এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মের নিপীড়ন-ইতিহাস ( তৃতীয় অধ্যায় )

    লেখক শংকর হালদার লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ মার্চ ২০২৬ | ১৭ বার পঠিত
  • 1 | 2 | 4 | 5 | 6 | 3 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18
    বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মের নিপীড়ন-ইতিহাস 
     
     তৃতীয় অধ্যায় : গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ বিশেষ প্রবন্ধ 
     
    সনাতন ধর্মের দীর্ঘ সংগ্রাম : একেশ্বরবাদী আঘাতে ধ্বংস ও বলপূর্বক ধর্মান্তরের কালপঞ্জি (খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ – ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)
     
    সনাতন ধর্ম হলো বিশ্বের প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য, যা হাজার হাজার বছর ধরে বহু দেব-দেবী, মূর্তিপূজা এবং দার্শনিক বহুত্ববাদকে ধারণ করে আসছে। এই দীর্ঘ ইতিহাসে, ধর্মের তিনটি প্রধান একেশ্বরবাদী ধর্মের (ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্টান ধর্ম, ইসলাম ধর্ম) পক্ষ থেকে মতাদর্শগত, সামাজিক এবং সামরিক আক্রমণের সম্মুখীন হয়েছে। এই অধ্যায়টি সেই ৪,০২৫ বছরের সংগ্রামের একটি কালানুক্রমিক বিবরণ।
     
     
    ✒️ ১. খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে : পৌত্তলিকতার বিদ্রোহের সূচনা (২০০০ অব্দ -খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ অব্দ) 
     
    পৌত্তলিক সনাতন ধর্মের (যা তখন বিশ্বের অন্যান্য প্রাচীন বহুদেববাদী ঐতিহ্যকে ধারণ করত) উপর প্রথম মতাদর্শগত আঘাত শুরু হয়েছিল আব্রাহামের (ইব্রাহিম) মাধ্যমে।
     
    ইহুদি ধর্মই বিশ্বের প্রথম প্রধান একেশ্বরবাদী ধর্ম। তবে, ইহুদি ধর্মের আবির্ভাবের বহু পূর্ব থেকেই পৃথিবীতে পৌত্তলিকতা (Paganism) বা বহুদেববাদী (Polytheistic) বিশ্বাসের প্রচলন ছিল। ইহুদি ধর্মের আগে যা কিছু ছিল, তা সবই ছিল বহুদেববাদী এবং মূর্তিপূজা কেন্দ্রিক। ইহুদি ধর্মই প্রথম পৌত্তলিকতার বিরোধিতা করে একক ঈশ্বরের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করে।
     
     
    ইহুদিদেরও আগে বিদ্যমান ছিল পৌত্তলিকতা সনাতন ধর্ম :
     
    ১-১. প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম (Ancient Egyptian Religion) : ইহুদিদের আগে মিশরে অত্যন্ত সুসংগঠিত পৌত্তলিক ব্যবস্থা ছিল।
     
    ◆ বিশ্বাস : তারা সূর্যদেবতা ‘রা’ (Ra) সহ হাজার হাজার দেব-দেবীর পূজা করত।
     
    ◆ ঐতিহ্য : ফারাওদের (মিশরীয় সম্রাট) দেবতার প্রতিনিধি মনে করা হতো। তাদের মন্দিরগুলো ছিল বিশাল এবং বিগ্রহে পরিপূর্ণ। 
     
    ১-২. মেসোপটেমীয় ধর্ম (Mesopotamian Religion) : ইহুদি জাতির পিতা আব্রাহাম যে অঞ্চল থেকে এসেছিলেন, সেখানে এই ধর্মগুলো প্রচলিত ছিল।
     
    ◆ সুবেরীয় (Sumerian) ও ব্যাবিলনীয় (Babylonian) ধর্ম : এরা বহু দেবতায় বিশ্বাস করত। তাদের প্রধান দেবতা ছিল ‘মার্দুক’ (Marduk)।
     
    ◆ ঐতিহ্য : তারা ‘জিগুরাত’ (Ziggurat) নামক বিশাল পিরামিড সদৃশ মন্দিরে তাদের দেবতাদের পূজা করত।
     
    ১-৩. প্রাচীন পারসিক ধর্ম (Zoroastrianism - শুরুর দিক) : পারস্যের জরাথ্রুস্টবাদ অত্যন্ত প্রাচীন, যদিও একেশ্বরবাদী হলেও তা পৌত্তলিক আচারের সাথে মিশে ছিল।
     
    ◆ বিশ্বাস : অগ্নি উপাসনা এবং প্রকৃতির বিভিন্ন রূপের উপাসনা।
     
    ১-৪. সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা (Indus Valley Civilization) : যীশুর বহু আগে ভারতীয় উপমহাদেশেও পৌত্তলিক বিশ্বাসের প্রচলন ছিল।
     
    ◆ ঐতিহ্য : প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জানা যায়, তারা প্রকৃতির এবং বিভিন্ন প্রতীকের পূজা করত, যাকে পরবর্তীকালে সনাতন ধর্মের আদি রূপ বলা যেতে পারে।
     
    আব্রাহাম (ইব্রাহিম) ও আদি একেশ্বরবাদের বিদ্রোহ
     
    ◆ সময়কাল : আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ।
    ◆ ভৌগোলিক অবস্থান : প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ঊর শহর (বর্তমান ইরাক)।
     
    ◆ বিবরণ : আব্রাহাম (ইব্রাহিম) ছিলেন সেই প্রথম সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর পিতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মূর্তিপূজা ও বহুদেববাদের (পৌত্তলিকতা) বিরুদ্ধে মতাদর্শগত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।
     
    ◆ আচরণের ধরন : পৌরাণিক ও ধর্মীয় বর্ণনা অনুসারে, আব্রাহাম স্থানীয় দেবতাদের মূর্তি ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনাটি ছিল পৌত্তলিক উপাসনার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রথম সুসংগঠিত পদক্ষেপ।
     
    ◆ আঘাতের প্রকৃতি : এই বিদ্রোহ ছিল সম্পূর্ণরূপে মতাদর্শগত ও দার্শনিক। এটিই ছিল সেই একেশ্বরবাদী বিশ্বাস ব্যবস্থার ভিত্তি, যা ভবিষ্যতের সকল পৌত্তলিক ঐতিহ্যকে 'মিথ্যা' বা 'শয়তানের কাজ' হিসেবে চিহ্নিত করার পথ খুলে দেয়।
     
    ◆ সনাতন ধর্মের প্রতি প্রভাব : যদিও এই ঘটনাটি সরাসরি ভারতীয় সনাতন ধর্মের উপর প্রভাব ফেলেনি, তবে এটি ছিল সেই একেশ্বরবাদী ভিত্তির সূচনা, যা পরবর্তীতে ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইসলামের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পৌত্তলিকতা ধ্বংসের চক্রান্ত তৈরি করেছিল।
     
    ◆ আদি সংঘর্ষ : ক্যানানাইট সভ্যতা (খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ - ১০০০ অব্দ)
     
    ইহুদিরা যখন মরুভূমি পার হয়ে কনান দেশে (বর্তমান ইসরায়েল/ফিলিস্তিন) প্রবেশ করে, তখন তারা স্থানীয় পৌত্তলিক গোষ্ঠীগুলোর সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।
     
    ◆ সংঘর্ষের কারণ : ক্যানানাইটরা তাদের দেবতা ‘বাল’ (Baal) এবং ‘আশেরা’ (Asherah)-এর পূজা করত এবং তাদের মন্দিরে পৌত্তলিক আচার পালন করত।
     
    ◆ ইহুদি পদক্ষেপ : ইহুদিরা এই পৌত্তলিকদের বেদি ভেঙে ফেলে এবং তাদের পবিত্র বনভূমি ধ্বংস করে।
     
    ◆ স্বর্ণবৎসের বিদ্রোহ (খ্রিষ্টপূর্ব ১৩০০ অব্দ) : মুসা যখন সিনাই পর্বতে ঈশ্বর থেকে আইন আনতে গিয়েছিলেন, তখন ইহুদিদের একটি অংশ পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যায়।
     
    ◆ সংঘর্ষের কারণ : ইহুদিরা সোনা দিয়ে একটি বাছুর (Golden Calf) তৈরি করে তার পূজা করতে শুরু করে। এটি ছিল সরাসরি পৌত্তলিক সংস্কৃতির প্রভাব।
     
    ◆ ফলাফল : মুসা ফিরে এসে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন এবং সেই মূর্তি ধ্বংস করে দেন। এটি ছিল নিজ গোষ্ঠীর ভেতরের পৌত্তলিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বড় সংগ্রাম।
     
    ✒️ ২. খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দ : ইহুদি ধর্মের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ইহুদি ধর্মের মাধ্যমে ধ্বংসের বিবরণ 
     
    ইহুদি ধর্ম, আব্রাহামের একেশ্বরবাদী ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে, তার পবিত্র গ্রন্থে পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশ জারি করে।
     
    ◆ সময়কাল : আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দ (মোশির মাধ্যমে তোরাহ প্রাপ্তি)।
     
                             পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে অবস্থান
    ◆ ইহুদি ধর্মের দশ আদেশ (Ten Commandments ) : ইহুদি ধর্মের কেন্দ্রীয় বিধিমালা পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। "আমার সম্মুখে অন্য কোনো ঈশ্বর তোমাদের থাকিবে না" এবং "তোমরা নিজেদের জন্য কোনো খোদিত প্রতিমা তৈরি করিবে না"—এই আদেশগুলি মূর্তিপূজাকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করে।
     
    ◆ বিবরণ : এই ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা ইহুদিদের বহু দেব-দেবী ও প্রতিমা পূজক কেনানীয় (Canaanite) এবং অন্যান্য প্রতিবেশী সংস্কৃতির সঙ্গে সংঘাতের সৃষ্টি করে। তাদের বিশ্বাসে, অন্য যেকোনো উপাসনা পদ্ধতিই ছিল একমাত্র ঈশ্বরের প্রতি চরম অবমাননা।
     
    ◆ ধ্বংসের চক্রান্ত : ইহুদি ধর্মের এই কঠোর একেশ্বরবাদী মতবাদ পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে মতাদর্শগত ধ্বংসের সূচনা করে, যা খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের মাধ্যমে আরও সামরিক রূপ নেয়।
     
     
    ◆ ব্যাবিলনীয় আক্রমণ ও মন্দির ধ্বংস (খ্রিষ্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দ) : মেসোপটেমীয় পৌত্তলিক শক্তি ব্যাবিলন সরাসরি জেরুজালেম আক্রমণ করে।
     
     ◆ সংঘর্ষের কারণ : ব্যাবিলনীয়রা তাদের দেবতা ‘মার্দুক’ (Marduk)-এর শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।
     
     ◆ ফলাফল : ব্যাবিলনীয় সম্রাট নেবুচাদনেজার জেরুজালেমের পবিত্র মন্দিরটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয় এবং ইহুদিদের বন্দী করে ব্যাবিলনে নিয়ে যায়।
     
    ◆ মাকাবীয় বিদ্রোহ : গ্রীক পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে (খ্রিষ্টপূর্ব ১৬৭-১৬০ অব্দ)
     
    গ্রীক সম্রাট অ্যান্টিওকাস চতুর্থ ইহুদিদের ওপর গ্রীক পৌত্তলিক আচার পালন করতে বাধ্য করেন।
     
     ◆ সংঘর্ষের কারণ : গ্রীকরা জেরুজালেমের পবিত্র মন্দিরে পৌত্তলিক দেবতাদের মূর্তি স্থাপন করে এবং শূকর বলি দেওয়ার মতো কাজ করে।
     
    ◆ ফলাফল : ইহুদিরা মাকাবীয়দের নেতৃত্বে বিদ্রোহ করে এবং রোমান পৌত্তলিক শক্তিকে হটিয়ে জেরুজালেম পুনরায় দখল করে।
     
     
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    1 | 2 | 4 | 5 | 6 | 3 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন