এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পালকের নাম মাশরেফা (দ্বিতীয় পর্ব)

    Aritra Ahamed লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ৩৩ বার পঠিত
  • দ্বিতীয় পর্ব
    ৭।
    দিকে দিকে লোকালয়, পথ ভুলে চোখের পলকে
    অন্য পাড়ায় গিয়ে উঠতেই পারো, কিন্তু ঠিকই
    আপন গন্তব্যে যাবে; তুমি তো নিজের একা নও-

    তুমি তো লোকেরও! জানি, দিগ্বিদিক ভিড়ভাট্টা, গ্লানি,
    কর্কশ, বিদেশী রোদ, চোখ পুড়বে, মুখেও ঝুলকালি!
    যখন যেদিকে যাচ্ছি, সেদিকেই নষ্ট শূন্যতা?
    মনে হবে, আপন সৌন্দর্য হারিয়েছো, কিন্তু এ নয় হারানো!

    জানোই না, পাওয়া কাকে বলে, কাকে দেওয়া!
    দিকে দিকে লোকালয়, তুমি কিছুতেই হারাবে না
    প্রাণ কি তৃষ্ণার জল; যতো দূরে যাও, ততো পাবে!

    আরো যাও, গেলে দেখবে, তুমি তুমি নও,
    তুমি ছিন্নতা, আসা, ফিরে যাওয়া, বিশ্রামও তুমিই!
    পথ ভুলতেই পারো, কে না ভোলে? কিন্তু পথ শেষে
    মেঘই হয়, বৃষ্টি হয়, রোদ ওঠে এ ঘরে, ও ঘরে!

    ৮।
    আজকে যে চিঠি লেখে, কালকে সে নিজেই ঠিকানা;
    সমস্ত পিয়ন যেনো ঘুরে-ফিরে চানখা’র পুলেই
    সব চিঠি বয়ে আনে; খুলে দেখি, আমিই প্রেরক,
    আর আমিই প্রাপক; লক্ষ লক্ষ নামে নামাঙ্কিত হয়ে
    মূঢ় কৌতুকের মতো বসে থাকি বিকেলবেলায়;
    স্বপ্ন দেখি, ধীরে ধীরে স্বপ্নের বুকেই ঢলে পড়ে
    আমার অহংবোধ; নিস্তব্ধ চিঠির খাঁজে খাঁজে
    কানামাছি খেলি, খুঁজি পরিত্রাণ, হয়তো ঠিকানা খুঁজি,
    হয়তো কাছেই আছে টিকাটুলি, কিংবা প্রয়োজনে
    গুলিস্তানের কানা ঘোড়া নিয়ে উচাটন শাঁখারিবাজারে
    ছুটে যেতে পারি; আজ শুধু চিঠি নয়, আজ নিজেই হরকরা,
    মেঘ, ডিংডং ঘণ্টা হয়ে যাবো; কিংবা নামহীন খামে
    আপাদমস্তক ঢেকে উড়ে চলে যাবো গোবেচারা-
    আজকে নাহয় চিঠি, কালকে তো আমিই ঠিকানা।

    ৯।
    আমি যাতে মরে যাই, সেই ষড়যন্ত্রে লেগে আছে
    কিছু হিংসা, কিছু দুঃখবোধ; আমার কপাল বেয়ে ব্যতিক্রমী ঘাম
    ঝরে পড়ে, দায়দায়িত্বহীন; সব ঠেলে, সব মুছে একাকার করে
    তবুও ধূসরতম গলির পর্দা ছিঁড়ে নিরলস, ছত্রভঙ্গ মিছিলের মতো
    আমি রাস্তায় উঠি, একই পায়ে ভিন্ন ভিন্ন দিকে চলে যাই, ছুটে যাই,
    কোনো অহিংসাই ফের বেঁধে রাখতে পারে না আমাকে; আর হঠাৎ তখনো
    কিছু ব্যক্তিগত চুল ঝরে যায় খুলি থেকে, বেহুদা মোচড় দিয়ে ওঠে
    পেটের গভীরে; মনে হয়, শেষ, এখানেই শেষ, যন্ত্রণার, কিংবা লাঘবের;
    আমি আর ধুলো-পায়ে হাঁটবো না, ঘামবো না, টিকাটুলি থেকে হেঁটে
    শাহবাগে যাবো না কখনো; শেষ, সব শেষ, বাদে, প্রতিবাদে, অবসাদে-
    আমি অচিরেই যাতে মরে যাই, সর্বত্রই সেই ষড়যন্ত্র লেগে আছে।

    ১০।
    কিছু মুহূর্তের মতো আমি বয়ে যাচ্ছি ভিড়ের ভেতর দিয়ে;
    আমাকে দেখা যাচ্ছে না, স্বরূপ আমার বুঝতে পারছে না কেউই,
    কেবল পাথরে ঠেকছে পা, আমার অশ্রাব্য চিৎকার, আর প্রায়
    মুহূর্তের মধ্যেই আমি রূপান্তরিত হচ্ছি পৃথিবীর দ্রুততম দেয়ালঘড়িতে;
    তাড়াতাড়ি, খুব তাড়াতাড়ি কোথাও গিয়ে থামতে চাই, হাঁটতে চাই
    যতো কম সম্ভব; আজ ভোরে স্বপ্ন দেখেছি, পুরান ঢাকার কোনো বাস্তবিক মোড়ে
    ঘোড়ার লাগাম হাতে রয়েছি দাঁড়িয়ে, দূরে মাশরেফা যাচ্ছে হেঁটে, সবান্ধব,
    ভীষণ গল্পে মগ্ন; ইচ্ছে হলো ছুটে যাই, জাপটে ধরি আমার স্বপ্নকে, কিন্তু
    আচানক খসে গেলো হাতের লাগাম, শাদা ঘোড়া বেরসিক পাথরের মতো
    দাঁড়িয়ে রইলো নির্মমতায়; যতো চিৎকার করি, ততোই সে আরো শক্ত হয়, আরো বেশি
    গল্পে আচ্ছন্ন হয়ে মাশরেফাও চলে যায় কাবাবের দোকানে, আড়ালে; হে পাথর,
    আমার ভেতরে আমি গজিয়ে উঠেছি তীব্র লতার মতন, আমি আরো দ্রুত হবো,
    আর প্রায় মুহূর্তের মতো বয়ে যাবো লালবাগের মন্থর গলির মশারী ছিঁড়েখুঁড়ে,
    যেনো তাড়াতাড়ি, খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছে যাই আমার লক্ষ্যে, বা অলক্ষ্যে,
    এবং দেয়ালঘড়ি টাল খেয়ে পড়ে থাকে আমার চিৎকারের প্যাঁচপেঁচে, কর্কশ কাদায়।

    ১১।
    ব্যাপার কী? আপনি দেখছি বেশ জাগ্রত হয়ে আছেন,
    আর একটু পরেই বেশ নিখুঁতভাবে ঘুমিয়েও পড়বেন,
    আর ঘুম থেকে ফের জাগবেন,
    আর জেগে উঠে ফের ঘুমোবেন,
    ঠিক যেনো জনমানবহীন একটি বিরাট ভবনে
    একাকী একটি লিফট উঠছে আর নামছে, নামছে আর উঠছে,
    লড়াই করছে সকল ধরনের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে-
    ব্যাপারটা কী আসলে? আপনি কি ভূতের ভয় পাচ্ছেন?
    নাকি নেহাত ভূতের ভয় পেতে চান বলেই
    ঘোরাফেরা করছেন এই ধরনের জনমানবহীন, হাস্যকর অট্টালিকায়?
    নাকি আপনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন নতুন ঢাকা আর পুরানো ঢাকার মাঝামাঝি কিছু,
    যা বস্তুত নেই, আর প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো যে,
    আপনি সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন ঢাকা শহর বলেই কিছু নেই;
    তাহলে ব্যাপারটা কী? এই নির্ঝঞ্ঝাট শূন্যতার মধ্যে
    কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘুমোনো, আর জেগে ওঠা,
    ফের ঘুমোনো, আর ফের কালো পালকের মতো প্রায় অদৃশ্য হয়ে যাওয়া
    বিশাল, অন্ধকার, ভয়ঙ্কর উটপাখির কুচকুচে কালো বুকে-
    আপনি কি তবে বিলীন হয়ে যেতে চান?

    ভেবে বলুন তো, আপনি শুধুই বিলীন হয়ে যেতে চান?

    ১২।
    আমি সুন্দর নাকি? বেঁচে আছি, সে-ই তো আনন্দ।
    ছাড়া ছাড়া কাগজের মতো ভারি পেপার ওয়েটে
    চাপা পড়ে আছি বলে উড়ে যেতে, ভাগ্যিস, হয় না; তবু
    কখনো-সখনো পালকের উড্ডয়ন দেখে বেশ ইচ্ছা করে,
    উড়ে যাই, ওই পালকের মতো বিচক্ষণ হই, লঘু হই, মাশরেফা,
    একটু নির্বোধ হয়ে তোমার প্রশ্রয়ে ছুটে আসি দুঃসময়ে;
    একটু সন্ধ্যার মতো আশা আর ধোঁয়াশায় সমাচ্ছন্ন হয়ে
    তোমাকে জড়িয়ে ধরি; কিংবা, এই সকালে যেমন করে
    আমাদের সমস্ত মিনতি ছেয়ে, সশব্দে, দূরতম পুরান ঢাকায়
    বেজে ওঠে, ‘সুন, মেরে মেহবুব সুন'- শোনে বৃক্ষেরা, পাখিরা,
    আর নিজেরাও গুনগুন করে- আমিও তেমনই নির্দ্বিধায়
    কিছু গান গাই; কিংবা তোমাকে প্রকৃতই ভালোবাসি;
    ধরো তুমি নাজিয়া হাসান, মাশরেফা; ধরো, মরে যাচ্ছো,
    ধীরে ধীরে, আর্সেনিকে, হন্তারক স্বামী আর ব্যর্থ ফুসফুসের ষড়যন্ত্রে,
    ধরো তুমি জেনে গেছো তোমার সহায় কেউ চরাচরে নেই-
    তখনও কি ভাববে, ‘আপাতত আছি, ফলে চিরকাল আছি?’
    কিংবা ছেঁড়া কাগজের মতো খসখসে বুকের চামড়া ছুঁলে
    মনে হবে, ‘এইখানে আছে নিরুত্তর এক প্রাণ, এক অলৌকিক হাওয়া,
    আমি হারিয়ে যাবো না, যেমন কিছুই যায় না চুরি হয়ে
    অদৃষ্টের খাতা থেকে, যা ঘটার, সবকিছুই, সর্বদাই ঘটে, ঘটতে থাকে!”
    আমরাও ঘটে গেছি, মাশরেফা, ঠিক যেমন কয়েকটি পালক
    পাখির উদর থেকে ঝরে যায়, ঘটে যায়; পেপার ওয়েট সরে যায়
    ছাড়া ছাড়া কাগজের নিষ্ক্রিয়তা থেকে; আর তা-ও মাঝেসাঝে
    বিষণ্ন ভিড়ের মধ্যে ছুটে যাই, হাস্যোজ্জ্বল বিহারীর ঠোঁট মেলে হাসি,
    সন্দেহে পুলকিত হই- এখনো সকাল আছে, ষড়ঋতু আছে? কপোতাক্ষে
    এখনো কি ঢেউ আছে? এখনো কি সুদর্শন আমি? শিশু আমি?
    যতো ভাবি, ততোই আশকারা লাগে, ততোই নতুন থেকে পুরান ঢাকায়
    ফিরে যাই; ছাঁদের কার্নিশে দেখি কবুতর, সবুজ গৃহিণী, অবিলম্ব মেঘ-ওঠা
    জাগ্রত মিথের মতো; পাখি ডাকে: বৃষ্টি হবে- এই সম্ভাবনা
    জেনে গিয়ে তারাও মেঘের মতো আর্তনাদের ভারে গুনগুনিয়ে ওঠে,
    আর আমি সুখের পায়রা হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব শুনি, এই ভোরের আকাশ,
    থেকে থেকে মনে হয়, সত্যিই অগণন নাজিয়া হাসানে ভরে আছে!

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    দ্বিতীয় পর্ব
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন।