এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  •  অধ্যায় ৫: লেখার শুরু, নীরব যুদ্ধ

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ৮৫ বার পঠিত
  • 0 | 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8
    বাসায় ফেরা। দরজার চাবি ঘুরানো। কাচড়ে শব্দ। ভিতরে ঢুকেই নিঃশব্দতা গিলে ফেলা। শুধু ফ্রিজের গুঞ্জন, একটানা ইঁ-ইঁ করা। কম্পিউটারের টাওয়ার চাপ দিতেই ফ্যান ঘুরতে শুরু করা। পুরনো যন্ত্র, ধুলো খাওয়া। হাউইইই- শব্দ। মনিটরে নীল আলো জ্বলা। সাদা পর্দা খোলা। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড। ফাঁকা ডকুমেন্ট। কার্সারটা সাদার ওপর ঝিকিমিকি করা, ডগমরুর পোকাটার মতো। কাঁপছে। হার্টবিটের মতো টকটক করা।

    আঙুল কি-বোর্ডের ওপর রাখা। প্লাস্টিক ঠাণ্ডা। ক্লিক করার শব্দ। প্ৰথম শব্দটা বেরোতে কষ্ট হওয়া। আটকে থাকা গলায় থেকে। তারপর লিখা: "আমি বিরক্ত।"

    তাড়াতাড়ি ডিলিট করা। আবার লেখা: "আমার এক্কেবারে জিরগিট ধরে গেছে।"

    হাঁ। এটাই। এটাই ঠিক কথা। আঞ্চলিক শব্দটা গায়ে সটকা মারা। বইপড়া ভাষা না। জীবন্ত ভাষা। মুখের ভাষা।

    তারপর থেমে যাওয়া। হাত কাঁপা। কি লিখব আর? কি বলার সাহস আছেই বা? পুলিশি কেসের ভয়? না, তারচেয়েও ভয়ঙ্কর... 'অনুৎসাহিত' করা। 'নিরুদ্দেশ' হয়ে যাওয়া। বাবা-মার ফোন আসা: "তুই কি লেখালেখি করছিস? সবার আগে চাকরি দে।" অধ্যাপকের সতর্ক করা: "লেখা মানে ঝুঁকি। ঝুঁকি নেয়া মানে সমস্যা।" সহপাঠীর চাপাদাপি: "এসব কি আবার? ফেসবুকে স্ট্যাটাস দে, সেলফি তোলে, লাইক পা।"

    মনে পড়ে গণমাধ্যমের মুখদের কথা। নিউজের এঙ্কর। তাদের মুখ মসৃণ, আলতো কসমেটিকসে ভরা। টাই বাঁধা নিখুঁত। তারা বলছে: "দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের মহাসড়কে।" একই চ্যানেলে, একই সুরে, নিচে টিকার টেপে ভেসে আসছে: "রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত তিন যুবক আটক। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে।" "বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ব্লগারকে জামিন অস্বীকার।" মুখ না পাল্টানো। একটুও না। হাসিটা ঠিক জায়গায় আটকে থাকা। চোখে কোনো কুঞ্চন না আসা।

    আমার নিজের কথাগুলো পড়া। "জিরগিট ধরে গেছে।" এইটা কি 'বিভ্রান্তিকর'? এইটা কি 'অসামাজিক'? এইটা কি 'বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রচেষ্টা'? কে ঠিক করে এইসব? সেই মুখগুলো? যারা টেলিপ্রম্পটার পড়ে? যাদের কথার সুরে কখনো চড়া ভাব আসে না?

    বাবা-মায়ের কথা মনে পড়া। ওদের মুখ। সারাজীবনের ক্লান্তি কপালে লিখা। বাবা বলতেন: "লেখাপড়া কর, সরকারি চাকরি পাও। ঝামেলায় যাস না। মুখ খুলিস না।" মা বলতেন: "চুপচাপ থেকো বাবা। দেখো, কেউ কিছু বলবে না।" চুপচাপ থাকা। মুখের ভাব বজায় রাখা। খুশি থাকার ভান করা। এটাই বেঁচে থাকার মন্ত্র।

    তবু লিখতে শুরু করা। আঙুল নিজে নিজে চলা। কি-বোর্ডে আঘাত করা। ঠকঠক , স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, চাকরি, বিয়ে, বাচ্চা, ঋণ... এর কোনো শেষ নাই। শুধু চলা। শুধু হাঁটা। শুধু মুখের ভাব বদলানো।

    "আমার জিরগিট ধরে গেছে। আমি টের পাই, আমার স্মার্ট ফোনটা আমাকে লক্ষ্য করে রাখে। দিনরাত আমার মগজ ধোলাই করে। যেই জিনিসের আমার দরকার নাই, সেই জিনিস কিনতে বলে। আমি কাজ করি না, আমি মানুষের মুখের ছবি দেখি। মানুষের আঁখির ভাব দেখি। মুখের কাঁচাল ভাব দেখি। আমার দেশের গণমাধ্যম ধর্মীয় উসকানি দিয়া টাকা কামায়। শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় বেসরকারি। টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট। আমি শুধু মুখের ভাব দেখে যাই। মানুষের মুখের। বেশ্যার দোকানে যাই। সেক্স করি না। শুধু দেখি। মেয়েগুলার উলঙ্গ নাচ দেখতে আমার ভালো লাগে। ।"

    শব্দগুলো স্ক্রিনে জমা হওয়া। কালো অক্ষর। সাদা পটে কালি ছিটানো মতো। একটা গোপন বিদ্রোহ। একটা নীরব চেঁচামেচি। আমার ভিতরের আওয়াজ, যেটা মুখ দিয়ে বের হয় না, শুধু আঙুলে বের হয়।

    উইন্ডো বন্ধ করার আগে, ডকুমেন্ট সেভ করা। নাম দেই: "ইচ্ছাগুলো.txt"। তারপর এই ফাইলটা জিপ করে। পাসওয়ার্ড দেই: Mukh_Shobdo_2024। তারপর এই জিপ ফাইলটা 'Old_Songs' ফোল্ডারে রাখি। তার ভিতর 'Kazi_Nazrul_Islam' ফোল্ডারে। তার ভিতর 'ভাঙনের গান.mp3' ফাইলের পাশে। ধুলোর নিচে লুকানো।

    বিছানায় শুয়ে পড়া। ছাদের ফ্যান ঘুরতে দেখা। ক্লিক... ক্লিক... ক্লিক... আজকের মুখগুলো মনে পড়া।

    বারিস্টার মেয়েটার মুখ। তার পেশাদার হাসি। কিন্তু তার হাতের ট্যাটুটা দেখছি— একটা পাখি, খাঁচা ভাঙার চেষ্টা করছে। সে কি জানে আমি দেখেছি? সে কি জানতেও চায়?

    বইয়ের দোকানের বুড়ো মালিক। তার চশমার পিছনে চোখ ভিজভিজ করা। তিনি একটা কথা বলেছিলেন, খুব নিচু গলায়: "বই নিয়া সাবধান, ছাওয়াল। বইয়ের ভিতর ভূত থাকে। জ্ঞানির ভূত। সেটা বড়ি বিপদজনক।" আমি হেসেছিলাম। তিনি হাসেননি।

    অধ্যাপকের মুখ। আমার প্রশ্ন শুনে তার ঠোঁট শক্ত হওয়া। তারপর জোর করে হাসি আনা: "সিলেবাসের বাইরে না যাওয়াই ভালো।" মাস্ক পড়ে নেওয়ার শব্দ শোনা মনে হয়।

    নাচের মেয়েটার ফাঁকা দৃষ্টি। তার 'প্রাইভেট রুমে' যাওয়ার প্রস্তাব। কিন্তু তার চোখে কোনো লোভ নাই। শুধু টাকার জন্য বলছে। দেহ বিক্রি করছে, কিন্তু মন বিক্রি করে নাই। এখনো নিজের দখলে আছে।

    সহপাঠীর লজ্জা। নাচের ঘরে চোখাচোখি হওয়া। তারপর মুখ ফিরিয়ে নেওয়া। সে কি নিজেকে চেনাতে ভয় পায়? নাকি আমার 'পাপ' দেখে লজ্জা পায়?

    এই সব মুখ। এই সব ভাব। এই সব আড়াল। আমরা সবাই মাস্ক পরি। কেউ পেশাদারির মাস্ক। কেউ ধার্মিকের মাস্ক। কেউ শিক্ষিতের মাস্ক। কেউ শহুরে কুলটারের মাস্ক। কিন্তু নিচে কি আছে? একই ভয়? একই ক্ষুধা? একই জিরগিট?

    ভিতরে কিছু একটা দাউ দাউ করে জ্বলা। একটা ক্ষুদি কণ্ঠ, যেটা ফুচকি বলে। "লিখ। লিখে ফেল। যা দেখস, তাই লিখ। যা ফিল করস, তাই লিখ। মুখের ভাষায় লিখ। গ্রামের ভাষায় লিখ। শহরের কৃত্রিম ভাষায় না।"

    কিন্তু বিপদ। ভয়। গলায় শুকনা কাশির ভাব।

    মোবাইলটা বালিশের নিচে। সে কি শুনছে?
    তবু লিখি। একটা নতুন ফাইল খুলি। নাম দেই: "গুপ্ত কথা.doc"। লিখি:

    "আজকে বাজারে গেছিলাম। এক কৃষক দেখলাম। আলু বিক্রি করছে। মুখে হাসি নাই। চোখে হাল নাই। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম: 'কাকা, দাম কেমন?' সে বলল: 'দামে কি আর খাই? বেচে যা পাই, তাহাতে সার-ওষুধের খরচই উঠে না।' তার মুখের ভাব দেখলাম। এক্কেবারে নিষ্পেষিত। মিডিয়ায় যেভাবে 'ডিজিটাল কৃষক' দেখায়, সেরকম না। আসল মুখ। ময়লা, ঘাম, হতাশায় ভরা।

    আমি তার একটা ছবি তুললাম। সে রাগ করল: 'কেন ছবি তুলস? টাকা দিবা?' আমি লজ্জা পেলাম। তাকে পঞ্চাশ টাকা দিলাম। সে নিল। কিন্তু তার চোখের দিকে তাকালে বুঝলাম, টাকায় তার অপমানই কিনলাম। আমি আরেকটা ভোক্তা হয়ে গেলাম। তার দুঃখের ভোক্তা। তার মুখের ভাবের দাম দিলাম। এই শহরে সবকিছুর দাম আছে। হাসির দাম। কান্নার দাম। হতাশার দাম। প্রতিবাদের দাম। সবকিছু বাজার।"

    লিখে রাখি। সেভ করি। আবার জিপ করি। এবার পাসওয়ার্ড দেই: "Mukh_Folk_007"।

    বিছানায় গা এলিয়ে দেই। ফ্যানের শব্দে মনে হয়, কথা বলছে। "চলতে থাক... চলতে থাক... থামিস না... থামিস না..."

    চোখ বন্ধ করি। স্বপ্ন দেখি।

    স্বপ্নে আমি আমাদের গ্রামের বাড়িতে আছি। আম গাছের নিচে। "তোর চোখে অনেক ক্লান্তি, বেটা। শহর তোরে খায় নাই তো?" আমি কোনো উত্তর দিতে পারি না। তিনি আমার হাত ধরে বলেন: "যাই দেখ, আসল চোখে দেখ। যাই শুন, আসল কানে শুন। মুখের ভাষাটা ভুলিস না। তোর ভাষাটা এই: 'কেমন আছস?' 'খাইয়া আসছি।' 'বৃষ্টি নামবে।' এই সহজ ভাষা। এই ভাষায় লিখ।"

    তারপর স্বপ্ন বদলে যায়। আমি সেই বড় হলরুমে। সবাই মাস্ক পরি। তিনি তার মাস্ক খুলে ফেলেন। নিচে ফেলে দেন। তার মুখ দেখি— গভীর রেখা, স্নেহ, বুদ্ধি। তিনি বলেন: "খুলে ফেল। ডরাইস না।"

    আমি আমার মাস্ক ধরি। আঙ্গুলে জড় করি। কিন্তু খুলতে ভয় হয়। পিছনে কে যেন চাপ দিচ্ছে। গলা টিপে ধরে আছে।

    ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে উঠি।

    সকাল। মোবাইলের অ্যালার্ম বাজছে। "সুপ্রভাত। আজকের শীর্ষ খবর: দেশ অর্থনৈতিকভাবে..." স্ক্রিনে নোটিফিকেশন: ১৫টা। বিজ্ঞাপন, সংবাদ, সোশ্যাল আপডেট।

    আবার সেই চক্র। আবার স্ক্রল। আবার মাস্ক।

    লিখব। কারণ...

    "লিখনা মানে মরনা। চুপচাপ থাইকা মরার চেয়ে, কয়েকটা কথা লিখে মরা ভালো।"

    এই কথাটা কে বলেছে? মনে পড়ে না। হয়তো আমি নিজেই।

    আমি কম্পিউটার বন্ধ করি। জানালা খুলি। সকালের আলো আসে। নিচে রাস্তায় মানুষ চলছে। তাদের মুখ দেখা যায় না, শুধু মাথার চুল দেখা যায়। তারা কী ভাবছে? তাদেরও জিরগিট ধরে নাই?
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    0 | 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sonali si | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪২737965
  • লেখা ধ্যারেতে পারে 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন