এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • কাজার ডায়েরি - ১০

    দ লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩৫ বার পঠিত
  • ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০
    ২৬/০৯ - ২৮/০৯

    কীগোম্পা থেকে ফিরতে ফিরতে প্রায় সন্ধ্যে। হাঁটাহাঁটি পাহাড় চড়ায় ক্লান্ত হয়ে ভাবলাম একটু জিরোই বরং। ওব্বাবা তাশি জুনিয়ারের ফোন। নরবুজি নাকি বিকেলের পরে খুলতে বলেছিলেন তাই তাশি এসেছিল। এখন কাস্টমার এসে গেছে তাই আমি গেলে ভাল হয়। খুবই ব্যজার হলাম শুনে। কিন্তু মন্যিয়া তো মুধ পিনভ্যালি গেছে, তাশি বেচারা একা সামলায় কী করে! গেলাম আবার খুটখুট করে। কাজা মার্কেট এই সন্ধ্যেয় বেশ ফাঁকা।

    গিয়ে দেখি একজনই খদ্দের বসে আছেন, অ্যান্ডি। আমেরিকা থেকে এসে কোন একটা মনাস্টারিতে ইয়োগা শিখছেন গত ছয়মাস ধরে। কোন মনাস্টারি ইগা জিজ্ঞাসা করায় বলেন নি। পরে অবশ্য একদিন নিজে থেকেই বলেছিলেন কমিকের মনাস্টারিতে। কাজায় এসেছেন কয়েকদিনের জন্য। রোজ এসে এককাপ মশলা চা আর কোন কোনদিন সাথে একটা কুকি খেয়ে যেতেন। ব্যাগ থেকে বই বের করে পড়তেন ঘন্টাখানেক। ২৯ তারিখ সকালে বিদায় নিয়ে যাবার সময় বিল প্রিন্টিং নিয়ে খুব আপত্তি করে গেলেন।

    কাগজে প্রিন্ট মানেই কিছুটা পরিবেশ নষ্ট নি:সন্দেহে। এটা নিয়ে আমারো একটু খুঁতখুঁতুনি ছিল। অধিকাংশই বিলটা আবার টেবলেই ফেলে চলে যান। এদিকে প্রিন্টারে কাগজ থাকলে অর্ডার সেভ করা মাত্র অটোমেটিক প্রিন্ট হয়ে যায়। থামাবার কোন রাস্তা রাখে নি এরা। এটা অপশানাল হওয়া উচিৎ। বৈশালিকে আর নরবুজিকে জানিয়েছি। ২৬শে সকালে খদ্দের বেশ কম। ওই অ্যান্ডি ছাড়া আর একজন এলেন। ইনি চেন্নাই থেকে আসছেন। ইন্টারনেটে সল ক্যাফে সম্বন্ধে পড়ে এসেছেন।

    ইনিও ভারী নির্ঝঞ্জাট ভালমানুষ। আর সদাপ্রসন্ন। একটা টিশার্ট নিলেন কিন্তু ট্রায়াল দিলেন না। পরেরদিন সকালে এসে জানালেন পার্ফেক্ট ফিটিংস। স্পিতি ইকোস্ফিয়ারের বিভিন্ন কাজকর্ম সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিলেন। অ্যান্ডির আবার জিজ্ঞাসা ইকোস্ফিয়ারের ট্যুরিস্ট প্যাকেজগুলো নিয়ে। ইশিতার নম্বর দিলাম অ্যান্ডিকে। অঞ্জলি ২৬শে সকালে মানালি ফেরত গেছে। ২৫ বিকেলে ক্যাফে খোলার পরে এসে আমাকে আর তাশিকে বাই বলে গেল। এই মেয়েটার বয়সে ফেরত যেতে পারলে একবার এর মত করে ঘুরে নিতাম।

    ২৬শে দুপুরে রুমে ফেরার পরে এক নতুন অতিথি এলো। ভীষণ মিষ্টি দেখতে বাচ্চা একটা মেয়ে, সোনম ডোলমা। লাদাখের জাঁসকার থেকে এসেছে। শর্ট ফিল্ম আর ডকুমেন্টারি ফিল্মের পরিচালক ছিল, এবার থেকে নতুন রোল জুড়ছে চিত্রগ্রাহকের। একসাথে পরিচালনা আর চিত্রগ্রহণ পারবে কিনা সেই নিয়ে হালকা চিন্তিত। বাকী টিমকে বলেছে ২৭ বিকেলে পৌঁছাবে মানালির বাসে। এই ২৪ ঘন্টা বাফার টাইমে কাজার বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারবে, ৫ বছর বাদে এলো কিনা।

    সোনম আমায় বলল যত দ্রুত সম্ভব জাঁসকার ঘুরে আসতে। খুব তাড়াতাড়িই লেহ বা নুব্রার মত ট্যুরিস্টি জায়গা হয়ে যাবে। তাশি জুনিয়ার সোনমের বন্ধু, ঝটপট হাতমুখ ধুয়ে ওর সাথে দেখা করতে ক্যাফে চলে গেল। রাতে ফিরেও আমাদের রুমে ঘুমায় নি, তাশিদের রুমে ইগা গেছে কোন বিয়ের নেমন্তন্নে, সেখানেই ঘুমালো। মন্যিয়াও সাড়ে পাঁচটার পরে অ্যালেক্সের সাথে পিনভ্যালি থেকে ফিরে ক্যাফে থেকে আবার অ্যালেক্সের হোটেলে চলে গেল।

    পরের কয়রাত মন্যিয়া অ্যালেক্সের হোটেলেই ছিল। ওখানকার ব্যবস্থা বেশ ভাল, গরমজল নিয়ে সমস্যা নেই। অ্যালেক্স গুজরাটী, সদাহাস্যময়। মন্যিয়ার পুরোন বন্ধু। বিকেলের দিকে রোজই মন্যিয়ার সাথে ক্যাফেতে থাকত, মন্যিয়ার থেকে ঢের বেশী কাজকর্ম করত। আমি ঠাট্টা করে বলেছিলাম সেকেন্ড হ্যান্ড ভলান্টিয়ার। কী করে যেন টার্মটা জনপ্রিয় হয়ে গেল। সবাই দেখি ওকে সেকেন্ড হ্যান্ড নামে ডাকছে। laugh ও হাসিমুখে বলত 'ম্যাঁয় তো গুজ্জু হুঁ, হাসতা হি রহুঙ্গা। গালি দুঙ্গা ভি তো অন্দর অন্দর।'

    ২৭ তারিখ ঘুম ভেঙে দেখি আকাশ ঘোর অন্ধকার। বৃষ্টি পড়ছে। পাহাড়ের মাথা জুড়ে সাদা অন্ধকার। ওখানে বরফপাত হচ্ছে। সাড়ে আটটা নাগাদ বৃষ্টির জোর বাড়ল আর কাজা শহরেও বরফপাত শুরু হল। বৈশালী আমায় বলল রাস্তায় অসুবিধে হতে পারে আজ বরং যেও না। বললাম যাবো তবে দেরীতে। তাশি চলে গেল নটা নাগাদ। সোনমও দশটা নাগাদ গেল। ধীরেসুস্থে ছবি ভিডিও তুলে আমি বেরোলাম সওয়া এগারোটা।

    ক্যাফে পৌছাতে সাড়ে এগারো। বরফ পড়া থেমেছে ততক্ষণে। সাড়ে বারোটায় অ্যালেক্স আর মন্যিয়া এলো তাশির কাছে স্পিতি নদীতে জল পর্যন্ত পৌঁছানোর রাস্তা জানতে। হঠাৎ ছুটি পেয়ে আমরা যখন এদিক ওদিক দৌড়েছিলাম তাশি সেদিন নদীর পাশে গিয়ে জলে পা ডুবিয়ে বসে নদীর সাথে অনেক গল্প করে এসেছে। মন্যিয়াকে বলে দিলাম সাড়ে চারটের দিকে আসতে। আমি তো দেরীতে এসেছি থাকবো অনেকক্ষণ।

    সারাদিনই ঘুরে ফিরে বৃষ্টি হল। তবে এগারোটার পরে আর বরফ পড়ে নি। ইঞ্চিখানেক জমেছিল। অসুবিধে কিছু হয় নি শুধু বিদ্যুৎ চলে যাওয়া ছাড়া। সে কি যাওয়া রে বাবা! জেনারেটার চলে চলে অফফ হতে যাচ্ছে চার্জ করার সময় পাচ্ছে না। ফোন চার্জ হচ্ছে না, কারেন্ট এলেও ভোল্টেজ এত কম যে গিজার চলছে না, মাইক্রোওয়েভে কিছু গরম হচ্ছে না। তাশিজি বললেন শীতের দিনে টানা দুই তিনদিনও এরকম চলে প্রায়ই। সোলার এখানে আছে বটে তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। সরকারি উদ্যোগ একেবারেই নেই, ব্যক্তিগত উদ্যোগে অল্প যে কটা আছে।

    ২৭ তারিখেও খদ্দের কম তবে সোনমের বন্ধু আর সহকর্মীরা এসে ভরিয়ে রেখেছিল। ওরা এবারে কিব্বের যাবে মুভি তুলতে। ওদের গল্পের মধ্যে বেশ কয়েকবার লিটন পালের নাম শুনলাম। আমি এঁকে ইনস্টায় ফলো করি। ডকুমেন্টারি ফিল্ম মেকার, স্নো লেপার্ড দেখার ট্রিপও করান। সন্ধ্যের দিকে সোনমরা চলে গেল আর তারপরেই নামল জোরে বৃষ্টি। রয়্যাল এনফিল্ডের কয়েকজন এসে আটকে গেলেন।

    ২৮ তারিখ দিনটা মেঘলাই গেল, মাঝে মাঝে রোদ। রোদ্দুর যখন ওঠে তখন বেদম চড়া। চামড়া এক্কেরে পুড়িয়ে দেয়। খদ্দের আজও কম। একজন এলেন, তাঁর ভরপেট তিন কোর্স খাবার চাই। আমরা বানাই না শুনে তাঁর দাবী হল অন্যদিন না বানালেও আজ যেন বানিয়ে দিই। আমি ফ্যাক করে হেসে ফেলাতে একটু ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন যা বানাও তাই দিয়েই বেশ করে পেট ভরানোর মত আইটেম সাজেস্ট করো। এদিকে আজকে গেছে জল শেষ হয়ে। সল ক্যাফেতে সিলড বোতলের জল আনাও হয় না রাখাও হয় না।

    কাজায় মিউনিসিপালিটির দেওয়া কোন নলবাহিত জলের গল্প নেই। সব বাড়ি হোটেলের মাথায় ট্যাঙ্ক বসানো। জলের ট্যাঙ্কার এসে ছাদের ট্যাঙ্কে পাইপ লাগিয়ে মোটর চালিয়ে ভরে দিয়ে যায়। সেই জল এরপর বাথরুম বা রান্নাঘরে যায়। সল ক্যাফে আর ওসেল রুমে বড় বড় ফিল্টার বসানো পানীয় ও রান্নার জন্য। ক্যাফেতে আবার একটা ইয়াব্বড় ফিল্টার বসানো ওয়াটার রিফিল সেন্টার হিসাবে। বাইরে লেখাও আছে। পথচলতি যে কোন মানুষ, বাইকাররা এসে বোতল ভরে নিয়ে যান প্রয়োজনমত।

    জল না থাকায় রিফিল করতে এসে ঘুরে গেলেন কয়েকজন। তাশিজির ম্যান ফ্রাইডে লোটে ভাই গিয়ে জলের ট্যাঙ্কার ডেকে এনে জল ভরাতে ভরাতে আধঘন্টা লাগল। সেই ক্ষুধার্ত ভদ্রলোককে ততক্ষণ ব্যানানা চকোলেট স্মুদি, স্যান্ডউইচ উইত এগ, মসালা ওমলেট উইত টোস্ট, মানে জল ছাড়া যা যা বানানো যায় তাই দিয়ে বসানো হল। খদ্দের কম থাকায় আমি মনের আনন্দে হাতের বইটা পড়লাম বসে বসে। শিভ্যিয়া নাথের লেখা Rootless and Restless.

    ভদ্রমহিলার কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। সাস্টেনেবল & মিনিমালিস্টিক লাইফস্টাইল আর রেস্পন্সিব্ল ট্যুরিজমের প্রবক্তা। ট্রাভেল রাইটিং পেশা। ভেগান। উনি আর ওঁর পার্টনার বিয়েতে বিশ্বাস করেন না তাই করেন নি। দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ান ট্রাভেল রাইটিং আর সাস্টেনেবল লাইফস্টাইল প্রচারের কাজে। নিজেদের সম্পত্তি বলতে দুটো ব্যাগে ধরে যায় এতটুকু জিনিষপত্র। বেশ অনেক বছর ধরে ওই নিয়ে দিব্বি আছেন। চমৎকার লেখা, ইন্টারেস্টিং জীবন। বিশেষ করে এঁর ইরানে ঘোরা আর চিলের একপ্রান্তে এক দ্বীপে যাবার কাহিনী দুর্দান্ত।

    শিভ্যিয়া স্পিতি ইকোস্ফিয়ারের সাথেও কিছু কাজকর্ম করেছেন স্পিতিতে। ওঁর এই বইটার কয়েক কপি ক্যাফেতে রাখা, যদি কেউ কেনে। পেঙ্গুইনের বই, আমাজনেও পাওয়া যায় দিব্বি। আমি অবশ্য ওখানেই পড়ে শেষ করে এসেছি। ২৯শে বৈশালি মেসেজ করল যে তোমার তো কালকে শেষ। তা তোমার প্ল্যান কী বল, সেইমত ইশিতার সাথে কথা বলব। অর্থাৎ বাপু কাজ ফুরিয়েছে এবারে ১ তারিখ সকালে বিদেয় হবে কিনা বল।

    বললাম ভাই তোমরা তো কনফার্মেশান মেলে লিখেছিলে ১ তারিখ অবধি। তা এখন কি ১ তারিখে থাকতে গেলে পে করতে হবে? বলল কথা বলে জানাচ্ছি। বুঝলাম একটা হোমস্টের খোঁজ করে রাখাই ভাল। মন্যিয়া অবশ্য বলল শ্রুতির কাজ শেষ হবার পরেও সাত আটদিন ছিল। পে ফে করতে হয় নি। হবেও বা, তবে অন্যত্র তো গরমজলটা ঠিক পাওয়া যাবে। যাকগে সেসব কালকে দেখবো খুঁজে। কিছু না কিছু তো পাওয়াই যাবে।

    তবে আমাকে দেখতে হবে বাসস্ট্যান্ডের যতটা কাছে হয়। মানালি ফেরার বাস ভোর পাঁচটায়। কাজেই যেখান থেকে জিনিষপত্র নিয়ে হেঁটে পৌঁছানো যাবে এমন জায়গাই দেখতে হবে। ৪ তারিখ মানালি ফেরা কাজেই ১, ২, ৩ কোথায় কোথায় ঘুরবো সেটাও ম্যাপ দেখে ঠিক করতে হবে।
     
    * ছবি দেওয়া গেল না। imagebb টাকাপয়সা চাইছে।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০
  • ভ্রমণ | ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হেঁয়ালি | ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৪৮743299
  • দ দি একবার গ্রাম সোশ্যাল ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ছবি দেবার জন্য।
     
  • দ | ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৫৪743300
  • আচ্ছা দেখবো তো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন।