লেখক শংকর হালদার কে? মহাকালের দর্পণ: ইতিহাস লিখন ও সংগ্রামের শাশ্বত সত্যবিষয় : প্রবন্ধলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ২১ জুন ২০২৬ ভূমিকা : নথিবদ্ধ সময় ও ইতিহাসের দায়বদ্ধতাসময় এক বহমান স্রোত, যা তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলে। সময়ের এই অনন্ত যাত্রাপথে যা কিছু ঘটনা, বিবর্তন বা রূপান্তর ঘটে, তা কিন্তু কালের প্রেক্ষাপটে কোনো না কোনোভাবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে। আজ আমরা যে বর্তমানকে যাপন করছি, তা-ই আগামীকাল ইতিহাসের পাতায় রূপান্তরিত হবে। এই নথিবদ্ধকরণের সবচেয়ে বড় সার্থকতা এখানেই যে, পরবর্তী প্রজন্ম একদিন জানতে পারবে এই ২০২৬ সালটি কেমন ছিল, কী ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক আলোড়ন ঘটেছিল এই সময়ে। কোনো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে হয়তো বাস্তব পরিস্থিতির ... ...
মহাকালের কালজয়ী কলম : শব্দ যখন বিপ্লবের অস্ত্রবিষয় : প্রবন্ধলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ২১ জুন ২০২৬ ভূমিকা : অক্ষরের অগ্নিবাণ ও ইতিহাসের মোড় পরিবর্তন ইতিহাসের পাতায় মহাকালের বহমান স্রোতকে যারা লেখনীর মাধ্যমে নথিবদ্ধ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই কেবল ঘটনার দর্শক ছিলেন না; বরং তাঁরা ছিলেন পরিবর্তনের অগ্রদূত। বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলার চেয়েও অনেক সময় বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কাগজের বুকে কালির আঁচড়। কোনো একটি জলন্ত প্রতিবাদের ভাষা যদি সঠিক এবং সুতীক্ষ্ণ হয়, তবে তা একটি পুরো জাতিকে জাগিয়ে তুলতে পারে। পরিবর্তন রাতারাতি আসে না, কিন্তু সমাজ বা রাষ্ট্রে আমূল পরিবর্তন আনতে হলে সেই পরিবর্তনের উপযোগী ক্ষুরধার লেখনী অপরিহার্য। বিশ্বের ... ...
'বিশ্বের উদ্ধৃতি সংকলন ও সম্পাদক রণজিৎ বিশ্বাসের বিপ্লব বাঙালি সংস্কৃতির সাধারণ নিয়ম হলো—যাবতীয় বড় প্রকাশনা, সাহিত্য আন্দোলন কিংবা বৌদ্ধিক জোয়ার কলকাতা মহানগরী থেকে তৈরি হয়ে গ্রামবাংলার দিকে ধাবিত হয়। কিন্তু সেই চেনা স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক অভূতপূর্ব নজির সৃষ্টি করলেন নদীয়া জেলার বগুলা গ্রামের কৃতি সন্তান, 'নতুন শতাব্দীর' পত্রিকার সুযোগ্য সম্পাদক **রণজিৎ বিশ্বাস**। তাঁর একক নিষ্ঠা ও পরিশ্রমে গ্রামবাংলায় বসে যে বিশ্বমানের আকর গ্রন্থ তৈরি হলো, তা আজ কলকাতার খাস দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বগুলার মাটি থেকে জন্ম নেওয়া এই সাহিত্য-বিপ্লব সমগ্র বাঙালি জাতিকে আজ প্রশংসায় পঞ্চমুখ করেছে। গ্রন্থ পরিচিতি: বিশ্বের উদ্ধৃতি সংকলন (এক মহাকাব্যিক আকর গ্রন্থ)** “১৯ জুন ২০২৬” তারিখে কলকাতার ... ...
দেহ-নগরীর রাজনৈতিক মহাবিদ্রোহলেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২২ মার্চ, ২০২৬ প্রথম অধ্যায় : কক্ষপথের কক্ষচ্যুতি ও সংসদীয় অস্থিরতা দেহ-নগরী আজ এক তপ্ত আগ্নেয়গিরির মতো, যার শান্ত বহিরাবরণের নিচে ফুটছে অখণ্ড অসন্তোষের লাভা। বাইরে থেকে যে মানুষটিকে স্থির, নিশ্চিন্ত মনে হচ্ছে, তার অভ্যন্তরে আজ গণতন্ত্রের চারটি প্রধান স্তম্ভ—কঙ্কাল (কাঠামো), পেশি (শক্তি), সংবহন (অর্থনীতি) এবং স্নায়ু (প্রশাসন)—একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। এই বিশাল, রহস্যময় রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয় এক অনন্য এবং জটিল সংসদীয় পদ্ধতিতে। দেহ-নগরীর 'জাগ্রতিক লোকসভা' ৪০০ জন সদস্যের ... ...
অকুলানিশিলেখক শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ নিশি রাতে একা ঘরে, মন কাঁদে নিরবে,চাঁদের আলোয়, স্বপ্নের নাও ভাসে নিশ্চলে।তোমার সঙ্গে বনে যাই, কেন ভয় করি?সমাজের বাধা ভেঙে, মনকে মুক্ত করি। তোমার কোলে, প্রকৃতির, শান্তি পাবো আমি,চিরন্তন সুখের স্বপ্ন, মনের মন্দিরে জ্বালাই।নক্ষত্রের আলোয়, নিজেকে হারিয়ে যাই,তোমার সঙ্গে, নতুন জীবন গড়াই। লাজ লজ্জা, সমাজের বাঁধন, ভাঙি চুরমার করে,তোমার সঙ্গে, মিলিত হই, মনের স্বর।বনের গভীরে, প্রেমের গান গাই,তোমার সঙ্গে ... ...
ঈশ্বরের পদধ্বনি লেখক শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ নুপুরের খুনকুনি, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি,কানে আসে স্পষ্ট, মনে রাখে স্মৃতি।কিন্তু কোথায়, ঈশ্বরের পদধ্বনি?শুনি না কেন, সেই সুরের মৃদু গানি? হৃদয়ের গভীরে, খুঁজি তার ছায়া,মনের কোণে, তার নাম ধরা।কিন্তু শব্দহীন, নিরব তার আহ্বান,কেন শুনতে পাই না, তার স্পন্দন? হয়তো শব্দে নয়, অনুভূতিতে তার বাস,প্রকৃতির কোলে, তার স্পর্শের আভাস।পাতার খসা, বাতাসের হিসিট,সবকিছুতে তারই স্পন্দন মিশে থাকে। তার পদধ্বনি শুনতে, মনকে শান্ত করি,প্রকৃতির কোলে, নিজেকে হারিয়ে ফিরি।তার আশীর্বাদে, জীবন হয় সুন্দর,ঈশ্বরের পদধ্বনি, মনে রাখি চিরকাল। ... ...
#কবিতা#সত্যেরস্বরে#শংকরহালদারশৈলবালা সত্যের স্বরেলেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সত্যের পথে চলি, অবিচল হয়ে,মৃত্যু আসুক, তবু ভয় নাই আমার মনে।জীবনের শেষ নয়, মৃত্যু শুরুর সূচনা,অনন্ত যাত্রায়, সত্যই আমার সঙ্গী সত্য। কথা মিথ্যা বললে, মন হবে অশান্ত,সত্যের আলোয়, মন হবে সুস্থ আর স্বাস্থ্যবান।সামাজিক বাঁধন ভাঙি, সত্যের পথে চলি,মৃত্যু আসুক, তবুও পিছু হটব না আমি। সত্যের জয় হবে, মিথ্যার পরাজয়,অন্ধকার ছাড়বে, আসবে আলোর রশ্মি।সত্যের পথে চললে, মন হবে নির্মল,সুখ শান্তি পাবে, জীবন হবে সুন্দর। সত্যের স্বরে কথা বলি, সাহসী হয়ে,মৃত্যু ভয় করে না, সত্যের পথিক।অনন্ত জীবনের জন্য, সত্যই আমার ধন,সত্যের পথে চলতে থাকব ... ...
আজব সভ্য সমাজে বাস লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ আজব সভ্যতার বোঝা, বুকে চাপা দেই, মানবতার নামে কত কুসংস্কার চলে! দেবর-বৌদি, শালী-জামাই, সব সম্পর্কের ফাঁক, স্বার্থের জালে আটকে, হারিয়ে যায় মানবিকতা। প্রেমের নামে ব্যবসা, বিশ্বাসের বাজার, স্বার্থের লেনদেনে, মন হয়ে যায় শুষ্ক। ধর্মের আড়ালে, কত কুকর্ম ঘটে, মানুষের মুখোশ খুলে, সত্যিটা দেখে। মা, বাবা, ভাই, বোন, সবাই আজ বিচ্ছিন্ন, স্বার্থের ছুরি চলে, মনের মধ্যে। একাকীতার অন্ধকারে, হারিয়ে যাই, কোথায় খুঁজি, মানবতার ছায়া? ... ...
অনন্ত খোঁজ লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ নিঃশব্দ রাতে, মন খুঁজে চলে, এক অজানা স্বপ্নের পথে। শত শত চোখে তাকিয়েও, খুঁজে পাই না নিজের ছায়া। মনের গহীনে খুঁজতে থাকি, একান্তের সন্ধানে রাত জাগি। তোমাকে যে আপন বলে, সে কি সত্যি তোমার কাছে? শত শত মানুষের ভিড়ে, একজনকে খুঁজে পাই, সে আমার মনের আপনজন, সেই যাকে আমি চাই। আমি তাঁরই ছোঁয়া, তিনি আমার সব, তাঁর করুণায়, মন পায় ... ...
জীবন সাগরের তীরে লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ কৃষ্ণ পদে মাথা রেখে, জীবন সাগরে ডুবে যাই, ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের খেলায়, মন হারিয়ে যাই। প্রতিটি ঢেউই এক নতুন শিক্ষা, প্রতিটি তরঙ্গই এক নতুন আশা। জীবনের সমুদ্র, অসীম বিস্তৃত, তার গভীরে রয়েছে রহস্যের গুপ্ত কথা। ধর্মের আলোকিত পথে, এগিয়ে যাই, প্রকৃতির কোলে শান্তি খুঁজি, প্রতিদিন। আকাশের নীলাকার, মনের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে, পৃথিবীর সবুজ, হৃদয়কে শান্ত করে। সূর্যের উদয়, নতুন আশার সূচনা, চাঁদের আলোয়, মন পায় নিবিড় শান্তি। বৃষ্টির ফোঁটা, পাপ ধুয়ে ... ...