এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পালকের নাম মাশরেফা (পঞ্চম পর্ব)- অরিত্র আহমেদ 

    Aritra Ahamed লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ১০৮ বার পঠিত
  • ৩০।
    (এখন তুমি বলো-
    কিছু বলো।)

    “অন্তত বিষাদটুকু ভুলে যেতে পারো ভালোবেসে!
    এমন যে দিন আসবে, এ তো তুমি স্বপ্নেও ভাবোনি!
    আজকের এমন পাখিতে ভরা তেজস্বী আকাশ
    দেখে মনে করে দেখো, সে কেমন দুঃখে ন্যস্ত ছিলে
    সন্তপ্ত চরের মতো; ভেবেছিলে, ‘আমি পরবাসী!’
    মানুষের মুখই, জানো, মানুষের প্রথম স্বদেশ?
    এখন ফাঁপরে-পড়া, শ্রমক্লান্ত পুরুষের মতো
    চলো, বাইরে যাই, হাঁটি, যতক্ষণ আমি সঙ্গে আছি,
    ধরে নাও, সর্বত্র উন্মুক্ত আছে মুক্তির দরজা।
    হয়তো পিপাসাভরা অনেক দিনের সম্মিলনে
    এক মহাকায় মেঘ গড়ে ওঠে, প্রতিবর্তী, বৃষ্টিসকাতর;
    দেখো, সেই মেঘ, দেখো, জানলা খুলে, বহতা মানুষ
    যাচ্ছে বয়ে; কিংবা নীল, সকৌতুক দিগন্তের দিকে
    হেঁটে যাচ্ছে একটি রমণী- এই মামুলি দৃশ্যের পাড়ে বসে
    অন্তত বিতৃষ্ণাটুকু ভুলে যেতে পারো ভালোবেসে!”

    ৩১।
    কতো হাওয়া উপচে পড়েছে, ঠিক নেই;
    কিছু তো পেয়েছি নিশ্চয়ই, তবে অনেকটাই হারিয়েছি।

    সাত সকালে- যখন অবিকল মানুষের মতো
    হাওয়ারা ভিড় করে পথেঘাটে, ডোবায়, উদ্যানে-
    আমরা জেগে উঠতে পারিনি, উঠতে চাইও নি;
    আর সেই সুযোগে দল-দঙ্গল-সমেত হারিয়ে গেছে হাওয়া,
    নানা প্রজাতির, মাশরেফা, নানারকম আড়ম্বর, নানারকম স্মৃতির।

    নাকি তারা আছে? আমরাই কি দেখতে পাচ্ছি না তাদের?
    যেমন তুমি এতো করে জুড়ে থাকা সত্ত্বেও,
    তোমাকে দেখতে পাওয়া হয়ে ওঠে ক্বচিৎ কখনো;
    নাকি যেকোনো জেগে ওঠার পরে কিছু না কিছু হাওয়া ঠিকই গায়ে লাগে
    নিয়ম ভেঙে, স্কুল-পালানো বালকের মতো?

    কিছুটা হাওয়া হয়তো প্রতিটা মানুষের জন্যই বরাদ্দ,
    কিছুটা বিলম্ব, কিছুটা অনিয়ম, কিছুটা বিস্মৃতি হয়তো স্বাভাবিক,
    তবু যখন বেলা করে জেগে উঠি, আর ভাবি পালিয়ে গেছে আমার হাওয়ারা,
    তখন ভেতরের ডালপালাগুলো ঘটা করে খসে পড়তে থাকে,
    আর শিকড় ছিঁড়ে যায় আপনা-আপনি, আর হৈ চৈ করে ওঠে
    আমার বিকট অস্থিরতা, অধৈর্য্য, আর জমিয়ে রাখা মৈথুন, আর অনিয়ম।

    কিছু তো পাবো নিশ্চয়ই, তবে অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছি, মাশরেফা।

    ৩২।
    [ It, always It.
    • Martin Buber ]

    এ-ও তো সন্ন্যাস; সবকিছুতেই এই থাকা, থেকেও না থাকা,
    ঘৃণা করা, ভালোবাসা; এ-ও হয়তো বিশ্রাম, বিকল্প; যেরকম
    ভূত থাক, না-ই থাক, গা ছমছম করে অন্ধকারে, আর আমরা
    আলো হাতে ঘুরি, যেনো ভূত খুঁজি, তাড়াই খুঁজতে খুঁজতে, পাছে বেখেয়ালে
    আমাদের মারণ গভীরে, মূলে, ফুলে, শিরা-প্রশিরায় জনৈক ভূত গেড়ে বসে-
    সেই ভয়ে সর্বদা অস্থির হই, আলো জ্বালি, কাজ করি; ভীষণ ব্যস্ততা, ভিড়,
    ভীষণ, ভীষণতর আলোর খপ্পরে পড়ে নিজেরাই দৃশ্যাতীত ভূত হয়ে যাই-
    এ-ও তো অনেক, মাশরেফা, এই পাললিক কোমলতা, কিংবা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও
    হেরে গিয়ে জেতা; মূলের গহনে মেশা, ঢুকে পড়া সবকিছুতেই,
    চোখ বুজে; বিপন্ন তেঁতুল গাছে বিপন্নতর মেছো ভূতের মতন আষ্টেপৃষ্টে
    এক ফালি মেঘ আর এক ঝাঁক পাখি নিয়ে অস্তিত্বের কন্দরে লুকানো-
    এ-ও এক সন্ন্যাস, এই ব্যস্ততা, কিংবা আসক্তি, যা-ই বলো, মাশরেফা।

    ৩৩।
    আহা, শাপলার মতো সবাই বিস্মৃত হয়ে যায়;
    সঘন দৃশ্যের মতো মুছে যায়, ফিরে আসে, ফের মুছে যায়
    অনায়াসে; অথচ হৃদয় জুড়ে সার্থবাহ, বিশাল উদ্ভিদ
    একদিন বেড়ে উঠেছিলো; আমাদের যা যা কিছু ভুলবার নয়,
    পাতা হয়ে, ফুল হয়ে, আঠা হয়ে লেগে ছিলো সেই উদ্ভিদেই -
    আমরা তবুও এক আমরণ অসুখের মতো চুপি চুপি
    ভুলে যেতে শুরু করি, কে কোথায় ছিলো, কবে ছিলো: পরিণামে
    একেকটা উদ্ভিদ ক্রমে ক্ষুদ্র হতে হতে প্রায় শিকড়-সর্বস্ব হয়ে যায়;
    এ নেহাতই ছেলেখেলা! দীর্ঘ, দারুণ, প্রিয় অস্তিত্বের সাথে,
    আহা, শাপলার মতো সবাই বিস্মৃত হয়ে যায়!

    ৩৪।
    কেউ কোনো সূর্যাস্ত দেখিনি:
    নভেম্বরের সূর্যসিক্ত পথে
    যে যার মতো হেঁটে চলে গেছে চানখার-
    পুলে, শাহবাগে, রমনায়;
    যে যার মতো হৃদয়ের মুণ্ডপাত করে
    আত্মহননের দৃশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে:
    আমি সবাইকে চিনি; সবার সব স্বপ্ন আমি দেখেছি
    আমার একার ঘুমে, মাশরেফা,
    এক ফোঁটা অশ্রুর মতো গড়িয়ে পড়ছি আমি,
    তুমি, সে- সব্বাই;
    কেউ কোনো রুমালের তোয়াক্কা করিনি;
    কেউ কোনো সূর্যাস্ত দেখিনি চোখ ভরে।

    ৩৫।
    এই রাস্তা কদাচিৎ টিকাটুলি যায়; আজ রোববার, দু'দশজনে
    গেলো হয়তোবা; পরের দু’দিন দেখবে ভোল পাল্টে, এঁকে-বেঁকে,
    অন্য কোথাও যাচ্ছে চলে (ধরা যাক, মিরপুরে); কেননা বদল ঘটে সংস্থানে,
    এমনকি পথচারীতেও- সবাই কেমন যেনো অন্য কোনো দেশের জনতা,
    নাগরিক, কিংবা যেনো অতিনাগরিক হয়ে যায়; রাতারাতি ল্যাম্পপোস্টগুলোরও
    চোখে ছানি পড়ে; কাউকে চিনতে পারে না ওরা; এমনকি আমরাও যদি
    বারবার রিকশা নিয়ে এই পথে যাই- আমি একই ফুল শার্ট, তুমি সেই সচ্ছল কামিজে-
    আর ফেরার সময় এই পথেই ফিরি, তবু পরিশেষে ঠিকই আনকোরা, অচেনা রয়ে যাবো;
    আমাদের দেখে লোকে ভাববে দূরদেশী, আগন্তুক, কিংবা নবাগত এ রাস্তায়,
    এ শহরে; অথচ আমরা প্রাচীনতম অধিবাসী দুনিয়ার সব শহরের; এই পথে
    এতো বার এতো দিকে গেছি যে, আজকে গুলিয়ে ফেলি টিকাটুলি আর ইথাকায়;
    রিকশা দিয়ে যেতে যেতে ঢাকা শহরেরই কোনো ভূয়োদর্শী, মোক্ষম গলিতে
    ওডেসীয়ুসের সঙ্গে চোখাচোখি হয় অকস্মাৎ: হয়তো সে পান বেঁচে, কানামাছি খেলে,
    হয়তো স্বপ্ন দেখে ইথাকায় উড়াল দেবার; আমরা তাকে দেখে হাসি, ভাবি:
    ইথাকা কি খুব দূরে? আদৌ কি দূরে? টানা রিকশায় গেলে ক’মিনিট লাগে?
    নাকি টিকাটুলিই ইথাকা? মনে হয় তা-ই। ভূতের মতন খালি ছায়া হয়ে হাঁটতে ইচ্ছে করে
    প্রায় অনন্ত পথ, যার শেষে তোমার বসতি, মাশরেফা; আমার ইথাকা তুমি;
    অতএব, খামোখা রিকশা নিয়ে, একুশে এপ্রিলে, আঁটোসাটো পুতুলের মতো
    টিকাটুলি যেতে কার ভালো লাগে? এই রাস্তা আদৌ কি টিকাটুলি যায়? যেতে পারে?
    নাকি চলে যায় রোমে, নালন্দায় কিংবা কার্থেজে? আমরা তো পর-নাগরিক,
    আমরা তো বড়ো ভিন্ন, উদ্ভিন্ন; যেমন ভিন্ন পথ, মাশরেফা, তেমনই ভিন্ন পথচারী।

    ৩৬।
    যে যেমন চলে, ভ্রাম্যমান। আমরা দেখেই ভড়কে উঠি।
    একটা রিকশার গায়ে এতো জোর? কিংবা এতোই নিখুঁত
    তার দিকদর্শিতা? অথচ দু’পায়ে হেঁটে টিকাটুলি চলে যাওয়া যায়
    অনায়াসে; কিন্তু তার আগে, মাশরেফা, চলো, খানিকক্ষণ ধান্ধা করি,
    মগের মুল্লুকটাকে মগের হাতেই নিঃশর্তে তুলে দিই;
    ধরো, আমি আজ ভাড়া দিলাম, চল্লিশ টাকা, মাত্র দু'শো গজে;
    ধরো, দশ টাকা বেশি গেলো, কিংবা বিশ টাকাই ধরো-
    তাতে কী এমন এসে যায়? বিষয়টা এভাবেও ভাবা যায় নাকি-
    রিকশা আছে, তাই আমরা আছি; রিকশা আছে, তাই টাকা আছে;
    মগ আছে, তাই তার মুল্লুকও আছে; কিংবা মাশরেফা আছে,
    তাই যাবতীয় বর্ণমালা, ব্যকরণ আছে? তাছাড়াও এসব উদ্ভট দাবি
    কিছুটা তো শক্তি দেয়, শান্তি দেয়, কদাচ সামান্য কিছু দিকদর্শিতাও
    সহজেই পাওয়া যায়; রিকশা আসে, রিকশা যায়, টিকাটুলি থাকে,
    তাই মহাবিশ্ব থাকে আচানক; আমরা থাকলেই ফের মগ ও মুল্লুক থাকে;
    যতো অদ্ভুতই হোক, সব সত্যি, সব ঠাট্টা; যে যেমন দেখে, দৃশ্যমান।

    ৩৭।
    আমার ঘড়ির কোনো মানে নেই, আমি ক্রমশই ঘুরে যাচ্ছি
    দম ছাড়া, পানি-জমা রাস্তায়, দেউলিয়া ভিলেনের মতো; নিরাসক্ত,
    অভিব্যক্তিহীন; যেনো প্রায় কিছুই হয়নি; সব দৃশ্য কাল্পনিক, সব ভুয়া,
    কেউ আসছে না, যাচ্ছে না; সময় কাটছে না মোটেও; স্বপ্নের থেকে
    হতবুদ্ধি হয়ে উঠছে প্রাণ; প্রাণের থেকেও স্মৃতি বিবমিষাময়; ভাবি,
    হয় এক বিশাল মিনারে আমি এইভাবে পা চালিয়ে হেঁটে উঠে যাবো
    প্রাচীরের ভৌতিক টিকটিকির মতো; নয়তোবা ঢাকার গ্রাফিতিময়, মন্থর দেয়ালে
    পড়ে থাকবো, বাতিল দেয়াল ঘড়ি, দমহীন, খামখেয়ালি, বন্যাকবলিত।

    ৩৮।
    অনেকটাই মুছে যেতে পেরেছি। এখন কারো
    আঁকিবুঁকিতেই আর থাকা লাগবে না ভেবে
    ঢেঁকুর তুলছি বড়ো। নাকি পস্তাচ্ছি? হতে পারে।
    মুখ তুলে দাঁড়ানোর মতো কোনো ছবি, কিংবা
    ছবির মালিক, হতে পারা- এ পর্যন্তই অস্তিত্ব!
    আমি কি অস্তিত্বেরও অতীত তাহলে? নাকি এ নিছক
    ব্যর্থতা, ঘেন্নার ব্যাপার? নাকি আমি মুছে যেতে চাই
    আরেকবার ছবি হয়ে জন্মাবো বলেই? হতে পারে।
    টাঙানোর মতো কোনো ছবি নেই, অনেকেই তো বলে;
    অনেকে তো এ-ও বলে, মানুষ মাত্রই মতিভ্রষ্ট চিত্রকর।
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৩৪743183
  • আগে বলা হয় নি : সিরিজটা খুব ভালো হচ্ছে। প্রথম পর্ব কই গেলো ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন।