এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গেলেই বুঝবে 

    Aditi Dasgupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ নভেম্বর ২০২৫ | ১৭১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • কী বুঝবে তার একটুখানি মাত্র  রয়েছে আমার মনের ভিতরে। বাকি পুরোটাই তোমার মধ্যে, সে সাকিনটির মধ্যে আর তার সাথে তোমার রসায়নের মধ্যে। শেষটা তো এখুনি বোঝা যাচ্ছেনা ---গেলেই বুঝবে! 
     
    যাবেটা কোথায়? তাইতো? 
    হ্যাঁ সেটাই বলছি। ছুটি তেমন নিতে হবেনা। একটি বেলা হলেই যথেষ্ট। বাকিটা তোমার ব্যাপার। তবে সক্কাল সক্কাল বেরোনোই ভালো। কাঁচা রোদটি কেমন কুয়াশার গায়ে পড়ে পড়ে ঝিলিমিলু খেলছে দেখতে হবেনা? একটু মুড়িসুড়ি দিয়ে বেরিয়ে পড়ে ট্রেনে উঠে বসে পড়ো। জানলা পেলে তো কথাই নেই। ডান দিক না বাঁ দিক ----করার দরকার নেই, রোদ এখন মিঠে। তারপর ট্রেন চলতে শুরু করলে আবার মোবাইল খুলে বসোনা যেন! তাই যদি কর, তাহলে আর বেরোলে কেন? কী বললে? চেনা রাস্তা? প্রতিদিনের? কী করে হয় সেটা? রাস্তা তো প্রতি মুহূর্তে বদলায়! বদলে যাচ্ছে দেখো লোকজন, রোদের রেখাটি। তুমিও তো! 
     
     আচ্ছা, ঠিক আছে! একটু না হয় মোবাইল খেলে নাও। কিন্তু কখন যে চেনা রাস্তা পেরিয়ে অচেনা রাস্তায় ঢুকে পড়বে আর কী কী জিনিস তুমি দেখতে পাবেনা ---তার খবর কিন্তু আমি দিতে পারবোনা। 
     
    এক সময় দার্জিলিং মেইল তো এই পথেই চলতো! মনে আছে সেই মেয়েটির কথা? কি একঘেয়ে জীবন তার! কতই বা বয়স! স্বামী খুইয়ে অনাদরে বাপের ঘরের এঁদো পুকুরে বাসন মেজে আর মায়ের গঞ্জনা শুনে দিন কাটে!ভাই কে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি গেলে তার ফেলে আসা গয়নাগুলি আনতে। তা তারা কি আর দেয়? দিলে দূর দূর করে তাড়িয়ে। সে মেয়ে ---মনমরা,  অপমানে নীল, বাড়ি ফিরে আবারো গঞ্জনার ভয়ে গলা তার শুকনো!   ইস্টিশনে এসে বসে ফিরতি পথে। বসে থাকে তার রেলগাড়ির অপেক্ষায়। 
     
    এমন সময় সেখানে ঢোকে এসে ডাকগাড়ি ---দার্জিলিং মেইল। ডাক যেত কিনা তখন! আর কে না জানে, ওই রেলগাড়িটা লোকজনকে নিয়ে যায় পাহাড়ে! কাদের নিয়ে যায়? নিশ্চই তার মতো লোকদের নয়! যাদের সঙ্গতি আছে, প্রতিপত্তি আছে ---তাদের। জীবনের নানান রঙ তো তারাই উপভোগ করে! তাই ডাক গাড়ি নিজেই এক আশ্চর্য জগৎ! সে মেলে ধরে আনন্দের নানান রূপ আর উপাদান! জীবন যে এমনও  হতে পারে সে মেয়ে তো আগে জানতোনা! বাইরে দাঁড়িয়েও তার আকর্ষণে সেও বাঁধা পড়ে। যেটুকু আছে সেইটুকু উপকরণ দিয়েই জীবন উপভোগের তীব্ৰ বাসনা জাগে তার! হিসেবের কড়ি গুনে সে খায় এক কাপ চা!  বিবর্ণ জীবনকে রঙিন করে তোলে সেই ইচ্ছে যাপন! বিভূতি বাবু না!!  কি যে বলি! সত্যিই মনের চোখে লিখতেন।
     
    তা তুমিও খাওনা এক কাপ। খেলেই তো হয়!  আর তো ঘন্টাখানেক। এক ঘন্টার পথ কিন্তু একদম বাইরে থেকে চোখ সরাবেনা !  সুবাবুল এর শোভা দেখতে হবেনা? মানে ওই ললিপপ গাছ বলে যাকে অনেকে! সরু ঢ্যাঙ্গা মতো গাছ উঠে গেছে আকাশে আর সেখানে গিয়ে গোল গোল পাতা দিয়ে ললিপপ এর মাথা বানিয়েছে। এ সময় নিচটা সবুজ, তার উপরে লাল, তার উপরে হলুদ! নাকি উপরে লাল, নিচে হলুদ?  যাচ্ছ যখন, দেখেই তো নিতে পারবে! ওটা কোনো ব্যাপার? 
     
    কি সুন্দর ছায়া ছায়া ইষ্টিশনগুলি। আবার দেখো, এদের কোথায় নাকি যুগল কিশোরের মেলা বসে! আমি জানলেও এখন বলবোনা। ইচ্ছামতীর ওরা সেই কবে এ মেলা দেখতে এসেছিলো। আরে! পানের দোকানগুলি দেখো! কোথাও 'পান স্টল', নয়, লেখা আছে 'পানের আসর'! তাইতো! পান কি কেবল বিকিকিনির ব্যাপার? নাকি গপ করে মেরে দেওয়ার ব্যাপার?  সে নিজেই এক মজলিশ। বুঝতে পারছ? একলা ছোটার পথ থেকে  ঢুকে পড়েছো  জড়ানোমড়ানো যাপন রাজ্যে? নীল এক হ্রদ এর পাশে ইসটিশন , সে নাকি ময়ূরের হাট? সত্যি? তারপর যখন তুমি  দেখবে সুবাবুলের ফাঁক দিয়ে  বাঁয়ের নদী ডাইনে গিয়ে আবারো বাঁক খেয়ে কোথায় যেন চলে গেছে, তখন  আস্তে আস্তে দরজার দিকে এসে দাঁড়াতেও পার। এরপর নামবেতো! 

    লম্বা ইস্টিশন । যেদিকে নামবে সেই দিকেই না হয় সকাল সকাল একটু ভাত খেয়ে নিও । সকালে তো খাওনি  তেমন কিছু। কাঠের জ্বালে রান্না করে ওরা। ভারী যত্ন করে ভাত বাড়ে। কথাগুলি মিষ্টি, রান্নাতেও একটু মিষ্টি দেয়। শাক ভাজা, ডাল তরকারি, মাছ ---খেতেই পার। ভারি স্বাদ। খেয়ে ওই চত্ত্বর থেকে বেরিয়ে বড় রাস্তায় ওঠো। ডানদিকে গেলে শিবচন্দ্রের আবাস। কৃষ্ণচন্দ্রের ছেলে। বাঁ দিকে গেলে লম্বা রাস্তাটা তোমায় দেখাতে দেখাতে নিয়ে যাবে কত পুরোনো সব বাড়ি, সামনে মাঠ, পাঁচিল নেই। আম গাছ এতো এখানে যে রাস্তার ধারে আম পড়ে থাকে! এখন তো আমের সময় নয়। তবে নাকে এসে লাগবে তাজা গুড়ের গন্ধ। খেজুর গাছের গোড়ায় নখ চালিয়ে ছেলেপুলেরা এখানে রসের ধরণ বলে দিতে পারে! গুড় নিয়ে যাবে নাহয়। মাখা সন্দেশ ও নেবে। স্টেশন এর মুখেই পাবে। এখন সোজা চল ভাজন ঘাট পর্যন্ত ঘুরিয়ে আনি। ডানদিকে মস্ত মাঠের ওই পারে বাড়িটা? ওটা কলেজ। যাবে? সেই ইচ্ছামতীর পারে দিয়ে তার হাতা শেষ হয়েছে। ধনে, জিরে, সর্ষে, গুড় --- ইত্যাদির সম্ভার তার মধ্যেই। আচ্ছা, ভাজন ঘাটেই চল।
     
    বেলা পড়ে আসছে। একবার ইস্টিশন  এর উলটো দিকটায় যাবে? দেখ, ওদিকের পুরোনো বাড়িগুলি ---লোহার শিক  বসানো তাদের জানালাগুলি, ছাদে কাপড় মেলা, পাশে ভাঙা মন্দির আর দীঘি নিয়ে রোদ মেখে কেমন জানি তোমার দিকে চেয়ে আছে। যাবে? আসলে ওরা তো অনেক কিছুর সাক্ষী। সেই কবে  থেকে মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য নয়টি দ্বীপের মধ্যমণিটি হয়ে এ সাকিন নিরুচ্চার ভালোবাসার ডালপালা মেলে বসে আছে। এখান থেকে আর একটু গেলেই তো লালন ফকিরের কাছে চলে যাওয়া যেত। আহা! সেদিন ইসটিশন এর মুখে সেই  রোগাসোগা খেটেখাওয়া চেহারার মলিন বসন মা! কার মা জানিনা। অমুকের বা তুসুকের, কারোর একটা হবে হয়তো। কারুর না হলেও ক্ষতি কী? কি মাতৃস্নেহে কোঁচড়ের ভিতর থেকে একটি বিবর্ণ কমলালেবু বের করলো আর কি মমতায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলা মেয়েটির হাতে তুলে বললো "খা মা "! 
     
    অথচ দেখো এ পথেই একদিন কিছুদূর গিয়ে বন্ধ হলো পথ! মাঠ ঘাট আকাশ বাতাস ভাগ হয়ে গিয়ে মাঝখানে উঠলো কাঁটা তারের বেড়া! চোরা চালানের বর্ডার এলাকায় পাতাল লোক তৈরী হলো কী ভাবে! স্টেশন বাজারে তাই রেড হয়। সোনার বিস্কুট ও পাওয়া গেছে!
     
    যাকগে! তাতে কী? আমাদের তো চা আর খাবার বিস্কুট হলেই হলো। সাদা কালোয় আলোয় আলোয় পথ।
     
    নাইবা থাকলো দূর পাল্লার রেলগাড়ির রিজার্ভেশান, উড়োজাহাজের টিকিট! ছোটখাটো আয়োজনের মধ্যে দিয়েও তো অচেনার আনন্দ লওয়া যায়!  এ রাস্তায় বিভূতি বাবু আর পিছু ছাড়বেননা! আমার তো মাঝেমাঝেই মনে হয়----গেলেই তো হয়! 
    আমি না হয় আগে গেছি। তুমি? 
    গেলেই বুঝবে! 

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্রীমল্লার বলছি | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৪১736227
  • লেখাটায় অস্থিরতা আছে, অথচ দারুণ সাবলীল! 
    লিখে চলুন... 
  • | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:১০736230
  • ওদিকটায় কখনো যাই নি বটে তবে যে কোনোদিনই পিটঠু পিঠে নিয়ে চলে যেতেই পারি। 
     
    এটা থাক এখানে কেমন 
  • Aditi Dasgupta | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:২২736233
  • @দ শীতেই যেও।
    @শ্রী মল্লার -রেলগাড়িতো! 
     
    laugh
  • Kakali Bandyopadhyay | 103.42.***.*** | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:২৫736234
  • মহিলা  কামরায়  উঠলে  কি  গান  শুনতে  শুনতে  যাওয়া  যাবে ?
    দরজার  ধারে  বসা সব্জিওয়ালী  মাসি  বা  জোগাড়ের  কাজে  যাওয়া  বৌদিদের  গলায়  কীর্তন বা  বাউল  শুনিনা  কতদিন ..
  • শ্রীমল্লার বলছি | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:৫৬736236
  • Aditi Dasgupta | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:২২
     
    কী আর বলি.... তবে আপনার লেখায় জাদু আছে। 
     
    শ্রী মল্লার নয়....  শ্রীমল্লার smiley
  • Luna Mitra | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০০:১৭736237
  • আহা কি মায়া ঘেরা লেখাটি।
  • পাগলা গণেশ | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০০:২৯736238
  • লেখাটা খুব ভালো হয়েছে।
     
    ওই ডাকগাড়ি গল্পের যে রেফারেন্সটা দিয়েছেন,ওটা চন্দ্রিল ভট্টাচার্যের টাটা স্টিল কোলকাতা লিটারারি মিটের বিভূতিভূষণের সংসার নামক বক্তৃতা থেকে প্রভাবিত, না? 
     
    আমি জিগ্গেস করলাম এমনি,মনে হলো বলে।
    কিছু মনে করবেন না যেন।
  • Aditi Dasgupta | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৪২736240
  • @ পাগলা গণেশ     আমার তো সে বক্তৃতা শোনার সুযোগ হয়নি।  ডাকগাড়িই যথেষ্ট আমাকে ধাক্কা দিতে।   
  • পাগলা গণেশ | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:৩২736243
  • ও আচ্ছা।
     
    শুনতে পারেন।খুব ভালো বলেন।
     
    তবে বিভূতিভূষণ is the OG.
  • বিপ্লব রহমান | ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:৫৬736251
  • বেরিয়ে পড়াই ভাল। ইস্টিশন মানেই বুকের ভেতর রুমাল নাড়া।...
     
    অনেকদিন এমন মায়াবী লেখা পড়িনি। আরও লিখুন। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন