বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মের নিপীড়ন-ইতিহাস ( তৃতীয় অধ্যায় : দ্বিতীয় অংশ)
✒️ ৩. খ্রিস্টীয় ১ম – ৩য় শতক : খ্রিস্টধর্মের মতাদর্শগত সংঘাত ও খ্রিস্টান ধর্মের মাধ্যমে ধ্বংসের বিবরণ
খ্রিস্টধর্ম ইহুদি ধর্মের ধারাবাহিকতায় আবির্ভূত হয়ে পৌত্তলিকতাকে বিশ্বব্যাপী একটি ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জে রূপান্তরিত করে।
◆ সময়কাল : খ্রিস্টীয় ১ম শতক থেকে শুরু করে ৪র্থ শতক পর্যন্ত
পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে অবস্থান :
◆ মতাদর্শ : যিশুখ্রিস্টের শিক্ষার ভিত্তিতে এই ধর্মও কঠোরভাবে এক ঈশ্বরের (Father) ধারণায় বিশ্বাসী ছিল এবং পৌত্তলিক উপাসনাকে (Paganism) মিথ্যা বলে গণ্য করত।
◆ রাজনৈতিক শক্তি : খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতকে রোমান সম্রাট কনস্টানটাইনের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার পর এটি সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্মে পরিণত হয়। এই সময়ে খ্রিস্টধর্ম রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি অর্জন করে।
◆ ধ্বংসের বিবরণ : খ্রিস্টধর্মের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রাচীন গ্রিক, রোমান এবং অন্যান্য ইউরোপীয় পৌত্তলিক ঐতিহ্য ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বহু পৌত্তলিক মন্দির (যেমন রোমান মন্দির, গ্রিক মন্দির) হয় ধ্বংস করা হয়, না হয় সেগুলোকে খ্রিস্টান গির্জায় রূপান্তরিত করা হয়। এর ফলে ইউরোপীয় পৌত্তলিক সংস্কৃতি ও তাদের উপাসনার পদ্ধতিগুলি ইতিহাসের পাতা থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়। যেমন, রোমান সাম্রাজ্যের বিখ্যাত ভেনাস ও অন্যান্য দেবতাদের মন্দিরগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ইউরোপীয় পৌত্তলিকতার বিনাশ (খ্রিস্টীয় ৪র্থ – ৬ষ্ঠ শতক) : এই সময়ে একেশ্বরবাদী খ্রিস্টধর্ম রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি অর্জন করে এবং ইউরোপ মহাদেশের হাজার বছরের পৌত্তলিক ঐতিহ্যকে বিলুপ্ত করে দেয়।
◆ সময়কাল : খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতক (৩১৩ খ্রিস্টাব্দে মিলানের আদেশ, ৩৯২ খ্রিস্টাব্দে থিওডোসিয়াসের আদেশ)।
◆ ঘটনা : রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন খ্রিস্টধর্মকে বৈধতা দেওয়ার পর (৩১৩ খ্রি.), এবং পরবর্তীতে সম্রাট থিওডোসিয়াস আই কর্তৃক এটিকে রোমান সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্মে পরিণত করার পর (৩৯২ খ্রি.), পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে আইনি ও রাষ্ট্রীয় আঘাত শুরু হয়।
✒️ ৪. খ্রিস্টীয় ৫ম – ৬ষ্ঠ শতক : চূড়ান্ত উচ্ছেদ
◆ আঘাতের প্রকৃতি : এই সময়ে গ্রিক ও রোমান ধর্মের মতো প্রাচীন পৌত্তলিক সংস্কৃতিগুলি সামরিক, অর্থনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায়। ইউরোপের প্রাচীন সংস্কৃতিগুলো তাদের পৌত্তলিক ঐতিহ্য হারিয়ে একেশ্বরবাদী কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়।
আরবে পৌত্তলিকতার পতন ও বৈশ্বিক আক্রমণের সূচনা (খ্রিস্টীয় ৭ম শতক) : ভারতীয় উপমহাদেশের সনাতন ধর্মের উপর সরাসরি আক্রমণের পথ খুলে দেয়।
◆ রোমান-ইহুদি যুদ্ধ ও মন্দির ধ্বংস (৭০ খ্রিষ্টাব্দ) : এটি ছিল পৌত্তলিক ও একেশ্বরবাদের মধ্যকার চূড়ান্ত লড়াই।
◆ সংঘর্ষের কারণ : রোমান সাম্রাজ্য ইহুদিদের একেশ্বরবাদী বিশ্বাসকে তাদের রাজকীয় ক্ষমতার জন্য হুমকি মনে করত।
◆ ফলাফল : রোমান জেনারেল টাইটাস জেরুজালেম আক্রমণ করেন এবং দ্বিতীয় মন্দিরটি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেন। এর ফলে ইহুদিরা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয় (Diaspora)।
✒️ ৫. ইসলাম ধর্মের মাধ্যমে ধ্বংসের পরিকল্পনা ও সূচনা (৬০০- ৬১৪ খ্রিস্টাব্দে)
ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে সামরিক ও রাজনৈতিক আক্রমণের সবচেয়ে সংগঠিত ও চূড়ান্ত ধাপের সূচনা করে।
◆ ৬০০ খ্রিস্টাব্দ (আনু.) : কাবা পুনর্নির্মাণে সহায়তা : আপনার তথ্য অনুসারে, ৬০০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে (ঐতিহাসিক উৎস অনুযায়ী ৬১০ এর পূর্ববর্তী সময়ে) হেরা গুহায় কুরআন অবতরণের আগে, হজরত মুহাম্মদ (সঃ) কাবার পুনর্নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন। এই সময়ে কাবা ছিল আরবের পৌত্তলিক উপাসনার প্রধান কেন্দ্র, যেখানে প্রায় ৩৬০টি দেবতার মূর্তি রক্ষিত ছিল। এই সময়ে পৌত্তলিক উপাসনা পূর্ণ শক্তি নিয়ে প্রচলিত ছিল।
◆ ৬১০ খ্রিস্টাব্দ- হেরা গুহায় প্রথম কুরআন অবতরণ : এই ঘটনাটি ইসলামের সূচনা চিহ্নিত করে। তাওহিদ (Tawhid) বা এক আল্লাহর ধারণার বার্তা প্রচারিত হতে শুরু করে, যা পৌত্তলিকতা (শিরক) কে গুরুতর পাপ হিসেবে ঘোষণা করে। পৌত্তলিকতা ধ্বংসের মতাদর্শগত ভিত্তি তৈরি হয়।
◆ ৬১০ – ৬১৪ খ্রিস্টাব্দ- নীরব প্রচার ও সংগঠন তৈরি : এই সময়ে হজরত মুহাম্মদ (সঃ) এবং তাঁর অনুসারীরা নীরবে ইসলামের প্রচার ও মজবুত সংগঠন তৈরি করছিলেন। এই সংগঠনের মধ্যে যোদ্ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রাথমিক পর্যায়ে এবং সংগঠনের প্রস্তুতি।
✒️ ৬. ৬১৩-৬১৬ খ্রিস্টাব্দ : পৌত্তলিকতা ও একেশ্বরবাদের সংঘাতের কালানুক্রম
এই সময়কালটি ছিল মক্কায় ইসলামের প্রসারের সবচেয়ে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। মতাদর্শগত যুদ্ধ দ্রুত সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক সংঘাতের রূপ নিয়েছিল।
৬/১. পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এককালীন বা ধারাবাহিক ভাবে গুরুভার বহন করুন।
বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে,
মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা,
কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
আমাদের কথা
আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের
কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি
জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
বুলবুলভাজা
এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ।
দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও
লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
হরিদাস পালেরা
এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে
পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান
নিজের চোখে...... আরও ...
টইপত্তর
নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান।
এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর।
... আরও ...
ভাটিয়া৯
যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই,
সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক
আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
টইপত্তর, ভাটিয়া৯, হরিদাস পাল(ব্লগ) এবং খেরোর খাতার লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব, গুরুচণ্ডা৯র কোন দায়িত্ব নেই। | ♦ :
পঠিত সংখ্যাটি ১৩ই জানুয়ারি ২০২০ থেকে, লেখাটি যদি তার আগে লেখা হয়ে থাকে তাহলে এই সংখ্যাটি সঠিক পরিমাপ নয়। এই বিভ্রান্তির জন্য আমরা দুঃখিত।
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি।
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি
বার পঠিত
সকলকে জানান
উপরে যে কোনো বোতাম টিপে পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করে নিন
গুরুচন্ডা৯ বার্তা
গুরুতে নতুন?
এত নামধাম দেখে গুলিয়ে যাচ্ছে? আসলে আপনি এতদিন ইংরিজিতে সামাজিক মাধ্যম দেখে এসেছেন। এবার টুক করে বাংলায়ও সড়গড় হয়ে নিন। কটা তো মাত্র নাম।
গুরুর বিভাগ সমূহ, যা মাথার উপরে অথবা বাঁদিকের ভোজনতালিকায় পাবেনঃ
হরিদাসের বুলবুলভাজা : গুরুর সম্পাদিত বিভাগ। টাটকা তাজা হাতেগরম প্রবন্ধ, লেখালিখি, সম্ভব ও অসম্ভব সকল বিষয় এবং বস্তু নিয়ে। এর ভিতরে আছে অনেক কিছু। তার মধ্যে কয়েকটি বিভাগ নিচে।
শনিবারের বারবেলা : চিত্ররূপ ও অক্ষরে বাঙ্ময় কিছু ধারাবাহিক, যাদের টানে আপনাকে চলে আসতে হবে গুরুর পাতায়, ঠিক শনিবারের বারবেলায়।
রবিবারের পড়াবই : পড়া বই নিয়ে কাটাছেঁড়া সমালোচনা, পাঠপ্রতিক্রিয়া, খবরাখবর, বই নিয়ে হইচই,বই আমরা পড়াবই।
বুধবারের সিরিয়াস৯ : নির্দিষ্ট বিষয় ধরে সাপ্তাহিক বিভাগ। ততটা সিরিয়াসও নয় বলে শেষে রয়ে গেছে ৯।
কূটকচা৯ : গুরু কিন্তু গম্ভীর নয়, তাই গুরুগম্ভীর বিষয়াশয় নিয়ে ইয়ার্কি ফুক্কুড়ি ভরা লেখাপত্তর নিয়েই যতরাজ্যের কূটকচা৯। কবে কখন বেরোয় তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই।
হরিদাস পাল : চলতি কথায় যাদের বলে ব্লগার, আমরা বলি হরিদাস পাল। অসম্পাদিত ব্লগের লেখালিখি।
খেরোর খাতা : গুরুর সমস্ত ব্যবহারকারী, হরিদাস পাল দের নিজের দেয়াল। আঁকিবুঁকি, লেখালিখির জায়গা।
টইপত্তর : বিষয়ভিত্তিক আলোচনা। বাংলায় যাকে বলে মেসেজবোর্ড।
ভাটিয়া৯ : নিখাদ ভাট। নিষ্পাপ ও নিখাদ গলা ছাড়ার জায়গা। কথার পিঠে কথা চালাচালির জায়গা। সুতো খুঁজে পাওয়ার দায়িত্ব, যিনি যাচ্ছেন তাঁর। কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।
লগিন করে থাকলে ডানদিকের ভোজনতালিকায় যা পাবেনঃ
আমার গুরুঃ আপনার নিজস্ব গুরুর পাতা। কোথায় কী ঘটছে, কে কী লিখছে, তার মোটামুটি বিবরণ পেয়ে যাবেন এখানেই।
খাতা বা খেরোর খাতাঃ আপনার নিজস্ব খেরোর খাতা। আঁকিবুকি ও লেখালিখির জায়গা।
এটা-সেটাঃ এদিক সেদিক যা মন্তব্য করেছেন, সেসব গুরুতে হারিয়ে যায়না। সব পাবেন এই পাতায়।
গ্রাহকরাঃ আপনার গ্রাহক তালিকা। আপনি লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন নোটিফিকেশন।
নোটিঃ আপনার নোটিফিকেশন পাবার জায়গা। আপনাকে কেউ উল্লেখ করুক, আপনি যাদের গ্রাহক, তাঁরা কিছু লিখুন, বা উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটুক, জলদি পেয়ে যাবেন নোটিফিকেশন।
বুকমার্কঃ আপনার জমিয়ে রাখা লেখা। যা আপনি ফিরে এসে বারবার পড়বেন।
প্রিয় লেখকঃ আপনি যাদের গ্রাহক হয়েছেন, তাদের তালিকা।