এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • ২৪-এ হবে কর্পোরেট-সমর্থিত ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে দেশরক্ষার লড়াই

    কল্যাণ সেনগুপ্ত
    আলোচনা | রাজনীতি | ২১ অক্টোবর ২০২২ | ১৮৪১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)

  • ভারত জোড়ো যাত্রার মাসাধিক কাল পার হয়ে গেল। ফলে এ যাত্রার এযাবৎ সাফল্যের নিরিখে অনেকেই বেশ আশাবাদী হয়ে বলতে শুরু করেছেন যে গোটা বিষয়টা যদি সত্যিই ক্লিক করে যায় অর্থাৎ ঠিকঠাক লেগে যায় তাহলে, রাহুল + যোগেন্দ্র (যাদব) ম্যাজিক দেশের রাজনীতির অভিমুখ ঘোরাতে সক্ষম হবে। শেষপর্যন্ত যদি সত্যিই তেমনটা হয়, তবে তা হবে এক নীরব সংসদীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশে গণতন্ত্রের ভিত খুব পোক্ত। কিন্তু একথাও ঠিক, আমাদের দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র একটু একটু করে পচতে পচতে এখন একটা বদ্ধজলায় পরিণত হয়েছে। বিষয়টা নিয়ে সবাই এতটাই হতাশ যে, এর থেকে আর কিছু ভাল হবার আশা — প্রায় সবাই ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু যেহেতু দেশে এখনও গণতন্ত্র টিকে আছে, তাই ভালো হবার আশাও টিকে আছে। তবে ২৪-এ মোদিকে হারাতে না পারলে গণতন্ত্র আর স্বমহিমায় থাকবে না বলেই অনেকের আশঙ্কা। সে' কারণেই প্রকৃত বিজেপি-বিরোধী সব দলের নেতৃত্ব নিশ্চিতভাবেই বোঝে, যে, সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য মোদিকে হারানো কতটা জরুরি।

    আমরা সবাই আবার এটাও জানি, যে, মোদিকে হারাতে হলে বিরোধী ঐক্য অতীব জরুরি। কিন্তু বিরোধী ঐক্যের ক্ষেত্রে বড় বাধা হচ্ছে অতীত সংঘাতজনিত পারস্পরিক অবিশ্বাস ও দলীয় স্বার্থ রক্ষার দায়। কংগ্রেসের বর্তমান ছন্নছাড়া অবস্থা শুধরোতে না পারলে বিরোধী ঐক্য গড়ে তোলা বেশ কঠিন। তাই আশা করা হচ্ছে, এই যাত্রার সাফল্য অনেক সমস্যারই সমাধান এনে দিতে পারে। কংগ্রেস শক্তিশালী হলে এবং মোদির পরাজয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলে বিরোধী ঐক্যের বিষয়টিও অপেক্ষাকৃত সহজ হয়। একটা সহজ সত্য সবাইকে বুঝতে হবে, যে, মোদি হারলেই গণতন্ত্র বাঁচবে, দেশ বাঁচবে। নইলে গণতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গে সবই যাবে কবরে। ফলে দেশের স্বার্থের বদলে দলীয় স্বার্থ বা ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দিলে বিরোধী অনৈক্যের সুযোগ নিয়ে মোদি আবার বাজিমাত করবে। কর্পোরেট শোষণ হবে লাগামহীন। আদানি-আম্বানিদের মুনাফা বাড়বে লাফিয়ে লাফিয়ে। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনীর তালিকায় আরও উঁচুতে স্থান হবে এদের। মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা ও অত্যাচার আরও বাড়বে। অত্যাচারের শিকার হবে নারী এবং দলিতরা। চরম ক্ষতি হবে দেশের, যা কোনোমতেই হতে দেওয়া যাবে না।

    বিজেপিকে টক্কর দিতে কংগ্রেসের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় দুশো আসনে মুখোমুখি লড়াই। বাকি আঞ্চলিক দলদের অনেকটাই কম। কিন্তু বিগত ১৯-এর নির্বাচনে কংগ্রেস বিজেপির কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং তার ফলেই বিজেপি এতবড় সাফল্য পায়। এটা ভাবার কোনো কারণ নেই, যে, কংগ্রেস ৫০/৫২তেই আটকে থাকবে ও আঞ্চলিক বা অন্যান্য দলেরা এতটাই ভালো ফল করবে, যে, বিজেপি ২০০র নীচেই থেমে যাবে। গণিত কিন্তু তা বলছে না। অতএব বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে হলে কংগ্রেসকে সাফল্য পেতেই হবে। তার জন্য প্রয়োজন শক্তপোক্ত সংগঠন এবং বিরোধী দলসমূহের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন। তবেই মিলবে মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও আবেগীয় উচ্ছ্বাস। সেই জন্যই এই দীর্ঘ যাত্রা এত দীর্ঘসময় ধরে। এতে দল চাঙ্গা হবে, কর্মী-সমর্থকরা ফিরে পাবে মনোবল, বাড়বে নেতৃত্বের আত্মবিশ্বাস। আর এসবের মোট ফল হবে মানুষের ভরসা ও সমর্থন লাভ। যে রাহুল গান্ধীকে 'পাপ্পু' বলে গালি দিয়েছে, অবহেলা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব, ইদানিং তা আর বিশেষ শোনা যাচ্ছে না। এতেই প্রমাণিত হয় যে, রাহুল বিজেপি নেতৃত্বের কিঞ্চিৎ সমীহ আদায়ে সক্ষম হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তা আরো বাড়বে বৈ কমবে না। আশা করা যায়, যাত্রা-অন্তে আমরা এক প্রাপ্তমনস্ক ও দায়িত্ববান নেতারূপে রাহুল গান্ধীকে পাব।

    এর নেপথ্যে আছে এই দীর্ঘ যাত্রাপথে যোগেন্দ্র যাদবের সহচর্য ও সুপরামর্শ, যিনি এই যাত্রায় সামাজিক সংগঠন সমূহের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং অসংখ্য অজানা সংগঠনের নেতৃত্বের সাথে মত বিনিময়ের মাধ্যমে ব্যাপক জনমত গঠনে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করছেন। এমন যাত্রা ভিন্ন এরকম সুযোগ মেলা সত্যিই দুস্কর। অনেকে এমনও বলছে যে, অতীত জয়প্রকাশ নারায়ণের ছায়া ক্রমশঃ মূর্ত হয়ে উঠছে যোগেন্দ্র যাদবের মধ্যে। কাড়া-নাকাড়া বাজিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিলাসবহুল রথযাত্রার জগঝম্প ও তার কুফল মানুষ অনেক দেখেছে। বিলাস-বর্জিত এমন দীর্ঘ সময় ও দূরত্বের পদযাত্রা এদেশের মানুষ সম্প্রতি কবে দেখেছে? এযাত্রার সদর্থক প্রভাব মানুষের মধ্যে অবশ্যই পড়বে আশা করা যায়। এযাত্রার বার্তা হচ্ছে — ঘৃণা নয়, বিভেদ নয়, চাই ঐক্য, চাই মৈত্রী, চাই শান্তি, চাই প্রগতি। এই যাত্রার ফলে দেশজুড়ে জনজাগরণের সম্ভাবনা ক্রমশই উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে। সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই পেতে চলেছে এক নতুন মাত্রা।


    লেখক Swaraj India -র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সহ-সভাপতি


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২১ অক্টোবর ২০২২ | ১৮৪১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ২১ অক্টোবর ২০২২ ২১:৫২513078
  • একজন ধর্ম নিরপেক্ষ , শান্তি প্রিয় নাগরিক হিসেবে আমার দাবী , এই বর্বর, উগ্র সাম্প্রদায়িক দলটির বিরুদ্ধে প্রত্যেক টি মানুষ এক হোক ,,, পরাস্ত করা হোক ঐ অসভ্য, অশিক্ষিত, কর্পোরেট দালাল দের পা চাটা কুত্তা টিকে!! সুজন, ভদ্র এবং শিক্ষিত গন হয়তো বলবেন "একজন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই উক্তি "??? আমি বলবো,,,ঐ শুয়োরের বাচ্চা টা বহু মানুষের রক্ত পান করে, বহু নিরীহ শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ, গুনী মানুষকে হত্যা করতে ইন্ধন জুগিয়েছেন , দেশের প্রতিটি মানুষ কে মিথ্যা কথা , প্রবঞ্চনা করে নির্লজ্জ বেহায়ার মত এই গান্ধীর দেশের মাটিকে কলুষিত করেছেন। No mercy!! Let this despot die a brutal death!!! 
  • Amit | 14.202.***.*** | ২২ অক্টোবর ২০২২ ০৩:৫২513086
  • পুরো হাস্যকর লেখা। এসব যাত্রা ফাত্রা নিয়ে কারোর বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। টিভি ক্যামেরায় ওসব নাটুকে ফটো অপস এর পেছনেও দেখা যাচ্ছে মিছিলে আসলে কটা লোক হাটছে। 
     
    এসব আদতে রাহুল গান্ধীর মত স্পাইনলেস একটা নেতাকে বারবার লন্চ করার ব্যর্থ চেষ্টা। যেসব স্টেট্ এ ইলেকশন , সেখানে যাওয়ার সাহস নেই, সেফ উইকেট খুঁজে খুঁজে ব্যাটিং করা দেখানো চলছে। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ইলেকশন নিয়ে এক মাস ধরে হাস্যকর তামাশা হয়ে গেলো যাতে শেষে খাগড়ে র মত একটা বৃদ্ধ ভক্ত  পিয়ন খুঁজে পাওয়া গেলো  যে রাহুল গান্ধীর জন্যে চেয়ার টা ধরে রাখবে। ক্রিকেটে নাইট ওয়াচম্যান এর থেকে বেটার রেসপনসিবিলিটি নেয়। কংগ্রেস এখন ​​​​​​​ডাইনোসর- জাস্ট ​​​​​​​মরার ​​​​​​​অপেক্ষা। 
     
    লড়াই করতে হলে লোকে রাহুল গান্ধীকে কেন ভরসা করতে যাবে ? যেখানে রাহুল গান্ধী ল্যাজ গুটিয়ে পালায় , সেখানে  কেজরিওয়াল বা অন্যেরা অন্তত সামনে থেকে লড়তে জানে। এভন মমব্যান এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে যতোই অপদার্থ আর করাপ্ট হোক কিন্তু লড়াই করতে জানে। যাবতীয় ফেলিওর আর ঘুগনি চপ শিল্প সত্ত্বেও এইটা বলতে হয়। পব পুরো জিজিতে যাচ্ছে সন্দেহ নেই যদিও। 
     
    যোগেন্দ্র যাদব এতো বেকার জ্ঞান দেওয়ার বদলে প্রপার লোকজনে দের সাথে কোলাবোরেট করছে না কেন ? একটা খোঁড়া ঘোড়ার পিঠে না চেপে ?
  • GG | 2a03:e600:100::***:*** | ২২ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৫৪513102
  •  
    গত বারো বছরে পশ্চিমবঙ্গের ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩১৩%— ২০১০-১১ অর্থবর্ষে ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮৭৩৮৭ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বাজেটে অনুমান, এই বছরে ঋণের পরিমাণ হবে ৫৮৬৪৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু, এই একই সময়কালে রাজ্যের জিএসডিপি বেড়েছে ৩৭১%, রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ৪১৯%। যদি ২০১০-১১ থেকে ২০১৯-২০’র পরিসংখ্যান দেখি, অর্থাৎ অতিমারি আরম্ভ হওয়ার আগে পর্যন্ত, তা হলে সেই সময়কালে ঋণ, জিএসডিপি ও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ২৩১, ২৬২ ও ৩০২%।
    ঋণের সবচেয়ে মন্দ দিক হল, তার উপর সুদ গুণতে হয়! প্রতি বছর রাজ্যের হাতে ব্যয়যোগ্য যে টাকা থাকে, তার একটা অংশ সুদ মেটাতে চলে যাওয়ার অর্থ, সেই টাকা দিয়ে উন্নয়নের নতুন কোনও কাজ করা যায় না। ২০১০-১১ সালে রাজ্যে যত রাজস্ব আদায় হত, তার ২৯.২% যেত সুদ মেটাতে। এই পরিমাণটি ক্রমেই কমেছে। ২০১৯-২০’তে, অর্থাৎ অতিমারি আরম্ভ হওয়ার ঠিক আগে এই অনুপাতটি ছিল ২২.২%; তার পরের বছর দাঁড়িয়েছে ২২.৮%। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করার মতো রাজস্বের অনুপাতও বেড়েছে। রাজ্যের জিএসডিপি-র অনুপাতে সুদের পরিমাণও তাল মিলিয়ে কমেছে।
  • অখণ্ড ভারত | 138.199.***.*** | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ২২:৩৮513555
  • বিষয়টা খুব সহজ।
    ভারতবর্ষ হিন্দুদের দেশ, আর অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের দেশ, যাদের ধর্ম এখানকার সনাতন, যেমন জৈন , শিখ, বৌদ্ধ, ইত্যাদি।
    ইসলাম আর খ্রিস্টান ধর্ম হল বাইরে থেকে আসা লুঠেরা, হানাদার আর নারীধর্ষকদের ধর্ম। অখণ্ড ভারতে তাদের কোন জায়গা নেই।

    মুসলমানদের আর খ্রিস্টানদের কেউ যেচে এদেশে নেমন্তন্ন করে আনেনি। এরা এসেছে এদেশকে ধ্বংস করতে। এদের একমাত্র regret যে ধ্বংসটা এখনও শেষ করে উঠতে পারেনি। তবে এদের মনে আশা আছে যে সামনে কয়েক দশকে বাকি হিন্দুগুলোকেও কুপিয়ে দেওয়া যাবে।

    এদের না তাড়ালে ভারত বলে কিছু থাকবে না।
    এটা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন।
     
    মুসলমানদের আরো গোটা পঞ্চাশেক দেশ আছে। খ্রীষ্টানদের কয়েকশো দেশ আছে। আর হিন্দুদের ভারতকেও নিজের দেশ বলার উপায় নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন