এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  ছবিছাব্বা

  • বিনায়করুকুর ডায়েরি

    বিনায়করুকু লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | ছবিছাব্বা | ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৫৯১২ বার পঠিত
  • আমি বিনায়করুকু

    আমি রুকু বিনায়ক। সবাই বলে আমি বুদ্ধু। ভোঁদাই। মা আমাকে গাধা বলে না মুনা বলে। পাপা বলে পুচাই। আমার দুটো হাত,দশটা হাতের আঙ্গুল,দুটো চোখ আছে,যা দিয়ে আমি ছবি আঁকা। পাপা মা বলে আমার অটিজম আছে। অটিজম কী আমি জানিনা। তবে আমি একটু কেমন যেন।
    আমার গাড়ির চাকা,টেবিল ফ্যান,ছোট ছোট রবারের পুতুল ,রং,তুলি পেন্সিল ভালো লাগে। আমি লাফাতে ভালোবাসি। এ দেয়াল থেকে ও দেয়াল। সব দেয়ালে হাতের চাপ,সব দেয়ালে সর্দি,নাকের পোঁটা লাগে। মা বলে যাতা। আর মোছে। ।


    ছানার পায়েস
    গরম কাল ভালো। ছাদে ক্যাম্প খাট পাতা হয়। মা,পাপা,আর রুকু ভোঁস ভোঁস ভোঁস আর তারা দেখা।
    প্লেন,ই টি E, T, স্যাটেলাইট সবাইকে দেখতে পাই। আমি science পড়িনা আকাশ দেখি। গরম কালে মোটা অন্য সময় সরু।
    পেঁচা আর কাক ও ওড়ে। শুধু মশার ধূপ টা বিচ্ছিরি।
    তারাও দপ দপ মোবাইল টাওয়ার দপ দপ দপ। সিগনাল সিগনাল খেলে যায়।
    আমি অনেক তারার নাম জানি।
    একটা থালায় এক সাথে থাকলে সীতাভোগ।
    আলাদা থাকলেই ওই জিলিপি আর চন্দ্রপুলি।
    Galaxy টা ছানার পায়েস।
    পাপা কে বলবো।







    ডায়েরি ৩

    মামারবাড়ি একটা Scare crow আছে।
    কুট্টিমামার ছেঁড়া জামা পরে।
    ওটা কাকতাড়ুয়া।
    গাছ বাঁচায়া।
    ওর জামা change হয়না।
    মাটির হাঁড়ির দাঁত গুলো গুঁড়ো গুঁড়ো।
    সবুজ পুকুরে কালো তেলাপিয়া।
    জলের নিচে মাটির কলসিটা
    মাছতাড়ুয়া।
    দাঁত গুলো শ্যাওলা।

    ডায়েরি ৪

    সাউন্ডে আমার ভয় করে। বাজে একটা ফ্যা করে আওয়াজ হয়, বিরক্ত লাগে। কোন কিছু ল্যাগড্যাগ করলে, নখ কাটলে,চুল কাটলেই।
    ফ্যা,কচ কচ।
    লোডশেডিং হলে আমি চিৎকার করি মায়ের হাত ঝাঁকাই। মা বলে বিহেব, বিহেব। আর বলে ও গড।
    বিহেব হবোনা আমি রুকু হবো।
    মা দিওয়ালি দিওয়ালি খেলে । উঠোনে মোম। (আমরা সারা উঠোনে মোম জ্বালিয়ে রাখি)
    সম্রাট,ছোটু, মন্টু বলে খেপেছে খেপেছে।
    আমি সবার নাম ধরে
    ডাকি। ছেলেটা তাড়া করে । সাইকেল এর ঝুড়িতে থান ইট দিয়ে দেয়।
    আমি নেমশেক নেমশেক খেলি। চ্যাটার্জি,চারটে পিনচে,মলয়দা, সব এক নাম।
    মামাবাড়িতে পল্লব দোস্ত (বিনায়করুকু র মাতামহ) এর সাথে মাছ ধরি।
    লাল ফুটো ফুটো বাক্সে মাছ থাকে জলের মধ্যে ডোবানো।
    লজ্জাবতী (কুকুর) আর লালমোহন টিয়া ওপরে চলে গেছে।
    মা গান গায়, দিল তো বাচ্চা হ্যায়ে জি।
    রূপ তেরা মাস্তানা, মা গায় না।
    হামা হাম্মা গান হলে আমরা তিন জনে নাচি।
    রাত্রি বেলা মা বাজু বন্ধ্য খুলে যায় শোনে।





    ডাইরি ৫

    বাড়ি,ছাউনি, শহর পেরোলেই মাঠ
    তাঁতি পাড়ায় ডিসে ,ডিসে, ডিসে, চ্যায়ে।
    হলদে কুকুর পাপার গাড়ির পিছনে লাফায়।
    রেল লাইনের উপর কাঠবিড়ালি।
    মা র সানগ্লাস চকচকে।
    মাঠে মোবাইল টাওয়ার, ত্রিশূল।
    খর খরে শুকনো ঘাস,স্পেয়ার পার্টস।

    ডাইরি ৬\

    সারি সারি মোমবাতি জ্বলে।
    শ্যামা পোকার পোড়া গন্ধ।
    উঠানে চরকি ঘোরে।
    আসমান গোলা,
    আকাশ থেকে আগুন পড়ে।
    পাপার চোখে টুনি বাল্বের আলো।
    কচুবনে ঝিঁ ঝিঁ পোকা জোনাকি জ্বালে।
    পুকুরে "ডেপ চার্জ"জল ছেটায়।
    পেপসি খাটের তলায়।

    ডাইরি ৭

    আমি যা ইচ্ছে তাই ছবি আঁকবো।
    ঘড়ি দিয়ে সূর্য।
    রেল গাড়ি টা ভাগছে।
    কাগজ দিয়ে Papyrus।
    রেলগাড়ি দিয়ে মেঘ বেরোবে।
    বেশ ইচ্ছে করেছি।
    জিনাত আমন পুকুরে।
    সাঁতারে।
    বিনায়করুকু।





    কেদারনাথ ডাইরি ১

    গুপির গাধার মত আমাকে ঘোড়া চাপিয়ে
    কেদারনাথ নিয়ে যায়
    রমেশ ডানিয়া সহিস।
    আমার ভয় করছিল।
    সহিস বললো ভাইয়া মাত বোল,
    'কিদার" বাবা কি জয় বোল।
    দুনিয়ার লোক কে বলছিলাম
    হঠ যাও মাসি। হঠ যাও চাচা।
    ঘোড়া থেকে নেমে "মানুষ পিঠে " উঠে
    GMVN এ গেলাম।
    পিঠে চড়ে আকাশ দেখলাম।
    লোকটা মুখে হুঁ হুঁ আওয়াজ করছিল।
    দুপুরের পাহাড়ের রং সাদা।
    বিকেলে নীল গোলাপি।
    রাতে সাদা কালো হলুদ।
    একা পাহাড়।
    একা নদী।

    কেদার ডাইরি ২

    সব পাহাড় গুলোতে শিব ঠাকুর আর কিং কং
    ঘুমোচ্ছে।
    মুখের কাছে মেঘ মেঘ মেঘ সিগারেট।
    ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ,ধোঁয়া ধোঁয়া।
    রাতে একা নদী মার মত চ্যাঁচায়।
    জ্বর হয়েছে।
    কালো পাহাড় টা ভেজে।
    চাঁদ টা সবাই কে আলো দেয় নি।
    পাপা আর রুকুর আঙুল জোড়া।
    Unit হয়ে ঘুমায়।
    শিব ঠাকুরের শীত করে।
    শিব ঠাকুরের পাপা নেই।
    শীত করে।

    কেদারনাথ ডায়েরি ৩

    সূর্য উঠলে পাহাড় টা দাঁত মাজে।
    সাদা থেকে হলুদ হয়ে যায়।
    নীল রঙের বৃষ্টিটা মাউথওয়াশ।
    হলুদ ফুল গুলো জিলিপির মত,
    সুতো দিয়ে বাঁধা।
    ব্রেকফাস্ট এ পোহা আর মেঘ।
    বদ্রিনাথে নীলকণ্ঠ পাহাড় সিঙাড়া।
    নদীটা এক কাপ চা।
    রুকু চা খায়।

    ডাইরি - কেদারনাথ বদ্রিনাথ যাত্রা

    পাহাড়ে কচুবন নেই।
    পাইনের বন।
    পাথর গুলি,আর উলের বল,ছক্কা।
    উলের বল গড়ায়।
    এই পাহাড় ওই পাহাড় জোড়া ,জোড়া,জোড়া।
    রাস্তা আর ব্রীজ দিয়ে,
    শিব ঠাকুর লুডো খেলে।
    বাসে বসে রুকু হাসে।
    বাস টা গরম বাইরে ঠান্ডা।
    জানালার কাঁচে
    পাতার ধাক্কা চিরিক চিরিকি।
    রুকুর হাতে ছোট পাথর
    ছক্কা পাঞ্জা।





    রুকুর মায়ের কথা :
    আমি একজন স্পেশাল মানুষের মা। বিনায়করুকু আমার পুত্র। তার অটিজম আছে। তার ১৬ বছর বয়েস। রুকু অনেক কিছু পারেনা। গুছিয়ে কথা বলতে পারেনা, গুছিয়ে লিখতে পারে না, জগৎটাকে নিজের মত করে দ্যাখে। যা ভাবে তাই লেখে। লেখে নিজের শর্তে, বাঁচে নিজের শর্তে। বিচারের ভার পাঠকের উপর।

    রুকুকে নিয়ে আমাদের জার্নির কিছু কথা ধরা আছে, এখানেঃ http://www.guruchandali.com/blog/authors/sumongb78
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৫৯১২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • দেবরাজ গোস্বামী | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০২:৩০84012
  • লেখাগুলো সব ছবির মত ... আর ছবিগুলো ... আমার মতামত আজ থাক ... আমার ছেলে দেখে বলল 'দুর্দান্ত' ।
  • b | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০৩:৪৫84013
  • দুর্ধর্ষ।
  • Kakali Sinha Roy | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০৪:৫৮84014
  • আহা! অদ্ভূত সুন্দর শব্দ বন্ধ, ছেলেবেলায় ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েদিলে। গোছানো কথা গোছানো লেখার থেকেও অনেক বেশী আকর্ষণীয় এ লেখা। আর ছবি দুর্ধর্ষ সুন্দর।
  • | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০৫:১৫84009
  • ফেনোমেনাল
  • soumitra | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০৮:১৮84010
  • আঁকার হাত বেশ পরিণত , দেখার চোখও অসাধারন।
  • Tim | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ০৯:০৭84015
  • অপূর্ব সব ছবি আর চমৎকার লেখা! ছবিগুলো অনেকবার দেখলাম।
  • nsg | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ১১:১০84011
  • খুঊব ভলো লেখা। আরো লেখা পড়তে চাই।
  • দিলীপ ঘোষ | unkwn.***.*** | ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ১২:৫১84007
  • রুকু বিনায়ক এবং তার মা কে অনেক শুভেচ্ছা। রুকুর ডায়েরি পড়তে খুব ভালো লাগলো।
  • কুশান | unkwn.***.*** | ১৬ নভেম্বর ২০১৮ ০৬:৩০84016
  • মুগধ এই ডায়েরি পড়ে। ছবিগুলোর থেকে চোখ ফেরানো যায় না।
    আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি পড়ে মুগধ হয়েছিলাম। রুকুর ডায়েরি কবিতা, ছবিগুলো মায়াময়।

    আপনি, যিনি রুকুর মা, আপনি ও রুকু ভালো থাকবেন।
    গুরুকে ধন্যবাদ এমন আশ্চর্য লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।
  • sarmistha | unkwn.***.*** | ১৬ নভেম্বর ২০১৮ ০৬:৫৩84017
  • ছবি দেখে তাক লেগে গেলো। অসাধারণ। আমি মুগ্ধ।
  • জি | unkwn.***.*** | ১৭ নভেম্বর ২০১৮ ০৩:০৩84018
  • দুর্ধর্ষ!!! ছবিগুলো এত অপূর্ব!
  • রাসেল | unkwn.***.*** | ১৭ নভেম্বর ২০১৮ ০৩:৩৪84020
  • রুকুকে আমার ভীষণ পছন্দ হলো। ওর ভাবনাগুলোর মতো অনেকটা একই রকম আমিও ছোটবেলায় ভাবতাম।

    সূর্য উঠলে পাহাড় টা দাঁত মাজে।
    সাদা থেকে হলুদ হয়ে যায়।
    নীল রঙের বৃষ্টিটা মাউথওয়াশ।
    হলুদ ফুল গুলো জিলিপির মত,
    সুতো দিয়ে বাঁধা।
    ব্রেকফাস্ট এ পোহা আর মেঘ।
    বদ্রিনাথে নীলকণ্ঠ পাহাড় সিঙাড়া।
    নদীটা এক কাপ চা।
    রুকু চা খায়।

    রুকুর এই কবিতাটি মনে হচ্ছে আমারই ছোটবেলায় লেখা কোন এক কবিতা, যা আমি লিখতে পারি নি। রুকু পেরেছে। জানি না, রুকু আমার এই লেখা দেখতে পাবে কিনা! যদি দেখতে পায়, তবে আমার নতুন বন্ধুর নামটি আমি রুকুকে কানে কানে গোপনে বলতে চাই। নতুন বন্ধুটির নাম "রুকু"। বন্ধুটিকে পেয়ে আমি দারুণ খুশি।

    আবার কথা হবে কোন একদিন বন্ধু, ততক্ষণ তুমি ভালো থেকো আর সুন্দর সুন্দর কবিতাগুলো লিখতে থাকো।

    বায় বায়।
  • Kakali | unkwn.***.*** | ১৭ নভেম্বর ২০১৮ ০৩:৫১84021
  • অপূর্ব লাগলো! এই ছবিও রুকুর আঁকা? ছবি ও লেখা দুই ই অসাধারণ এবং মন কে ভীষণ নাড়া দেয়। আরো অনেক লিখুক রুকু, আর এই অদ্ভুত সুন্দর আঁকার কথা কি বলবো!
  • আয়নামতি | unkwn.***.*** | ১৭ নভেম্বর ২০১৮ ০৪:৩১84019
  • রুকুর হাত ধরে ওর বর্ণালী দারুণস্য দারুণ আঁকাআঁকি আর ডায়রি পাতার লেখালেখিতে মুগ্ধ হলাম। অনেক দূর থেকে রুকুর জন্য বিগ বিয়ার হাগ পাঠাচ্ছি সাথে অনেকক অনেক শুভকামনা ভালোবাসা।
  • সুদেষ্ণা মৈত্র | unkwn.***.*** | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৭:৩০84022
  • খুবই ভালো
  • র২হ | 172.69.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৩৪90894
  • আজ বই হয়ে বেরুলো, রুকুর গ্যালাক্সি।
  • একলহমা | 162.158.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:৪০90895
  • বই প্রকাশের অভিনন্দন! রুকুর গ্যালাক্সির প্রচ্ছদ আর দু-একটা পাতার ছবি পাওয়া যাবে এখানে?
  • বুঝতে পারছি না দেখা যাবে কিনা | 162.158.***.*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৩৫90896
  • ^&* | 162.158.***.*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৩৬90897
  • নাহ ফেসবুকের ছবির লিঙ্ক বড় ভজঘট

  • একলহমা | 108.162.***.*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:৩৭90900
  • বাঃ! খুব সুন্দর প্রচ্ছদ হয়েছে। দেশে গেলে অবশ্যই কিনতে হবে।
  • pi | 172.69.***.*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:২৫90905
  • রুকুর গ্যালাক্সি নিয়ে আজকের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে। বইটা,যাঁ্রা পেতে আগ্রহী, কাল চলে আসুন ৪৪৬ এ, গুরুচণ্ডা৯ তে। করুণাময়ী বাসস্ট্যাণ্ডের ৮ নং গেট দিয়ে ঢুকেই! https://bengali.indianexpress.com/literature/17-years-autistic-binayak-ruku-book-published-kolkata-book-fair-189244/
  • বিপ্লব রহমান | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:৪৩90996
  • "সব পাহাড় গুলোতে শিব ঠাকুর আর কিং কং
    ঘুমোচ্ছে।
    মুখের কাছে মেঘ মেঘ মেঘ সিগারেট।
    ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ,ধোঁয়া ধোঁয়া।
    রাতে একা নদী মার মত চ্যাঁচায়।
    জ্বর হয়েছে।
    কালো পাহাড় টা ভেজে।
    চাঁদ টা সবাই কে আলো দেয় নি।
    পাপা আর রুকুর আঙুল জোড়া।
    Unit হয়ে ঘুমায়।
    শিব ঠাকুরের শীত করে।
    শিব ঠাকুরের পাপা নেই।
    শীত করে।" 

    প্রকৃতির এই বর্ণনা একমাত্র রুকুর পক্ষেই সম্ভব। "রুকুর গ্যালাক্সি" এপাড়ে অবশ্যই কিনবো।

    ব্রেভো, মাই আর্টিস্ট!     

  • দ্যুতি | 162.158.***.*** | ০১ মার্চ ২০২০ ২৩:৪৪91177
  • তোমার বই কিনেই পড়েছি, ছবি দেখেছি। সৃষ্টি চলুক। আমরা আরো এমন ছবি গল্প কল্পনার জন্য অপেক্ষায় রইলা।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন