
এবারে হাফ-ছুটি। বছরে বাহান্নটা শনিবার। আর সঙ্গে যোগ করুন অন্তত আরও দিন দশেক – বিভিন্ন অজুহাতে। সেই অজুহাতের তালিকায় পড়ে --- অতিরিক্ত বৃষ্টি বা গরম, পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি, স্কুলের নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি অনেক কিছুই। এই অর্ধ-দিবসগুলোকে যোগ করে তার অর্ধেক পরিমাণকে পূর্ণদিবস হিসেবে ধরে নিলে হয় মোটামুটি তিরিশ দিন। হিসেবটা আর লম্বা করা বোধহয় ঠিক হবে না। শূন্য অথবা মাইনাসে চলে গেলে লজ্জার একশেষ হবে। ... ...

আজকের সময়টা রাজনীতিতে দৃশ্যকল্প তৈরী করার খেলা আর এই খেলাতে সবচেয়ে পারদর্শী যিনি, তিনি জানেন কী করে এই দৃশ্যকল্প তৈরী করতে হয়। বাংলার মূলধারার সংবাদমাধ্যম যতই দেখানোর চেষ্টা করুক, নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেছে এবং সেটা যুক্তি সহকারে, বাংলার অলিতে গলিতে মানুষের মোবাইল ফোনে যখন ঐ ভিডিও ক্লিপটি ভেসে আসবে, যেখানে মমতা ব্যানার্জী বলছেন, তিনি নিজের পার্টির জন্য নয়, বাংলার জন্য বাঙালির জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সওয়াল করছেন, তখন প্রধান বিরোধী দল বুঝতে পারবে যে ঐ SIR তাঁদের কতটা ক্ষতি করেছে। যখন একদিকে মানুষ শুনবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য যে ১ কোটি কিংবা দেড় কোটি মানুষের নাম এই SIR করলে উড়ে যাবে ভোটার তালিকা থেকে আর যখন শুনানির সময়ে নিজের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠাকে মেলাবেন, তখন তিনি ভোট দেওয়ার সময়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনই বলে দেওয়া যায়। ... ...

ভোদু শেখ আদালতে তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন যে, তাঁর নিজের নামে জমি আছে এবং বাবা হাতিমতাই শেখের নাম পুরনো ভোটার তালিকায় রয়েছে। আদালতের কার্যবিবরণী থেকে জানা যাচ্ছে যে, ২৩শে জুন কে এন কাটজু মার্গ থা র্গ নায় একজন সাব-ইন্সপেক্টর এই আটককৃ তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাঁদের সব রেকর্ড এফআরআরও-তে পাঠানো হয়। এফআরআরও আবার এই আটককৃতদের একটি কমিউনিটি সেন্টারে পাঠায় ২৪ জুন। ২৬ তারিখ ডিপোর্টেশনের আদেশ জারি হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র পাঁচ দিনে শেষ। তারপর ওই ছয়জনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ... ...


সাভারকর স্পষ্ট করছেন যে পূণ্যভূমির অর্থ একটি জাতির নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে উপজিত সংস্কৃতির উত্তরাধিকার, এবং মানসিক গঠনে সেই উত্তরাধিকারকে বহন করা। তাই শুধু ধর্ম নয়, ভাষা এবং ইতিহাস এর অন্যতম অঙ্গ। সেই সংস্কৃতিকেই উনি বলছেন ‘হিন্দুত্ব’। এর মুখ্য অঙ্গ হল ইতিহাস, তাতে বেদ এবং পুরাণকথাও সামিল। শুধু তাই নয়, বৈদিক সভ্যতা থেকে শুরু। এবং একই আইন-কানুন, আচার -অনুষ্ঠান, রীতি-রেওয়াজও এই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ... ...

সাভারকরের মতে সমস্ত হিন্দুজাতি সেই সিন্ধুদেশ এবং বৈদিক কাল থেকে পিতৃপুরুষ ক্রমে একই রক্তধারার বন্ধনে আবদ্ধ। যদি কেউ প্রশ্ন করে যে সত্যিই কি সমস্ত হিন্দুদের শিরায় একই রক্তের ধারা বইছে? তাদের কি একটি জাতি বলা যায়? তো সাভারকরের উত্তর হল— আজকের বিশ্বে ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান বা চাইনিজদের রক্তও কি আগের মত শুদ্ধ রয়েছে? ওরা যদি জাতি হয় তো হিন্দু কেন নয়? ... ...

পাস্তুরের এক শতক আগে ঘটে গেছে গুটি বসন্তের টিকাকরণের আবিষ্কার। আমরা যদিও আবিষ্কর্তা হিসেবে এডওয়ার্ড জেনারের নামই জানি, সমকালীন আরো অনেক জন চিকিৎসক বিজ্ঞানী গো-বসন্ত এবং শুকিয়ে যাওয়া গুটি দিয়ে গুটি বসন্তের প্রতিষেধনের নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু মধ্যে এক শতকে আর নতুন কোন টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। পাস্তুর এবং তার সমকালীন বিজ্ঞানীদের প্রস্তাবিত “বীজাণু তত্ত্ব” অর্থাৎ “সূক্ষ্ম জীবেরাই রোগের বীজ’ এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিজ্ঞানীরা ভাবতে শুরু করলেন বীজাণু বা জীবাণুকে কমজোরী বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে পারলে সেই জীবাণু হয়ত টিকা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সময়ই রবারট কখ আবিষ্কার করেছিলেন এনথ্রাক্স রোগের জীবাণু। পাস্তুর এনথ্রাক্সের জীবাণুকে নিষ্ক্রিয় করে আবিষ্কার করলেন এনথ্রাক্সের টিকা। ... ...

সাভারকর প্রথমে প্রশ্ন তুললেন –নামে কিবা আসে যায়! উত্তরে বললেন—অনেক কিছু আসে যায়; জুলিয়েটকে যদি রোজালিন্ড বলে ডাকা হয় বা ম্যাডোনাকে ফতিমা, অথবা অযোধ্যাকে হনলুলু—তাহলে কি একই অনুভূতি প্রকাশ পাবে? অবশ্যই নয়। মহম্মদকে ইহুদী বললে কি তিনি খুশি হতেন? তাই হিন্দুত্ব, হিন্দু এবং হিন্দুস্তান শব্দ নিয়ে তাঁর বিচার শুরু হল। বললেন ‘হিন্দুত্ব’ একটি শব্দ মাত্র নয়, এটি আমাদের ইতিহাস। খালি আধ্যাত্মিক ইতিহাস নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতি, যুগ যুগ ধরে জীবনযাপনের যে ঐতিহ্য যে মূল্যবোধ—তার পূর্ণরূপ। হিন্দুধর্ম এর একটি সাবসেট, বা ক্ষুদ্র অংশ। আবার সনাতন ধর্ম বলে যা চালানো হয় তা বিশাল বৈচিত্র্যময় হিন্দুধর্মের একটি অংশ মাত্র, পুরোপুরি হিন্দুধর্ম বা তার একমাত্র রূপ নয়। আগে হিন্দু এবং হিন্দুস্তানের উৎস বোঝা দরকার। ... ...

... একটা বিষয় মনে রাখবেন, এই যে সূর্যের ঘোরার কথা বলা হচ্ছে, এটা কিন্তু পৃথিবী থেকে যেমন দেখা যায়, সেটা, অর্থাৎ সূর্যের এই ঘোরাটা আসলে আপেক্ষিক। আমরা জানি, যে সূর্যের চারপাশে পৃথিবী ঘোরে, তাই আমাদের মনে হয় পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘুরছে। আর্যভটের হিসাব যেহেতু পুরোটাই অবজারভেশন নির্ভর, তাই সেখানে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরার সময়কালকে বছর না বলে, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘোরার হিসেবেই বছরের হিসেব করা হয়েছিল। এবার পরের অংশগুলোর একটু হিসেব করা যাক – ৪৩ লক্ষ ২০ হাজার দিয়ে এই পৃথিবী যতবার ঘোরে বলা হয়েছে , অর্থাৎ ১৫৮২২৩৭৫০০, সেই সংখ্যাটাকে ভাগ করুন। দেখা যাবে ভাগফল মোটামুটি ওই ৩৬৬.২৫৮৬৮-র কাছাকাছি হচ্ছে (দশমিকের পরের অংশ নিয়ে আপাতত ভাবতে হবে না, ৩৬৬ টা দেখুন)। এই ভাগফলটা মানে কী? এক sidereal year-এ পৃথিবী কতবার পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, অর্থাৎ নিজের চারপাশে কতবার ঘোরে, সেটা। এই সংখ্যাটা হিসেব করে যা বেরোল, তা আমরা যে এক বছরের কথা জানি তার দিনসংখ্যার থেকে সামান্য আলাদা। কেন? সেটা বুঝতে গেলে sidereal year কে বুঝতে হবে, এ আসলে আমাদের হিসেবের এক বছর নয়। তবে আপাতত sidereal year-এর জটিলতায় যাচ্ছি না, বরং একটু সহজ হবে যা বুঝলে সেটায় যাই।... ... ...

