এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • আম আদমি, ডিজেল , খাদ্য ভর্তুকি ইত্যাদি

    দেবর্ষি দাস লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ | ১২৮৭ বার পঠিত
  • সম্প্রতি অমর্ত্য সেন আনন্দবাজারে ও এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে খাদ্য ও পেট্রোপণ্যে ভর্তুকি নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। ( http://www.anandabazar.com/archive/1130220/20edit3.html ) দুটো সাক্ষাৎকারের ব্যাপ্তিই ভর্তুকির বাইরে গেছে। তবে আমরা এই আলোচনায় কেবল ভর্তুকিতে নজর রাখব। তার কারণ কেন্দ্রীয় সরকার ডিজ়েলে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দেবে, মন্টেক সিং আলুওয়ালিয়া সেরকম ইঙ্গিত দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, সংসদে খাদ্য নিরাপত্তা আইন পাশ করা হবে, এরকম একটা গুজব শোনা যাচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ভর্তুকির চাপ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেনের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

    অমর্ত্যবাবু যা বলছেন দু-তিনটে পয়েন্টে সাজিয়ে নেওয়া যাক।

    ১। খাদ্য নিরাপত্তায় টাকা খরচ করতে সরকারের অনীহা নেই। গোলমাল বাঁধাচ্ছে বিজনেস মিডিয়া।

    ২। ডিজেল আর খাদ্য ভর্তুকির মধ্যে রেষারেষি বর্তমান, কারণ সরকারের অর্থাভাব।

    ৩। ডিজেলে ভর্তুকি তুলে দিয়ে সেই টাকা খাদ্যে খরচ করলে, গরীব লোকের সুবিধে হবে। ব্যাপারটা এমন নয় যে ডিজ়েল ভর্তুকির সুবিধে কেবল পয়সাওয়ালাদের হাতে যায়। তবে যাদের খালি পেটে চলতে হচ্ছে তাদের অবস্থা ডিজেল ভর্তুকিওয়ালাদের থেকে খারাপ। NDTV-র সাক্ষাৎকারে অমর্ত্যবাবু দ্বিতীয় শ্রেণীকে তথাকথিক আম আদমি বলছেন। খাদ্য ভর্তুকিওয়ালারাই আসল সাধারণ জনগণ, আম আদমি।

    লক্ষ্য করুন যদি সরকারের হাতে টাকা কম থাকে, তাহলে খাদ্যে খরচ করতে অনীহা নেই বলার বিশেষ মানে হয় না। কম টাকা থাকলে, যেখানেই খরচ করুক একটা গন্ডী বাঁধা হয়ে যাচ্ছে। গন্ডী আছে তাই ভাবতে হচ্ছে এবার কোন খরচ কমানো যায়। ফলে খালি পেট দেখিয়ে ডিজেল ভর্তুকি তুলে দেওয়া যেতে পারে। এই অবস্থায় খরচ করার ক্ষমতা সীমিত কেন, খাদ্যে বা অখাদ্যে, প্রশ্নটা জরুরি হয়ে পড়ে। এখন এপাড়ার বাচ্চুদা থেকে ওপাড়ার পল্টুদা পর্যন্ত সবাই জানে অমর্ত্য সেন কল্যাণমুখী অর্থনীতির কাজের জন্য বিখ্যাত (welfare economics)। তবে কি কল্যাণমুখী অর্থনীতির সাথে ভর্তুকি বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই? আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, ডিজেল খাতে ভর্তুকি বাড়ানোর সাথে কল্যাণমুখী অর্থনীতির সম্পর্ক নেই?

    প্রশ্নটা খতিয়ে দেখার আগে কয়েকটা বিষয় পরিস্কার করে নেওয়া যাক।

    এক, খাদ্যের জন্য সরকারের হাত উপুড় করতে রাজি এটা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। খাদ্য নিরাপত্তা আইনের খসড়া তৈরি করেছিল সোনিয়া গান্ধীর NAC (National Advisory Council)। খসড়াতে দেশের ৭৫% মানুষকে কম দামে খাদ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। উপরন্তু প্রসূতি, শিশু, অত্যন্ত গরীবের জন্য খাদ্য সুনিশ্চিত করার ব্যবস্থা ছিল। তবে বললে হবে, খরচা আছে। কেন্দ্রীয় সরকার NAC-এর সুপারিশ বিচার করতে রঙ্গরাজন কমিটি বসাল। রঙ্গরাজন কমিটি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা আইন সাইজ় করে দিল, বলল ৫০% লোককে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রসূতি বা শিশুদের নিয়ে কোনো কথাই বলা হল না। যে কারণগুলো দেখানো হয়েছে তার মধ্যে একটা কিন্তু ৭৫%-কে খাওয়াতে গেলে ভর্তুকি অনেক বাড়বে। এখন বলতেই পারেন রঙ্গরাজন কমিটির বক্তব্য সরকারের বক্তব্য নয়। ঘটনা হচ্ছে, সরকারি খেলাধুলোগুলো এভাবেই হয়ে থাকে। সরকারবাহাদুর নিজের কথা এক্সপার্ট দিয়ে বলিয়ে নেন।শেষমেশ, সংসদে যে বিল পেশ করা হয়েছে, তা এই দুই সুপারিশের মধ্যে দরাদরির ফল।

    দুই, ডিজ়েলে ভর্তুকির গল্পটা কী? তার আগের প্রশ্ন, ভর্তুকি কী? একটা উদাহরণ দিলে স্পষ্ট হতে পারে। ধরুন, রেশনের দোকান থেকে ৮ টাকা দরে চাল কিনছেন। চাল চাষির/ব্যবসায়ির থেকে কিনে বয়ে এনে রেশন দোকানে পৌঁছে দিতে যা খরচ হত (২০ টাকা প্রতি কিলো ধরা যাক) তার তুলনায় কম দামে কিনতে পারছেন কেননা বাকি ১২ টাকা সরকার দিচ্ছে। এই ১২ টাকা ভর্তুকি, যার ক্ষতি সরকার স্বীকার করছে জনকল্যাণের স্বার্থে। ডিজেল-পেট্রোলের ক্ষেত্রে ভর্তুকির হিসেবটা একরকম নয়। যে কম্পানিগুলো তেল বেচে তাদের বক্তব্য, এক লিটার ডিজেল বিদেশ থেকে কিনে, পরিবহন খরচ, স্টোরেজ খরচ, ডিলার কমিশন, ট্যাক্স ধরে বেচলে সব মিলিয়ে পড়বে ৭০ টাকা (ধরা যাক)। অথচ সরকার বলছে দাম ৫০ টাকা রাখতে। ফলে ক্রেতা ২০ টাকার লাভ পাচ্ছে। এটাই হল আন্ডার-রিকাভারি, যাকে অনেকে ভর্তুকি বলেন। ডলারের দাম বাড়লে সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তেল ভর্তুকি বেড়ে যাচ্ছে। কারণ ডলারের দাম বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম টাকার হিসেবে বেড়ে যায়। ফলে ৭০ টাকা থেকে ডিজেলের দাম ৭৫-এ যেতে পারে, আর ভর্তুকির পরিমান ২৫ টাকা।

    কিন্তু এই হিসেবে গোলমাল আছে। তেল কম্পানিগুলো ডিজ়েল আমদানি করে বেচে না। দেশের শোধনাগারগুলো থেকে তেল কেনে। তার সাথে পরিবহন খরচ, ডিলার কমিশন ইত্যাদি যোগ করলে ডিজেলের দাম ৭০ টাকা হয় না, কম হয়। ফলে ৭০ টাকার যুক্তি নড়বড়ে। ওই ২০ টাকা, যা নাকি তেল কম্পানিদের ক্ষতি হচ্ছে, এবং যা সরকার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেবে, একটা কাল্পনিক ক্ষতি। নোশনাল লস।

    টেলিগ্রাফে একটি প্রবন্ধে দীপঙ্কর দাশগুপ্ত ও তুষার চ্যাটার্জি ‘আন্ডার রিকাভারি’কে ভর্তুকি দেখানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন (How it all adds up, Nov 5-6, 2012)। সংহতি থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রবন্ধ বার করা হয়েছিল (http://sanhati.com/excerpted/2552/, http://www.guruchandali.com/default/2010/08/02/1280753100000.htm, http://www.guruchandali.com/default/2010/08/07/1281181980000.html)। উল্লেখ্য, সরকার নিজেই খাদ্যের ক্ষেত্রে ভর্তুকির হিসেব এইভাবে করে না। যদি খাদ্যের ক্ষেত্রে পেট্রলের মত করে করত, প্রতি কিলো চাল বেচে চাষি হয়তো ক্ষতিপূরণ দাবি করত। যদি তর্কের খাতিরে ২০ টাকা আন্ডার-রিকাভারিকে ভর্তুকি ধরি তাহলেও কিন্তু পেট্রোপণ্যে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে এই কথাটা অসত্য। পেট্রোলিয়াম শিল্প থেকে সরকারের করবাবদ আয় আন্ডার-রিকাভারির থেকে বেশি। অর্থাৎ সরকার জনগণকে কিছু দিচ্ছে না, নিচ্ছে। ( http://www.thehindubusinessline.com/opinion/columns/c-p-chandrasekhar/article3013252.ece?homepage=true )।

    তো এই বিষয়গুলো, পেট্রোপণ্যে ভর্তুকির হিসেব যে গড়বড়ে, অমর্ত্যবাবুর আলোচনায় অধরা থেকে যাচ্ছে। শুধু শুনতে পাচ্ছি ডিজেলে ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি। ভর্তুকি মানেই খারাপ, সরকারের ক্ষতি, করদাতার ক্ষতি। ৬৮ হাজার কোটি টাকা কর্পোরেট আয়কর মকুব নিয়ে কেন আলোচনা হয় না সেই জরুরি প্রশ্ন আপাতত থাক। দেখা যাক ডিজেল ভর্তুকি উঠিয়ে দিলে কী কী লাভ হতে পারে।

    আন্ডার-রিকাভারির পেছনের যুক্তি হল আমদানি করা তেলের সাথে দেশের তেলের দাম এক হওয়া উচিত। সেটা যদি করা হয় ডিজেলের দাম বাড়বে। ফলে যাঁরা ডিজেল SUV-চালান ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে বাজারে কুমীরছানার বাইরেও পাবলিক আছে। যত ডিজেলে পোড়ে তার ০.৬% ব্যক্তিগত গাড়িতে খরচ হয়। সব ধরণের প্যাসেঞ্জার কার মিলিয়ে ১৫%। এর মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির বাইরে ট্যাক্সি, জীপ, বা অন্যান্য ভাড়ার গাড়ি রয়েছে। এছাড়া মালবাহণ গাড়িগুলো খরচ করে ৩৮%, কৃষি ১৯%, বাস ৬%, রেল ৪%, বিদ্যুৎ প্রকল্প ৭%, শিল্প ৬% ইত্যাদি (http://timesofindia.indiatimes.com/business/india-business/Personal-cars-account-for-0-6-of-Indias-diesel-consumption/articleshow/11249656.cms)।

    অর্থাৎ ডিজ়েলের দাম বাড়লে বাড়বে কৃষিপণ্যের দাম। মানে খাদ্যের দাম। কারণ দ্বিবিধ। শুকনো দেশে বহু চাষি ডিজেলচালিত পাম্পসেটের ওপর নির্ভর করেন। ডিজেলের দাম বাড়লে খাদ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে। দুই, খাদ্য ট্রাকে ট্রেনে চড়ে ক্রেতার কাছে আসে, যা চলে ডিজেলে। বাজারে খাদ্যের দাম বাড়লে খাদ্য নিরাপত্তা আইনের উদ্দেশ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিরাপত্তা আইন জনপ্রতি মাসে ৩ থেকে ৭ কিলো খাদ্য কম দামে দেওয়ার কথা বলছে (NAC খসড়া)। বাকিটা বাজার থেকে কিনতে হবে যার দাম ডিজেলের দাম বাড়ার ফলে বাড়বে।

    সংক্ষেপে, ডিজেল ভর্তুকি তুলে দিলে অমর্ত্যবাবুর আম আদমিও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ শুধু এই নয় যে বাসের ভাড়া বাড়বে, বিদ্যুৎ দুর্মূল্য হবে। কারণটা খাদ্য নিরাপত্তারও, যা ডিজেল ভর্তুকি তুলে দেওয়ার পেছনে যুক্তি ছিল।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ | ১২৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sushanta | ০১ মার্চ ২০১৩ ০১:১৬77402
  • ভালো লাগল!
  • শুদ্ধ | ১০ মার্চ ২০১৩ ০১:২৫77403
  • অমর্ত্যবাবুর কিছু কিছু কথা বেশ গোলগোল হয়েই থাকে। ওয়েলফেয়ার ইকোনমিকস তো, তাই! লেখাটা বেশ স্পষ্ট। ভাল লাগলো। কিছু ধোঁয়াশা তে কাটাই উচিত, যদিও কাটবে কি না সন্দেহ আছে। কেন না কিছু কিছু না কাটালেই সুবিধে বেশী। এবং সুবিধে সর্বদাই বড় মানুষদের ব্যাপার। :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন