এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • কাজার ডায়েরি - ৮

    দ লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ৭৪ বার পঠিত
  • ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮
    ২৩/০৯ - ২৪/০৯



    বুধবারের সকাল শুরু হল পাঁচজন অস্ট্রেলিয়ান পর্যটকের একটা দল দিয়ে। পাঁচজনের নয়টা আইটেম, প্রত্যেকটা আলাদা বিল করতে হবে। পার পার্সন নয় পার আইটেম। এদের দিতে দিতেই তিনজন ইজরায়েলি ঢুকলেন। একজনের দুই প্লেট প্লেন অমলেট, আলাদা প্লেট হিসেবেই চাই। নাহলে নাকি পেটভরে খেয়েছেন বলে মনে হয় না ওঁর। এঁরা পুরো একজার চকোলেট বিস্কুট কিনে নিয়ে গেলেন। আরো ১ জার বানিয়ে রাখতে বললেন বিকেলে এসে নিয়ে যাবেন।

    তাশিজি সিনিয়ার চকোলেট বিস্কুট, চকোলেট হুইস্কি ট্রাফল, লেমন কেক, হানি লেমন প্যানকেক বেশ ভাল বানান। সিবাকথর্ন কেকটা খেয়ে দেখতে হবে শীগগির। ২৩শে বিকেলে অল্পবয়সী একটি মেয়ে এলো, দেখেই মনে হল বাঙালি। ঠিকই তাই, প্রচুর পিকচার পোস্টকার্ড নিল। একটা গ্রুপের সাথে এসেছে, বিকেলটা ফ্রি টাইম। গ্রুপটা মূলত দিল্লি হরিয়ানার লোক নিয়ে, বেচারি সমানে ভেজ আর কালি দাল খেয়ে খেয়ে বোর হয়ে ননভেজের খোঁজে বেরিয়েছে।



    অনেকক্ষণ গল্প হল। পুনম ধাবা আর পিতিক্যাফের খোঁজ দিলাম। মেয়েটির পুরো সোলোই ঘুরে বেড়াবার ইচ্ছে, তবে তার জন্য আরেকটু আর্থিক সক্ষমতা দরকার বলল। আপাতত যা রোজগার তাতে বড় গ্রুপে বেরিয়ে জায়গাগুলো দেখে নিচ্ছে, পরে আবার আসবে। এ বেরোতে না বেরোতেই আর একটি অল্পবয়সী মেয়ে এলো, গ্রেটার নয়ডার বাসিন্দা। প্রায় সোলোই ঘুরছে। প্রায় কারণ এসেছিলো এক বন্ধুর সাথে, তারপর বন্ধু ফিরে গেছে এ রয়ে গেছে।

    বন্ধুটি স্পিতি আসার আগে ওর নয়ডার বাড়িতে ছিল একদিন, স্পিতি আসছে শুনে মোটামুটি ৩ ঘন্টার মধ্যে ছুটি ফুটি ম্যানেজ করে ও চলে এসেছে। বন্ধুটি ফিরে যাবার পর বাসে বাসে লাংজা হিক্কিম তাবো ঘুরে আজ এসেছে কাজায়। আমাদের ক্যাফেতে কিছু বই রাখা থাকে যা চাইলে বসে পড়াও যায় অথবা নিজের পড়া কোন বই রেখে এখান থেকে কোন না-পড়া বই নিয়েও যাওয়া যায়। এককাপ হট চকোলেট নিয়ে মেয়েটি ঘন্টা তিনেক বসে বসে বই পড়ল।

    ফাঁকে ফাঁকে গল্পও চলল, ভলান্টিয়ারিঙের শুলুক সন্ধান নিল। এদিকে চারজন পাঁচজন করে গ্রুপ ঢুকছে। মন্যিয়া আজ ১২টায় ঢুকে ৫টায় বেরিয়ে গেছে কোন বন্ধুকে রিসিভ করতে। আবার সাড়ে সাতটায় আসার কথা। এলো বটে কিন্তু রুম থেকে ঘুরে এক্ষুণি আসছি বলে সেই যে হাওয়া হল আর এলো না তো এলোই না। ওদিকে ভোল্টেজ এত কম যে পিৎজা অর্ডার নেওয়া যাচ্ছে না, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই হচ্ছেই না। অতএব অর্ডার বদল, ক্যান্সেল ইত্যাদি ঝকমারি। মেসেজ করে জানলাম কোথায় নাকি পড়ে গেছে তাই আর ফেরত আসে নি।



    রাত নটায় আর কিছুতেই অর্ডার নেওয়া সম্ভব নয় বলে কয়েকজনকে বিদায় করে রুমে ফিরতে ফিরতে ১০.১৫। উপরে খেতে গিয়ে দেখি মন্যিয়া দিব্বি অন্য স্কীমের ভলান্টিয়ারদের সাথে আড্ডা মারছে। এদিকে রুমের গিজার ঠিক হয় নি আর অন্য যে রুমের বাথরুম ব্যবহার করছিলাম সেখানে লোক এসে গেছে। সব মিলিয়ে আর মাথা ঠান্ডা রাখা গেল না। দিলাম মিষ্টি করে বলে যে গরম জলের ব্যবস্থা আর বিকেলের পিক আওয়ারে কাউন্টারে আরেকজনের সাহায্য না পেলে আমি আর কন্টিনিউ করতে পারবো বলে মনে হচ্ছে না।

    তারপরে ঈশিতা মন্যিয়াকে ওখানেই ধরে আল্টিমেটাম দিল। ঠিক হল ২৪ থেকে আমি সকাল থেকে থাকবো আর মন্যিয়া বিকেল থেকে একাই থাকবে। বিকেলে ও কোনভাবেই আমাকে থাকতে দিতে চায় না। এদিকে বৈশালি, নরবুজি, তাশিজি আমায় বলছে বিকেলে ক্লোজিঙের সময় থাকতে। কি মুশকিল! ২৪শে সকালে গ্রেটার নয়ডার মেয়েটি আবার উপস্থিত। মানালির বাসে জায়গা পায় নি। টিকিট আছে শনিবারের বাসে, কিন্তু ওর সোমবারে অফিসে জরুরী মিটিং। রবিবারের মধ্যে দিল্লি পৌঁছাতেই হবে।



    অনেকক্ষণ বসে গল্প করল মেয়েটা। দিল্লি নয়ডায় একেবারে থাকতে পারে না, বোম্বে, ব্যাঙ্গালোরেও ঘুরে এসেছে ভাল লাগে নি। একটা রিমোট চাকরি খুঁজছে যাতে মানালি বা ধরমশালাগোছের কোথাও থাকতে পারে। ২৪ রাতের একটা থাকার আস্তানাও চাই। কাজার জোস্টেলটা বন্ধ হয়ে গেছে। আর তো হোস্টেল বলতে সেই স্পিতি ডায়ারিজ। বলে দিলাম ওটা মোটেও মিক্সড ডর্ম নয়, পিওর মেল ডর্ম। একটা প্রাইভেট হোস্টেল দেখেছে বাসস্ট্যান্ডের কাছে কিন্তু তাতে লোক নেই শুধু কেয়ারটেকার।

    বললাম এখানে ভয়ের কিছু নেই। হিমালয়ের নানা জায়গায় স্রেফ একজন কেয়ারটেকারওয়ালা হোটেল বা হোমস্টেতে আমি বিভিন্ন সময় থেকেছি। সেসব শুনে ভরসা পেল। কাল সক্কাল সক্কাল ট্যাক্সিস্ট্যান্ডে গিয়ে দাঁড়াবে শেয়ার ট্যাক্সি বা ট্রাভেলারে করে মানালি পৌঁছানোর জন্য। তাহলে চন্ডীগড় হয়ে রোববার সকালেই দিল্লি পৌঁছে যাবে। সেই জারভর্তি চকোলেট বিস্কুট কিনিয়ে গ্রুপটাও এলো, একই অর্ডার রিপিট করল। আজ তারা পিনভ্যালি ঘুরতে যাবে।

    আজ এই গ্রুপের দাবী হল তারা বিটকয়েন দিয়ে পে করবে। হয় বিটকয়েন নয় পে প্যাল। বললাম কোনোটাই সম্ভব নয়, কার্ডও নয়। হয় ক্যাশ নয় ইউপিয়াই। বলল গম্মেন্টকে চিঠি লিখবে। উৎসাহ দিয়ে বললাম হ্যাঁ হ্যাঁ পিএমওকে লেখো, ট্যুইটারেও দিয়ো। মনে মনে বললাম ফাদারল্যান্ড গোবরল্যান্ড ইত্যাদি, যাও লেখো। সেই দস্যি বাচ্চাদের গ্রুপের সবচেয়ে বড় বাচ্চাটাকে নিয়ে হয় বাবা নয় মা এসে খাবার প্যাক করিয়ে নিয়ে গেলেন দুইবেলাই।

    এদিকে কাজার মার্কেটে মোজারেলা চীজ ফুরিয়ে গেছে। ফলে অল্প যে দু'একটা ক্যাফের স্টকে চীজ আছে তারাই পিৎজার অর্ডার নিচ্ছে। সল ক্যাফেতে নেওয়া যাচ্ছে না। মানালি থেকে চীজ আসবে তারপর নেওয়া যাবে। বুধবার রাতে মন্যিয়া রুমে ফেরে নি। বৃহষ্পতিবার দুপুরে ফিরে বিকেল ৩টেয় ক্যাফে গেল। বৈশালিদের কথায় আমি গেলাম সাড়ে সাতটা নাগাদ। গিয়ে দেখি মন্যিয়া কাউন্টারে আর ওর সেই বন্ধু অ্যালেক্স দৌড়োদোড়ি করে সার্ভ করছে।

    বুঝলাম এইজন্যই বিকেলে পিক আওয়ারে ওর হেল্প লাগবে না। মহানন্দে ফিরতে যাবো, তাশি জুনিয়ার কিছুতে ফিরতে দিল না। অঞ্জলিও এসেছে, আজ সকালে মানালির বাসে উঠতে পারে নি ও'ও। শনিবারের টিকিট কেটে বাসস্ট্যান্ডের কাছের একটা বাইকার্স ডেনে মালপত্র রেখে এসেছে। আমরা কিচেনে বসে বসে গল্প করতে লাগলাম, লাদাখের গল্প, কল্পার গল্প, ঢানকড় আর তাবোর গল্প।


    তাশিজির সাথে

    ইতোমধ্যে খেয়াল করে দেখলাম আমায় সবাই 'দময়ন্তীজিই' বলে ডাকে। সিনিয়ার তাশিকেও যেমন তাশিজি বলে ডাকে। বয়সজনিত সম্মান। তাশিজি আমাকে আর অঞ্জলিকে এককাপ করে হট চকোলেট বানিয়ে খাইয়ে দিল। আর জুনিয়ার তাশি বারেবারে বলল সকালে উঠেই যেন ওদের দরজায় নক করি, ওদের রুমের গিজার চালু আছে, ও বালতি ভরে আমাদের রুমে পৌঁছে দেবে। এইসব অকাতর ভালবাসার ওমে ভরে ওঠে শীতার্ত রাত। ফুরিয়ে যায় ২৪শে। ২৫শের দিনটা বড় রংদার ঝলমলে ছিল। বলব সেসব কালকে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮
  • ভ্রমণ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ৭৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:১৬742986
  • এই মন্যিয়া বেশ দুষ্টু আছে তো! একদম ওপরের কুতুবাবুট্রি কেমন দুঃখী মতো মুখ :-(
  • Ranjan | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:২১742988
  • আহা!
  • জিলিপি | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৫৬742992
  • মন্যিয়া নামটা শুনে গ্যাংস অফ ওয়াসিপুরের ও উমন্যিয়া গানটা মনে পড়ে গেল।
     
    এই সিরিজটা টপ হচ্ছে তো!
     
    আচ্ছা এই দুঃখী মুখের কুতুয়া কী অন্ধ? দেখে কেন জানি মনে হল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন।