
এবারের আলোচনা ActivityPub ফেডিভারস নিয়ে | শুরু হয়েছে ডাক বিভাগ দিয়ে| ... ...

রাজধানী শহরের পথ নিয়ে পথচারীদের অসুবিধের শেষ নেই। অথচ সেই পথেরই কেন্দ্রে আর প্রান্তে হাজারো রসনা তৃপ্তির আয়োজন। কলকাতার পথ মানে তাই অনিবার্য পথের খাবার। সুদীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পান্থজনের রঙিন অভিজ্ঞতা নিয়েই এই লেখা। অফিসপাড়া সহ আরও নানা প্রান্তীয় এলাকার পথ আর পথের খাবারের সুলুক সন্ধান আর তারই সঙ্গে অজানা নানা মানবিক সম্পর্কের রামধনু ক্যানভাস। ... ...


এবারের আলোচনার বিষয় অ্যাট প্রোটোকল ও ব্লুস্কাই | তার সঙ্গে উপরি আলোচনা কেন্দ্রায়িত আর বিকেন্দ্রিক সমাজ মাধ্যমের সীমাবদ্ধতা | ... ...

শ্রীব্রহ্মা নারদকে সত্য যুগে শ্রীবিষ্ণুর নানান অবতার লীলার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করলেন। এবার তিনি নারদের কাছে ত্রেতা যুগ থেকে শুরু করে দ্বাপরের শেষ পর্যন্ত শ্রীবিষ্ণুর বিচিত্র অবতার লীলারও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করছেন। অর্থাৎ তাঁর ও নারদের মধ্যে এই যে কথোপকথন হচ্ছে সেই ঘটনাগুলি ভবিষ্যতে ঘটবে! এই না হলে ত্রিকালদর্শী? কোথায় লাগে নস্ত্রাদামোস? ... ...


এবারে ফেসবুক টুইটার থেকে শুরু করে Fediverse এর আলোচনায় যাব ... ...

রাজধানী শহরের পথ নিয়ে পথচারীদের অসুবিধের শেষ নেই। অথচ সেই পথেরই কেন্দ্রে আর প্রান্তে হাজারো রসনা তৃপ্তির আয়োজন। কলকাতার পথ মানে তাই অনিবার্য পথের খাবার। সুদীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পান্থজনের রঙিন অভিজ্ঞতা নিয়েই এই লেখা। অফিসপাড়া সহ আরও নানা প্রান্তীয় এলাকার পথ আর পথের খাবারের সুলুক সন্ধান আর তারই সঙ্গে অজানা নানা মানবিক সম্পর্কের রামধনু ক্যানভাস ... ...


"শ্রীরুদ্র অর্থাৎ ভগবান শিব যে ক্রোধকে সংযম করতে পারেননি, সেই বিষয়টি নিয়ে শ্রীব্রহ্মা হাল্কা করে একটু খোঁচা দিয়ে বললেন, শ্রীবিষ্ণুর অবতার নর ও নারায়ণ কিন্তু ক্রোধ এবং কাম সংযম করে স্বর্গের অপ্সরাদের নাকাল করেছিলেন, কিন্তু তাঁদের ভস্ম করে দেননি। ... ...


রাজধানী শহরের পথ নিয়ে পথচারীদের অসুবিধের শেষ নেই। অথচ সেই পথেরই কেন্দ্রে আর প্রান্তে হাজারো রসনা তৃপ্তির আয়োজন। কলকাতার পথ মানে তাই অনিবার্য পথের খাবার। সুদীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পান্থজনের রঙিন অভিজ্ঞতা নিয়েই এই লেখা। অফিসপাড়া সহ আরও নানা প্রান্তীয় এলাকার পথ আর পথের খাবারের সুলুক সন্ধান আর তারই সঙ্গে অজানা নানা মানবিক সম্পর্কের রামধনু ক্যানভাস ... ...


আমরা আশৈশব ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরকেই আমাদের ঈশ্বর বলে জেনে এসেছি। এও জেনেছি ব্রহ্মা হলেন জগৎস্রষ্টা, বিষ্ণু জগন্নিবাস এবং মহেশ্বর জগৎ বিনাশক। কিন্তু বিভিন্ন পুরাণে বিশেষ করে ভাগবত ও শৈব পুরাণগুলিতে যথাক্রমে বিষ্ণু ও শিবকেই পরমেশ্বর বা পরমপুরুষ রূপে তুলে ধরা হয়েছে। এই ভাগবত পুরাণ যেহেতু বিষ্ণুর মহিমা বর্ণন - সেখানে ব্রহ্মা নিজেই বিষ্ণু বা শ্রীহরিকে পরমেশ্বর প্রমাণে ব্রতী হয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, শ্রীহরিই ব্রহ্মারও সৃষ্টিকর্তা, এবং শ্রীহরিই ব্রহ্মাকে ঈশ্বরত্ব প্রদান করেছিলেন। বেশ মজার ব্যাপার না? ... ...


রাজধানী শহরের পথ নিয়ে পথচারীদের অসুবিধের শেষ নেই। অথচ সেই পথেরই কেন্দ্রে আর প্রান্তে হাজারো রসনা তৃপ্তির আয়োজন। কলকাতার পথ মানে তাই অনিবার্য পথের খাবার। সুদীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়ানো পান্থজনের রঙিন অভিজ্ঞতা নিয়েই এই লেখা। অফিসপাড়া সহ আরও নানা প্রান্তীয় এলাকার পথ আর পথের খাবারের সুলুক সন্ধান আর তারই সঙ্গে অজানা নানা মানবিক সম্পর্কের রামধনু ক্যানভাস ধরা দেবে এই প্রতিবেদনে। ... ...


তিনি (ব্রহ্ম) একদিকে যেমন এই জগতের সমস্ত উদ্ভিদ, জীব ও জড় সৃষ্টি করেছেন, আবার তেমনই তাদের জীবন ধারণের জন্যে পরষ্পরের উপর নির্ভরশীল আশ্চর্য এক বাস্তুতন্ত্রও নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। আমাদের পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয় দিয়ে আমরা তাঁর স্থূল অস্তিত্ব বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের চারপাশে চোখ মেলে তাকালে তাঁর অমোঘ উপস্থিতি সর্বত্র টের পাওয়া যায়। ... ...


এই জগতে মানুষের অজান্তে বহুবছর ব্যর্থ যায়, মানুষের মনে এক মূহুর্তও বৃথা যাচ্ছে এই বোধ যখন আসে, সেটাই বহু বছরের থেকে বেশী ফলদায়ক। কারণ ওই জ্ঞান এলে, মানুষ নিজের মঙ্গলের চিন্তা শুরু করে। খট্টাঙ্গ নামে এক রাজর্ষি দেবগণের থেকে জানতে পেরেছিলেন, তাঁর মূহুর্তকাল মাত্র আয়ু অবশিষ্ট আছে, তৎক্ষণাৎ সকল আসক্তি বিসর্জন দিয়ে, ওই রাজর্ষি শ্রীহরির অভয়পদ লাভ করেছিলেন। ... ...