
গ্রিক জনপদগুলির নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে খেয়োখেয়ি বা যুদ্ধের বৃত্তান্তগুলিকে কোনো ঐতিহাসিকই গুরুত্ব দেন না। বরং, এইসব যখন থামতো, সেই সময়টুকুর স্মৃতি মানুষ কীভাবে বহন করেছিল, তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আল্পস পর্বতের গা বেয়ে ওঠার সময় সারাদিনের ঝড় আর তুষারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর পর্বতশীর্ষে চোখ-ধাঁধানো সূর্যোদয়ের স্মৃতি যেভাবে পর্বতারোহীর মনে গেঁথে যায়, এ স্মৃতি অনেকটা সেইরকম। সময়ের সঙ্গে স্মৃতি ক্রমাগত ফিকে হতে থাকার সময়, ঊষার আলোয় উদ্ভাসিত কিছু বিশেষ চূড়ার ছবি মানুষের মনে থেকে যায়, তার সঙ্গে বেঁচে থাকে এই জ্ঞানটুকু – মেঘের আড়ালেও এক মনোরম শোভা বর্তমান, আর যে কোনো সময় মেঘ সরে গিয়ে তা নজরে পড়বে। প্লেটো ছিলেন শুরুর দিকের খ্রিস্টধর্মের কাছে এমনই এক আলোকোজ্জ্বল শীর্ষ, আরিস্তোতলও তা-ই ছিলেন মধ্যযুগের চার্চের চোখে; কিন্তু নবজাগরণের পর মানুষ যখন রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে, তাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় প্লুতার্কে। অষ্টাদশ শতকের ইংরেজ ও ফরাসী প্রগতিশীলদের ওপর যেমন, তেমনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতাদের ওপরও তাঁর অসামান্য প্রভাব ছিল; জার্মানির রোম্যান্টিক আন্দোলনে তো তাঁর প্রভাব ছিলই, পরোক্ষভাবে তিনি আধুনিক জার্মান চিন্তাধারাকেও (অনুবাদক: চল্লিশের দশকের) প্রভাবিত করেছেন। ... ...

তুঘলক যুগের অবসানের পর দিল্লি সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়লে উত্তরভারতে সায়্যিদ ও লোদী বংশের অধীনে এক নতুন কিন্তু তুলনামূলকভাবে দুর্বল রাজনৈতিক বিন্যাস গড়ে ওঠে, এবং এই সময় বঙ্গের স্বায়ত্ত প্রবণতা আরও সুস্পষ্ট ও সুসংহত রূপ লাভ করে। ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে তৈমুর-এর দিল্লি আক্রমণের ফলে তুঘলক শাসনের অবকাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ে; এর পরবর্তী পর্যায়ে খিজির খান ১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে সায়্যিদ বংশ প্রতিষ্ঠা করলেও তাঁর কর্তৃত্ব মূলত দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সময় বঙ্গ ইতিমধ্যেই ইলিয়াস শাহী শাসনের অধীনে একটি স্বাধীন সুলতানি শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যেখানে সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ-এর উত্তরসূরিরা—বিশেষত সিকান্দর শাহ ও পরবর্তীকালে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ—গৌড় ও পান্ডুয়া কেন্দ্র করে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর নির্মাণ করেন। ... ...

এই বছরের শুরুতে একটা প্রায় জ্যোতিষী অমৃতলালের স্টাইলে ভবিষ্যদবাণী করেছিলাম, “ফলিবেই ফলিবে”, তার দুই নম্বরটা ছিল এইরকম, “পঞ্চাশটা কোডোপাইরিন মার্কা হিন্দি সিনেমা বেরোবে যার মধ্যে ছাপ্পান্নটা যুদ্ধু কিংবা দেশপ্রেম নিয়ে। পাঁচে পাঁচ না দিলে সমালোচকদের মুণ্ডু নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, বিবেক অগ্নিহোত্রী একাই আরো খান তিনেক ফাইলস রিলিজ করবেন। বাংলার বামঘেঁষা শিল্পীদের তাতে দেখা গেলেও আপনি বিশ্বাস করবেন ওঁরা এসব কিছুই জানতেন না।“ সেটা ফলতে চলেছে কি না সে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বৃথা, তবে, গত বছর যখন ধরণীধর সমাদ্দার বেশে রণবীর-২ ক্যালাকেলি কচ্চিলেন, তখন আমি আমার বন্ধুবান্ধুবদের বলে-টলে, এবং কিছুটা নিজে-নিজেই একটা মেইনস্ট্রিম বলিউডি সিনিমার লিস্ট বানাতে শুরু করি – ২০১৪ থেকে ’২৫, লিস্টে আছে শুধু এমন সিনেমা যেগুলো হয় প্রোপাগাণ্ডা, না হলে যুদ্ধবাজ, না হলে রিভিশনিস্ট হিস্ট্রি এইরকম, ক্যাটেগরিগুলো মোটামুটি – মাসকুলার ন্যাশনালিজ়ম, পাকিস্তান-বিরোধী ও যুদ্ধজিগির, মুসলিম-ইতিহাস-বিদ্বেষী, সরাসরি হিন্দুত্ব প্রোপাগাণ্ডা এবং বিজেপিনেতাদের জীবনী বা পলিসি। বলাই বাহুল্য, এই লিস্ট আংশিক, এবং বেশিরভাগ-ই লোকের মুখের ঝাল খেয়ে বা রিপোর্ট অথবা উইকি পড়ে লেখা, আমি ছাভাও দেখি নাই, বেঙ্গল কী কাশ্মীর ফাইলস কী উড়ি (নাকি উরি?) – কিস্যু দেখি নাই। এমন কী, শৈশবের ঈশ্বর শারুক্ষানের পাঠানজোয়ান ইত্যাদিও না। কিছুই দেখিনি বললে অবশ্য মিথ্যে বলা হবে – হোমবাউণ্ড তো হিন্দিই বটে, তবে এই লিস্টে তার ঢোকার দুর্ভাগ্য হয়নি। তারপর সেই লিস্ট নিয়ে এ-আই দিয়ে ওয়েব স্ক্রেপ করে বক্স অফিসের হিট/ফ্লপ ইত্যাদি নামালাম, আর কয়েকটা ছোট্টো সহজ প্লট-ও করে ফেললাম আরে (অর্থাৎ, R-এ।) সোজাসাপ্টা ছবি – কোন বছরে কোন ক্যাটিগরিতে কটা, সেই সংখ্যা কী ভোটের আগে বাড়ে? আর এই সমস্ত ক্যাটিগরির মধ্যে কোন ফরমুলায় কত পারসেন্ট সিনেমা “হিট”? এ ছাড়াও, বক্স অফিসে কোন ক্যাটিগরির সিনেমা কত কোটী টাকা কামিয়েছে, তাদের মধ্যে আউটলায়ার-ই বা কারা? ... ...

ত্রয়োদশ শতাব্দীর সূচনায় বঙ্গ অঞ্চল সেনবংশীয় কর্তৃত্বের অধীন থাকলেও তা কোনও সমন্বিত কেন্দ্রীভূত শাসন-যন্ত্র ছিল না। লক্ষ্মণসেনের সময় (শাসনকাল আনু. ১১৭৮–১২০৬) প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ মূলত পশ্চিম ও মধ্য বঙ্গের নগর-নিবিড় অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল; পূর্ববঙ্গ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে স্থানীয় ভূস্বামী, সামন্ত ও আঞ্চলিক প্রধানদের শক্তি প্রবল ছিল। অর্থাৎ, বাহ্যিকভাবে একটি রাজবংশীয় ধারাবাহিকতা থাকলেও অন্তর্গত কাঠামো ছিল বহুস্তরবিশিষ্ট—বরেন্দ্র, রাঢ়, বঙ্গ, সমতট প্রভৃতি আঞ্চলিক এককগুলির ঐতিহাসিক স্মৃতি তখনও সক্রিয়। ... ...




নির্বাচন বা ভোট ব্যবস্থার জন্ম হয় প্রাচীন গ্রীসের অ্যাথেন্স শহরে, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে। অনেক ঐতিহাসিক এই সময়টিকেই গণতন্ত্রের জন্মকাল বলেছেন। তখনকার অ্যাথেন্সে এই ভোট ব্যবস্থা সর্বজনীন ছিলো না, কেবলমাত্র পুরুষ নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণ করতেন। এটিকে বলা হতো — ‘সরাসরি গণতন্ত্র’। সেই সময় ভোটের জন্য পাথর, ধাতব চাকতি বা কখনো টুকরো মাটির পাত্র ব্যবহার করা হতো, যা ছিল এক ধরনের প্রাচীন ব্যালট। আধুনিক গণতন্ত্রের জন্ম হয় প্রথম শিল্প বিপ্লবের কোলে — জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম, একজাতি রাষ্ট্র গঠন, সামন্ততন্ত্রকে দেশীয় পুঁজিপতিদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করবার মধ্য দিয়ে। ... ...

“আমার আরও কিছু বলার আছে, যা শুনে হয়তো তোমাদের গলা ছেড়ে প্রতিবাদ করতে ইচ্ছে হবে। একান্ত অনুরোধ, কোরো না – আমার বিশ্বাস, আমার কথা শুনলে আখেরে তোমাদের ভালোই হবে। তোমাদের জানিয়ে রাখি, আমার মতো একজনকে হত্যা করলে আমার থেকে বেশি আহত তোমরাই হবে। কোনো কিছুতেই আমার ক্ষতি হবে না; এই মিলেতোস বা আন্যুতোসের পক্ষে আমায় আঘাত করা সম্ভব না, কারণ কোনো ফালতু লোকের পক্ষে তার থেকে উচ্চস্তরের মানুষকে আঘাত করা অসম্ভব। আমি অস্বীকার করছি না – আন্যুতোস চাইলে তেমন লোককে মেরে ফেলতে পারে, নির্বাসন দিতে পারে, তার নাগরিক অধিকারও কেড়ে নিতে পারে; আর বাকিদের মতো তারও মনে হতে পারে – লোকটাকে খুব খানিক কড়কে দেওয়া গেল, কিন্তু আমি তা মানি না। কারণ, ও যে পাপ করছে—অন্যায্যভাবে একজনের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পাপ—তার বোঝা অনেক, অনেক বেশি।” ... ...

১৯৫০-এর দশকে ফ্রান্স আলজেরিয়ায় তাদের ঔপনিবেশিক শাসন টিকিয়ে রাখতে মরিয়া ছিল। অন্যদিকে, মিশরের গামাল আবদেল নাসের তাঁর ‘প্যান-অ্যারাবিজম’ মতবাদের মাধ্যমে আলজেরীয় বিপ্লবীদের (FLN) অস্ত্র ও নৈতিক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন। ফ্রান্সের কাছে নাসের ছিলেন এক ‘সাধারণ শত্রু’, যিনি উত্তর আফ্রিকায় ফরাসি সাম্রাজ্যের ভিত কাঁপিয়ে দিচ্ছিলেন। ফ্রান্সের নীতিনির্ধারকরা তখন মনে করেছিলেন যে, নাসেরের এই ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতে হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে একটি শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে রূপান্তর করা জরুরি। ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের প্রাক্কালে সম্পাদিত গোপন ‘সেভয়ে প্রোটোকল’ (Protocol of Sèvres) ছিল এই পারস্পরিক স্বার্থের চূড়ান্ত প্রতিফলন। ... ...

সার্বজনীন শিক্ষার অধিকার সেদিনই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, যেদিন মাতৃভাষায় শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মাতৃভাষা মাধ্যম না হলে শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় না। ... ...

এর ফলে বিধানভার ফলাফল কী হতে পারে? তৃণমূলের আসনসংখ্যা হতে পারে, ১৫৬ ( সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য বেশি)। বিজেপির ১৩৩ (সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য কম)। সেই ছবিও দেওয়া আছে। (খেয়াল করে দেখবেন, তৃণমূল কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ধারেকাছেই থাকছে, এবার দল ভেঙে সরকার গড়লে কারো কিছু বলার থাকেনা - মেটিকিউলাস ডিজাইন একেই বলে) অবশ্য এটা প্রোজেকশন, নিখুঁত হিসেব না। এর মধ্যে পূর্বানুমান আছে, ১। ভোটের প্যাটার্ন ২১ থেকে অক্ষত আছে। ২। "বিচারাধীন"রা সবাই তৃণমূলের ভোটার। দুটোই হিসেবের স্বার্থে করা। কিন্তু খুব অকেজো পূর্বানুমান নয়। বিচরাধীনরা মুর্শিদাবাদ-মালদা-দিনাজপুরে মোটামুটিভাবে তৃণমূল ভোটার, এটা আন্দাজ করা যায়। কারণ সেখানে যাঁরা বাদ গেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠই সংখ্যালঘু। সেখানে সোজাসাপ্টা হিসেব। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণে এলে বর্ধমান ছাড়ালেই প্যাটার্ন বদলাচ্ছে, লিস্টি থেকেই দেখতে পাবেন। সেটা কী, এই নিয়ে কাজ চলছে। হলে আবার লিখব। কিন্তু কোন ছকে কাজ চলছে, এটা এই তালিকা থেকে পরিষ্কার। এবং, মনে রাখতে হবে, "বিচারাধীন" এদের তূণে একটা অস্ত্র মাত্র। এছাড়াও "বাদ" আছে, বহিরাগত ভোটার "যোগ" আছে, অনাবিষ্কৃত আরও নানা পন্থা আছে। সেগুলো এই হিসেবে ধরা হয়নি। কিন্তু সেগুলো ভুলে গেলে হবেনা। ... ...

নথি কখনও নাগরিকত্বের পরিচয় হতে পারে না ... ...


দারিদ্র্য দহন ও দূষণ পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে আন্তর্সম্পর্কিত। ভোগবাদী সমাজে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই অসমতার বিষয়টি অনপনেয়। খেটে খাওয়া মানুষের কাছে কোনো রকমে সংসার প্রতিপালন করাটাই এখন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় পরিবেশের শুদ্ধতার বিষয়টি একটি নির্মম পরিহাস। বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ুর পরিবর্তন এইসব মানুষের জীবনের ওপর গভীর ছাপ ফেলছে। সব নিয়মকে সরিয়ে এইসব মানুষেরা বাধ্য হচ্ছে এক বিষময় পরিস্থিতিকে বরণ করে নিতে। এই নিবন্ধটি সেই বিষয়ে কিঞ্চিত আলোকপাতের প্রচেষ্টা মাত্র। ... ...

আর কে কী মেনেছেন জানি না ,জাঁ লুক কিন্তু শিল্পীর এই দায়িত্ববোধের কথা আজীবন মেনে চলেছেন। তাঁর প্রকাশভঙ্গী পাল্টেছে, পাল্টেছে ভাষা ও প্রকরণ। কিন্তু দায়িত্ববোধের অবসান হয় নি। দীর্ঘায়ত অবরোধ আর প্রতিরোধের তত্ত্বকে স্বীকার করেছেন বলেই না পুঁজিবাদ, আমেরিকান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ, ইজরায়েলের জায়নবাদ – তার আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু থেকেছে বরাবর। নয়তো গোদারের পক্ষে কঠিন ছিল না বুর্জোয়া ব্যবস্থার সেলিব্রিটি স্টেটাসকে নিজের অনুকূলে ব্যবহার করা বিশেষত যখন ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে আট বছরেই তিনি যে পনেরটি ছবি তৈরি করেন তা আমাদের আজও বিস্মিত করে। এই তালিকার শেষ ছবিটিই উইকএণ্ড। ... ...


কার্বি আংলং এবং বোড়োল্যান্ড—উভয় ক্ষেত্রেই দাবি ছিল স্বায়ত্তশাসন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং রাজনৈতিক আত্মনিয়ন্ত্রণের। কিন্তু এই দাবিগুলি কখনোই বিচ্ছিন্ন নয়; বরং বৃহত্তর উত্তর-পূর্ব ভারতীয় রাজনৈতিক-সামাজিক পরিসরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। নাগা, মিজো, কুকি প্রভৃতি জাতিসত্তার দীর্ঘ আন্দোলনের ঐতিহাসিক ছায়া যেমন এই দাবিগুলিকে প্রভাবিত করেছে, তেমনি অসমের অভ্যন্তরীণ ভাষা ও ভূমি-রাজনীতিও এগুলির রূপ নির্ধারণ করেছে। ... ...
