
"এই যুগের হিসেব ধরলে, কলিযুগের এক হাজার বছর কবেই পার হয়ে গেছে! মহাভারতে বলা হয়েছে, শ্রীকৃষ্ণের মর্ত্যলীলা সংবরণের দিন থেকে দ্বাপরের শেষ ও কলির শুরু। সেই সময়টা যদি মোটামুটি ৮৫০ বি.সি.ই ধরি, তাহলে আজ পর্যন্ত ৮৫০ + ২০২৬ = ২৮৭৬ বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু সত্য যুগ ফিরে আসার কোন লক্ষণ তো টের পাওয়া যাচ্ছে না, বরং ধার্মিকগণ এখনও বলে চলেছেন "ঘোর কলি চলছে"। ... ...

যাদের ফুল হয় না কিন্তু ফল হয়, তাদের বলে বনষ্পতি। যাদের ফল পরিণত হবার পর বিনাশ হয়, তাদের নাম ওষধি। যাদের সার শুধুমাত্র ত্বকে তাদের বলে বেণু। যারা অন্য বৃক্ষতে আশ্রয় নেয়, তারা লতা। যারা অন্য বৃক্ষে আরোহণ করে না, তারা বীরুধ। যাদের ফুল থেকে ফলের সৃষ্টি হয় তারা দ্রুম। এ ছয়টি স্থাবরের আহার সঞ্চার হয় উপরিভাগে। এদের চৈতন্য অব্যক্ত থাকে, এরা বাইরে নয়, অন্তরে স্পর্শ অনুভব করতে পারে। ... ...

" তিনি প্রদ্যুম্নের নেতৃত্বাধীন দুর্ধর্ষ যদু সৈন্যের ধ্বংসের উপায়ও তিনি স্থির করে ফেললেন। যদু, বৃষ্ণি, ভোজ ও অন্ধকদের নিয়েই ছিল দুর্ভেদ্য যদু সৈন্য, তাদের সকলের মধ্যে খুব সদ্ভাব থাকলেও, ভগবান কৃষ্ণ স্থির করলেন, মত্ত অবস্থায় এরা নিজেদের মধ্যেই যুদ্ধ করে ধ্বংস হোক। রাজপুরীর মধ্যে যদু ও ভোজ রাজকুমাররা একদিন খেলায় উন্মত্ত হয়ে, উপস্থিত মুনিদের উপেক্ষা ও অপমান করে বসল। অপমানিত মুনিরা কৃষ্ণের প্রশ্রয়েই তাদের অভিশাপ দিলেন।" ... ...

বলাকা ও nostr ব্যবহার করার কিছু দরকারি তথ্য লেখা রইল। ... ...

শাসকের মুখের ওপর সমালোচনা করলে, তারা চিরকালই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। তবে আগেকার দিনে রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার মতো মন্দের ভালো শাস্তির একটা সুবিধে ছিল, - আজকাল সে উপায় নেই, আছে ফিনিশিং টাচ - আননোন গানম্যান অথবা গাড়ির চাকার তলায়...ফিনিশ। ... ...


এবারের বিষয় ব্লু স্কাই। কাকে বলে, কিকরে শুরু করবেন, ইত্যাদি। কাজে লাগবে। ব্লু স্কাই করে দেখুন। অন্য রকমের সমাজ মাধ্যম। টুইটার ফেসবুক ইন্সটা গুরুচন্ডালি তো করলেন, এটাও একবার চেষ্টা করে দেখুন, ভাল লাগবে। এখানে যা লেখা আছে তাই দিয়ে দিব্যি শুরু করে দিতে পারবেন। সচিত্র। ... ...

মহর্ষি শুকদেবের বক্তব্য বিষ্ণুর অবতার তত্ত্বকে স্পষ্ট করে তুলল, বিষ্ণুর তির্যক অবতারগণ হলেন, বরাহ, মৎস্য, কূর্ম; নর অবতারগণ - রাম, কৃষ্ণ, পরশুরাম, বুদ্ধ; সুর অবতার - বামন (দেবমাতা অদিতির পুত্র)। রইল বাকি নৃসিংহ আর কল্কি। নর ও সিংহ রূপে তিনি নৃসিংহ - অর্থাৎ তিনি নরও বটেন আবার তির্যকও বটেন। আর কল্কি তো ভবিষ্যতের কথা। ... ...

মুক্তচিন্তায় যদি বিশ্বাস রাখেন, যদি আবদ্ধ বাণিজ্যিক সমাজ মাধ্যমের যে দাসত্ব আপনি করছেন, তা যদি আপনাকে বিব্রত করে, গতানুগতিক সমাজ মাধ্যমের ক্রমাগত হ্যাহ্য হিহি আর বোকা বোকা রীল দেখতে দেখতে, লোকের সোশ্যাল মিডিয়া তে মিথ্যে কথা দেখতে দেখতে আর বাগাড়ম্বর দেখতে দেখতে যদি ক্লান্ত লাগে, তো আপনার শুকনো জীবনে জল সিঞ্চনের জন্য একটি করুণাধারাও আছে, জানবেন। একটি অন্য রকম সমাজ মাধ্যম গড়ে উঠছে। আসুন, দেখুন, যোগ দিন, আর এই লেখাটা পড়ে দেখুন, ফেডিভার্স কি জিনিস, আর না "করে " কি হারাচ্ছেন। মুক্তচিন্তার বিকেন্দ্রীকৃত সামাজিক মাধ্যম সিরিজে এবারের বিষয় ম্যাস্টোডোন। গতবারে লিখেছিলাম ফেডিভার্স কি ও কেন, এবারে আরেকটু এগিয়ে আমরা শুরু করছি ম্যাস্টোডোন কে নিয়ে। ম্যাস্টোডোন ফেডিভার্স এর সবচেয়ে বড় শরিক, তাই ম্যাস্টোডোন নিয়ে এবারের লেখা। ... ...

"রথ ভাবে আমি দেব পথ ভাবে আমি, মূর্তি ভাবে আমি দেব, হাসেন অন্তর্যামী"। কবিগুরুর এই ছড়াতেও সেই ভাবাভাবি - অর্থাৎ দর্প-ভাবনার চিত্রটি বড়ো সুন্দর ভাবে পরিষ্ফুট। যদিও ব্রহ্মাই সবকিছু সৃষ্টি করতে চলেছেন, কিন্তু তিনি "আমিই সৃষ্টিকর্তা" এই দর্প-ভাবনা থেকে মুক্তি চাইছেন, কারণ তিনি জানেন সকল সৃষ্টির একমাত্র কারণ ভগবান শ্রীহরি - তিনি তো নিমিত্ত মাত্র। ... ...

এবারের আলোচনা ActivityPub ফেডিভারস নিয়ে | শুরু হয়েছে ডাক বিভাগ দিয়ে| ... ...

এবারের আলোচনার বিষয় অ্যাট প্রোটোকল ও ব্লুস্কাই | তার সঙ্গে উপরি আলোচনা কেন্দ্রায়িত আর বিকেন্দ্রিক সমাজ মাধ্যমের সীমাবদ্ধতা | ... ...

শ্রীব্রহ্মা নারদকে সত্য যুগে শ্রীবিষ্ণুর নানান অবতার লীলার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করলেন। এবার তিনি নারদের কাছে ত্রেতা যুগ থেকে শুরু করে দ্বাপরের শেষ পর্যন্ত শ্রীবিষ্ণুর বিচিত্র অবতার লীলারও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করছেন। অর্থাৎ তাঁর ও নারদের মধ্যে এই যে কথোপকথন হচ্ছে সেই ঘটনাগুলি ভবিষ্যতে ঘটবে! এই না হলে ত্রিকালদর্শী? কোথায় লাগে নস্ত্রাদামোস? ... ...

এবারে ফেসবুক টুইটার থেকে শুরু করে Fediverse এর আলোচনায় যাব ... ...

"শ্রীরুদ্র অর্থাৎ ভগবান শিব যে ক্রোধকে সংযম করতে পারেননি, সেই বিষয়টি নিয়ে শ্রীব্রহ্মা হাল্কা করে একটু খোঁচা দিয়ে বললেন, শ্রীবিষ্ণুর অবতার নর ও নারায়ণ কিন্তু ক্রোধ এবং কাম সংযম করে স্বর্গের অপ্সরাদের নাকাল করেছিলেন, কিন্তু তাঁদের ভস্ম করে দেননি। ... ...

আমরা আশৈশব ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরকেই আমাদের ঈশ্বর বলে জেনে এসেছি। এও জেনেছি ব্রহ্মা হলেন জগৎস্রষ্টা, বিষ্ণু জগন্নিবাস এবং মহেশ্বর জগৎ বিনাশক। কিন্তু বিভিন্ন পুরাণে বিশেষ করে ভাগবত ও শৈব পুরাণগুলিতে যথাক্রমে বিষ্ণু ও শিবকেই পরমেশ্বর বা পরমপুরুষ রূপে তুলে ধরা হয়েছে। এই ভাগবত পুরাণ যেহেতু বিষ্ণুর মহিমা বর্ণন - সেখানে ব্রহ্মা নিজেই বিষ্ণু বা শ্রীহরিকে পরমেশ্বর প্রমাণে ব্রতী হয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, শ্রীহরিই ব্রহ্মারও সৃষ্টিকর্তা, এবং শ্রীহরিই ব্রহ্মাকে ঈশ্বরত্ব প্রদান করেছিলেন। বেশ মজার ব্যাপার না? ... ...

তিনি (ব্রহ্ম) একদিকে যেমন এই জগতের সমস্ত উদ্ভিদ, জীব ও জড় সৃষ্টি করেছেন, আবার তেমনই তাদের জীবন ধারণের জন্যে পরষ্পরের উপর নির্ভরশীল আশ্চর্য এক বাস্তুতন্ত্রও নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। আমাদের পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয় দিয়ে আমরা তাঁর স্থূল অস্তিত্ব বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের চারপাশে চোখ মেলে তাকালে তাঁর অমোঘ উপস্থিতি সর্বত্র টের পাওয়া যায়। ... ...

এই জগতে মানুষের অজান্তে বহুবছর ব্যর্থ যায়, মানুষের মনে এক মূহুর্তও বৃথা যাচ্ছে এই বোধ যখন আসে, সেটাই বহু বছরের থেকে বেশী ফলদায়ক। কারণ ওই জ্ঞান এলে, মানুষ নিজের মঙ্গলের চিন্তা শুরু করে। খট্টাঙ্গ নামে এক রাজর্ষি দেবগণের থেকে জানতে পেরেছিলেন, তাঁর মূহুর্তকাল মাত্র আয়ু অবশিষ্ট আছে, তৎক্ষণাৎ সকল আসক্তি বিসর্জন দিয়ে, ওই রাজর্ষি শ্রীহরির অভয়পদ লাভ করেছিলেন। ... ...

"মুনির পুত্র তপস্বী শৃঙ্গী, বালকদের সঙ্গে কিছুটা দূরে খেলা করছিল। তিনি অত্যন্ত তেজস্বী। রাজা পরীক্ষিৎ আশ্রমে এসেছিলেন এবং রাজা পিতাকে দুঃখ দিয়েছেন শুনেই তিনি বালকদের বললেন, “কি আশ্চর্য, রাজারা প্রজাদের অর্থেই সমৃদ্ধ হয়ে, কি রকম অধর্ম করে, দেখ। প্রভুর অন্নে বেঁচে থাকা কুকুর আর কাক যেমন প্রভুরই অনিষ্ট করে, তেমনি এই রাজাও আমার পিতার অনিষ্ট করে গেল! ব্রাহ্মণেরা ক্ষত্রিয়দের দ্বারপাল কুকুর বলেই মনে করে, তাদের উচিৎ দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা, তারা কিভাবে আশ্রমে প্রবেশ করে?" আহা, একজন ক্ষত্রিয় রাজার প্রতি এক ইঁচড়ে-পাকা বালক-ব্রাহ্মণের কি মনোভাব! ... ...

লোকায়ত মতের বিশ্বাসীরাই ছিলেন নিরীশ্বরবাদী – মহাভারতে এই মতের প্রচারক ছিলেন মুনি চার্বাক যিনি দুর্যোধনের মিত্র ছিলেন। আবার রামায়ণে এই মতের প্রচারক ছিলেন মুনি জাবালি, যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে পিতৃসত্য পালনের জন্যে বনবাসে না যাওয়ার উপদেশ দেওয়াতে, শ্রী রাম তাঁকে ধিক্কার দিয়ে তিরষ্কার করেছিলেন]। ... ...