এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • নিস্পন্দ মুহূর্ত 

    অমলেন্দু বিশ্বাস লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২১ মার্চ ২০২৬ | ২৯৮ বার পঠিত
  • নিস্পন্দ মুহূর্ত ।। *

    অমলেন্দু বিশ্বাস ।।

    রসা রোডে শান্তনু সেনের বাড়ীতে সেদিন আড্ডাটা তখনো জমে উঠেনি। এ বাড়ির আড্ডা কলকাতার আড্ডা-মহলে বেশ নাম করেছে। নিয়মিত বন্ধু বান্ধব ছাড়াও সোমা-শান্তনু মাঝে মাঝে অনেক গুণীজনকে বাড়িতে ডেকে আসর বসান --- বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী, চিত্রশিল্পী, কবি, সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ প্রমুখ ব্যক্তিদেরও দেখা যায় অতিথি হিসেবে। বহুদিন থেকেই এবাড়ীতে আড্ডার রেওয়াজ ছিল কিন্তু পৌনঃপুনিকতার হার এত বেশি ছিল না। শান্তনু সেনের অবসরের পর এখন প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এ রকম আড্ডা হয়। শান্তনু সেন স্বল্পভাষী, বন্ধু বৎসল ও জনপ্রিয়। স্ত্রী সোমা সেন প্রিয়ভাষিনী, অথিতি আপ্যায়নে পারদর্শিনী। সেন দম্পতির আবাসের পরিবেশ মনোরম, বন্ধু হোক বা নবাগত হোক এখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অবশ্য এমন কথা শপথ করে বলা যাবে না যে, এই জনপ্রিয়তার জন্য অপরিমিত চা, কফি ও মুখরোচক জলযোগের কোনো অবদান আছে কিনা।

    আজ একটু অন্যরকম। আমন্ত্রিত কেউ নেই। কেউ আসেনি একমাত্র তরুণ তরফদার ওরফে টিটি ছাড়া। টিটি শান্তনুদা ও সোমাদিকে একা পেয়ে নিজের আত্মজীবনী শোনাচ্ছিল।

    টিটি পাইপে একরাশ ধোঁয়া ছেড়ে প্রায় স্বগতোক্তির মত বলতে শুরু করল।

    “ আমাদের বেশ বড় একান্নবর্তী পরিবার। ছোটবেলায় দেখেছি আমাদের সংসার স্বাচ্ছল্যে ভরপুর। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আমার কৈশোরেই আমার মা-বাবা দুজনেই প্রায় দুমাসের ব্যবধানে ইহলোক ছেড়ে চলে যান। আমি পিতৃমাতৃহারা অনাথ। জ্যাঠামশায় বাড়ির বড়, তাঁর উপরেই সংসারের সব দায়িত্ব এসে পড়ল। জ্যাঠামশায় ও জ্যাঠাইমা আমায় স্নেহের সঙ্গে কোলে তুলে নিলেন। জ্যাঠাইমাকে আমি বড়মা বলতাম। ছোটবেলা থেকেই বড়মা আমাকে খুব ভালবাসত ; বড়মা-ই আমায় কোলেপিঠে করে মানুষ করেছে। বড়মার নিজের চারটি ছেলেমেয়ে। আমরা পাঁচজনে একসঙ্গে বড় হয়ে উঠেছি। বড়মা কোনদিন আমাকে আলাদা করে দেখেনি। আমার কোনদিন মনে হয়নি বড়মা আমার নিজের মা নয়। বড়মার ছেলে মেয়েরা আমার নিজের আপন ভাইবোন।

    আমি ছোটবেলা থেকেই জেদি ও একগুঁয়ে ; একটু খামখেইয়ালিও বটে। একবার যা মনে করি তাই করি, কারো কথা শুনি না – একমাত্র বড়মা ছাড়া। বড়মা কিছু বললে আমি ‘না’ করতে পারি না। আমি পড়াশুনায় ভাল ছিলাম কিন্তু যাকে বলে “ফার্স্ট বয়” ছিলাম না। স্কুলজীবন থেকেই আমি নাটক করতে ভালবাসি। কলেজ জীবনে সেই আকর্ষণ আরও প্রবল হয়ে উঠল। আমি থিয়েটারে ডুবে গেলাম। বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর সেটা প্রায় নেশা হয়ে দাঁড়াল। একদা আমি স্বপ্ন দেখতাম আমি আই পি টি এ-র মত একটা দল করে গ্রামে শহরে থিয়েটার করে বেড়াচ্ছি। কলেজ শেষ করে কি করব তার কোন স্পষ্ট ধারণা ছিল না। সেকালের অন্য অনেক ছাত্রের মত আমিও ডাক্তারি পড়ার জন্য আবেদন করেছিলাম এবং আমি মনোনীত হলাম না। মনঃক্ষুণ্ণ হলাম কিন্তু হতাশ হলাম না। বিএসসি পড়তে শুরু করলাম। বিএসসি পাস করার পর ডাক্তারি পড়ার সুযোগ এলো। কিন্তু ততদিনে থিয়েটার আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়েছে। ডাক্তারি পড়তে ভাল লাগছিল না। । থিয়েটারে মেতে গিয়ে কলেজ যাওয়া বন্ধ করলাম। বড়মা একথা জানতে পেরে খুব মনঃক্ষুণ্ণ হল। বড়মা আমাকে ডেকে একদিন বলল “ পড়াটা ছাড়লি কেন বাবা ? ডাক্তারিটা পাস করে নে, তারপর যা খুশী কর। “ বড়মার কথাটা আমার মনে লাগল। বড়মাকে আমি কখনো কস্ট দিই নি। বড়মার কস্ট হলে আমার বড় কস্ট হয়। আমি অনেক ভেবে থিয়েটার ছেড়ে দিলাম। আবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করলাম। ডাক্তারি পাস করে কাজ শুরু করলাম।

    কলকাতার একটা বড় হাসপাতালে কাজ করার সময় কতৃপক্ষের সঙ্গে আমার মতবিরোধ হয়। হাসপাতালের শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ নিয়ে একবার আমি কথা বলার জন্য কতৃপক্ষ আমার উপর বিরূপ হয়। ভারতবর্ষে সরকারের সঙ্গে মতবিরোধ হলে কোন ডাক্তারের সরকারি হাসপাতালে চাকরি করা কঠিন। কলকাতা থেকে অনেক দূরে একটা ছোট হাপাতালে আমার পোস্টিঙের আদেশ এলো। আমার ভালো লাগে নি, আমি তা মেনে নিতে পারিনি। আমি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে লাগলাম। ইংল্যান্ডে যাওয়ার সুযোগ এলো। আমি ইংল্যান্ডে চলে এলাম। “

    টিটি পাইপে আরো তামাক ভরার জন্য একটু থামল। ঠিক এই সময়ে মানব ও অদিতি এসে উপস্থিত হল। টিটি আর ওর আত্মকথায় ফিরে গেল না। শান্তনু ও সোমাও আর ওকে পীড়াপীড়ি করল না। সোমা চা করতে উঠে পড়ল।

    চা আসতে আসতে নীরেন কান্তিরাও এসে পড়ল। আড্ডা জমে উঠল।

    সেদিনের আড্ডায় ভ্রমণের গল্প হচ্ছিল। অদিতি চেরাপুঞ্জি বেড়াতে গিয়েছিল। সদ্য ফিরে এসেছে। সকলে তার কথা শুনতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে। সেখানে গাছের শিকড়ের সেতুর উপর দিয়ে চলতে চলতে কেমন শিহরিত হয়েছিল তার বর্নণা দিচ্ছিল অদিতি। বলছিল “ ভাগ্যিস, আদিবাসী ছেলেটা হাতটা ধরে ফেলেছিল্, না হলে সেদিনই বোধহয় আমাকে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হত। “ তারপর ওর কথা থামিয়ে টিটির দিকে তাকিয়ে বলল, ” আমি অনেকক্ষণ কথা বলেছি, এবার তোমার কথা বল। “

    টিটি পাইপে একটা জোরে টান দিয়ে এক গাল ধোঁয়া ছাড়ল। এ বাড়ীতে ধূমপান নিষেধ। শুধু টিটি-র বিশেষ লাইসেন্স। শান্তনু সিগারেট সহ্য করতে পারে না। কিন্তু টিটি-র তামাকের সুরভিটা বড় মিষ্টি --- শান্তনু উপভোগ করে। টিটি শুরু করল ঃ

    “ইংল্যান্ডে এলাম ; প্রায় হঠাৎ। কোন প্রস্তুতি নেই। কোন স্থায়ী কাজ নেই যা পাই তাই করি। তখন লন্ডনে লোকাম করি। যে ডাক্তার অসুস্থ, ছুটিতে বা অনুপস্থিত তার বদলে আমি কাজ করি। সুতরাং লন্ডনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত যে কোন জায়গায় সময়ে অসময়ে আমাকে রোগী দেখতে যেতে হত। আমি প্রায় চব্বিশ ঘণ্টাই গাড়িতে। গাড়ি চালাতে আমার ভাল লাগে। সেই থেকে সারা জীবনই গাড়িই আমার প্রায় দ্বিতীয় বাড়ি।

    ভ্রমণ আমার নেশা। সময় পেলেই বেরিয়ে পড়ি। সপ্তাহশেষে আমি ইউরোপের নানা শহরে ঘুরে বেড়াতাম। সেবার ছিল এক দীর্ঘ সপ্তাহশেষের ছুটি। আমি মনস্থ করলাম প্রাগ শহরটা দেখতে যাব। প্রাগ ইউরোপের এক পুরানো এবং বর্ধিষ্ণু শহর। অনেক কিছু দেখার আছে সে শহরে ; চার্লস ব্রিজ, জ্যোর্তিবিদের ক্লক টাওয়ার, নয়শতাব্দীর প্রাগ কাসেল ইত্যাদি। তবে প্রাগে আমার দুটি দ্রস্ট্রব্য দেখার বিশেষ আগ্রহ। এক, এদের ব্ল্যাক থিয়েটার। দুই, কাফকা মিউজিয়াম।

    ব্ল্যাক থিয়েটারের কথা পড়েছিলাম। অনেক দিনের ইচ্ছা সুযোগ পেলে একদিন ব্ল্যাক থিয়েটার দেখব। চেকোস্লোভাকিয়ার ব্ল্যাক থিয়েটার অনন্য, পৃথিবীর একমাত্র এবং একক। সারা স্টেজ অন্ধকার, অভিনেতা অভিনেত্রীরা কখনো কালো, কখনো বিভিন্ন রঙ্গিন পোশাকে অভিনয় করে। তাদের পোশাকের রূপরেখা অন্ধকার স্টেজে নীরবে ছবি আঁকে, গল্প বলে। এক স্বপ্নপুরী তৈরি হয়। সে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা – এখনো মনে গেঁথে আছে।

    ছাত্র জীবনে কাফকা-কামু আমাকে আকৃষ্ট করেছিল। এঁদের চিন্তা ও দৃষ্টি আমাকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছিল। প্রাগে এসে তাই কাফকা স্মৃতির চিহ্ন না দেখে ফিরে যাব ? তা হয় না। তাই একসময় কাফকা মিউজিয়াম দেখতে গেলাম। মনস্কামনা পূর্ণ হল।

    দুদিন ধরে প্রাগ শহরটা ঘুরে ঘুরে দেখলাম। দ্বিতীয় দিন বিকালে ভিটাভা নদীর উপর নৌকা ভ্রমণের টিকিট কাটলাম।

    সারা সকাল প্রাগ শহরের বাকী দ্রষ্টব্য স্থান ঘুরে ভিটাভা নদীর উপর নৌকা ভ্রমণে এলাম। নৌকাটা বেশ বড়, প্রায় একটা ছোট জাহাজের মত। দুতলার ছাদ অতিথিদের জন্য রুচিসম্মতভাবে সাজানো। সোফা সেটি টেবিল চেয়ার দিয়ে আহ্বান। মাথার উপর খোলা আকাশ, নীচে জল, দুই তীরে নয়ন জুড়ানো দৃশ্য ; কখন গাছপালা, কখন ছোট ছোট গ্রাম, শহর। অতি মনোরম শান্ত পরিবেশ। আমি একটা টেবিলে একটা পানীয় নিয়ে আরাম করে বসলাম। পরিবেশটা উপভোগ করছি। চারিদিকে চোখ ঘুরিয়ে দেখছি। কোন টেবিলে তিন চার জন, কোন টেবিলে শুধু দুজন, প্রেমিক-প্রেমিকা। ব্যতিক্রম শুধু দুটো টেবিল। আমার টেবিলে আমি একা। আর আমার টেবিলের কয়েকটা টেবিল দূরে একা একটি যুবতী। বোধ হয় কারোর জন্য অপেক্ষা করছে। চোখে মুখে একটু অস্থির ভাব --- ক্ষণে ক্ষণে ডেকের সিঁড়ির দিকে তাকাচ্ছে।

    অনেকক্ষণ বাসে আছি। বেশ ভাল লাগছে, মৃদু মৃদু হাওয়া, জলের উপর ভাসছি। বিকেল শেষ হয়ে আসছে। সূর্য ডোবার পালা। দিনের আলো নিভে গিয়ে শেষ সূর্যের আলো পড়েছে নদীর জলে। আভাতি লাল রঙে ভিটাভা নদীর জলে ঢেউ উঠেছে, যেন কেউ আবীর গুলে দিয়েছে জলে। এমনিতেই সূর্য যখন বিদায় নেয় তখন আমি একটু বেশি ভাবুক হয়ে পড়ি। আমি যেন এক কল্পনা রাজ্যে চলে যাই। কেমন যেন আনমনা, অন্যমনস্ক হয়ে যাই। তখন আমি তেমন এক ঘোরে আছি। ঘোর ভাঙল এক কণ্ঠস্বরে।

    “ ডু ইউ মাইন্ড ইফ আই জয়েন ? “

    আমার সামনে একটি যুবতী দাঁড়িয়ে। চোখ তুলে দেখলাম। মুখে এক অদ্ভুত রকমের সারল্য। টানা টানা চোখ, টিকলো নাক। । দেহটা জড়িয়ে রেখেছে এক আঁটোসাঁটো পোশাক। তাই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ উচ্চারিত। সব মিলিয়ে বেশ আকর্ষনীয়। সেই একা-টেবিলে-বসা মেয়েটি, হাতে একটা ওয়াইনের গ্লাস। কয়েক লহমা কেটে গেল পরিস্থিতির সামিল হতে।

    “ নট এট অল। প্লিজ ডু। “ আমি সপ্রতিভ ভাবে বললাম।

    মেয়েটি বসল আমার সামনে, মুখোমুখি।

    “ আর ইউ এলোন অর ওয়েটিং ফর সাম ওয়ান ? “

    আমি বললাম, “না। আমি একা। প্রাগে বেড়াতে এসেছি। “

    আস্তে আস্তে কথা এগিয়ে চলল। জানলাম, মেয়েটির নাম, ক্যাটেরিনা। আজ বিকালটার জন্য ও অনেক দিন অপেক্ষা করে ছিল। ওর বয়ফ্রেন্ড জেসনের সঙ্গে অনেক দিন দেখা হয় নি। শুধু কথা হয় ফোনে। জেসন সাংবাদিক, কাজের ডাকে হঠাত হঠাত যেখানে সেখানে ছুটে যেতে হয় যখন তখন। সময় পায় না ক্যাটেরিনার সঙ্গে দেখা করার। সুতরাং ওদের কয়েক মাস দেখা হয় নি। অনেক পরিকল্পনা করে আজকের দিনটা স্থির করা হয়েছিল। জেসন আজ ছুটি নিয়েছে। নদীর জলে ভাসতে ভাসতে দুজনে একটু নিরিবিলিতে একে অন্যের সঙ্গ পাবে --- দুজন দুজনের হাতে হাত রাখতে পারবে। ক্যাটেরিনা তাই টেবিলে একা বসে, অপেক্ষারত --- তৃষ্ণার্ত চাতকের মত।

    নৌকা ভ্রমণ শেষ। তীরে এসে তরী ভিড়ল।

    ক্যাটেরিনা উঠে দাঁড়াল, বলল, “ খুব ভাল কাটল সময়টা। তোমার সঙ্গে কথা বলে বড় আনন্দ পেলাম। তুমি আমার অন্যান্য বন্ধু বান্ধব চেনাশোনা মানুষের থেকে আলাদা। আর আমদের কখনো দেখা হবে না। আমি তোমাকে আমার টেলিফোন নাম্বার দেব না, তোমার নাম্বারও আমি নেব না। আজকের সন্ধ্যা চিরদিন আমার মনে থাকবে। এই পরিচয় আমার এক সুখস্মৃতি, এটাই অমর হয়ে থাক। “

    ক্যাটেরিনা উঠে দাঁড়াল। আচম্বিতে আমার ওষ্ঠে ওর ওষ্ঠ পিষ্ট করল। ওষ্ঠের উষ্ণতা বৈদ্যুৎ স্পর্শের মত আপাদমস্তক বয়ে গেল। আমি স্থাণুর মত দণ্ডায়মান। মনে হল পৃথিবী বুঝি সূর্য-প্রদক্ষিণ করতে করতে ক্ষণকালের জন্য যতি দিল। নিস্পন্দ মুহূর্ত।

    ‘ একটি নিমেষ দাঁড়াল সরণী জুড়ে
    থামিল কালের চিরচঞ্চল গতি। ‘

    যেমন সহসা ক্যাটেরিনা আমাকে স্পর্শ করেছিল তেমনি সহসা দ্রুত বেগে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে গেল। একবারও পিছনে তাকাল না। “

    টিটি থামল। পাইপটা হাতে নিয়ে তামাক ভরতে শুরু করল।

    -----০-----

    *
    টিটি-র গল্প। প্রথম গল্প গুরুচণ্ডালীতে প্রকাশিত “ভয়”।
    হরিদাস পাল, ২১ নভেম্বর ২০২৪।

    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=31482&page=1

    ---------

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২১ মার্চ ২০২৬ | ২৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন