

একলা ট্রেন যাত্রার পথে হঠাৎ উদয় হল এক সহযাত্রীর - তারপর কী হল? ... ...

ছোটদের রহস্য গল্পের শ্রুতিনাটক। ... ...

ছোটদের রহস্য গল্পের শ্রুতিনাটক। ... ...

“উপমন্যু, সত্যিই সব শিখে ফেলেছিল। সত্যিই সে ফিরে পেয়েছিল তার দৃষ্টি?” ইন্দিরাদিদি মাথা নীচু করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন, তারপর স্মিতমুখে বললেন, “গল্পে তো তাই বলে”। ... ...

ছোটদের পুজোর জঙ্গুলে উপন্যাস ... ...

ছোটদের জন্য পুজোর উপন্যাস। ... ...

“হ্যালো, বিষ্ণুদা। আলপনা বলছি। আপনার পাঠানো গল্পটা, পড়লাম। থ্যাংকুউ, দারুণ মিষ্টি একটা গল্প। খুব সুন্দর মেসেজও রয়েছে একটা” ... ...

আজব সে এক দেশ, আর গজব তাদের ব্যবসার রকম সকম। ... ...

এক পাড়ায় হলেও দুই মেরুতে বাস করা দুই পড়শির ক্বচিৎ কখনো এভাবে দেখা হয়ে যেতে পারে এবং তখনই মেলে তাদের মনেরও সন্ধান। ... ...

চারদিকে এমন অশান্ত অস্থির সময়ে মধুর বাতাস বয়ে আনুক সকলের চিত্তে... ... ...

ঘড়ি দেখে অনিকেত। ফালতু ফৈজতে আধ ঘন্টা নষ্ট হয়ে গেলো। সটান উঠে গেলেই হয়। কিন্তু কৌতুহল হচ্ছে। কী এতো শুটিং চলে আজকাল। কারা করে? কেই-বা এসব করাচ্ছে?? ... ...

সম্বর্ধনায় এমন বিড়ম্বনা জুটবে কে জানত...তবে শেষমেষ যা পাওয়া গেল, সে সম্বর্ধনা অমূল্য। ... ...


দিদিমা বললেন, “ছাড়ো বৌমা, বেঋয়ে পড়ি। তোমার বাবার যত্তো ছিটিয়া৯ কারবার, সারাজীবন মাষ্টাঋ করে মাথার মধ্যে ছিটমহল বানিয়ে ফেলেছেন। নী৯মা আমার বেরোচ্ছি...” গলা তুলে নৃপেনবাবুকে চেঁচিয়ে বললেন, “শুনছো, আমরা বেরোচ্ছি”। তারপর নমুর গাল টিপে বললেন, “তুমি তো লক্ষ্মী ছেলে, দাদুর দিকে একটু নজরদাঋ করো, কেমন? দাদু যেন দুষ্টুমি না করতে পারে। আমরা বেরোলে দরজাটা বন্ধ করে ওপরেই থেকো”। ... ...


মেঘের মধ্যে ভাসতে থাকা কোটি কোটি ওই বরফ-বিন্দুগুলোও চায়ের পাতার মতো মেঘের স্তূপের মধ্যে ওঠানামা করতে থাকে। ব্যাপারটা বোঝা গেল কিছুটা?” ... ...

গাছে গাছে নেচে বেড়াই এই ডালে ওই ডালে। পাকা পাকা ফলগুলি ভাই,টপ করে নিই গালে।। বগল দুটি চুলকোই খুব,আরও চুলকোই ভুঁড়ি। বাঁদরামিতে এই দুনিয়ায় নেই গো মোদের জুড়ি।। ... ...

অরুণিমা বলে চলে, “দেখ দাদা, আমার ইমোশন টিমোশন নেই। ডিভোর্সের পর থেকে বোধ হয় আরও কাঠখোট্টা হয়ে গেছি। তাই যা বলছি, সেটা শুনতে খারাপ লাগতে পারে। বৌদিকে জন্মদিনে সারপ্রাইজ দেওয়াটা ভাল। আগে কোনও দিন দিয়েছিস বলে তো মনে হয় না। তবে তার চেয়ে অনেক ভাল গিফট হবে ওর আর রঙিনের ভবিষ্যতের জন্য কিছু একটা করে যাওয়া। তোর তো যে কোন দিনই কিছু হয়ে যেতে পারে।” অরুণাভ গম্ভীর ভাবে শুনতে থাকে, চায়ের কাপ নামিয়ে রেখে এক টুকরো কেক তুলে নেয়। বিনীতা বলে, “সকাল সকাল এসব আলোচনা না করলেই নয়?” ... ...

গল্পটি লিখেছিলাম বেশ কবছর আগে - আজকের দিনের মতো সেদিনও কোন এক কন্যার চরম অপমানিত হত্যার প্রতিবাদে দেশ এবং রাজ্য উত্তাল হয়েছিল । দোষীদের চরম শাস্তির আশায় তদন্ত চলেছিল, বিচার চলছিল - কিন্তু সব আশ্বাস সব সান্ত্বনা শুকিয়ে গিয়েছিল রাজনীতির মরু প্রান্তরে। আমাদের সকলের হাতে রয়ে গেল শুধু "মোমবাতির আলো" - সেদিনও - আজও একই ভাবে ... বাকি সব মরীচিকা... ... ...