এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  প্রবন্ধ

  • আবারও সামসুর ভাইয়ের সব্জির ভ্যানের কথা

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    প্রবন্ধ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫৫৬ বার পঠিত
  • আবারও সামসুর ভাইয়ের সব্জির ভ্যানের কথা। 
     
    আবারও সামসুর ভাইয়ের সব্জির ভ্যানের কথা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে হলো। তাগিদটা অবশ্য আমার‌ই। মাঝখানে দিনকয়েক সামসুর ভাইয়ের দেখা পাইনি। সাতদিনের সপ্তাহে নিয়ম করে তার একদিনের কামাই - শুক্রবার। ওই দিনটাতে সে সারাদিন মেঠোকাজে‌ই ব্যস্ত থাকে – নিড়ানি দিয়ে খুসিয়ে খুসিয়ে আগাছা উপড়ে ফেলা, জমির আল বরাবর সারি দিয়ে লাগানো পেঁপে গাছগুলোর গোড়ায় মাটি তুলে উঁচু করে দেওয়া, ঝড়ো বাতাসে হেলে পড়া উচ্ছে আর ঝিঙার জন্য তৈরি বাঁশের মাচাকে ঠিকঠাক করা, জমিতে কাটার অপেক্ষায় ক্লান্ত দীঘল শরীরে দাঁড়িয়ে থাকা পাট গাছগুলোকে জাঁকে বসানোর জন্য নয়ানজুলির দেখভাল করা - ... এই আর কি! জমির কাজের কি আর অন্ত আছে বাপু! “এই যে নিজের সন্তানদের দেখভাল করে বড়ো করতিছো, তা কি যেমন তেমন করে করো? কখনোই নয়। যতদিনে না ছাওয়ালরা হুঁশিয়ার হচ্ছে ততদিন তাঁদের খিদমত করতি হয়। আমাদের কাছে জমি ও ফসল যে তেমনটাই।” -- সামসুর ভাইয়ের এই কথাগুলো কেবলই শোনার জন্য। আমি তাই খুব মন দিয়ে শুনি, কোনোরকম বিতণ্ডায় জড়াই না। আসলে এমন কথা বলার লোকজন তো সহজে মেলে না! তাই দিনকয়েক সব্জির ভ্যানের দেখা না পেলেই মনে নানান রকম চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করে। সব্জি নিয়ে আসে আরও অনেকেই, তবে তাদের সবার সঙ্গে এমনতরো পিরীতি জমে না।
     
    আমাদের গলিতে গলিতে এখন চলমান বিপণির ছড়াছড়ি। কতো মানুষ যে তিন চাকার ভ্যান চালিয়ে নানান পসরা নিয়ে আসে তার ইয়াত্তা নেই। এদের আমি লকডাউনের সাথী বলেই ডাকি। এই সাথীরা আমাদের মতো সিনিয়র সিটিজেন মানুষদের কাছে বড়ো ভরসার। প্রায় হপ্তা গড়িয়ে সামসুর ভাই তার নিত্যদিনের সঙ্গী ভ্যান রিক্সা নিয়ে হাজির। বললাম – “কিগো? এতোদিন কোথায় গা ঢাকা দিয়ে ছিলে? সঙ্গে একটা ফোন‌ও রাখো না যে দরকারে অদরকারে একটু ফোন করে খোঁজখবর নেবো” আমার কথা শুনে একগাল হেসে সামসুর ভাই বলে – “এই কদিন একা হাতে এক বিঘে জমির পাট কেটে তাকে জলে ভিজিয়ে জাঁকে বসালাম। এসব কি আর একলা লোকের কাজ?” – সামসুরের গলায় প্রচ্ছন্ন হতাশার সুর। খানিকটা অবাক হয়ে বলি – “কেন? তোমার ছেলেরা আছে না?” কষ্টের হাসিটাকে কোনোরকমে লুকিয়ে সামসুর ভাই হেঁকে বলে – “কি কি দেবো বলো? আজ অনেক সব্জি আছে।” বুঝতে পারি ও কথা ঘুরোচ্ছে। আমিও এড়িয়ে যাই। মানুষের দুঃখের জায়গায় খোঁচা দিতে নেই।
     
    এই মুহূর্তে সারা দেশ জুড়ে প্রায় অলক্ষ্যে কৃষি নিয়ে একটা অন্য রকমের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। দেশের আমআদমি এই সমস্যার সঙ্গে খুব পরিচিত বলে আমার কিন্তু মনে হয় না। অথচ আমাদের দেশের বিপুল সংখ্যক অধিবাসীরা নিজেদের খাদ্যের জোগানের জন্য এই কৃষির ওপরেই নির্ভরশীল। দেশের কৃষি নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সতত‌ই উঠে আসে সেগুলো হলো – আমরা ঠিক কতোটা খাদ্যের সংস্থান করতে পারছি দেশের মানুষের জন্য? আমাদের দেশের আপৎকালীন প্রয়োজনের জন্য কতটা খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে? আমাদের দেশের কৃষি পরিকাঠামোর উন্নয়নে আর কী কী উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে? দেশের মৌসুমী বর্ষণের পরিমাণ কি যথেষ্ট বলে মনে হয়? এসব নিছকই মামুলি প্রশ্ন যা কৃষি অর্থনীতির ছাত্ররা পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে দেখার জন্য মন উঁচিয়ে থাকে। কিন্তু সামসুরের মতো ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষীদের মনে আরও একটা নতুন মেঘ এসে জমা হচ্ছে – “আমার পরে এই জমি চাষের কাজ কে করবে? কারা ভবিষ্যতে ভারতের জনগণের জন্য খাদ্যের জোগানকে সুনিশ্চিত করবে?” 
     
    এই মুহূর্তে দেশে জনগণনার কাজ চলছে। কাজটা সম্পূর্ণ হলে আমাদের দেশের জনসংখ্যা সম্পর্কিত আরও নতুন নতুন তথ্য সামনে আসবে। ইতোমধ্যেই ভারতকে অল্পবয়সী নবীন প্রজন্মের নাগরিকদের বাসভূমি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন দুনিয়ার অর্থনীতিবিদরা। ভারতের নাগরিকদের বয়সের মিডিয়ান বা মধ্যমান হলো মাত্র ২৯ বছর। অথচ দেশের কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত কৃষিজীবী মানুষদের গড় বয়স হলো ৫০-৫৫। এর অর্থ হলো দেশের নবীনতর প্রজন্মের নাগরিকরা খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে দেশের ক্রমশ বুড়িয়ে যাওয়া জনগণের ওপর‌ই একান্ত ভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। বিষয়টি একটি ডেমোগ্রাফিক প্যারাডক্স বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা। এর ফলে এই মুহূর্তেই আমাদের খাদ্যের জোগানে টান পড়বে এমনটা হয়তো নয় কিন্তু আগামীদিনে এই প্রবণতার কারণে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি নিয়ে একধরনের দোলাচলে পড়তে হবে গোটা দেশকে। সামসুরের মতো প্রান্তিক চাষীদের মনে আশঙ্কার মেঘ জমতে শুরু করেছে এই কারণেই।
     
    সামাজিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আজকে কতোগুলো প্রশ্ন খুব বড়ো হয়ে উঠতে শুরু করেছে দেশের তথাকথিত রক্ষণশীল নাগরিক সমাজের খোদ অন্দরমহলে। বর্ণাশ্রমের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ভারতীয় গ্রামীণ সমাজে বৃত্তিমূলক উত্তরাধিকারের এক আশ্চর্য প্রথা চালু রয়েছে। কৃষকের ছেলে এই নিয়মে কৃষির সঙ্গে যুক্ত হবে এটাই স্বাভাবিক বলে মনে করা হতো। এই ব্যবস্থার একটা বড়ো সুবিধা হলো যে কৃষি উৎপাদন সংক্রান্ত এক প্রজন্মের জ্ঞান বা প্রজ্ঞা পুরুষানুক্রমে সঞ্চালিত হতো পরবর্তীয়দের মধ্যে। এভাবেই স্থিতিশীল থাকতো খাদ্যের উৎপাদন ও জোগান। তবে এই পরম্পরাকে আলবিদা জানাতে মানসিকভাবে প্রস্তুত এই সময়ের কৃষক পরিবারের তরুণ সদস্যরা। এই বর্ধমান অনীহার কারণে সামসুর ভাইয়ের দুটি ছাওয়ালের একজন‌ও পাট কাটা ও ভেজানোর সময় তাদের আব্বাজানের পাশে এসে দাঁড়াবার ইচ্ছে প্রকাশ করে না। সামসুরের একছেলে মোজাইক মিস্ত্রির কাজ করে -- তার রোজগার বিস্তর, আরেক জন ‘ছোটো হাতী’ চালায়। সামসুর দুঃখ করে বলে – “বাপের সঙ্গে রোদে পুড়ে, জলে ভিজে মাটির মনের কথা বুঝতে চেয়েছি জোয়ান বয়সে। আজ এখনকার ছেলে ছোকরাদের সেই সময় ক‌ই? তারা এখন নগদ পয়সার ঝলকানিতে মজে গেছে। মাঠের খাটনিতে তাই আর তাদের মন নাই।”
     
    এই প্রবণতা কেবলমাত্র এই দেশের‌ই তা মনে করার বোধহয় কোনো কারণ নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাপানে এই প্রবণতা প্রবল হয়ে ওঠে। মধ্যবয়স্ক কর্মক্ষম পুরুষরা গ্রাম ছেড়ে, বাপ পিতামহের ভিটে ছেড়ে পাড়ি দিতে শুরু করে গ্রাম ছাড়িয়ে দূরের শহরাঞ্চলের কলকারখানায় কাজ করতে। গ্রাম জনশূন্য হতে থাকে। কৃষি ব্যবস্থা ধুঁকতে থাকে উপযুক্ত পরিচর্যার অভাবে। এই সংকটের মুহূর্তে প্রবৃদ্ধ পিতামহের কৃষি সম্পর্কিত গভীর জ্ঞান ও দক্ষতার সঙ্গে পরবর্তীকালে যুক্ত হয় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার সংক্রান্ত নাতির অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের তেজ। জাপানের কৃষি নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু করে। এসব অনেক দিন আগের কথা। আসলে সময়ের সাথে সাথে একটু একটু করে ফাঁক বাড়তে থাকে দুই প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গিতে। জমিকে ঘিরে গড়ে ওঠা পারস্পরিক সম্পর্কের বণিয়াদ আলগা হতে হতে একসময় সম্পূর্ণ ছিন্ন হয়ে যায়।
     
    এই জেনারেশন গ্যাপ ক্রমশই বাড়ছে ভারতীয়দের মধ্যে। এই সময়ের কৃষি নানা ধরনের অনিশ্চিয়তার শিকার। জলবায়ুর পরিবর্তন কৃষিজীবী সমাজের মানুষদের জীবন ও জীবিকা বাঁচানোর লড়াইকে ক্রমশই জটিল করে তুলেছে। খরা বন্যার প্রকোপ বাড়তে থাকায় কৃষি হয়ে উঠেছে একটি অনিশ্চিত জীবন ও জীবিকার নাম। পাশাপাশি রয়েছে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় সমস্যা, কৃষির খরচ বেড়ে যাওয়া এবং খরচের অনুপাতে আয়ের সুযোগ কমে যাওয়া, উত্তরাধিকারী আইনের কারণে জমির আয়তন ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হয়ে যাওয়া – এমন হাজারো সমস্যা। এই সবের যাঁতাকলে নিজেদের আর জড়াতে চাইছেনা এই প্রজন্মের তরুণরা। গ্রাম ঘিরে থাকা শহরের ঝকঝকে আলোর হাতছানিতে আজ তারা গ্রামছাড়া অকৃষি শ্রমিক। গ্রামীণ কৃষিসমাজ আজ নবীন প্রজন্মের কৃষিজীবীদের অভাবে ধুঁকছে। কৃষি আজ আর নিরাপদ জীবিকার ক্ষেত্র নয়।
     
    গ্রামীণ সমাজে এখন প্রজন্মের ফাঁকের সাথে সাথে বাড়ছে প্রত্যাশার ফাঁক বা এ্যাসপিরেশন গ্যাপ। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে এই মুহূর্তে গ্রামের মাত্র ১.২% তরুণ প্রজন্মের নাগরিক কৃষিতে যুক্ত থাকতে আগ্রহী। নিজেদের পছন্দমতো বৃত্তি বেছে নেবার অধিকার আজ আমাদের খাদ্য সুরক্ষার প্রশ্নটিকেই বিপন্ন করে তুলেছে। কৃষি তো প্রকৃতির দান নয়, মানুষের উদ্ভাবন। মানুষের জোগানে টান পড়লে খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থাটাই যে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। সামসুর ভাই মজা করে বলছিলো – “বাপের সঙ্গে জমিতে জড়িয়ে থাকলে বাবুদের মোবাইল ফোন আর মটোর বাইকের তেলের খরচ উঠবে কী করে?” মজা করে বললেও সামসুর ভাইয়ের ওই কথার মধ্যে যে গভীর ব্যথা জড়িয়ে আছে তা সহজেই টের পেয়ে যাই। আসলে সাবেকি চালের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের কৃষক পরিবারের সদস্যদের কাছে তেমন আকর্ষণীয় নয়। ফলে তারা কৃষি ছেড়ে অন্যতর পেশা বেছে নিতে চাইছে। শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায়। অনিশ্চিত হয়ে উঠছে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মহার্ঘ্য প্রশ্নটি।
     
    কৃষি আয় বৃদ্ধি পেলে কি এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে? পারিবারিক কৃষির আবহে আবার ফিরে আসবে নবীন প্রজন্মের সদস্যরা? না এমন হবার সম্ভাবনা এখনও সুদূরপরাহত। এই সময়ের গ্রামীণ তরুণদের মধ্যে নিয়মিত স্থায়ী আয়ের প্রতি ঝোঁক বেড়েছে। শহরে যে কোনো একটা কাজ থেকে নিয়মিত মজুরি মিলবে যা তাদের ইপ্সিত জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের পর্যাপ্ত আয়োজনে সাহায্য করবে, কৃষির সঙ্গে যুক্ত হলে এই সুবিধা মিলবে না। এজন্যই আমরা দেখি গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী হচ্ছে গ্রামের কর্মক্ষম তরুণ ও যুবকেরা। এমন সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি নেই একথা বলা সর্বার্থে ঠিক হয়তো নয়।
     
    সামসুর ভাইয়ের কথাতেই ফিরি। তার কথায় – “আব্বুর হাত ধরে যখন প্রথম আমরা তিন ভাই চাষের কাজ শুরু করি তখন যা আয় হতো এখন তার তুলনায় আয় অবশ্যই বেড়েছে। তখন এক লপ্তে যতটা জমি চাষ করতাম এখন তা ভাগ বাটোয়ারা হয়ে গেছে। এরফলে এখন আমার কাছে জমিও কমে গেছে। আমার ভোগদখলের জমি ভবিষ্যতে আরও ভাগ হয়ে যাবে আমার দুই ছেলের মধ্যে। এরপর এক এক ভাইয়ের হাতে যতটুকু জমি থাকবে তা থেকে সম্বৎসরের খোরাকি জোগাড় করা খুব সহজ কাজ হবে না।” আজ সামসুর ভাইয়ের মুখ থেকে যে কথাগুলো শুনছি সেইসব কথা কিতাবে পড়েছি। আজ সামসুর ভাই আমাকে তার ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার কথা শোনালো।
     
    স্বাধীনতার পরবর্তী সময়েও কৃষি উৎপাদন ছিল জীবন ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। আজকের সময়ে বিকল্প জীবিকার ক্ষেত্রগুলো বিকাশ লাভ করার ফলে দেশের গ্রামীণ তরুণদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে কৃষি তার গুরুত্ব অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছে। সামসুরের ছেলেরা আর মাটি কাদা গায়ে মেখে “মোরা চাষ করি আনন্দে” বলতে একদম রাজি নয়। তাদের জমির টান ছেড়ে যাওয়া মানেই হলো কৃষিতে তারুণ্যের জোয়ারে বাধা পড়া। নিজেদের পৈতৃক পেশা ছেড়ে সবাই আরো আরো আয়ের খোঁজে ছুটছে। তবে সামসুর ভাইয়ের বুড়ো হয়ে যাওয়াটাই কিন্তু ভারতীয় কৃষির ভবিষ্যতের জন্য একমাত্র সমস্যা নয়। সামসুর ভাই সেকথা জানে আর তাই তার উৎকণ্ঠা অন্যতর মাত্রা পেয়েছে। সে উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চাইছে, তবে তা কীভাবে সম্ভব হবে সেই বিষয়ে খুব স্পষ্ট ধারণা নেই। সামসুর বুঝতে পারে যে আগামীদিনে যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়িয়েই হয়তো এই সমস্যার সমাধান করতে হবে তাদের। কিন্তু তার সঙ্গতি ক‌ই ?
     
    ভারতীয় কৃষক সমাজ আজ এক বাঁকের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। সাবেকি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে দ্বন্দ্ব বেঁধেছে নতুন জীবন বেছে নেবার আকুতি। এই লড়াই এই মুহূর্তেই দেশের খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে বিপন্ন করছে তা হয়তো নয় তবে বিষয়টি যে আগামী দিনের জন্য একটা বড়ো সংকেত বয়ে আনছে সেই বিষয়ে আর সন্দেহ কি! এখন থেকেই সচেতন হতে হবে আমাদের।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • প্রবন্ধ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৪১742795
  • অনিবার্য পরিণতি কৃষিতে কর্পোরেট অনুপ্রবেশ। শুরু হয়ে গেছে। আমাদের গ্রামের দিকে প্রচুর আলু চাষ হয় অনেক আগে থেকেই।এখন বেশির ভাগ অংশে চুক্তি চাষ হচ্ছে। কৃষিতে নূতন ভাবনা,নূতন নীতি দরকার। কিন্তু ---
  • Somnath mukhopadhyay | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫১742801
  • ধন্যবাদ জানাই প্রথম কিছু কথা বলার জন্য। কৃষির সমস্যা গভীর। তাই চটজলদি কিছু উপায় বাতলে দেওয়া সম্ভব নয়। সামসুর ভাই আমার কাছে একটা প্রতীকের মতো যার কাছে আমি একেবারে হাঁড়ির খবর পাই। তার কথাতেই স্পষ্ট যে হালফিলের কৃষক পরিবারের তরুণ সদস্যরা কৃষির ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। কর্পোরেট সংস্থার হাতে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে ছেড়ে দেওয়া হলে আম আদমির সংকট বাড়বে বৈ কমবে না। জাপানের মতো আমাদের পঞ্জাবের কৃষিও এখন এক বাঁকের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে বেশ কয়েক বছর। আই .সি এ . আর ভাবনা চিন্তা করছে এই বিষয়ে। দেখা যাক গড়িয়ে দেওয়া জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
  • কিঙ্কর দাস | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:০৬742803
  • একদম অন্যরকম ভাবনার স্বাদ পাওয়া গেল এই লেখার মধ্যে।‌ আগের লেখাটির লিংক থাকলে ভালো হতো। সারা বিশ্বের কৃষি আজ আবহাওয়ার পরিবর্তনের শিকার হতে চলেছে। এই অবস্থায় কৃষি উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এমন পরিস্থিতিতে যুঝবার মানসিকতা ক‌ই ?
  • খগম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:১৩742806
  • অত‍্যন্ত সুপাঠ‍্য ও সময়োপযোগী লেখা। তবে কতগুলো ব‍্যপার নিয়ে আলোচনা হতে পারে:
    এক, আপনি ধরে নিয়েছেন যে, দেশের খাদ্য উৎপাদন ধরে রাখতে বা বাড়াতে হলে দেশের একটি বড় অংশকেই সরাসরি জমিতে নেমে কাজ করতে হবে। তার বিপরীতে দুটো পয়েন্ট ভেবে দেখতে পারেন। এক, ভারতের জনসংখ‍্যার হার যেভাবে বেড়েছে, তাতে ১-২% শতাংশ লোক কিছু কম নয়
    দুই, সামশসুর ভাই যে ধরণের কাজ করেন, mechanised modern agriculture এ তার বহু কাজ যন্ত্রকে দিয়ে করানো হয়। বহু পশ্চিমের দেশে চাষের লোক পাওয়া বিরল, তাই বলে সে সব দেশে খাদ‍্যশস‍্যের উদ্বৃত্ত ফলন যে হয়না, এরকম দাবী করা যাবেনা।
    তিন, আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে, বংশপরম্পরায় বাপের পেশা ছেলের পাওয়ার যে পুরোনো ব্যবস্থা ছিল, তার একটা "বড় সুবিধা" ছিল। কারণ এতে এক প্রজন্মের কৃষিজ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মে অনায়াসে পৌঁছে যেত এবং খাদ্য সরবরাহ বজায় থাকত। কথাটা ঠিক, কিন্তু এতে এক সামনেততান্ত্রিক প্রথাকে রোমান্টিসাইজ করা হয়ে যাচ্ছে না তো? একটু ভেবে দেখবেন।
  • খগম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:১৮742807
  • "অনিবার্য পরিণতি কৃষিতে কর্পোরেট অনুপ্রবেশ। শুরু হয়ে গেছে। আমাদের গ্রামের দিকে প্রচুর আলু চাষ হয় অনেক আগে থেকেই।এখন বেশির ভাগ অংশে চুক্তি চাষ হচ্ছে। কৃষিতে নূতন ভাবনা,নূতন নীতি দরকার। কিন্তু ---"
     
    কিন্তুর কিছু নেই। আপনি আজীবন কর্পোরেট গোলামী করে জীবন কাটিয়ে গাড়ী বাড়ি হাঁকাবেন আর চাষীভাই কর্পোরেট হুকুমে ফসল ফলিয়ে দু পয়সার মুখ দেখতে চাইলে কিন্তু????
  • সৌমেন রায় | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:৪৭742808
  • @ খগম স্যার প্রণাম নেবেন। কিন্তুটা কি বলিনি।কারণ বিস্তর কথা বলতে হতো। সে সময় নেই। আপনি না বললেও কিন্তু বুঝে গেছেন। আবার কর্পোরেট গোলামী করে কে কে বাড়ি গাড়ি করেছে,কে কৃষকের পক্ষে সে সব আপনার নখদর্পণে।আপনার মন পঠনের ক্ষমতায় অভিভূত!! পাঠে খানিক ভুল আছে।সে থাক।আপনি চালিয়ে খেলুন।
    আর হ্যাঁ মূল লেখার বিষয়ে আপনি যে কমেন্ট করেছেন সেগুলোর ব্যাপারে আমি অনেকটা একমত। অবশ্য বলার দরকার ছিল না আপনি তো সবই জানেন!!
    লেখকের মাধ্যমে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য আপনার কাছে পৌঁছাবে এই প্রত্যাশা রইল।
  • খগম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:২৫742809
  • "আবার কর্পোরেট গোলামী করে কে কে বাড়ি গাড়ি করেছে,কে কৃষকের পক্ষে সে সব আপনার নখদর্পণে।আপনার মন পঠনের ক্ষমতায় অভিভূত!! পাঠে খানিক ভুল আছে।সে থাক।আপনি চালিয়ে খেলুন।"
     
    আপনি মানে "আপনি" নন। এইটুকু বুদ্ধি থাকা উচিত।
  • সৌমেন রায় | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৬742811
  • @খগম। ওটি আমার আবার একটু কমই আছে।তবে একদম নেই তাও নয়। সাধারণ অর্থ ধরা যেত যদি আমার মন্তব্য উদ্ধৃত না করা হতো। যাই হোক বক্তা যখন বলছেন সেইরকমই ধরলাম। ভালো থাকবেন।
  • খগম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:২২742812
  • "ওটি আমার আবার একটু কমই আছে।"
     
    সেটা না বললেও চলত।
     
    আপনার লেখা উদ্ধৃত করা হয়েছে কনটেক্সট বা প্রেক্ষিত বোঝাতে।
     
    সব জায়গায় নিজেকে আনতে নেই। ওতে ভুল বোঝাবুঝি হয়।
     
     
  • সৌমেন রায় | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩৭742813
  • @ খগম। শেখার চেষ্টা করছি। এই যেমন শিখলাম বাড়তি কথা না বলাই ভালো। বুদ্ধিমানরা সব বোঝে।
    মূল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছি। তাই এখানেই ইতি।
  • খগম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৪742815
  • ঠিক বলেছেন মশাই, ফালতু বাওয়াল দিতে দিতে আসল টপিকটাই গোল্লায় গেল। আপনার কিন্তু পরন্তু একটু খুলে বলুন দিকি। কৃষিকাজে প্রযুক্তি আসবে, কর্পোরেট ঢুকবে, তাতে যদি কৃষক সমৃদ্ধ হয়, তাকে মেনে নিতে হবে বৈকি। শামসুররা চিরকাল কষ্ট করবে কেন?
  • sarmistha lahiri | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:১৯742817
  • বাজারে গিয়ে সহজেই পছন্দের সবজি হাতের নাগালে পেয়ে যাই। কৃষির জটিল তত্ত্ব অতটা বুঝতে পারিনা আর জানতেও উৎসাহী হ ইনা। কিন্তু সত্যিই কৃষি কাজের উপর নবীন প্রজন্ম ক্রমশঃ উৎসাহ হারিয়ে ফেললে এতো বড়ো দেশের খাদ্য চক্র ভেঙে পড়বে সেটা বেশ বুঝতে পারছি।
  • ritabrata gupta | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:২৩742819
  • অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক জাপানের সাথে আমাদের কৃষিজীবী গ্রামীণ সমাজের তুলনাটি ! ভবিষ্যতে আমাদের কৃষি উৎপাদন কতটা দেশের চাহিদার যোগান দেবে, তা চিন্তার বিষয় . অনবদ্য লেখাটি !
  • Somnath mukhopadhyay | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৩৯742843
  • লেখাটা প্রসঙ্গে যাঁরা তাঁদের মূল্যবান মতামত জানিয়েছেন, তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানাই।
  • msourav5 | ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১২:২৮742915
  • We often worry about the future of food, but perhaps we should first worry about the future of the farmer.
  • Somnath mukhopadhyay | ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:১৮742916
  • Both are reciprocally related. A farmer without crops and crops without a deligent farmer is quite impossible. So when we speak about our food security the question of the state of the farmers automatically arises . Thanks for your comments
  • সৌমেন রায় | ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:২৭742927
  • @খগম আমি কৃষিতে পুঁজি ও কর্পোরেট অনুপ্রবেশের পক্ষে। কৃষি বিল (কিছুটা পরিবর্তিত আকারে ) লাগু হলে কৃষকরা লাভবান হতো বলে আমার মনে হয়েছিল।কিন্তু পাঞ্জাব হরিয়ানার সম্পন্ন কৃষক ও আমাদের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি সেটা হতে দেয়নি। বিল উইথড্র ছাড়া আর কোন আলোচনাই হয়নি।
  • DrSouravM | ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৫২742928
  • Really thought-provoking. Shamsur’s story is probably the story of thousands of farming families today. You can’t really blame the younger generation for choosing jobs that offer better pay, stability and an easier life. At the same time, it does make you wonder—if fewer and fewer young people want to farm, who will grow our food 20 or 30 years from now? The solution isn’t asking farmers’ children to sacrifice their dreams, but making farming profitable, modern and worth choosing. Technology and mechanisation will surely have a huge role to play. We often worry about the future of food, but perhaps we should first worry about the future of the farmer.
  • খগম | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৫১742933
  • @সৌমেন, আপনার সঙ্গে মূল বিষযেটায় সহমত, তবে আর সব জিনিসের মত এর দুটো দিক আছে, প্রযুক্তি
    কৃষকের বন্ধুও হতে পারে, আবার বড় পুঁজির হাতিয়ারও।
    যেমন ধরুন সহযোগী প্রযুক্তি: স্মার্ট ট্রাক্টর, স্যাটেলাইট আবহাওয়া, প্রিসিশন ফার্মিং—শ্রম কমায়, ফলন বাড়ায়। এ হতে গেলে বড় capital লাগবে, তার সঙ্গে কৃষকের পুঁজি, প্রশিক্ষণ, সমবায়/ভাড়া ব্যবস্থা এসমস্তও লাগবে।
     
    এর অপরদিকে নিয়ন্ত্রণকারী পুঁজি: GM বীজ, রয়্যালটি, মনসান্টো ধরনের একচেটিয়া, ঋণফাঁদ, যেখানে কৃষক নির্ভরশীল হয়, বীজ সার্বভৌমত্ব হারায়। তারপর ধরুন বাজারের মানুষের খাবারের চাহিদা ও যোগান, যেমন ধরুন সোয়া চাঙ্ক/নিউট্রিয়েন্ট রিকভারি লাভজনক, কিন্তু সেসব করতে গেলে মূল্যের বড় অংশ কোম্পানির ঘরে গেলে কৃষক শুধু কাঁচামাল বিক্রেতা থাকে।

    মানে সব বাজারের হাতে ছাড়লে ক্ষতি; যার জন্য MSP, anti-trust, কৃষক সমবায় দরকার। পাঞ্জাব আন্দোলন আমি অন‍্য চোখে দেখি, এরা শুধু পরিবেশ নয় MSP, মণ্ডি, কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের ভয়, সব কিছু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
    মুশকিল হচ্ছে কোনটাই সহজ সরল নয়।
  • #+: | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:১৭742935
  • কার জমি কে চাষ করে ? জমিতে লাঙল দিলেই হলো।
  • দিয়ালী চট্টরাজ | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৪৭743040
  • খুবই প্রাসঙ্গিক একটি লেখা। আমাদের কৃষিপ্রধান দেশে এই ট্রান্সফরমেশন বেশ ভালোই উপলব্ধি হয়। উত্তরবঙ্গের জলাভূমি সংলগ্ন নিচু জমিতে ধান আর উঁচু জমিতে পাট চাষের ক্ষেত্রেও পরবর্তী প্রজন্মের অনীহা চোখে পড়ার মতো। মালদা, দিনাজপুরে পানের বরজে ও এক চিত্র। তবে শুধু কৃষি নয় বস্ত্র উৎপাদন শিল্প তাঁত, সিল্ক এসবেও ঐতিহ্য ধরে রাখা অথবা আর্থিক স্বচ্ছলতার অভাব হেতু পরবর্তী প্রজন্ম আগ্রহী নয়। বিষ্ণুপুরে ও সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের চাকচিক্যময় আধুনিক জীবন শহরমুখী পরিব্রাজন অতিমাত্রায় বাড়িয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন।