এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • কাজার ডায়েরি - ৯

    দ লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১১৯ বার পঠিত
  • ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯
    ২৫/০৯/২৬


    কী গোম্পা সামনে থেকে

    ২৫ তারিখ সক্কাল সক্কাল ক্যাফে ভালো করে খোলার আগেই এক অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক হাজির। বিনীতভাবে জানালাম একটু সময় লাগবে। তিনি ততোধিক বিনীত হয়ে জানালেন তাঁর হাতে অঢেল সময়। ঘন্টাখানেকের মধ্যে এক কাপ চা পেলেই হবে। একথা সেকথায় জানা গেল তিনি শখের ইকোলজিস্ট। অস্ট্রেলিয়ার নানা অঞ্চলে নিজের উদ্যোগে ৭ হাজার গাছ লাগিয়েছেন। আমি তো শুনে প্রায় লাফিয়ে উঠেছি। এ তো আমারই দলের লোক দেখি।


    কী গোম্পার পথে

    ভদ্রলোক চায়ের সাথে আমাদের বানানো চকোচিপ কুকি খেয়ে মুগ্ধ। স্বাভাবিক! দেশী ঘিয়ের গন্ধওলা টাটকা কুকি, যে খায় সেই মুগ্ধ হয়ে যায়। আরেকজন এলেন ইউক্রেনিয়ান কিন্তু হাঙ্গেরিতে সেটলড। পুতিন আর জেলেনস্কিকে এফ ওয়ার্ড দিয়ে ধুয়ে দিলেন পুরো। আমি সানন্দে সমর্থন করলাম। এদিকে সূর্য্য স্পিতি ম্যারাথন আর র‍্যালি অব হিমালয়া ২০২৬ দুটোই কাজার পাশ দিয়ে যাওয়ায় রয়্যাল এনফিল্ডের ৩০জনের একটা গ্রুপ স্পিতি ইকোস্ফিয়ারের অতিথি হয়ে এখানে আছে।


    প্রথম তোরণ - কী গোম্পা

    ঈশিতার বর অনুভব রয়্যাল এনফিল্ডের কয়েকজনের সাথে কিছু আলোচনা করছিলেন ভেতরের ঘরে। হঠাৎই কিছু দৌড়াদৌড়ি, অনুভব এসে বললেন ক্যাফে বন্ধ করতে হবে এক্ষুণি। লোটে ভাই নামে একজন জেনারেটার চালান, জিনিষপত্র এনে দেন তিনি এসে হুড়মুড় করে সব সাইনবোর্ড খুলে নিলেন বাইরে থেকে। তাশি জুনিয়ার বলল বন্ধ করে ওসেলে চল আজ ছুটি। মার্কেটে ফুড ইনস্পেকটার এসে খুব হুজ্জুতি করছে তাই বন্ধ করে পালাই চল।


    টেথিসের ইশারা

    এমনিতে আমাদের ভলান্টিয়ারিঙে ছুটি ফুটি নেই। প্রতিদিনই ৬-৭ ঘন্টা করে থাকার কথা। সেখানে এরকম একটা হঠাৎ ছুটি পেয়ে বেজায় ফুত্তি হল প্রাণে। ওসেলে ফিরে কোনোমতে কিছু খেয়েই একটা গাড়ি ব্যবস্থা করে কী গোম্পার দিকে দিলাম দৌড়। মন্যিয়াও ওর বন্ধু অ্যালেক্সকে ডেকে মুধ ভ্যালির দিকে বেরিয়ে গেল। ওর তো কাল দুপুর ৩টে নাগাদ ক্যাফেতে গেলেই চলবে। ট্যাক্সি ইউনিয়ান যাকে পাঠাল সে এক আঠেরো উনিশের বাচ্চা নাম সোনম শেরিং।


    Mini Moonland Spiti

    দিনটা চমৎকার রোদ ঝলমলে। খামোখাই জ্যাকেট নিয়েছি সঙ্গে, দুপুর দুটোর রোদ্দুর একেবারে হাত মুখ পুড়িয়ে দিচ্ছে। ২০২৩ এ একটা গ্রুপের সাথে কী গোম্পা এসেছিলাম, অতি অল্প সময়ে কিছুই প্রায় দেখে উঠতে পারি নি। আর গ্রুপের সাথে এলে যাহয় সামনের সীট অতি দুর্লভ বস্তু। তাছাড়া সেবারের সারথী নীরজ সেই প্রথম স্পিতি এসেছিলেন ফলে কোন কোন পয়েন্টে দাঁড়ালে চমৎকার ছবি পাওয়া যাবে সেসব কিস্যুই জানতেন না। আমরা বললেও দাঁড়াতে চান নি কোন ওপরওলার হুকুমে। ফলে তীব্র অতৃপ্তি ছিল।



    সোনমকে প্রথমেই বলে দিয়েছিলাম ছবির কথা। সে এখানকারই ছেলে তাছাড়া ছবি তোলায় আগ্রহও আছে। ফলে পথে অনেক জায়গা নিজেই উদ্যোগ করে দেখালো। আর আমার হাতে ফোন দেখলেই গাড়ি স্লো করে দিচ্ছিল। স্পিতি নদীর ধার ঘেঁষে পাহাড়ের উপরে ১৩৬৮৮ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত কি-গোম্পা বা কি-মনাস্টারি স্পিতি ভ্যালির সবচেয়ে বড় গোম্পা। এখানে লামাদের শিক্ষার জন্য বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্র শিক্ষার কেন্দ্র আছে। অতীশ দীপঙ্করের প্রধান শিষ্য দ্রোমতোন বা দ্রোমতংপা ১০৫৭ খ্রীস্টাব্দে এই গোম্পা গড়ে তোলেন। এই গোম্পায় অতি প্রাচীন দেওয়ালচিত্র, থাংকা, পুঁথি, অস্ত্রশস্ত্র এবং দুর্লভ বাদ্যযন্ত্রের সংগ্রহ আছে। সময় নিয়ে গেলে এই সংগ্রহের অনেকটাই দেখাও যায়, লামারা যত্ন করেই দেখান বলে পড়েছিলাম।


    মূল মন্দির (দুখাং)

    মূল গোম্পা তিনতলা। এর সর্বোচ্চ তলায় চড়ার পাথরের সিঁড়ি একদম খাড়া, সরু, এবড়খেবড়ো এবং দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে জায়গায় জায়গায় অতি মসৃণ ও পিচ্ছিল। অজন্তা ইলোরাতেও খ্রীষ্টিয় প্রথম শতকে তৈরী সিঁড়ি মোটামুটি এরকমই। এরকম সব জায়গায় আমি চার হাতপায়ে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে যাই, তাতে হঠাৎ পড়ে যাবার সম্ভাবনা এড়ানো যায়। মূল ফটক দিয়ে ঢুকেই প্রথম স্তরে একটা বড় হলঘরের একপ্রান্তে বুদ্ধের একটি মস্ত মূর্তি আছে ধ্যানমগ্ন ভঙ্গীমায়। সেই হলের বাকী তিনপাশের দেওয়ালে পরপর সাজানো কিছু থাংকা। অতঃপর হামাগুড়ি দিয়ে তিনতলায় উঠি, সেখানে ছোট্ট মন্দির, বুদ্ধমূর্তি, পাশে খোলা ছাদ। আগেরবার এই ছাদে দাঁড়িয়ে দম নিতে না নিতেই শুনতে পাই নীচ থেকে তীব্র হুইসল বাজিয়ে গাড়িতে যাওয়ার আহবান। এবারে সে উৎপাৎ নেই।



    গোম্পার ভেতরে ছোট ছোট প্রার্থনাকক্ষগুলোও অসাধারণ দেখতে বলে পড়েছি। অতি সরু প্যাঁচালো বারান্দা ধরে এক একটা কক্ষে যাওয়াই নাকি এক আলাদা অভিজ্ঞতা। তা সেসব বিস্তারিত দেখতে গেলে দুই তিনদিন গোম্পায় থাকতে হয়। আপাতত শুধু ধ্যানকক্ষ আর ব্যক্তিগত প্রার্থনা কক্ষ দেখা গেল। কী-গোম্পা মোটামুটি দেখার জন্যও তিন থেকে চার ঘন্টা সময় হাতে নিয়ে আসা ভাল। কাজা থেকে দূরত্ব ১৪ কিমি, গাড়িতে আসতে সময় লাগে আধঘন্টা থেকে চল্লিশ মিনিটের মত। আগ্রহীরা কাজা থেকে এসে একটা বেলা অন্তত এখানে কাটাতে পারেন।



    জুলাইমাসে এই মনাস্টারিতে ছাম উৎসব হয়। সেসময় লামারা মনাস্টারির সংগ্রহে থাকা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নানা মুখোশ পরে নৃত্যগীতের অনুষ্ঠান করেন। শীতের সময় গোম্পায় গেলে প্রথমেই ওঁরা ওঁদের রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে নুন মাখনের চা দিয়ে আপ্যায়ন করেন বলে শুনেছি। এখন দোতলার মন্দিরের পাশের একটি ঘরে এমনিই চা বানানো আছে ফ্লাস্কে আর বিস্কুট। একজন শিক্ষানবিশ লামা সবাইকে চা খাইয়ে আপ্যায়ন করছেন।


    কী গোম্পা পুরোটাই মাটির তৈরী

    বাঙালি শুনে অতীশ দীপঙ্করকে নিয়ে অনেকক্ষণ গল্প করলেন। তবে প্রায় পুরোটাই মনগড়া গল্পস্বল্প। ভেতরের কিছু থাংকা এত জীর্ণ হয়ে গেছে যে হাত ছোঁয়ালে ঝরে যাবে। কিছু জীর্ণ থাংকা আবার ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখা। এঁরাও হেমিসের মত একটা মিউজিয়াম করতে পারেন, সামান্য অর্থমূল্যের বিনিময়ে মূল্যবান প্রত্নবস্তু প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকলে দর্শক আর গোম্পা কর্তৃপক্ষ উভয়েরই সুবিধা হয়। শুধু উৎসবের সময় দেখালে আর কজনই বা দেখতে পায়!


    কী গোম্পা পেছন থেকে

    গোম্পায় ঘন্টা দেড়েক কাটিয়ে চললাম পেছনের ভিউ পয়েন্টের দিকে। প্রথমে খানিক উৎরাই, তারপর রাস্তাটা দুইভাগ হয়েছে। একটা বেশ ভাল চড়াই উঠে টিন দিয়ে ঘেরা একটা ভিউ পয়েন্ট। অনেক উঁচু থেকে কী গোম্পা, স্পিতি নদী, রাংরিক খুরিক গ্রামের অপূর্ব ভিউ। আরেকটা অংশ সোজা গিয়ে একটা চারিদিক খোলা ছাদঢাকা মন্ডপে তিনখানা মস্ত মস্ত মূর্তি বসানো। দুটি মূর্তি মৈত্রেয় বুদ্ধ ও শাক্যমুনি বুদ্ধের আর একটি গেলুগ সেক্টের প্রতিষ্ঠাতা জে সোংখাপার। আমার যদিও এই তৃতীয় মূর্তি দেখে গুরু রিনপোচে বা পদ্মসম্ভব মনে হচ্ছিল তবে সোনম বলল না এটা পদ্মসম্ভব নয়।


    জে সোংখাপা

    অনেকক্ষণ সময় কাটিয়ে প্রাণভরে দেখে অবশেষে ফেরা। সোনম জানাল উপরের ভিউ পয়েন্টটা অতটা চড়াই না চড়েও আরেকটু সহজে অ্যাকসেস করা যায় তাশিগং যাবার পথে। তাশিগঙে মন্দির আছে একটা, আর পৃথিবীর সর্বোচ্চ পোলিং স্টেশান হল তাশিগং। এবারে হবে কিনা জানি না, তবে যেতে হবে কোন একবার। গোম্পার মেমেন্টো শপে খুলির রেপ্লিকা করা আংটি পেয়ে কিনে ফেলা গেল ঝটপট। ফেরার পথে সোনমের সাথে পরিকল্পনা করি ১লা অক্টোবর থেকে কোথায় কোথায় ঘুরব তার। স্ট্যান্ডার্ড স্পিতি সার্কিটের বাইরে কী যে সুন্দর সব ছোট ছোট গ্রাম আছে এখানে! ভারী তৃপ্তিদায়ক দিন গেল একটা। অবশেষে আগেরবার হুইসল বাজিয়ে নামিয়ে আনার জন্য সুপ্রিয়কে ক্ষমা করে দিলাম।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ০ | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯
  • ভ্রমণ | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ২০:১৩743133
  • কি-গোম্পার প্রথম তোরণের ছবিটা ভারী ভালো লাগলো। আচ্ছা দ'দি, তুমি এই যে নানা রকম গোম্পায় যাও, এদের কোনো মেডিটেশন সেশনে কি কখনো পার্টিসিপেট করেছো? করে থাকলে সেই অভিজ্ঞতা কী রকম হয়েছিলো?
    ক্যাফেতে দেশী ঘিয়ের গন্ধ অলা কুকির কথা পড়ে ভীষণই খুশি হয়ে গেলাম। কিছুদিন আগে একটা কুকির রেসিপি নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করছিলাম (আমন্ড ফ্লাওয়ার, মেপল, বাটারস্কচ, চকোলেট চিপ)। তাতে মাখনের বদলে গলানো ঘি দিয়ে করলাম। খুবই ভালো হয়েছিলো!
  • দ | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ২১:২৮743135
  • নাহ ধ্যান ট্যানে আমার একটুও আগ্রহ নেই যে। এরপরেও আরো দুটো গোম্পায় গেছি ঢাংকর আর তাবো। কিন্তু ধ্যানের দিকে যাইই নি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন।