এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ৫ 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৬৭ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • | | | 4 | 5 | 6
    দ্বিতীয় পর্ব: সোনার গয়নার গোলমাল

    আরে বাবা! জীবনটা এমনি আজব! মানুষ বাঁচে সত্তর বছর, আমি মরে গেছি চারশো বছর, তবু ন্যাংটা পোজ দেওয়ার নেশা যায় না! এখন বলি সেই সোনার গয়নার গোলমালের গল্প।

    সেদিন ইমন আমাকে বলল, "যদি ক্যামেরা কিনতে টাকা দেন, তাহলে একবার চেষ্টা করে দেখি।"

    আমি তো খুশিতে নাচতে লাগলাম! ভাবলাম, এইবার তো ন্যাংটা ছবি উঠবেই! বললাম, "টাকা তো আমার কবরে পোঁতা আছে! সোনার গয়না!"

    ইমন প্রথমে হেসেই খুন। বলল, "ভূতের আবার কবর? আবার সোনার গয়না? "

    আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, "শুনুন ইমন বাবু, আমি মরেছি বটে, কিন্তু মিথ্যাবাদী নই। ১৬০০ সালে যখন মরি, তখন আমার গায়ে সাত সের সোনার গয়না ছিল। বিবিরা নিয়েছেন সব, কিন্তু কয়েকটা জিনিস আমি লুকিয়ে রেখেছিলাম। ভেবেছিলাম পরকালে কাজে লাগবে। এখন দেখছি সত্যিই লাগবে!"

    ইমন তখনও বিশ্বাস করল না। বলল, "আচ্ছা, কবরটা কোথায়?"

    আমি বললাম, "চলুন, দেখিয়ে দিচ্ছি।  এখন বাড়ি হয়েছে, গলি হয়েছে, কিন্তু আমার কবরটা তখনও আছে এক কোণে।"

    ইমন মাথা চুলকাতে লাগল। বলল, "কবরস্থানে যাব রাতে? আর কবর খুঁড়ব? পুলিশ যদি ধরে?"

    আমি বললাম, "আপনি পাগল নাকি? আমি ভূত, আমি আপনাকে দেখিয়ে দেব কীভাবে যেতে হবে। পুলিশ কিছু বলবে না।"

    ইমন শেষ পর্যন্ত রাজি হল। কিন্তু শর্ত দিল, "রাত একটা বাজে যাব। তার আগে নয়।"

    সেই রাত ছিল অমাবস্যার রাত। আকাশে চাঁদ নেই, তারারা যেন লুকোচুরি খেলছে। আমি আর ইমন কবরস্থানের দিকে রওনা দিলাম। আমি প্রেত, তাই আমার হাঁটতে কষ্ট নেই। কিন্তু ইমন? সে একবার হাঁপাচ্ছে, একবার ভয় পাচ্ছে।

    পথে একটা কুকুর ডেকে উঠল। ইমন লাফিয়ে উঠল। আমি বললাম, "ভয় পাবেন না। কুকুরটা আমাকে দেখতে পেয়েছে।"

    ইমন বলল, "কুকুর ভূত দেখতে পায় নাকি?"

    আমি বললাম, "পায় বইকি! তাই তো ডাকছে। আপনি চুপ করিয়ে দিন।"

    ইমন কুকুরটাকে বলল, "চুপ! চুপ!"

    কুকুরটা আরো জোরে ডাকতে লাগল।

    আমি তখন একটা ফন্দি আঁটলাম। পাশে একটা পাথর ছিল, আমি সেটা দিয়ে খস খস শব্দ করলাম। কুকুরটা ভয় পেয়ে পালাল।

    ইমন অবাক। বলল, "আপনি পাথর নাড়ালেন কী করে?"

    আমি বললাম, "ভূত হলে শক্তি থাকে। বেশি না, কিন্তু পাথর নাড়ানোর মতো থাকে।"

    অবশেষে কবরস্থানে পৌঁছলাম। কবরস্থানটা এখন পরিত্যক্ত। চারদিকে জঙ্গল, ভাঙা কবরপাথর। ইমনের গা শিউরে উঠল।

    আমি বললাম, "ডান দিকে আসুন। ওই যে বড় একটা বটগাছ দেখছেন? তার ঠিক পেছনে আমার কবর।"

    ইমন টর্চ জ্বালিয়ে এগোতে লাগল। হঠাৎ সে চমকে উঠল। বলল, "ওই যে! একটা সাদা কাপড় উড়ছে!"

    আমি হেসে বললাম, " শাড়ি! ভূত হওয়ার সময় সঙ্গে নিয়েছিলাম। এখন ঝুলছে গাছের ডালে।"

    ইমন আরো ভয় পেল। বলল, "আপনার শাড়ি?

    আমি যেখানে দাঁড়ালাম, সেখানে একটা চ্যাপ্টা পাথর পড়ে ছিল। ইমন বলল, "এটাই কবরপাথর? তো কিছু লেখা নাই তো!"

    আমি বললাম, "লেখা ছিল।  এখন  শুরু করুন।"

    ইমন কোদাল নিয়ে খনন শুরু করল। প্রথমে কিছুই পেল না। বলল, "কিছু তো নেই!"

    আমি বললাম, "আরো গভীরে খনন করুন। আমি লুকিয়েছিলাম তিন হাত নিচে।"

    ইমন হাঁপাতে লাগল। বলল, "তিন হাত? আমার তো হাত ভাঙবে!"

    আমি বললাম, "সোনার লোভে মানুষ সব করতে পারে।  করুন।"

    ইমন খনন করতে লাগল। মাটি উড়তে লাগল। হঠাৎ তার কোদাল কঠিন কিছুর সাথে ঠোকর খেল। শব্দ হল টং!

    ইমন উত্তেজিত হয়ে বলল, "কিছু পেয়েছি!"

    সে হাত দিয়ে মাটি সরাতে লাগল। নিচে একটা পাথরের সিন্দুক দেখা গেল। ইমন সিন্দুকটা বের করল। বেশ ভারী।

    আমি বললাম, "খুলুন দেখি।"

    ইমন সিন্দুক খুলল। ভিতরে কী ছিল? সোনার চুড়ি, হার, নথ, বালা — সব সোনা! চারশো বছর পুরোনো সোনা!

    ইমনের চোখ দিয়ে যেন টাকা বেরুতে লাগল। সে বলল, "এতো সোনা! এতো দামি জিনিস!"

    আমি গর্বিত হয়ে বললাম, "হ্যাঁ, আমার সময়ের সোনা। তখনকার কারিগরি। দেখুন নকশা কেমন!"

    ইমন একটা হার হাতে নিল। বলল, "এটা এখন বেচলে কত টাকা পাওয়া যাবে?"

    আমি বললাম, "কমপক্ষে দুকোটি টাকা। কিন্তু সাবধান! একসাথে সব বেচবেন না। এক-এক করে বেচবেন।"

    ইমন বলল, "কেন?"

    আমি বললাম, "লোকে সন্দেহ করবে। বলবে চুরির মাল।"

    ইমন মাথা নাড়ল। বলল, "তাহলে কী করব?"

    আমি বললাম, "প্রথমে একটা চুড়ি বেচুন। টাকা পেয়ে ক্যামেরা কিনুন। তারপর আরেকটা বেচুন।"

    ইমন রাজি হল। সে একটা চুড়ি নিয়ে বাকি সব আবার সিন্দুকে বন্ধ করে মাটি চাপা দিল।

    বাড়ি ফেরার পথে ইমন বলল, "এই সোনা যদি আমার হতো!"

    আমি বললাম, "আপনারই তো। আমি তো দিলাম। শুধু আমার ন্যাংটা ছবি তুলে দিন।"

    পরদিন সকালে ইমন চুড়ি নিয়ে বেরোল। আমি সঙ্গে গেলাম, অদৃশ্য অবস্থায়। প্রথমে সে গেল নর্মাল জুয়েলারি শপে।

    জুয়েলারি এক ভদ্রলোক। চশমা পরে চুড়ি পরীক্ষা করল। বলল, "এটা কোথায় পেলেন?"

    ইমন বলল, "দাদুর জিনিস। তিনি মারা গেছেন। এখন টাকা দরকার, তাই বেচছি।"

    জুয়েলারি আবার পরীক্ষা করল। বলল, "এটা তো পুরোনো ডিজাইনের চুড়ি। কমপক্ষে দুশো বছর পুরোনো।"

    ইমন বলল, "হ্যাঁ, দাদু বলতেন এটা প্রাচীন জিনিস।"

    জুয়েলারি সন্দেহ করল। বলল, "আপনার দাদুর নাম কী? কোথায় থাকতেন?"

    ইমন গুলিয়ে গেল। বলল, "সে... সে উত্তর কলকাতায় থাকতেন। নাম... নাম..."

    আমি তাড়াতাড়ি ইমনের কানে ফিসফিস করে বললাম, "গগনেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।"

    ইমন বলল, "গগনেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।"

    জুয়েলারি চোখ সরু করে বলল, "আপনার সঙ্গে চুক্তিপত্র আছে? প্রমাণ আছে?"

    ইমন বলল, "না... মানে..."

    জুয়েলারি বলল, "তাহলে আমি কিনতে পারব না। হতে পারে এটা চুরির মাল।"

    ইমন হতাশ হয়ে বেরিয়ে এল। আমি বললাম, "ভয় পাবেন না। আরেক জায়গায় চেষ্টা করুন।"

    দ্বিতীয় জুয়েলারি শপে গেলাম। সেখানে এক যুবক জুয়েলারি। সে চুড়ি দেখে বলল, "কত চান?"

    ইমন বলল, “তিন লাখ।"

    যুবক হাসল। বলল, “তিন লাখ।? এটা তো সোনাই না! পিতল হবে।"

    আমি রেগে গেলাম। বললাম, "ওরে বেটা! আমার সোনাকে পিতল বলছে!"

    ইমন বলল, "না, এটা সোনা। আপনি টেস্ট করে দেখুন।"

    যুবক টেস্ট করল। সত্যি সোনা। কিন্তু বলল, "আচ্ছা, ষাট হাজার দেব।"

    ইমন বলল, "ষাট হাজার? এত কম?"

    যুবক বলল, "না হলে নিন।"

    আমি ইমনের কানে বললাম, "না, দেবেন না। এটা তো জুলুম।"

    ইমন চুড়ি নিয়ে বেরিয়ে এল।

    তৃতীয় জুয়েলারি শপে গেলাম। সেখানে এক বুড়ো  সে চুড়ি দেখে চমকে উঠল। বলল, "এটা কোথায় পেলেন?"

    ইমন বলল, "দাদুর..."

    বুড়ো বাধা দিল। "মিথ্যা বলবেন না। এই চুড়ি আমি চিনি। এটা ১৬০০ শতাব্দীর ডিজাইন। কলকাতায় মাত্র দু-তিনটে আছে। আপনি নিশ্চয় চুরি করেছেন।"

    ইমন ভয় পেয়ে গেল। বলল, "না... না... আমি..."

    বুড়ো বলল, "আমি পুলিশ ডাকছি।"

    আমি তাড়াতাড়ি ইমনকে বললাম, "পালাও!"

    ইমন চুড়ি নিয়ে দৌড় দিল। বুড়ো চেঁচাতে লাগল, "ধরো! চোর!"

    রাস্তায় লোক জড়ো হতে লাগল। ইমন এক গলিতে ঢুকল। আমি পিছনে। হঠাৎ ইমন একটা দোকানের ভিতরে ঢুকল। সেটা একটা মুদি দোকান।

    দোকানদার বলল, "কী চাই?"

    ইমন হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "কিছু না... একটু বসব..."

    পিছনে বুড়ো জুয়েলারি এসে বলল, "একজন চোর এই দোকানে ঢুকেছে!"

    দোকানদার বলল, "চোর? কোথায়?"

    বুড়ো বলল, "এই যে! এই যুবক!"

    ইমন তখন চুড়ি পকেটে লুকিয়েছে। বলল, "আমি চোর না। আমি এখানে ডাল কিনতে এসেছি।"

    বুড়ো বলল, "পকেটে কী আছে? দেখাই দিন।"

    ইমন গুলিয়ে গেল। আমি তখন একটা ফন্দি আঁটলাম। দোকানের একটি ডালের পাত্র উল্টে দিলাম। ডাল ছড়িয়ে পড়ল।

    দোকানদার চেঁচিয়ে উঠল, "আরে আমার ডাল!"

    সবাই ডালের দিকে মন দিল। ইমন সুযোগ পেয়ে পালাল।

    বাড়ি ফিরে ইমন হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "দেখলেন? আপনি আমাকে কী বিপদে ফেললেন!"

    আমি বললাম, "ভয় পাবেন না। আরেকটা উপায় আছে।"

    ইমন বলল, "কী উপায়?"

    আমি বললাম, "অনলাইনে বেচুন।"

    ইমন বলল, "অনলাইনে? কীভাবে?"

    আমি বললাম, "আমি দেখেছি মানুষ অলডিল, কুইকারে জিনিস বেচে। আপনি সেখানে ছবি দিয়ে দেন।"

    ইমন বলল, "কিন্তু প্রমাণ কী দেব?"

    আমি বললাম, "মিথ্যা প্রমাণ বানান। ফটোশপে একটা সার্টিফিকেট বানান।"

    ইমন বলল, "এটা তো জালিয়াতি!"

    আমি বললাম, "আপনার যদি ন্যাংটা ছবি তুলতে হয়, তবে জালিয়াতি করতে হবে।"

    ইমন কিছুক্ষণ ভাবল। শেষে বলল, "ঠিক আছে, চেষ্টা করি।"

    ইমন অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিল। "প্রাচীন সোনার চুড়ি বিক্রি। দাম: তিন লাখ।"

    একদিন পর একজন ফোন করল। বলল, "চুড়ি দেখতে চাই।"

    ইমন তাকে বাড়িতে ডাকল। আমি সেখানে ছিলাম, অদৃশ্য অবস্থায়।

    লোকটা এল। দেখতে স্মার্ট। সে চুড়ি পরীক্ষা করল। বলল, "বেশ ভালো জিনিস। কিন্তু প্রমাণ চাই।"

    ইমন ফটোশপে বানানো সার্টিফিকেট দেখাল। লোকটা দেখে বলল, "আচ্ছা, ২লাখ দেব।"

    ইমন রাজি হল। লোকটা টাকা দিল, চুড়ি নিল।

    ইমন খুশি হয়ে বলল, "এইবার ক্যামেরা কিনব!"

    আমি বললাম, "হ্যাঁ! কিন্তু একটা সমস্যা আছে।"

    ইমন বলল, "কী সমস্যা?"

    আমি বললাম, "লোকটা হয়তো বুঝে গেছে চুড়ি আসল। সে যদি পুলিশে জানায়?"

    ইমন ভয় পেল। বলল, "তাহলে?"

    আমি বললাম, "তা হলে আমরা ধরা পড়ব। কিন্তু ভয় পাবেন না। আমি আছি।"

    পরের দিন ইমন ক্যামেরা কিনতে গেল। একটি দোকানে গেল। সেখানে অনেক ক্যামেরা। ইমন বলল, "একটা ক্যানন ডিএসএলআর দেবেন।"

    দোকানদার বলল, "কোন মডেল?"

    ইমন বলল, "ভালো একটা দেবেন। বাজেট দেড়লাখ।"

    দোকানদার একটা ক্যামেরা দিল। ইমন কিনল।

    তারপর লেন্স কিনল। ট্রাইপড কিনল। মেমোরি কার্ড কিনল। সবকিছু কিনল।

    বাড়ি ফিরে ইমন বলল, "এইবার ছবি তুলব।"

    আমি উত্তেজিত হয়ে বললাম, "হ্যাঁ! আমি প্রস্তুত!"

    ইমন ক্যামেরা সেট করল। আমি আমার ক্লাসিক পোজ দিলাম। হাত দুপাশে, বুক ফুলিয়ে, পা একটু আলাদা করে।

    ইমন ক্লিক করল। একশো বার ক্লিক করল।

    তারপর কম্পিউটারে দেখল। কী দেখল? কিছুই না! শুধু খালি ঘর!

    ইমন হতাশ হয়ে বলল, "দেখলেন? কিছুই উঠল না!"

    আমি রেগে গেলাম। "আপনার ক্যামেরা নষ্ট! আমি তো দাঁড়িয়ে আছি!"

    ইমন বলল, "ক্যামেরা নষ্ট না! আপনি অদৃশ্য! আপনার ছবি উঠবে না!"

    আমি বললাম, "তাহলে কী করব? আমি তো চিরকাল ন্যাংটা থেকেই যাব?"

    ইমন বলল, "আপনার যদি ন্যাংটা হওয়ার এত নেশা, তাহলে আয়নার সামনে দাঁড়ান। নিজেকে দেখুন।"

    আমি বললাম, "আয়নায় তো আমি দেখি না!"

    ইমন বলল, "আচ্ছা, একটা পরীক্ষা করি।"

    সে এক বালতি জল নিল। বলল, "এই জলে আপনার প্রতিবিম্ব পড়বে কিনা দেখি।"

    আমি জলের সামনে দাঁড়ালাম। জলে কিছুই দেখা গেল না।

    ইমন বলল, "দেখলেন? আপনার প্রতিবিম্বও নেই।"

    আমি তখন খুব দুঃখ পেলাম। বললাম, "তাহলে আমি শুধু ন্যাংটা নই, অদৃশ্যও বটে!"

    ইমন হতাশ হয়ে বসে পড়ল। বলল, "আমি নষ্ট করলাম। আর আপনি... আপনি আপনার ন্যাংটা পোজ নিয়েই থাকলেন।"

    ইমন ভাবল। শেষে বলল, "ঠিক আছে, চেষ্টা করি।"
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | 4 | 5 | 6
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anindya Rakshit | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৬738399
  • "ভেবেছিলাম পরকালে কাজে লাগবে। এখন দেখছি সত্যিই লাগবে!" laughyes
     
  • albert banerjee | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৩738401
  • সোনা বলে কথা 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন