এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  •  ১৯৮৪: বুলিয়ান যুক্তির চোখে এক ভয়ংকর স্বপ্ন 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩৪ বার পঠিত
  • 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13
    জর্জ অরওয়েলের "১৯৮৪" শুধু একটা উপন্যাস নয়, এটা হলো মানবসভ্যতার জন্য এক সতর্কবার্তা। এই বইয়ে আমরা দেখি, কীভাবে ক্ষমতালোভী সরকার বুলিয়ান যুক্তির নিয়মগুলোকে উল্টোভাবে ব্যবহার করে মানুষকে দাস বানায়। লিলি আর মিমি এখন বুলিয়ান বীজগণিত শিখেছে, তাই তারা এই উপন্যাসকে বুলিয়ান যুক্তির চোখে দেখতে পারবে। চলো দেখি, "১৯৮৪"-এর প্রতিটি স্তর কীভাবে বুলিয়ান যুক্তির নিয়ম ভেঙে ফেলে।

     ১. ওয়েলকাম টু দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ইনভার্টেড লজিক

    "১৯৮৪"-এ আমরা দেখি, সবকিছুই উল্টো। সরকারের স্লোগানগুলো পড়লে মনে হয় এগুলো বুলিয়ান NOT অপারেটরের অপব্যবহারের এক নিখুঁত উদাহরণ।

    স্লোগানগুলো দেখো:
    - WAR IS PEACE (যুদ্ধই শান্তি)
    - FREEDOM IS SLAVERY (স্বাধীনতাই দাসত্ব)
    - IGNORANCE IS STRENGTH (অজ্ঞতাই শক্তি)

    বুলিয়ান লজিকে, A = A' হলে সেটা কনট্রাডিকশন। এখানে WAR = NOT WAR? PEACE = NOT PEACE? আসলে সরকার A = NOT A বলছে, যা কখনো সত্যি হতে পারে না। কিন্তু তারা বারবার এটা বলে, মানুষ eventually বিশ্বাস করতে শুরু করে।

    এটা OR-এর অপব্যবহারও বটে। তারা বলছে, WAR OR PEACE — দুটোই একই। XOR দিয়ে বললে, (WAR XOR PEACE) = 0 — মানে দুটো একসাথে সত্যি হতে পারে? আসলে WAR আর PEACE একসাথে হতে পারে না, কিন্তু তারা XOR কে AND বানিয়ে ফেলছে।

     ২. বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ — দ্য OR গেটের ফাঁদ

    "বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ" — এই স্লোগানটা একটা পারফেক্ট OR গেট। তারা বলে, তুমি যেখানেই থাকো, যে কাজই করো, বিগ ব্রাদার তোমাকে দেখছে।

    বুলিয়ান এক্সপ্রেশন:
    B = বিগ ব্রাদার দেখছে
    A = তুমি ঘরে আছো
    C = তুমি অফিসে আছো
    D = তুমি মাঠে আছো
    E = তুমি রাস্তায় আছো

    তাদের দাবি: B = A OR C OR D OR E = 1 সবসময়। মানে তুমি যেখানেই থাকো না কেন, B সবসময় 1।

    এটা একটা মিথ্যা OR। বাস্তবে সব জায়গায় দেখা সম্ভব না। কিন্তু মানুষ বিশ্বাস করে, কারণ ভয় পায়। ভয়ের কারণেই OR গেটটা সত্যি হয়ে যায় — মানুষ নিজেই নিজেকে কন্ট্রোল করে।

     ৩. ডাবলথিংক — দ্য XOR অ্যান্ড AND-এর অসম্ভব সমীকরণ

    ডাবলথিংক হলো "১৯৮৪"-এর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। এর মানে হলো, একই সময়ে দুটো পরস্পরবিরোধী জিনিসে বিশ্বাস করা।

    বুলিয়ান লজিকে এটা হলো: A AND NOT A = 1 — যা কখনো সম্ভব না। কিন্তু পার্টি চায় মানুষ এই অসম্ভবকে বিশ্বাস করুক।

    উদাহরণ: ২+২=৫। তারা চায় মানুষ বিশ্বাস করুক যে ২+২=৪ আবার ২+২=৫ — দুটোই সত্যি।

    XOR দিয়ে বললে: (A XOR B) = 0 হওয়ার কথা, কিন্তু তারা চায় 1 হোক। তারা চায় মানুষ A আর B-কে একসাথে বিশ্বাস করুক, XOR-এর পুরো লজিকই ভেঙে দিয়ে।

     ৪. নিউজপিক — দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ লিমিটেড থিংকিং

    নিউজপিক হলো ভাষাকে ছোট করার এক পদ্ধতি। তারা শব্দ কমিয়ে দেয়, যাতে মানুষ জটিল চিন্তা করতে না পারে। বুলিয়ান বীজগণিতের ভাষায়, তারা সম্ভাব্য ইনপুট কমিয়ে দিচ্ছে।

    ধরো, মানুষের চিন্তার সেট হলো C = {স্বাধীনতা, প্রেম, ন্যায়, সত্য, মিথ্যা, ভালো, মন্দ...}। নিউজপিকে তারা এই সেটকে ছোট করে ফেলে: C' = {ভালো, খারাপ, ঠিক, ভুল...}।

    যত শব্দ কমবে, তত জটিল চিন্তা সম্ভব হবে না। এটা হলো ইনপুট স্পেস কমানো। বুলিয়ান ফাংশন যত সহজ হবে, আউটপুট তত সহজ হবে। তারা চায় আউটপুট সবসময় ১ হোক (পার্টির প্রতি আনুগত্য)।

     ৫. থট পুলিশ — দ্য অলওয়েজ-১ ডিটেক্টর

    থট পুলিশ হলো সেই বাহিনী যে চিন্তা করতে পারে এমন মানুষদের খুঁজে বের করে। বুলিয়ান লজিকে, তারা এমন একটা ফাংশন তৈরি করেছে যা সবসময় ১ দেয় — মানে সবাই সন্দেহভাজন।

    ধরো, T = থট পুলিশের নজরদারি
    P = মানুষ
    তাদের ফাংশন: T(P) = 1 সবসময়।

    কিন্তু আসলে তারা শুধু তখনই কাজ করে যখন (P-এর চিন্তা ≠ পার্টির চিন্তা)। অর্থাৎ T = (P ⊕ পার্টি)। XOR অপারেটর এখানে খাটে — যদি P আর পার্টির চিন্তা ভিন্ন হয়, তাহলে T=1। কিন্তু তারা মানুষকে বিশ্বাস করায় T সবসময় 1।

     ৬. উইনস্টন স্মিথ — দ্য সিকিং XOR

    উইনস্টন স্মিথ হলো সেই ব্যক্তি যে পার্টির চিন্তা থেকে ভিন্ন চিন্তা করতে চায়। সে একটা XOR অপারেটর — তার চিন্তা (W) আর পার্টির চিন্তা (P) সবসময় ভিন্ন।

    W = NOT P

    কিন্তু পার্টি চায় W = P। তাই তারা তাকে ধরে এনে মেরামত করে — "কিউর" করে। তার চিন্তাকে P-র সমান করে দেয়। শেষ পর্যন্ত W = P হয়ে যায়, XOR মরে যায়, হয়ে যায় AND — উইনস্টন পার্টির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়।

     ৭. জুলিয়া — দ্য OR গেটের বিপরীত

    জুলিয়া হলো সেই চরিত্র যে সরাসরি পার্টির বিরোধিতা করে না, কিন্তু নিজের মতো করে বাঁচতে চায়। সে বলে, "আমি শুধু আমার মতো করে বাঁচতে চাই, বিপ্লব করতে চাই না।"

    বুলিয়ান লজিকে, সে একটা OR গেটের আউটপুট না, বরং AND গেটের আউটপুট হতে চায়। সে চায়: (আমি বাঁচব) AND (পার্টি থাকবে) — এই AND-টা পার্টি চায় না। পার্টি চায় OR: (তুমি পার্টির জন্য বাঁচো) OR (তোমাকে মরতে হবে)।

    জুলিয়া বুঝতে পারে না, তার AND-ও শেষ পর্যন্ত OR-তে রূপান্তরিত হবে।

     ৮. রুম ১০১ — দ্য ফাইনাল XOR

    রুম ১০১ হলো সেই জায়গা যেখানে মানুষের সবচেয়ে বড় ভয়ের মুখোমুখি করানো হয়। উইনস্টনের সবচেয়ে বড় ভয় হলো ইঁদুর। তাকে ইঁদুরের মুখোমুখি করানো হয়।

    এখানে XOR অপারেটর কাজ করে: (উইনস্টনের বিশ্বাস) XOR (ইঁদুরের ভয়) = 1। তাকে বেছে নিতে হবে — হয় তার বিশ্বাস রাখবে, না হয় ইঁদুরের কামড় খাবে। সে বিশ্বাস বেছে নেয়? না, সে ইঁদুরের ভয়ে জুলিয়াকে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

    এখানে XOR-এর আউটপুট ০ হয়ে যায় — তার বিশ্বাস শেষ। পার্টি জিতে যায়।

     ৯. ও'ব্রায়েন — দ্য NAND গেট

    ও'ব্রায়েন হলো সেই চরিত্র যে প্রথমে উইনস্টনের বন্ধু সেজে, পরে তাকে ধরে আনে। সে একটা NAND গেট — সে উইনস্টনের বিশ্বাস (W) আর পার্টির বিশ্বাস (P) নিয়ে কাজ করে।

    W = 1, P = 1 দিলে (উইনস্টন বিশ্বাসী আর পার্টি শক্তিশালী), ও'ব্রায়েনের আউটপুট = 0 (কিছু করে না)। কিন্তু W = 1, P = 0 দিলে (উইনস্টন বিশ্বাসী আর পার্টি দুর্বল), ও'ব্রায়েনের আউটপুট = 1 (সক্রিয় হয়)। NAND গেট মানে NOT AND — সে তখনই কাজ করে যখন W আর P-র কম্বিনেশন AND গেটে ১ দেয় না।

    আসলে ও'ব্রায়েন হলো পার্টির হাতিয়ার, যে উইনস্টন-জাতীয় XOR গুলোকে ধরে আনে।

     ১০. ইমপ্লিকেশন — যদি পার্টি বলে, তাহলে সত্যি

    পার্টির সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো ইমপ্লিকেশন। তারা বলে: যদি পার্টি বলে (A), তাহলে সেটা সত্যি (B)।

    A → B

    কিন্তু তারা চায় B → A-ও সত্যি হোক। মানে যদি কোনো কিছু সত্যি হয়, তাহলে সেটা পার্টি বলেছে — এটা ভুল ইমপ্লিকেশন। কিন্তু মানুষকে তারা এটা বিশ্বাস করায়।

    উইনস্টন যখন ২+২=৪ বলে, তখন সে ভাবে এটা সত্যি বলেই সে জানে। কিন্তু পার্টি তাকে শেখায় যে সত্যি কেবল পার্টি যা বলে, তাই। তার পুরো লজিক ভেঙে দেওয়া হয়।

     ১১. মেমোরি হোল — দ্য NOT গেট

    মেমোরি হোল হলো সেই জায়গা যেখানে পুরনো ইতিহাস বদলে ফেলা হয়। এটা একটা NOT গেট। তারা পুরনো সত্য (A) নিয়ে সেটাকে NOT করে ফেলে (A')। তারপর নতুন সত্য (B) বসায়।

    আগের খবর: A = "ওশেনিয়া ইস্টেশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করছে"
    নতুন খবর: B = "ওশেনিয়া ইস্টেশিয়ার সঙ্গে মিত্রতা করেছে"

    মেমোরি হোল A কে মুছে B বসায়। মানুষ ভুলে যায় A ছিল। শেষ পর্যন্ত তারা বিশ্বাস করে B-ই সবসময় ছিল।

    NOT গেটের অপব্যবহার: A' = B, কিন্তু আসলে B ≠ A'। তারা নতুন সত্য বানায়, পুরনো সত্য মুছে দেয়।

     ১২. হেট উইক — দ্য OR গেটের এক্সপ্লোশন

    হেট উইক হলো সেই সময় যখন সবাই একসাথে শত্রুর বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করে। এটা একটা বড় OR গেট। সবাই মিলে ঘৃণা করে, OR গেটের আউটপুট ১ হয়।

    H = H1 + H2 + H3 + ... = 1

    এটা একটা বড় OR গেট যার আউটপুট সবসময় ১। মানুষ ভাবে, সবাই ঘৃণা করছে, তাই সেটা সঠিক। এটা একটা লজিক্যাল ফলাসি — অনেক মানুষ কিছু করলে সেটা সঠিক হয় না।

     ১৩. গোল্ডস্টেইন — দ্য UNKNOWN ইনপুট

    গোল্ডস্টেইন হলো পার্টির বিরুদ্ধে থাকা রহস্যময় নেতা। পার্টি তাকে ব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখায়। বুলিয়ান লজিকে, গোল্ডস্টেইন একটা UNKNOWN ইনপুট — তার অস্তিত্ব প্রমাণিত না, কিন্তু পার্টি তাকে ১ ধরে নেয়।

    তারা বলে: (পার্টি ভালো) AND (গোল্ডস্টেইন খারাপ) = ১। কিন্তু গোল্ডস্টেইন যে আসলে আছে, সেটা প্রমাণিত না। তারা একটা এক্সট্রা ইনপুট বানিয়ে ফেলে তাদের সমীকরণে।

     ১৪. প্রোলস — দ্য ডোন্ট কেয়ার সেট

    প্রোলস (Proles) হলো সেই শ্রেণি যাদের কথা কেউ ভাবে না। পার্টি তাদের নিয়ে মাথা ঘামায় না, কারণ তারা রাজনীতি বোঝে না। বুলিয়ান লজিকে, তারা একটা ডোন্ট কেয়ার সেট।

    পার্টির সমীকরণে, প্রোলস = X (যেকোনো মান)। তাদের মান ০ বা ১ — তাতে পার্টির কোনো এসে যায় না। উইনস্টন ভাবে, প্রোলসের মধ্যেই আশা আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, প্রোলসও কিছু করতে পারে না।

     ১৫. শেষ — ২+২=৫

    উইনস্টন শেষ পর্যন্ত ২+২=৫-এ বিশ্বাস করতে শেখে। এটা হলো বুলিয়ান বীজগণিতের সম্পূর্ণ ধ্বংস।

    ২+২=৪: এটা একটা বাইনারি অপারেশন। ২ আর ২ যোগ করলে ৪ হয় — এটা ফিক্সড।

    পার্টি বলে ২+২=৫। এটা মানে তারা বাইনারি অপারেশনই বদলে দিচ্ছে। তারা বলছে, যোগ নামক অপারেটরটা আসলে AND, না OR, না XOR — তারা নতুন অপারেটর ডিফাইন করছে যেখানে ১+১=৩।

    শেষ দৃশ্যে উইনস্টন জুলিয়াকে দেখে, কিন্তু আর কোনো অনুভূতি নেই। সে জিতে গেছে — পার্টি জিতে গেছে। তার সব বুলিয়ান সার্কিট ভেঙে গেছে। সে এখন শুধু একটা AND গেট, যে সবসময় ১ দেয় — পার্টির প্রতি ভালোবাসা।

    ---

     বুলিয়ান যুক্তির শিক্ষা

    লিলি আর মিমি এখন বুঝতে পারে, "১৯৮৪" আসলে বুলিয়ান বীজগণিতের এক ভয়ংকর রূপ। এখানে সব অপারেটরকেই উল্টোভাবে ব্যবহার করা হয়েছে:

    | অপারেটর | স্বাভাবিক ব্যবহার | "১৯৮৪"-এর অপব্যবহার |
    |---------|-------------------|---------------------|
    | AND | সবগুলো শর্ত পূরণ হলে সত্যি | ডাবলথিংকে A AND NOT A = ১ |
    | OR | যেকোনো একটা শর্ত পূরণ হলে সত্যি | বিগ ব্রাদার সব জায়গায় দেখছে |
    | NOT | ইনপুটের উল্টো | ইতিহাস বদলে দেওয়া |
    | XOR | ইনপুট ভিন্ন হলে ১ | উইনস্টন শেষে XOR মেরে AND বানানো |
    | NAND | AND-এর উল্টো | ও'ব্রায়েনের চরিত্র |
    | NOR | OR-এর উল্টো | প্রোলসদের উপেক্ষা |

    তারা আরও বুঝতে পারে, বুলিয়ান বীজগণিত শুধু সার্কিটের জন্য না — এটা আমাদের চিন্তার জন্যও। যদি আমরা বুলিয়ান যুক্তি ভুলে যাই, তাহলে আমরাও উইনস্টনের মতো হয়ে যেতে পারি।

    তাই লিলি বলে, "মিমি, আমরা বুলিয়ান বীজগণিত শিখেছি ভালোই হয়েছে। এখন কেউ আমাদের সহজে বোকা বানাতে পারবে না।"

    মিমি বলে, "হ্যাঁ, যদি কেউ বলে ২+২=৫, আমরা বুঝতে পারব এটা কোন অপারেটরের অপব্যবহার!"

    "১৯৮৪" আমাদের সতর্ক করে — যদি আমরা যুক্তি ভুলে যাই, তাহলে আমরা সব হারাতে পারি। বুলিয়ান বীজগণিত আমাদের সেই যুক্তি শেখায়। আর সেটাই সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা।
    "একজন পাগল রাজার বই পড়ে চলেছে  "   ফাজি লজিক ?
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন