

পঞ্চাশের মন্বন্তরের প্রকোপ তখন তুঙ্গে। কমিউনিস্ট পার্টির পি সি যোশীর আহ্বানে দুই তরুণ চষে বেড়াচ্ছেন সারা বাংলা। সুনীল জানার হাতে রয়েছে ক্যামেরা আর শিল্পী চিত্তপ্রসাদ সঙ্গে নিলেন তাঁর স্কেচবুক। উদ্দেশ্য, কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র "পিপল'স ওয়ার" পত্রিকার জন্য দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতাকে নথিবদ্ধ করা। ঘুরতে ঘুরতে চিত্তপ্রসাদ এসে পৌঁছলেন হুগলি জেলার জিরাটে, ইচ্ছে ছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক ভিটে দর্শন করা, আর নিজের চোখে দেখে নেওয়া 'বেঙ্গল রিলিফ কমিটি'র প্রধান নিজের গ্রামে ত্রাণের কী ব্যবস্থা করেছেন।
বলাগড় অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে জিরাটের দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় চিত্তপ্রসাদ দেখলেন যে, গত বছরের বিধ্বংসী বন্যার পর পরই এই দুর্ভিক্ষ একেবারে শিরদাঁড়া ভেঙে দিয়েছে এলাকার মানুষের। রাজাপুর গ্রামের ৫২টি পরিবারের মধ্যে ততদিনে কেবলমাত্র আর ৬টি পরিবার রয়ে গেছে। এদিকে আবার অধিকাংশ গ্রামবাসী শ্যামাপ্রসাদের নাম না শুনলেও, প্রত্যেকেই জানালেন যে "আশুতোষের ছেলের" থেকে ছিটেফোঁটা সাহায্যও পাননি গ্রামের মানুষ। বরং সরকারের তরফ থেকে মাস দুয়েক খাবারদাবার পেয়েছেন তাঁরা, আর খাদ্যশস্য এবং সামান্য আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ফেডারেশন, মুসলিম স্টুডেন্টস লিগের ছাত্রদের উদ্যোগে। শ্যামাপ্রসাদের রিলিফ কমিটি দেশের নানাপ্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ডোনেশন পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই টাকা যে এই অঞ্চলের মানুষের কাজে লাগেনি তা একনজর দেখেই বুঝে গেলেন চিত্তপ্রসাদ। কিন্তু জিরাটে পৌঁছে যা দেখলেন, তা সত্যি মেনে নিতে পারেননি তিনি। দেখলেন দুর্ভিক্ষ-পীড়িত বাকি গ্রামের মতনই আশুতোষের আদি বাড়ির ভগ্নপ্রায় অবস্থা আর তার মধ্যেই, ওই দুর্ভিক্ষের বাজারে, শ্যামাপ্রসাদ তৈরি করছেন প্রাসাদোপম বাগান বাড়ি। সেখানে আবার মাঝেমাঝেই ছুটির দিনে কলকাতা থেকে বন্ধু-বান্ধব এসে ফুর্তি করে সময় কাটিয়ে যান।
১৯৪৩ সালের এই দুর্ভিক্ষ কিন্তু খরা বা অনাবৃষ্টি বা খারাপ ফসল হওয়ার কারণে হয়নি, হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে ব্রিটিশ সরকারের গাফিলতিতে। একেই জাপানের কাছে বার্মার পতনের ফলে সেখান থেকে চালের আমদানি বন্ধ হয়ে গেল। তার ওপর যুদ্ধের সৈন্যদের জন্য জমা করা হয়েছিল প্রচুর খাদ্যশস্য এবং বাকি যা ফসল ছিল তার সুষম বণ্টন করা হল না বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে। কলকাতা শহরের বাসিন্দাদের জন্য এবং কলকারখানার শ্রমিকদের জন্য চালের বন্দোবস্ত হলেও, খাবার পৌঁছল না রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলগুলিতে। এর সঙ্গে শুরু হল মজুতদারদের চালের কালোবাজারি যা খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ে গেল গরিব মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। খাবারের অভাবে গ্রামবাংলার মানুষ চলে আসতে লাগলেন শহর কলকাতায়। প্রতিদিন মৃতদেহের সংখ্যা বাড়তে লাগলো শহরের রাস্তাঘাটে। কলকাতা শহরের এই চরম দুরবস্থার ছবি সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ছাপালেন স্টেটসম্যান সংবাদপত্রের সম্পাদক ইয়ান স্টিফেন্স। সেসব ছবি সাড়া জাগাল গোটা বিশ্বে। এই অবস্থায় সরকারি ত্রাণব্যবস্থা যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন বেসরকারি ত্রাণ শুরু হল শ্যামাপ্রসাদের পরিচালনায়। তিনি 'বেঙ্গল রিলিফ কমিটি' বা বিআরসির রিলিফ কমিশনার নিযুক্ত হলেন এবং এই দুর্ভিক্ষের হাহাকারের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার সুযোগ ছাড়লেন না। ত্রাণকেন্দ্র স্থাপন করলেন কেবলমাত্র সেই সব গ্রাম এবং ওয়ার্ডে যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিআরসির সঙ্গে সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদের তত্ত্বাবধানেই তৈরি হলো হিন্দু মহাসভা রিলিফ কমিটি। বিআরসির উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আর একটি কমিটির প্রয়োজনীয়তার কারণ হিসেবে বলা হল যে অনেক মানুষ চাইছেন যে তাঁদের দানের অর্থ যেন কেবলমাত্র হিন্দু মহাসভা মারফত খরচ করা হয়। কমিটির বক্তব্য ছিল, যেহেতু সরকারি ত্রাণকেন্দ্রের ক্যান্টিনগুলোতে বেশিরভাগ রাঁধুনি মুসলমান, তাই হিন্দুদের নাকি সেখানে খাবার ব্যাপারে আপত্তি আছে। হিন্দু মহাসভার নিজেদের ক্যান্টিনে কেবলমাত্র হিন্দুদের রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হতো। মহাসভার দাবি ছিল যে, রান্না খাবার না দেওয়া হলেও, মুসলমানদের পুরোপুরি বঞ্চিত না করে তাঁদেরকে দেওয়া হয় কাঁচা শস্য। সাংবাদিক টি. জি. নারায়ণ মেদিনীপুরে মহাসভার একটি হাসপাতালে গিয়ে দেখেন যে বাইরে হাজার হাজার মরণাপন্ন মানুষ থাকা সত্বেও, হাসপাতালের চল্লিশটির মধ্যে পনেরোটি শয্যা খালি। তবে গরিব রুগীর চিকিৎসা হোক না হোক, হাসপাতালের প্রত্যেকটি ঘর কিন্তু আলোকিত করে রেখেছে শ্যামাপ্রসাদের ফ্রেমে বাঁধানো পোর্ট্রেট।
যে ভয়ঙ্কর সময়ে প্রায় ৩০ লক্ষ বাঙালি না খেতে পেয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন, সেই সময় শ্যামাপ্রসাদের দুশ্চিন্তার কারণ উচ্চবর্ণের আধপেটা-খাওয়া হিন্দু কী করে মুসলমান রাঁধুনির হাতের রান্না সরকারি ক্যান্টিনে খেতে পারেন। এর সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভিক্ষের ত্রাণকার্য নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলতেই থাকে - হিন্দু মহাসভাও আঙুল তুলতে থাকে মুসলিম লীগ নিয়ন্ত্রিত বাংলার গভর্নমেন্টের দিকে, তাদের বক্তব্য সরকারি ত্রাণকার্য্যে মুসলিম জনগণের প্রতি পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট।
অথচ মুসলিম লীগের সঙ্গে হিন্দু মহাসভার সম্পর্ক কিন্তু খুব অল্প দিনের ছিল না। ভারতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার প্রতিবাদে ১৯৩৯ সালে যখন কংগ্রেসের নেতারা মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন, তখন হিন্দু মহাসভা মুসলিম লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জোট সরকার বানান সিন্ধ এবং উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে। ১৯৪১ সালে বাংলায় শ্যামাপ্রসাদ ফজলুল হকের মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন, সেই ফজলুল হক, যিনি বছরখানেক আগেই লাহোরে মুসলিম লীগের সভায় 'পাকিস্তান প্রস্তাব' গ্রহণ করার দাবি জানান। সাভারকার আর শ্যামাপ্রাসাদের নেতৃত্বে হিন্দু মহাসভা জোর কদমে চালাতে থাকে গান্ধীজির 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনের বিরোধিতা। ১৯৪২-এর ২৬ জুলাই বাংলার গভর্নর জন হার্বার্টকে চিঠি লিখে শ্যামাপ্রসাদ জানিয়েও দেন কংগ্রেসের এই আন্দোলন মোকাবিলা করার জন্য ঠিক কিরকম কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তারপর ১৯৪৩এর ৩রা মার্চ সিন্ধের মন্ত্রিসভায় ভারতের মুসলমানদের জন্য যখন পৃথক রাষ্ট্রের দাবি পাস করা হয়, হিন্দু মহাসভা কিন্তু সরকার থেকে বেরিয়ে আসেনি এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে।
আজ থেকে বছর পাঁচেক আগে দিল্লির নেহেরু মেমোরিয়ালে শ্যামাপ্রসাদের ওপর একটি প্রদর্শনী আয়োজিত হয়। সেখানে অমিত শাহ তাঁর ভাষণে বলেন যে শ্যামাপ্রসাদ নেতৃত্ব দিয়ে থাকলে সমগ্র কাশ্মীর আজ ভারতের দখলে থাকত।
প্রোপাগান্ডা এরকমই হওয়া উচিত - রাজনৈতিক সুবিধা পেতে যদি মিথ্যের আশ্রয় নিতেই হয়, তাহলে সেই মিথ্যাকে সুকৌশলে এমনভাবে পেশ করতে হবে কতকগুলো আংশিক সত্যকে পাশে রেখে, যাতে সত্যি-মিথ্যের ফারাকটুকুও আর করা না যায়। আসলে, কাশ্মীরের যতটুকুও আজ ভারতের দখলে আছে, সেটুকুও রয়েছে কিন্তু নেহেরুর জন্যই। কাশ্মীরকে স্বাধীন ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার কোনও তাগিদ হিন্দুত্ববাদীদের কোনকালেই ছিল না। বলরাজ মাধকের প্রচেষ্টায় আর এস এস-এর জম্মু শাখা স্থাপিত হয় ১৯৩৯ সালে আর কাশ্মীর শাখা ১৯৪৪এ। কাশ্মীরের ডোগরা পরিবার শুরু থেকেই এই প্রচেষ্টায় শরিক। প্রেমনাথ ডোগরা ছিলেন জম্মু আর এস এস-এর সঙ্ঘচালক, যিনি আবার ছিলেন জম্মু কাশ্মীর হিন্দু সভার একজন প্রধান সদস্যও। লোকসভাতে দাঁড়িয়ে সমগ্র কাশ্মীর ভারতের অধীনে না থাকার জন্য অমিত শাহের নেহেরুকে দোষারোপ করা যাঁরা শুনেছেন তাঁরা অবাক হবেন শুনে যে, দেশভাগ যখন একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল ১৯৪৭-এর মে মাসে, তখন এই হিন্দু সভা কিন্তু মহারাজের পাশে থেকে ভারতে যোগদান না করে কাশ্মীরকে স্বাধীন রাখার জন্য সোচ্চার হয়েছিল।
স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্পমন্ত্রী হিসেবে শ্যামাপ্রসাদের যে 'বিশাল অবদান' রয়েছে সে কথা নেহেরু মেমোরিয়ালের ওই প্রদর্শনীতে বেশ ফলাও করেই বলা হয়েছিল। এও দাবি করা হয়েছিল যে ভিলাই ইস্পাত কেন্দ্র গড়ে ওঠার পেছনেও নাকি তাঁরই হাতযশ। বস্তুত ভিলাই ইস্পাত কেন্দ্র স্থাপিত হয় ১৯৫৫ সালে আর শ্যামাপ্রসাদ মারা যান তার দু'বছর আগেই। সদ্য স্বাধীন ভারতের শিল্পায়ন শ্যামাপ্রসাদের হাত ধরে হয়েছে, এই ন্যারেটিভ বর্তমান সরকারের 'মেক ইন ইন্ডিয়া'র ছবি কিছুটা হলেও শক্তিশালী করবে ঠিকই, কিন্তু এই প্রদর্শনীর আগে পর্যন্ত নেহেরু-মহলানবীশ প্রকল্পের ধারেকাছে কোথাও যে শ্যামাপ্রসাদের আনাগোণাও ছিল, সে কথা কেউ বোধহয় ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।
এখানেই শেষ নয়। আর এক চমকপ্রদ ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে শ্যামাপ্রসাদকে ঘিরে - তিনি নাকি কলকাতা শহরকে বাঁচিয়েছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হওয়ার থেকে। বস্তুত এরকম কোনো প্রস্তাব কখনোই আসেনি। বরং বাংলার প্রধানমন্ত্রী সুহরাবর্দি আর শরৎ বোস, কিরণ শংকর রায়ের মতন কংগ্রেস নেতারা আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন বাংলাকে অবিভক্ত এবং স্বাধীন রাখার। অন্যদিকে আশুতোষপুত্র চেয়েছিলেন বাংলাকে দুটুকরো করতে - আর তাই মাউন্টব্যাটেনকে গোপন পত্র মারফত আর্জি জানিয়েছিলেন যে দেশভাগ না হলেও যেন অন্তত বাংলাকে ধর্মের ভিত্তিতে দুভাগ করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কি একবার প্রশ্ন করা যায় না, যে হিন্দু মহাসভার যদি প্রকৃতপক্ষেই আপত্তি ছিল দেশভাগ করা নিয়ে, তাহলে স্বাধীনতার পর শ্যামাপ্রসাদ নেহরুর মন্ত্রিসভায় যোগদান করলেন কেন? তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এইসব অপ্রীতিকর সত্যিগুলো ধামাচাপা দিয়ে হিন্দু মহাসভার তখনকার কাণ্ডকারখানা বাঙালির কাছে গ্রহণযোগ্য করে শ্যামাপ্রসাদকে বাংলায় বিজেপির আইকন করে তোলার কাজটা খুব একটা সহজ হবে না। তবে পয়সার জোরে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে ডাহা মিথ্যেকে সত্যির রূপ দেওয়ার কঠিন কাজটা এই জাতীয় ফ্যাসিস্ট দলগুলি আগেও করে দেখিয়েছে। দেখা যাক, এক্ষেত্রে জল কতদূর গড়ায়।
dc | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৪:১২102972মাইরি এই একজন টইটাতে বেকার হ্যাজ দিয়েই চলেছে। আইটি সেলের এই অবস্থা?
রমেন | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৯:২৭102978অনেক্কিছু জানলাম। ধন্নবাদ
Kubir Majhi | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২২:৫৬102985
কি অবস্থা গুরু? কুবিরের এই মন্তব্যটাও মুছে দেয়া হলো? খুব বোকামি করছেন। কুবির মোটেই খারাপ মানুষ নয়। নইলে কবেই সে হুলোর নিজের লেখা ও হুলোর বন্ধুদের লেখা (হুলোর বউ সম্পর্কে) যাবতীয় ইন-বক্স মেসেজের ভয়াবহ তথ্যের স্ক্রিন শট দিতে পারত? এখনো পারে। সেটা কুবির করবে না। কিন্ত আপনারা হুলোর যাচ্ছেতাই রকমের নোংরা কথা রাখবেন আর কুবিরের মন্তব্য মুছে দেবেন, এ কেমন কথা? আপনারা নিজেরাই তো ওদের সব ঘটনা জানেন। হুলো কেবল ওর বউ অন্য জায়গায় প্রেম করে, বয়ফ্রেন্ডকে খাবার দেয় কিন্তÍ ওকে দেয় না আর হাত ছুরিতে কেটে থানায় গিয়ে হুলোর নামে অভিযোগ করার কথা বলেছে। বাকি সব কিছু (হুলোর বউ হুলোর চেয়ে অনেক বড়, আগের ঘরের ছেলের চেয়ে কম বয়সী প্রেমিকের বিয়ে আটকানোর চেষ্টায় মরীয়া এসব গল্প) তো হুলোর বন্ধুদের কাছ থেকেই শোনা। নিজেরা সব কিছু জেনে বসে আছেন। শুধু কুবিরের মন্তব্য মুছে দেওয়া? স্ক্রিন শট আপনাদের সবাইকে ট্যাগ করলে কি ভাল লাগবে?
উফফ এই বিকৃত মানসিকতার অসম্ভব নীচ নিকটাকে সম্পূর্ণ ব্লক করা দরকার। নতুবা ওদের ঢাকায় কি এক ৫৪ না ৫৭ ধারা আছে সেটায় সাইবার সেলে অভিযোগ করা দরকার। এ কিছুতেই থামবে না সমা ভেতরের ক্লেদাক্ত পুঁজ্রক্ত উগড়েই যাবে। এত চমৎকার তথ্যনিষ্ঠ লেখাটায় এই অকথ্য নোংরামি একেবারেই বরদাস্ত করা উচিৎ নয়।
আর এই যে কুমা আমি ফেসবুকে তিনজন আলাদা হুলো আর গুরুতে আলাদা অন্য এক হুলোকে দেখেছি। তো ফেসবুকের কোন এক হুলোর সাথে ঝগড়া সেখানে মেটান, ক্ষমতায় কুলোলে ঢাকার সাইবার সেলে কমপ্লেন করুন। অন্যের নামে আইডি খোলা মেয়ের নানে আইডি খোলা এই কাজগুলোকে বলে সক পাপেটিং। অন্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও আইনত দন্ডনীয়।
Kubir Majhi | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:৩১102988হা-হা-হা- আপনার আসল নামটা বলেন না, দাদা? তিনজন হুলোকে চেনেন বলে কি বোঝাতে চাইছেন? বিশেষ ব্যক্তিটিকে আড়াল করতে চাইছেন? এখানে তো প্রত্যেকে ছদ্মনামে। কোন ছেলেও মেয়ের নাম নিয়ে এখানে লিখছে কিনা বা ভাইস ভার্সা কে জানে! যেমন, আপনার নামের সাথে একটা ছোট ছবি আছে তবে ছবিটা এতই ছোট যে আপনি ছেলে না মেয়ে সেটাও পরিষ্কার নয়। এখন যেহেতু অনেক মেয়েরই চুল ছোট। এখন আমি হুলোকে নিয়ে লিখছি বলে আপনার এত লাগছে? হুলো যখন আমি বাংলাদেশের বলে আমাকে কাংলু বলা থেকে আমার মায়ের সাথে আমার যৌন সম্পর্ক জাতীয় ভয়ানক সব গালি দিল, তখন কই গেল আপনাদের সুশীলতা? আমি কি তাই বলে পাল্টা রেন্ডিয়া বলেছি? এখন ধারা ৫৬ বা ৫৮-এর ভয় দেখাচ্ছেন? মজা তো! এখন কিনা আমাকে ব্লক করতে চাইছেন। ভাল তো! এত দূর্বল আপনারা- এতজন মানুষ মিলে? ক‘দিন ধরে নোংরা গালাগালি বা অকথ্য খিস্তি আমার সাথে হলো। আমি তো পাল্টা মুখ খারাপও তেমন করিনি। দূর...কলকাতার ছেলে-মেয়েদের ইন্টেলেকচ্যুয়াল হাইট নিয়ে খামোকাই উঁচু ধারণা ছিল।
r2h | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:৩৯102990এই ভয়ানক গালি তালি গুলো গুরুর পাতায় কোথায় দেওয়া হয়েছে দেখিয়ে দিন, সেসবেরও একটা ব্যবস্থা নিশ্চয় হবে।
Kubir Majhi | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:৪৩102992আর এই আলোচনায় আমার দিক থেকে শুরুতে কোন ব্যক্তি আক্রমণ বা গালাগালি ছিল না। হুলোই গোটা বিষয়টা গায়ে পড়ে এসে বারবার মন্দ ও সঙ্কীর্ণ দিকে নিয়ে গেল। মডারেটর সমান আচরণ করছেন না কেন? আমার মন্তব্য মুছলে হুলোর ব্যক্তি আক্রমণগুলোও মুছে দিক। তাহলেই তো এই তথ্যসমৃদ্ধ লেখা নিয়ে আমাদের মোটামুটি তথ্যসমৃদ্দ আলোচনা খুব খারাপ লাগবে না পড়তে ও দেখতে। ওহ্- আপনার ছবি ভাল করে দেখলাম। চিনতেও পারলাম বোধ করি। ভাল থাকবেন।
a | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৪102999টুম্পা তোমায় নিয়ে ব্রিগেড যাব!!!
santosh banerjee | ০২ এপ্রিল ২০২১ ১৯:১৩104409সালা মহা হারামি ছিল তো ??এটাকে নিয়ে ওই দাড়িওয়ালা গুন্ডা টা আর তার সাঙ্গ পাঙ্গ রা মিথ্যে প্রচার করে যাচ্ছে ??বদমাশ। ..সালা !!
আপনি আগে লিস্টারিন দিয়ে কুলকুচি করে মেথি মৌরির জল খেয়ে মাথা ঠান্ডা করে কমেন্ট করতে বসবেন।
অনেক কিছু জানলাম।
Basic | ২৫ জুলাই ২০২৪ ০৩:১১535281
Shatabdi Pal | ০৪ জুলাই ২০২৬ ১৩:০৬741606