এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  SIR

  • এস আই আরের আঘাত শুধুমাত্র "ম" তে

    তন্ময় সিংহ
    SIR | ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ২৭ বার পঠিত
  • অলংকরণ: রমিত



    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচক তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া, সারা ভারতবর্ষে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। বিজেপি বিরোধী দল সরকারে থাকার জন্য এবং সেই দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়টিকে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যাওয়ার জন্য এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে সারা ভারতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সেই আলোড়ন কখনো মমতা ব্যানার্জির সাহসিকতার প্রশংসা করছে বিজেপি বিরোধী রাজ্যগুলি এবং দলগুলি ও বিরোধী মনোভাবাপন্ন মানুষেরা। অন্যদিকে সর্বশক্তিমান কেন্দ্রীয় শাসক দল, বিষয়টিকে পুরোপুরি নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসার জন্য মরিয়া। তাদের প্রচার যন্ত্রে এ সংক্রান্ত প্রচারের মূলসুর কিন্তু ঘুষপেটিয়া ও রোহিঙ্গা মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলতে বাধ্য হয়েছেন ভারতবর্ষের সবচেয়ে পোলারাইজড রাজ্য এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ।

    প্রবল বিরোধিতা পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের তরফে এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রায়শই তর্ক, সাক্ষাৎকারে "গেট লস্ট" হয়ে যাওয়ার ঘটনা, নির্বাচন শুরু থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের সমস্ত আধিকারিকদের অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন করার চেষ্টা নির্বাচন কমিশনের তরফে এই রণংদেহি মেজাজেরই প্রতিফলন। নির্বাচন কমিশন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে ব্যাট করছে না বা তার তথাকথিত নিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখছে না, সে সম্পর্কে সন্দিহান সব পক্ষই। আসলে এখন পর্যন্ত এসআইআর হয়ে যাওয়া সমস্ত রাজ্যগুলিতে বিজেপির বিপুল বিজয় আসলে এস আই আর তাদের পক্ষে কাজ করছে এই ধারণা শাসক শিবিরে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মাটি বিগত ১০-১২ বছরে যথেষ্ট পরিমাণে উর্বর হয়েছে গেরুয়া শিবিরের জন্য। সেই উর্বর মাটিতে ৭০ শতাংশ হিন্দু ভোটে যাতে নিজেদের সম্পূর্ণ দখল করা যায় তার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মেরুকরণ এর রাজনীতি আমরা দেখছি দীর্ঘদিন ধরে। এরই মাঝে এই এস আই আর এবং প্রায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া, প্রায় ২৭ লক্ষ নাগরিক তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া, স্বাধীন ভারতের সংবিধানে একটা অন্যতম ঘটনা। আগামী দিনে ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে এ শুভ প্রতিফলন নয়।



    এস আই আর শুরুর থেকেই বিজেপি শিবির থেকে দাবি করা হতে থাকে যে এবারের এস আই আরে দেড় কোটি ভোট বাদ দেওয়া হবে। গোটা পশ্চিমবঙ্গ রোহিঙ্গা মুক্ত করা হবে। প্রবল চাপের মধ্যে এস আই আর পদ্ধতি সম্পন্ন করার পরে দেখা গেল প্রায় ৬৩ লক্ষ মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটার বাদ পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের তালিকা থেকে। প্রথম "ম" তে সাফল্যের সাথে আঘাত হানল নির্বাচন কমিশন। এটি প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারও বটে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে যার স্থানীয়ভাবে জোর বেশি তার একটা অধিকার থাকে এই মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটাধিকারের উপর। আমরা আনন্দ পায় যখন দেখি কেউ তার মৃত ঠাকুমাকে শুধুমাত্র ভোটের দিনই দেখতে পাই ভোটকেন্দ্রে এরকম ঘটনার খবরে। কিন্তু বাস্তবকে অস্বীকার করার উপায় নেই এই ভোটের কিছু অংশ বিভিন্ন জায়গায় পোল হত, বিশেষত মাইনোরিটি এরিয়াতে এবং এক্ষেত্রে জোর যার ভোট তার এই নিয়মে বেশির ভাগই ক্ষমতাসীন শিবিরে যেত। প্রথম দফার ৬৩ লাখ সেই প্রথম ম অর্থাৎ মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারের ভোটদান প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ করেছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    দ্বিতীয় "ম" অবশ্যই মাইনরিটি ভোট ব্যাংক। মাইনরিটি ভোটব্যাংকে শাসকদলের একাধিপত্য থাকাই যে কোন ১০০ মিটার রেসের, ৩০ মিটার আগে থেকে শুরু করে শাসক দল। এই ব্যবধান কমিয়ে আনার চেষ্টায় এবং সারা পশ্চিমবঙ্গ ব্যাপী মেজরিটিদের মধ্যে সারা পশ্চিমবঙ্গ মাইনরিটিতে ভরে গেছে এই একটি ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে, এ সম্পর্কে কোন দ্বিমত নেই। ২০১৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের বুকে ক্রমশ সিপিএম এবং কংগ্রেস মুছে গেছে দ্বিপাক্ষিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কারণে। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস মালদাতে গনি খান চৌধুরীর মিথ এখনো প্রাসঙ্গিক হলেও, মুর্শিদাবাদে ২০২৪ এ পরাজিত হতে হয়েছে অধীর চৌধুরীকে‌ শুধুমাত্র মাইনরিটি ভোট সরে যাওয়ার জন্য। ২০২১ এর নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মালদা এবং মুর্শিদাবাদের মাইনরিটি বেল্ট থেকে ৩০ টি আসন জিতে নিয়ে তাদের এযাবতকালের সেরা রেজাল্ট করেছিল সেই নির্বাচনে, যেটি বিজেপি জিতে গেছে ন্যারেটিভ তৈরি করতে পেরেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছে বলে একগুচ্ছ নেতা দল ছেড়েছিল যে নির্বাচনে বিজেপির হয়ে সরকার তৈরির জন্য। তার পরবর্তী কালে পদ্মার ভাঙ্গনের মতন তৃণমূলের এই মাইনরিটি ভোটব্যাঙ্কে ভাঙ্গন ধরানোর জন্য কখনো আই এস এফ আবার কখনো হুমায়ুন কবিরের উন্নয়ন পার্টি তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছে মিম। যাতে এই ৩০ শতাংশ ভোটের নিরঙ্কুশ আধিপত্য তৃণমূল কংগ্রেস হারায়, নিশ্চিত করতে সিপিএমের মতন ধর্ম থেকে দূরে থাকা দলও চেষ্টা করছে। এদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাকমুহুর্তে মনে হচ্ছিল, এবারে কংগ্রেস সিপিএম হুমায়ুন কবীর ও নওশাদ সিদ্দিকী মিলে ভালো বেগ দেবে তৃণমূল কংগ্রেসের মাইনরিটি ভোট ব্যাঙ্কে। কিন্তু এসআইএর প্রক্রিয়াতে যে ন্যারেটিভ তৈরি হল সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে বেছে বেছে মাইনরিটি ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, এবং বিভিন্ন মাইনরিটি অধ্যুষিত জেলাতে যেভাবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নাম বাদ গেল বিচারাধীন অবস্থা থেকে তা হয়তো এই মাইনরিটি ভোট ব্যাঙ্কে আবার পুনরায় মমতা ব্যানার্জির দিকেই সংগঠিত করবে। এই নাম বাদ দেওয়ার পরবর্তীকালে যে হিংসা এবং অস্থিরতা তৈরি হলো তা এই পোলারাইজড ন্যারেটিভ কেই সমর্থন করেছিল। যদিও হুমায়ুন কবিরের প্রকাশ্যে আসা ভিডিওটি, অন্যদিকে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার চিন্তাভাবনা রাখা সীমিত সংখ্যক মানুষজনের সাথে সাথে পুরো মাইনরিটি ভোটব্যাঙ্ককে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে পুনরায় ফিরিয়ে দেবে‌ বলে মনে করছে ওয়াকি বহাল মহাল। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী তালিকার সংশোধনের শুরুতে যেভাবে সুর বেঁধে দেওয়া হয়েছিল রোহিঙ্গা এবং বিদেশীরা ধরা পড়বে, আসলে দেখা গেল তা অনেকটাই ফাঁকা আওয়াজ। ন্যারেটিভ তৈরীর এই চেষ্টাতে গিয়ে যখন ফলাফল সামনে এনো তখন দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গের বুকে এসআইআর করেও, ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ দিয়েও যে শতাংশে মাইনোরিটি ভোটব্যাংক হ্রাস পেয়েছে তা ওই ৩০% অনুপাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অর্থাৎ মোট শতাংশের হিসেবে মাইনরিটি ভোটব্যাংক অটুট রইল এসআইআর এর পরে মেজরিটির সাথে। এর ফলাফল যে সমস্ত বিধানসভা গুলিতে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট মাইনরিটি সম্প্রদায় নিয়ন্ত্রণ করে বা দেয় সেখানে শাসকদলের পক্ষে কতটা প্রভাব ফেলবে তা আলোচনার বিষয়।



    এরই সাথে তৃতীয় "ম" কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেটা আমরা এস আই আরের শুরুর থেকে অবহেলা করে চলেছি পরিসংখ্যানে দিক থেকে। এই ব্যাপারে শাসক শিবিরও পিছিয়ে আছে তাদের এসআইআর নিয়ে নিয়মিত আন্দোলন ও চিঠি চাপাটির পরেও। এই তৃতীয় "ম" হলো মহিলা ভোট ব্যাংক। হিন্দু মহিলারা গত বিধানসভা ভোট থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের পরে এবং পাঁচ বছরের লক্ষীর ভান্ডারের প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধির পর যে আবার মুখ্যমন্ত্রীকেই সমর্থন করতে পারে এ আন্দাজ ছিলই। তাই এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে সম্পূর্ণ তথ্য না এলেও হিন্দু বাড়িতে মহিলা ভোটারদের নাম বাদ গেছে পুরুষ ভোটারদের থেকে বেশি এ সংক্রান্ত কোনো দ্বিমত নেই। বিশেষত বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে ডকুমেন্টের অভাব, ২০০২ সালে বাবা বা মায়ের সাথে তাদের সম্পর্ক আছে এরকম কোন কাগজের অভাব এই মহিলা ভোটারদের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এসআইআর চলাকালীন। শেষ পর্যন্ত বাদ পড়া ২৭ লক্ষ ভোটারের যে হিন্দু অংশটি আছে তার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এই মহিলারাই। নির্বাচন কমিশন মহিলাদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখতে যেভাবে তাদের ডকুমেন্টেশনে এই ছোটখাটো বিষয়গুলিকে এড়িয়ে যেতে পারত, তা করেনি। এরই ফলস্বরপ দেশের নাগরিক হয়েও এবং পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হয়েও মাতৃকুলের একটা বড় অংশ এবারে ভোট দিতে পারবে না যার সুফল কিন্তু পেতে চলেছে বিরোধী শিবির। কারণ বিরোধী শিবিরের তিন হাজার টাকা মাসিক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থেকে নিয়মিত পেতে থাকা দেড় হাজার যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বিভিন্ন রাজ্যে প্রমাণিত হয়েছে যদিও এর সূচনা হয়েছিল এই পশ্চিমবঙ্গ থেকেই। শাসক দলের প্রতি কমিটেড এই ভোটার কমে যাওয়া কতটা ইম্প্যাক্ট ফেলতে পারে মার্জিনাল সিটগুলোতে সে সম্পর্কে বিশদে আলোচনা করার সময় হয়তো আর নেই রাজনৈতিক দলগুলোর। কিন্তু মহিলা ভোটব্যাংক কমে যাওয়া নিঃসন্দেহে শাসক শিবিরের ক্ষেত্রে একটি ধাক্কা।

    (সিট গুলিতে কী প্রভাব পড়তে পারে সে সম্পর্কে আলোচনা দ্বিতীয় পর্বে)

    লেখক "এপেক্স পলিটিক্যাল রিসার্চ সলিউশনের‌" সাথে যুক্ত। ওপরে ব্যবহৃত ছবিদুটি ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • SIR | ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ২৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

SIR
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন