এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • কাজার ডায়েরি - ৫

    দ লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫
    ১৭/০৯/২৬


    পাহাড়চুড়ায় বরফের আঁচড়

    আজকের সকাল মেঘে মেঘে অন্ধকার আর কনকনে ভিজেভিজে ঠান্ডা। শ্রুতি আজ ভোর ভোর চলে যাবে, তাই ভোর ৫টায় উঠে তৈরী হয়ে একে তাকে ফোন করছে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেবার জন্য। স্রুতি মেয়েটা ভারী ইন্টারেস্টিং। শ্রুতি এখানে এসেছিল ভোটি ভাষার গান, বিভিন্ন উৎসবের পদ্ধতি গান, গল্প, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংগ্রহ করতে। স্পিতি ইকোস্ফিয়ারের সাথে একটা ডকুমেন্টারি ফিল্ম বানাচ্ছে। অনুরোধ করলাম একটা ডিজিটাল আর্কাইভও বানাতে। বলল হ্যাঁ পরিকল্পনা আছে সেটারও। মেয়েটা সারাক্ষণ এদিক সেদিক বেড়িয়ে বেড়ায়, হইহই করে, কিন্তু কাজও করে যায়। আড্ডা মারতে মারতেই ল্যাপটপে কিছু স্ক্রিপ্ট লিখছে কিছু এডিট করছে। আবার সায়াটিকার ব্যথায় নড়তে পারছি না বলে কল ডিসকানেক্ট করে রক ক্লাইম্বিং করতে চলে যাচ্ছে, ফিরে এসে রাত দুটো অবধি বসে কাজ শেষ করে রাখছে।

    অন্যদিকে মন্যিয়া মেয়েটি একেবারেই টিপিকাল দিল্লিওয়ালা। ভলান্টিয়ারি করতে এসে ধন্য করে দিয়েছে এমন একটা ভাব। ওকে ৬ ঘন্টা থাকতে বলা হয়েছে তার বেশী থাকবে না বারবারই বলে কিন্তু সাড়ে চার ঘন্টার বেশী থাকেও না। ফলে ঈশিতা আর বৈশালীর সাথে খটাখটি বাড়ছেই। আমার ঠিক আগের স্লটের এক ভলান্টিয়ার অঞ্জলীও ভারী ইন্টারেস্টিং। সে ভলান্টিয়ারিং পিরিয়ড মন দিয়ে কাজ করেছে। তারপর একটা ব্যাকপ্যাক পিঠে নিয়ে হিমাচলের গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে কাজা ফিরলে ক্যাফেতে এসে একব্যাচ কুকি বানিয়ে দিয়ে যায় কিম্বা কিছু অর্ডারের খাদ্য পানীয় তৈরী করে আমার হাতে ট্রে ধরিয়ে দেয়। মানে কাজ যে করছে সেটা জানানোর জন্যও তেমন চেষ্টা নেই।

    তো যা বলছিলাম শ্রুতি সকাল সকাল বেরিয়ে যাবার একটু পরে উঠে দেখি চারিদিক প্রায় অন্ধকার। মেঘ ঘন হয়ে এসেছে আর কুয়াশা। এমনিতেই কাজার সকাল বড় শান্ত নি:শব্দ। আজ একেবারেই কোত্থাও কারো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না। কালকের সেই বিয়েবাড়ির গানও মোটামুটি সকাল সাতটা নাগাদ বন্ধ হয়েছে। সাড়ে আটটা নাগাদ চারতলার ডাইনিঙে গিয়ে দেখি রবিভাইয়া সবে ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলাতে কচলাতে আসছে। প্রাতরাশ তৈরী হতে হতে ৯টার আগে নয়। ওদিকে পাহাড় ঘিরে মেঘ আর কুয়াশার চাদর, ছাদে গেলে সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম বৃষ্টির ফোঁটা গালে মুখে পড়ছে। ঘরে ফেরত এসে আবার নটার সময় গিয়ে দেখি মেঘ একটু সরেছে। পাশের পাহাড়ের মাথাগুলোয় সারি সারি বরফের ঢ্যাঁড়া দেওয়া। আর অতি সুক্ষ্ম হামানদিস্তায় গুঁড়ানো নুনের দানার মত বরফ ঝুরঝুর করে ঝরছে। সে বোধহয় মিনিট পাঁচেক ঝরল, তারপরেই থেমে মনমরা ঘুমু ঘুমু রোদ্দুর উঁকি দিল।

    বিষ্যুদবারে ক্যাফেতে ভীড় হয় শুনেছিলাম। উরিবাবা খুলতে না খুলতেই বারোজন। তার মধ্যে ৯ জনের একটা ইজরায়েলি দল। কার পিনাট অ্যালার্জি, কে পিওর ভেগান সবকিছু হোয় মিল্ক দিয়ে বানাতে হবে, কারো আবার এগটোস্টে তিনটে ডিম চাই, আরেকজনের সবকিছুর পাশে খানিকটা করে নুটেলা চাই। আরেকটা ভারতীয় গ্রুপ কোত্থেকে শুনে এসেছে এখানে স্পিতি ঘোরার প্ল্যান বানাতে সাহায্য করা হয়। নিজেরা কোনরকম খোঁজখবর না নিয়ে কয়েকটা জায়গার নাম হাতে করে বেড়াতে চলে এসেছে। এদিকে হাতে কেবল ৬টি দিন। আজব কনফিডেন্স লেভেল মাইরি!

    আরেক কাপল এসে জমিয়ে প্রাতরাশ সেরে টিশার্ট দেখছিল, ট্রায়াল দিয়ে খান দুয়েক নিলোও। তারপরেই নিজেদের মধ্যে কিসব গুজগুজ করে আমায় বলে অমুক প্রিন্টের তমুক সাইজের টিশার্টটা একটু পরে দেখাবে প্লীজ।
    অ্যাঁ! মানে কী?
    না আমরা যার জন্য নিতে চাইছি তার চেহারা মোটামুটি তোমারই মত তাই আর কি।
    তা বেশ অমুক জামার আমি কোন সাইজটা পরি সেইটে বলতে পারি if that helps.
    না না একটু পরে দেখাও তাহলেই নিশ্চিন্তে নিয়ে নিতে পারি।
    পাল্লামনা ফোট!

    বারোটা নাগাদ অঞ্জলী এলো হইহই করতে করতে। মানেগ্রাম থেকে ট্রেক করে ফিরছে। মানে লেকে উঠতে গিয়ে নাকি হাল খুব খারাপ হয়েছিল। তখনো খদ্দের আসার কমতি নেই। আমি ইগা তাশিজি সিনিয়ার মিলে সামলাতে পারছি না। অঞ্জলীও হাত লাগাল খাবার বানাতে। মেয়েটা বেশ ভাল শেফ। মানেগ্রাম গেছে হিচ হাইক করে ফিরেছেও সেভাবেই। আমায় বলল আরে ভলান্টিয়ারি শেষ হবার পরে দিন পনেরো থেকে সবকটা গ্রাম ঘুরে নাও। আমার তো অন্য প্ল্যান লাইনড আপ হয়ে আছে কাজেই এবারে উপায় নেই। বৈশালী এলো, ততক্ষণে খদ্দের আসা কমেছে কাজেই আড্ডা চলতে লাগল। দেড়টা নাগাদ মন্যিয়াকে ফোন করলাম কখন আসবে জানতে। বলল কুড়ি মিনিটে পৌঁছাচ্ছি। দুটো অবধি অপেক্ষা করে আমি বেরোলাম রুমে ফিরতে। দায়িত্বজ্ঞানহীন গেঞ্জি একটা।


    কাজা মনাস্টারি

    রুমে ফিরে দেখি সে মেয়ে তখনো তৈরীই হয় নি। আমি বলে দিলাম আবার ৭টা নাগাদ যাবো। খেয়েদেয়ে বসে বসে খানিকক্ষণ বইয়ের দোকান খুঁজলাম। একদম মার্কেটের মধ্যেই একটা আছে পিলগ্রিম বুক পেজেস নামে। সে দেখি টেম্পোরারিলি ক্লোজড বোর্ড লাগিয়ে বসে আছে। বিশ্বপাকা গুগল বলল হাইওয়ের ওপরে একটা হ্যান্ডিক্রাফটসের দোকানে পাওয়া যাবে। বেরোলাম ম্যাপ অন করে। সরু গলির কোথাও একটা ওয়াই জাংশানে ভুল দিক নিয়েছিলাম বোধহয়, সে কি গোরানটাই না ঘোরাল বাপস! আর প্রচুর ঢালু ওঠা। NH 505এ সেই দোকানে পৌঁছে জানা গেল তারা ম্যাপ ফ্যাপ মোটেও রাখে না।



    তাহলে কাজা মনাস্টারিতে যাওয়া যাক। ম্যাপে কিরকম ইউটার্ন দেখাচ্ছে, তা তো হওয়ার কথা নয়। একজন লামা (মানে লামার পোশাক পরা) দেখি গাড়ি বের করছেন। তাঁকেই পথ জিজ্ঞাসা করি। তিনি পথ বলে দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে এনে উঠে আসতে বলেন। মনাস্টারির পাশ দিয়ে একটা রাস্তা নাকি সোজা মার্কেট অবধি যায়। সে রাস্তাটা মোটামুটি ভালও আর হাইওয়ে ধরে হাঁটা খুব একটা সেফ নয়। মাঝে একটা শার্প বাঁক আছে ইত্যাদি। গুগল ম্যাপ ব্যবহার না করে স্থানীয় মানুষকে জিজ্ঞাসা করে চলাই ভাল। মনাস্টারির গেটে আমায় নামিয়ে দিয়ে লামাজি চলে গেলেন। কাজা মনাস্টারি তিব্বতী বৌদ্ধধর্মের শাক্য সেক্টের অন্তর্গত। যথারীতি রঙচঙে ছবি আঁকা দেওয়াল ও ছাদ। ভেতরে কিছু কাজকর্ম চলছিল তাই বৌদ্ধমূর্তি পর্যন্ত পৌঁছানো গেল না।



    যাঁরা মেরামতি কাজ করছিলেন জোর করে চা খাইয়ে দিলেন। নাহলে নাকি গুরুজি রাগ করবেন। বিস্কুটও ছিল রাখা। আর ছিল নুনছাড়া মাখনের ব্লক। শুনলাম দর্শকদের প্রত্যেককে ধরে খাওয়াবার চেষ্টা করেন এঁরা। মনাস্টারির ঠিক পেছনেই পাহাড়ের মাথায় সোনালী রঙের মস্ত একখানা বুদ্ধমূর্তি বসানো, অনেকটা লাংজার বুদ্ধমূর্তির মত দেখতে। সামনে রেলিং দিয়ে ঘেরা। ওখান থেকে কাজা শহর আর স্পিতিনদীর অসাধরণ ভিউ পাওয়া যায় শুনেছি। কিন্তু এই পাহাড়টায় হেঁটে ওঠার মত এতটা অ্যাক্লেমেটাইজড এখনো হই নি। সামনের সপ্তাহে এসে উপরে উঠতে হবে। এই মনাস্টারির চত্বরে লোকে স্টার গেজিঙের জন্য আসে। মন্যিয়ারাও৷ এসেছিল মঙ্গলবারে। বেশ ভাল মিল্কিওয়ে দেখেছে, আর দেখেছে তারা খসা। মনাস্টারি থেকে বেরিয়ে পাশের ক্যাফেতে গিয়ে বসে এককাপ হট চকোলেট অর্ডার করি।





    মনাস্টারির প্রায় উল্টোদিকেই পেট্রোল পাম্পের পাশ দিয়ে বেশ ভাল রাস্তা নেমে গেছে সোওজা মার্কেটের দিকে। সূর্য অস্ত গেছে বেশ খানিক আগে। আস্তে আস্তে অন্ধকার হয়ে আসছে। মিনিট কয়েকের মধ্যেই সল ক্যাফের সামনে পৌঁছে যাই। সেখানে তখন খদ্দেরের ভীড়ে জমজমাট। রাত ৮টা ৪০ নাগাদ বাধ্য হয়ে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করতে হল। রুমে ফিরতে ফিরতে পৌনে দশটা। ততক্ষণে মার্কেটের অর্ধেকের বেশী দোকান ঝাঁপ বন্ধ করেছে। গাবলু কুকুরগুলোও আজ আর ততটা পথ আটকাচ্ছে না, বরং গুটিশুটি মেরে বসে আছে। বেশ ভাল ঠান্ডা। শীত আসছে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫
  • ভ্রমণ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sambuddha Bisi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:১৭742820
  • দারুণ ট্রান্সপোর্টিং লেখা, @দ
    প্রতি পর্বের অপেক্ষা থাকছে।
  • অরিন | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:০৪742824
  • সুন্দর বর্ণনা।
    হোয় মিল্ক কি বস্তু?
    লেখার শেষে মনে হয় হট চকলেটের ছবি দিয়েছেন।
  • বিন্দুবাসিনী | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:২৫742825
  • মনে হয় ছানা কাটানো জলকে হোয়ে মিল্ক বলা হচ্ছে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন।