মাননীয় হীরেনবাবু,
যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে
১) সক্রেটিসকে যখন মৃত্যু দন্ড দেওয়া হল, তখন তাঁর বয়স প্রায় ৭০. এই বয়সের একজন বৃদ্ধ মানুষ তাঁর দেশের সরকারের থেকে অবসরকালীন ভাতা চাইতেই পারেন। এবং তিনি সত্যি এমন কিছু মানুষ, এমন কিছু পদ্ধতি, এমন কিছু তরিকা সমাজে প্রচলন করে গিয়েছিলেন, তাতে সমাজের উপকার বই অপকার হয় নি।
২) এখন সেই সময়ের কায়েমি স্বার্থের লোকজন যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা সক্রেটিসের সঙ্গে যুক্তিতে পেরে উঠতেন না। ফলে তাঁকে দমানো যাচ্ছিল না। আর এটা নিশ্চয়ই জানেন, দুরাত্মার ছলের অভাব হয় না।
৩) সমাজে ক্ষমতায় থাকা মুরুব্বিরা কাউকে যুক্তিতে সামলাতে না পেরে অপদস্ত, হেয় বা নোংরামি করার জন্য অন্য পন্থা অবলম্বন করে। তারা আপনার নামে কুৎসা রটিয়ে আপনার প্রতি কতিপয় মানুষকে লেলিয়ে দিতে পারে। বলতে পারে যে বৃষ্টি পড়লেও ক্যালপল, না পড়লেও ক্যালপল।
৪) ধরুন, কেউ একজন তার বাবাকে খুন করল। এবার এজলাসে সেই খুনি ছেলেটির উকিল বিচারকের কাছে।আবেদন জানালেন, ধর্মাবতার, ছেলেটি সদ্য তার পিতাকে হারিয়েছে। তাই ওর প্রতি সহানুভূতিশীল হবেন প্লিজ!
তবে হ্যাঁ, আপনার লিখিত ঘটনাটি যদি সত্যি হয়, তবে সেই সময়, তখন গ্রীসের আইনকানুন, সমাজ সামাজিকতা, রাজনৈতিক অবস্থা ইত্যাদির অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সক্রেটিস হয়তো আরও একটু ভেবেচিন্তে কথা বলতে পারতেন। তবে ঐ যে দুরাত্মার ছল। সেটাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তাছাড়া তখন তাঁর মানসিক অবস্থা কী ছিল, কারা তাঁকে হেল্প করতেন, নিজের আপন লোকের থেকে আঘাত পেয়েছিলেন কীনা, যাদের তিনি উপকার করেছিলেন তাদের আচরণ - এমন অনেক কিছু আছে।
তবে, It was a great loss to The Greece as well as great loss to The mankind. Thanks
ধন্যবাদ