঁচ বছরের। এই সমস্যাটির সমাধান- সহস্রটি ইনভয়েস জুড়ে আঁটা দিয়ে সেঁটে এক ভারি ওজনের কাগুজি গণ্ডার বানানো। কিন্তু তার পরেও আরেক সমস্যা থেকে যায় – যেমন যেমন একটা ইনভয়েসের দাম চুকিয়ে দেওয়া হবে তেমনই আরও নতুন ইনভয়েস জুড়ে গণ্ডারের ওজনের ভার সাম্য বজায় রাখতে হবে। আগে আমার হামবুর্গ সেমিনারের অভিজ্ঞতার গল্প লিখেছি - ক্রেদি সুইসের বন্ডগুরু বলেছিলেন আমরা পাঁচ বছরের জন্য একশো মিলিয়ন ডলারের বন্ড বানাতে রাজি, তার জন্য আমাদের চাই হাজার ইনভয়েসে ভরা এমন একটা বাকসো যার মোট মূল্য আজ একশো মিলিয়ন ডলার, কালও একশো মিলিয়ন। যোগ বিয়োগ লেগেই থাকবে, কিছুর পেমেন্ট হবে তার জায়গা নেবে আরও কিছু, কিন্তু যে কোন সময়ে বাকসোর মূল্য হতে হবে সেই একশো মিলিয়ন ডলার। ... ...

ড্যানিয়েল চু হিসেব করে দেখলেন নিচের তলার এই মানুষদের সংখ্যা আমেরিকান নাগরিকের বিশ শতাংশ -ওয়াল স্ট্রিট কেন, মেন স্ট্রিটের কোন ব্যাঙ্ক এঁদের দু পয়সা ধার দেবেন না কারণ এঁদের ক্রেডিট রেকর্ড নেই। ড্যানিয়েল বললেন, আরও কিছু তো খুঁটিয়ে দেখা যেতে পারে, যেমন কেউ হয়তো ভালো গোছের কাজ করেছিলেন, প্যানডেমিকে বেকার, এতদিন ঠিক চলছিল আচমকা বিবাহ বিচ্ছদের কারণে সংসারে টানাটানি, দশ বছর নিয়মিত বাড়ি ভাড়া দিয়ে এসেছেন কিন্তু সে সব তথ্য ক্রেডিট ব্যুরোর খাতায় উঠবে না কেন না এঁদের কাগজপত্র বা সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর নেই। তাহলে একটা জলজ্যান্ত মানুষের কর্ম বা আয় ক্ষমতার একমাত্র নির্ণায়ক ক্রেডিট ব্যুরো? ... ...

পাহাড়ীয়া খাসি শিশুর দল ধুলোয় গড়াগড়ি দিয়ে খেলা করছে, তাদের পরনের সামান্য পোশাকগুলি ধুলোবালি লেগে মলিন, তবে মুখের হাসিটি বড় উজ্জ্বল। বেশিরভাগই আমাদের টাটা করছে। এক দুজন হাঁ করে ভয়ও দেখাচ্ছে। মনটা বেশ ভালো লাগছিল। ... ...


ব্রিটিশ অর্থনৈতিক উদ্যোগে অসামান্য অবদানের পুরস্কারস্বরূপ রাজকুমার চার্লস সি বি ই ( কমান্ডার অফ দি ব্রিটিশ এম্পায়ার ) খেতাব দিলেন গ্রিনসিলকে। ব্রিটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদত্যাগ করলেন ডেভিড ক্যামেরন। এবার গুরু ঋণ চোকানোর পালা , লেক্স গ্রিনসিল বার্ষিক দশ লক্ষ পাউনড সাম্মানিকের বিনিময়ে ক্যামেরনকে গ্রিনসিল কোম্পানির পরামর্শদাতার পদে প্রতিষ্ঠিত করলেন মাসে দু দিন হাজিরা দিলেই যথেষ্ট , কাজটা আসলে লবিইং , একে ওকে দুটো কথা বলা, সুপারিশ সিফারিশ করা। এত বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সরকারের যে কোন দফতরে চেয়ার টেনে বসতে পারেন। গ্রিনসিল ক্যাপিটালের ভ্যালুয়েশন সত্তর বিলিয়ন ডলার, আসন্ন আই পি ওর সুবাদে ডেভিড ক্যামেরনের সাত কোটি ডলার পকেটে আসার পথ সুপ্রশস্ত। ... ...

সেই যে লঙ্কার অরিষ্ট পাহাড়ের থেকে লাফ দিল হনুমান, নামল একেবারে মহেন্দ্রর চূড়ায়। নামতে নামতেই আকাশ থেকে সে দেখতে পায় জাম্বুবান দাদা আর তার বন্ধুরা সবাই আকাশের দিকে তাকিয়ে হনুমানের জন্যে অপেক্ষা করছে। কোন কোন বাঁদর সবা'র আগে হনুমানকে দেখবে বলে উঁচু গাছে চড়েছে, আকাশপানে তাদের মুখ। আবার আশপাশের নানা সাইজের পাহাড় আর টিলাতেও উঠেছে অনেক ভল্লুক আর বাঁদর। ... ...

বাস এগিয়ে চলে বিশাল এক হ্রদের পাশ দিয়ে ঘুরে ঘুরে। নাম বড়াপানি বা উমিয়াম। এবারে কিছুক্ষণের বিরতি, ভালোই হল, বাস থেকে নেমে হাত পা ছাড়িয়ে লেকটা ভালো করে দেখার সুযোগ পেয়ে গেলাম। ইংরেজি ইউ আকৃতির মতো এক বিশাল হ্রদ। আমরা দেখছি পাহাড়ের অনেক উঁচু থেকে। নিচে জলের কাছে গেলে নৌকা বিহারেরও সুযোগ আছে দেখলাম। ইউ এর মাঝখানে দ্বীপের মতো উঁচু হয়ে আছে। দুপাশের পাহাড় আর মাঝখানের দ্বীপ বড় ঘন সবুজ। ... ...

বিচ্ছিন্ন ভাবে লন্ডনে প্রায়শই বর্ণ বৈষম্য প্রণোদিত হত্যা ও জীবনহানি হত। কিন্তু একটা হত্যা সারা দেশকে স্তম্ভিত করেছিল এবং আমাকে বিশেষভাবে স্পর্শ করেছিল। স্টিফেন লরেন্স নামে এক কালো কিশোর নৃশংসভাবে দিনের আলোয় নিহত হয়েছিল। এই কেস বহুদিন চলেছিল এবং কখনো নিঃসন্দেহভাবে এর নিষ্পত্তি হয় নি, যদিও কুড়ি বছর পর দুজন হত্যাকারীর শাস্তি হয়েছিল। স্টিফেন লরেন্সের মা, ডোরীন লরেন্স এতকাল ধরে ন্যায্য বিচারের জন্য যুদ্ধ করে গিয়েছিল। সাধারণের চোখে মেট্রোপলিটন পুলিশ বর্ণ পক্ষপাতিত্ব দোষে দুষ্ট বলে বিবেচিত হয়েছিল। ডোরীন লরেন্স এখন ব্যারোনেস ডোরীন লরেন্স, হাউস অফ লর্ডসের সভ্যা। ... ...

এই আকস্মিকতার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না। বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার জনক, তিরিশ বছর যাবত প্রেসিডেন্ট জুল রিমে (Jules Rimet, যার নামে কাপের নাম) বিজয়ী ব্রাজিলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় যে স্পিচ লিখে এনেছিলেন, সেটি পড়া হল না, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের হাতে কাপ তুলে দেওয়া হয়নি। বিজয়ী দলের জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর জন্য যে ব্যান্ড স্টেজে ছিল, খেলা শেষ হওয়া মাত্র তারা অদৃশ্য হয়ে যায়। কোন ব্যান্ড বাজেনি, উরুগুয়ের পতাকা রিওর আকাশে ওঠেনি। ... ...


ততক্ষণে এটুকু বুঝেছি এই বন্ড গুরুর স্ট্র্যাটেজির নাম অ্যাসেট বেসড সিকিউরিটি। সলোমন ব্রাদার্সের লু রানিয়েরি (আগের পর্ব পশ্য) বাজারে তখন হাজার হাজার মর্টগেজ অ্যাসেট জুড়ে বন্ড বানিয়ে, বেচে বাজার কাঁপাচ্ছেন। সেখানে আমার প্রশ্ন ছিল – বিভিন্ন মর্টগেজের আয়ু, ই এম আই আলাদা। আজ কেউ বাড়ি কিনল আরেকজন বেচল, ইতিমধ্যে মর্টগেজ সুদের হার, ই এ এম আইয়ের পরিমাণ বদলে গেছে; তবু বাজার যখন এটাকেই ‘সিকিউরিটি ‘বলে মাথায় চড়িয়েছে, সেখানে আমি কোথাকার হরিদাস পাল যে এই মহান উদ্যোগে সংশয় জানিয়ে আমার বরানগরী নির্বুদ্ধিতা জাহির করবো? কিন্তু এই ট্রেড, বিলস, কালেকশানের বিষয়টা বোঝার অহংকার আমার আছে সঙ্গত কারণেই। ১৯৭৭ সালে এই দিয়েই ষ্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ফ্রাঙ্কফুর্টে আমার হাতেখড়ি, তার পর কনটিনেনটাল ব্যাঙ্ক, সিটি ব্যাঙ্কের প্রথম দু বছরের কার্যকলাপ। ... ...

অধ্যাপক জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য আমার দেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁর সঙ্গ আমাকে ঋদ্ধ করেছে। এখনও বর্ধমান গেলে তাঁকে প্রণাম না করে ফিরি না। তাঁর দাদা কল্যাণ ভট্টাচার্যও একজন গুণী অধ্যাপক। বড় মনের মানুষ। বাইরেটা কঠিন। ভিতর নরম। সিপিএমকে ভোট দিতেন কিন্তু কট্টর সমালোচক ছিলেন। পণ্ডিত ধ্রুবতারা যোশীর খুব কাছের মানুষ। দু ভাইই ভালো ধ্রুপদী সঙ্গীত জানতেন। তেমন চর্চা আর করেননি। কল্যাণ ভট্টাচার্যের ছিল বিপুল ক্যাসেট সংগ্রহ। তাঁর সংগ্রহ দেখে আমার স্বল্প আয়ের ইচ্ছে ফলবতী হয়। ... ...

শক্তি: এবার আমার গল্পটা বলি। বিয়ের আগের দিন রাত্রিবেলা আমি হাজতে ছিলাম। (ঘরের মধ্যে হাসির হুল্লোড় পড়ে গেল)। আমি অলিম্পিয়ায় মদ খেয়ে ফিরছি। রাত দেড়টা। তার পরের দিন আমার বিয়ে। আমি সকলকে বললাম, অলিম্পিয়ায় চলে এস। তখন অলিম্পিয়ায় আমার ঠেক। বেরিয়ে এসে রাস্তায় চাঁদ দেখছি। চাঁদটা একটু ভাল ভাবে দেখা দরকার। চাঁদ পড়ে আছে ... চাঁদ না দেখলে তো বিয়ে হয় না। পুলিশ আমাকে তুলে নিয়ে গেল। তার আগের দিন থানার ও-সিকে রাতে জড়িয়ে ধরে চুমু-টুমু খেয়েছি। ব্যাটা ছেলের চুমু ওর পছন্দ হয়নি। মেয়েছেলের চুমু খেতে অভ্যস্ত। ... ...

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ঘর ফেরত আমেরিকান সৈন্যরা আর্মি কমিশন শেষে হাতে যে থোক ডলার পেলেন সেটা বিনিয়োগ করার কাজে এগিয়ে আসেন জে আর হুইটনির মতন দু চারটি ফান্ড। প্রাইভেট ইকুইটির ব্যবসা এই ভাবেই শুরু হয়েছিল। তবে একদা সেটা ছিল একান্ত প্রাইভেট, দুটি পক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ক্রমশ দেখা গেল কিছু ব্যাঙ্ক বা ফান্ড তাঁদের টাকার ছোট একটি পোঁটলা এঁদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, সামান্য কিছু দিলাম। দেখে শুনে লাগান। নয়ের দশকে যখন এই ব্যবসা কাছে থেকে শুরু হতে দেখেছি, তখন আমার প্রথম চেনা সেই প্রাইভেট ইকুইটির পিছনে সিটি ব্যাঙ্কের অভয় আশীর্বাদ ছিল। ১৯৪৬ থেকে ১৯৯০ অবধি সারা পৃথিবীতে প্রাইভেট ইকুইটির কারবারি সংস্থার সংখ্যা ছিল দেড় হাজারের কম, মোট ফান্ড ভ্যালু মেরে কেটে ছয় বিলিয়ন। ... ...

ভূগোলের কথা বলতে গেলেই কেবল বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজ আর স্যার ম্যাডামদের কথা মনে পড়ে যায়। ওঁদের দেখানো পথেই তো হেঁটে চলেছি এতদিন। যা হোক এবারে একটু বাংলার বাইরে আরও খানিকটা পূর্ব দিকে ঘুরে আসা যাক। সেবার বল্লরীদি বলল যে আমাদের ব্রহ্মপুত্র নদ দেখাবে। ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আমাদের মনটাও বেশ ডগমগ হয়ে উঠলো। ‘কবে আসবে দিনটা ম্যাডাম’ ... ...

সমুদ্রের ও-পারে লঙ্কা এক আশ্চর্য দেশ, এমনটা হনুমান আগে কোথাও দেখেনি। দেশটা সমুদ্রের তুলনায় খানিকটা ওপরে, ত্রিকূট নামে একটা পাহাড় কেটে কেটে স্বর্গের ইঞ্জিনীয়র স্বয়ং বিশ্বকর্মা তৈরি করেছেন এই দেশ। ভেতরে ঢোকার রাস্তায় বিশাল একটা গেট পেরিয়ে ঢুকতে হবে, কিন্তু গেটটা সব সময়েই বন্ধ। তার মানে হল এই যে, যে-কোন লোক এখানে ঢুকতেই পারবে না। ... ...

সুনীল-শক্তি-ভাস্করদের আরো একটা আড্ডা ছিল। তার নাম, ‘বুধসন্ধ্যা’। প্রায়ই বুধবার সন্ধ্যায় কোন এক বন্ধুর বাড়ি পালা করে আড্ডা বসত। আমি কলকাতায় থাকতাম না। সুতরাং আমার কোন দিন যাওয়া হয়নি সেই আড্ডায়। একবার ভাস্কর বলল, “ অমলেন্দু, এবার শীতে কলকাতায় আসছ কি ?” আমি বললাম, “ হ্যাঁ, আমরা যাব।” ভাস্কর : তা হলে ভালই হল। আমার বাড়িতে ‘বুধসন্ধ্যার’ আড্ডা হবে। তুমি আর অরুন্ধতী আসবে। ... ...

কিন্তু আজকের প্রজন্ম যখন ম্যাপ হাতে বা গুগল স্ক্রোল করে ইউরোপ ঘোরে, তাদের বোঝানো অসম্ভব যে মিউনিকের কার্লস প্লাতস, ওয়ারশ’র স্তারে মিয়াসতো, ড্রেসডেনের লিবফ্রাউয়েন, কলোনের জোড়া গিরজে, পুরো রটারডাম, ফ্রাঙ্কফুর্ট, ওয়েসেল এবং আরও অনেক শহর, প্রাসাদ, দুর্গ, ভজনা মন্দির মাটিতে মিশে গিয়েছিল। ১৯৪৫ সালের মে মাসে বার্লিনে কোন দেওয়াল খাড়া ছিল না; সে বছরের জুলাইতে তোলা একটি আমেরিকান ডকুমেনটারি ফিল্মে রিপোর্টারের অফ ভয়েসে (ইউ টিউবে লভ্য) শোনা যায়, ‘বার্লিন এক মহা শ্মশান; একটি ইটও দাঁড়িয়ে নেই। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরেও এখানে বাস করবে না কোন মানুষ। ... ...

তিনি বললেন ইউরোপে স্পেনই বুঝি একমাত্র দেশ যেখানে স্পেনের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজম্ন যতিহীন ভাবে রবীন্দ্র চর্চা করে গেছে। কাম্প্রুবি ও হুয়ান রেমনের রবীন্দ্র অনুবাদ মাদ্রিদ তথা স্পেনের বহু স্কুল লাইব্রেরী ও পাবলিক লাইব্রেরীতে রাখা হত। এখানে মনে রাখা দরকার যে কাম্প্রুবি ও হুয়ান রেমনের রবীন্দ্র অনুবাদ স্পেনের “ Generation of 1927” (১৯২৭-র প্রজন্ম)-র বুদ্ধিজীবীদের উপর এক বিরাট প্রভাব ফেলেছিল। এদের মধ্যে আছেন রাফায়েল আলবের্টি (Rafael Alberti), ফ্রেদেরিকো গারসিয়া লোরকা (Frederico Garcia Lorca), ভিসেন্তে আলেক্সান্দ্রে (Vicente Aleixandre – 1977 Nobel Prize); এবং লাতিন আমেরিকান নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল ও পাবলো নেরুদা (Gabriela Mistral and Pablo Neruda – Nobel Prize 1945 and 1971 respectively) এবং চিত্র পরিচালক লুই বুনুয়েল (Luis Bunuel)। অবশ্যই রবীন্দ্রনাথ ও ওকাম্পো কাহিনীও উল্লেখযোগ্য। ... ...