“পারস্যে” ভ্রমণকাহিনীতে রবীন্দ্রনাথ গীতার নীতিবোধকে স্পষ্ট বিদ্রূপে বিঁধছেন—“গীতায় প্রচারিত তত্ত্বোপদেশও এইরকম একটি উড়োজাহাজ – অর্জুনের কৃপাকাতর মনকে সে এমন দূরলোকে নিয়ে গেল—যেখানে মারেই-বা কে, মরেই- বা কে, কেই-বা আপন কেই-বা পর। বাস্তবকে আবৃত করার এমন অনেক তত্ত্বনির্মিত উড়োজাহাজ মানুষের অস্ত্রশালায় আছে, মানুষের সাম্রাজ্যনীতিতে, সমাজনীতিতে, ধর্মনীতিতে । সেখান থেকে যাদের উপর মার নামে তাদের সম্বন্ধে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছে এই যে, ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে”। ... ...

বাংলাসাহিত্যের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘পারাপার’ উপন্যাসে একটি চরিত্র বিমানের সন্দর্ভে বলেছেন যে গীতা হোল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কাব্য! গীতার বেশিরভাগটাই অনুষ্টুপ এবং অল্প একটু অংশ ত্রিষ্টুপ ছন্দে লেখা। কিন্তু কাব্যগুণ? ভিন্নরুচির্হিঃ লোকাঃ। ... ...

আমার প্রশ্ন যদি সবই ব্রহ্মময় হয়, যদি ব্রহ্মের সঙ্গে নম্বুদ্রিব্রাহ্মণ শংকরাচার্য্য ও শূদ্রের কোন ভেদ না থাকে তাহলে তাদের জ্ঞানপ্রাপ্তির প্রচেষ্টায় শাস্তি দেওয়ার বিধান কেন? তাহলে কি ব্যবহারিক দুনিয়া শংকরাচার্য্যের জন্যেও বিশেষভাবে অস্তিত্ববান? ... ...

দেখা যাচ্ছে বেদ ও স্মৃতির অনেক শ্লোক পরস্পরবিরোধাভাসী এবং তার ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদে অনেক দার্শনিক স্কুল গজিয়ে উঠেছে। এমনকি একই ব্রহ্মসূত্র এবং তৈত্তিরীয়, ছান্দোগ্য, শ্বেতাশ্বতর, বৃহদারণ্যক আদি উপনিষদে আস্থাশীল দার্শনিকেরাও নিরাকার ব্রহ্মের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন না। মহাভারতের বনপর্বে বকরূপ ধর্মের কঃ পন্থা প্রশ্নের উত্তরে যুধিষ্ঠির বলেছিলেন-“বেদাঃ বিভিন্নাঃ, স্মৃতয়োর্বিভিন্না, নাসৌমুনির্যস্য মতংনভিন্নম”। এককথায় নানা মুনির নানা মত। ... ...

শংকর বলছেন—অবিদ্যা সৎ-অসৎ কোনটাই নয়, এ হল অনির্বচনীয়। মানে অবিদ্যার অস্তিত্ব আছে কি নেই—সেটা বলা মুশকিল। এ হল এমন যা শব্দ দিয়ে বোঝানো মুশকিল। রামানুজ বলছেন—এসব ফালতু কথা। এই অবিদ্যাটি থাকেন কোথায়? একি জীবের ব্যক্তিচেতনায়, নাকি ব্রহ্মের অনন্তচেতনায়? ... ...

এই অবিদ্যার কারনেই আমাদের দৃষ্টি আবিল হয়, আমরা রিয়েলিটি বলতে চৈতন্যস্বরূপ এক এবং অদ্বিতীয় ব্রহ্মকে দেখার বদলে ব্রহ্ম এবং বস্তুজগত –এই দুই বাস্তবের চক্রে ফেঁসে যাই। অতএব, আসল দোষী হল ওই ‘অবিদ্যা’। এই অবিদ্যাও ব্রহ্মের মতন ‘অনাদি’। কেউ কেউ ‘অবিদ্যা’ এবং ‘মায়া’কে একই মনে করেন। দেবীপ্রসাদও কখনও কখনও এই দুটি পদকে একে অপরের বদলে পালা করে ব্যবহার করেন। ... ...

অবিদ্যার দুটো কাজ। এক, আসল রূপকে আবৃত করা। যেমন মেঘ এসে সুর্যকে ঢেকে দেয়। দুই, মায়াজালের মত কাল্পনিক কিছু সৃষ্টি করা। যেমন সর্প-রজ্জু উদাহরণে বিভ্রান্তির ফলে দড়ির আসল চেহারা আবৃত হয়। তারপর সেখানে সর্প বলে এক ইমেজ সৃষ্টি হয় যা আসলে ওখানে নেই, যা পুরোপুরি কাল্পনিক। অবিদ্যা ও মায়া একই প্রক্রিয়ার দুটো অংশ। অবিদ্যার ফলে ভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, সত্য আবৃত হয় আর তার জায়গায় যা দেখতে পাওয়া যায় তাই হল মায়া। ... ...

এই দর্শনটির নাম অদ্বৈত বেদান্ত বা উত্তরমীমাংসা। এর প্রবক্তা হলেন আদি শংকরাচার্য, যদিও এই দৃষ্টিভঙ্গী ওঁর আগে বেদবিরোধী বৌদ্ধদর্শনের মহাযানী শাখার দুটি স্কুল—শূন্যবাদ ও বিজ্ঞানবাদে বিকশিত হয়েছে।তাই ওঁর অদ্বৈত বেদান্ত মতকে অনেকে ‘প্রচ্ছন্ন বৌদ্ধমত’ও বলে থাকেন। ... ...

আমরা দেখলাম মহর্ষি মনু কোথাও গরুকে মাতা বলেননি। গো-হত্যাকে মহাপাতক বলেননি, গোহত্যাকারীকে মৃত্যুদন্ডের বিধান দেননি।আবার বৃহদারণ্যক উপনিষদে দেখছি ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য গরুকে গোধন বলছেন। সর্বত্র দেখছি গরু সম্পত্তির একক। মহাভারতে বিরাট পর্বে ‘উত্তর গোগৃহ’ রণে গরু লুঠেরাদের থেকে বিরাট রাজার কয়েক হাজার গরুকে বাঁচাতে অর্জুন (বৃহন্নলা) গান্ডীব তুলে নিলেন। গরু মাতা হলে কি তাকে বিক্রি করা বা দান দেয়া যায়? এই রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ‘হিন্দুত্ব’ ধারণার প্রণেতা সাভারকর কখনই গরুকে মাতা বলতে রাজি হননি। বলেছেন চারপেয়ে পশুটি উপকারী, কিন্তু আমার মা হবে কি করে? তাহলে কোন শাস্ত্রের দোহাই দিয়ে গরু গোমাতা হচ্ছে বা তার বধের জন্যে মানুষের প্রাণ নেয়া হচ্ছে? ... ...

কী মুশকিল! কূর্ম এবং বরাহও তো অবতার, একই লাইনে; মানে জয়দেবের দশাবতার স্তোত্রে। তাহলে ওদুটো খাওয়াও ছাড়তে হবে নাকি? এসবই নাকি শাস্ত্রে মানা রয়েছে। কোন শাস্ত্রে? বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত কোথাও গরুকে মাতা বলতে দেখলাম না। তাই মনুস্মৃতিতেই খোঁজ করা যাক। কারণ, আগেই বলা হয়েছে—যা আছে তা মনুস্মৃতিতেই আছে, এবং যা এতে নেই তা কোথাও নেই। ... ...

গোড়ায় সৃষ্টিতত্ত্বে বলা হচ্ছে স্রষ্টা নিজদেহ দ্বিধা বিভক্ত করে অর্ধভাগে পুরুষ হলেন, বাকি অর্ধে নারী। তার থেকে বিরাট পুরুষ সৃষ্ট হল, যিনি মনুর স্রষ্টা।(১/৩২)। তাহলে তো নারী পুরুষ সমান সমান, কোন পক্ষপাতের প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু পুরুষ যখন সামাজিক প্রথা, আইনকানুন বানাতে শুরু করল তখন নিজেদের দিকে টেনে খেলল। নারী আর সুখে দুঃখে সমান অংশীদার রইল না। ‘ওরা’ এবং ‘আমরা’র খেলা শুরু হয়ে গেল। ‘এ বাণী প্রেয়সী হোক মহীয়সী তুমি আছ, আমি আছি’ শুধু কবির ইচ্ছেয় রয়ে গেল। মনুসংহিতায় এবার সেই খেলাটাই পর্বে পর্বে দেখব। ... ...