এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গোলাম মহম্মদ  - ২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৬ বার পঠিত
  • ( ২ )

    কোন গাইড আর নিতে হল না মাঝপথে। পনেরশ একাত্তর থেকে পনেরশ পঁচাশি পর্যন্ত এই দূর্গ তথা প্রাসাদের খাঁজে খাঁজে লেগে থাকা ইতিহাসের রোমাঞ্চ নিঙড়ে বার করে নিপুনভাবে ছড়িয়ে দিতে লাগলেন সিদ্ধার্থ দত্ত।
    সম্পূর্ণ পরিক্রমা শেষে আবার বুলন্দ দরজার পিছনে এসে পৌঁছল সতীনাথদের দল। শম্পালি উচ্ছ্বসিত স্বরে বলল, ' কাকু কিন্তু দুর্দান্ত ডেলিভারি দিলেন। উঃ... দারুন, চিন্তাই করা যায় না। তারপর টানা হিন্দীতে, একটাও বাংলা না বলে... সুপার্ব ! '
    সোমনাথ বলল, ' আমার তো মনে হয় গাইডের রেমুনারেশানটা কাকাবাবুরই প্রাপ্য। অসাধারণ একটা সেশান উপহার দিলেন উনি এটা মানতেই হবে... '
    সতীনাথবাবু সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন, ' একদম একদম
    .... আমি পুরোপুরি এগ্রি করছি.... '
    তিনি এগিয়ে গিয়ে সিধুবাবুর পাশে দাঁড়ালেন। বাল্যবন্ধুর কাঁধে হাত দিয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে স্মিত হাসলেন। তারপর বললেন, ' দারুন খেল দেখিয়েছিস সিধু। অন্য ইস্যু ছেড়েই দিলাম, তুই তো দেখছি একজন পাকা অ্যাক্টরও বটে। নে ধর ... '
    বলে একটা পাঁচশ টাকার নোট সিদ্ধার্থবাবুর দিকে বাড়িয়ে ধরলেন।
    সিধুবাবু নোটটার দিকে তাকালেন। তারপর বললেন,
    ' মেরা পাস ছুট্টা নেহি হ্যায়। ছোটা দিজিয়ে... '
    ----- ' অ্যাঁ... কী ? '
    ----- ' ছোটা নোট দিজিয়ে... '
    ----- ' না না.... তুই পুরোটাই রাখ। এটা তোর প্রাপ্য। নিজেদের মধ্যেই তো ব্যাপার। তুই যা ঘোরালি... ওঃ... জবাব নেই। হ্যারে, তুই এত হিন্দী শিখলি কবে ? আগাগোড়া আপ কান্ট্রির ঝরঝরে হিন্দীতে বললি... '
    সিধুবাবুর কাছ থেকে কথাগুলোর কোন জবাব পাওয়া গেল না। তিনি আনমনা ভঙ্গীতে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আবার উত্তর আকাশে চিলের চক্কর দেখতে লাগলেন। সতীনাথবাবু বললেন, ' আচ্ছা ঠিক আছে, চল এবার যাওয়া যাক। গাড়ি ছাড়ার টাইম হয়ে এসেছে। আকাশ ম্লান হয়ে এল। আকবরের গোসলখানার সামনে একটা দীর্ঘ ছায়া পড়েছে। লোকজন সব আস্তে আস্তে বেরিয়ে যাচ্ছে।
    সিধুবাবু বললেন, ' হাঁ, ম্যায় ভি আব ঘর চলেঙ্গে... নামাজকি ওয়াক্ত হোনেওয়ালা হ্যায়। আজ জুম্মাবার হ্যায়। বাবুজি মেরা রকম দে দিজিয়ে... ঘর লটনা হ্যায়... '
    সতীনাথবাবু বললেন, ' এ তো মহা ফ্যাসাদে পড়া গেল সিধুকে নিয়ে। কী আরম্ভ করেছে কী ? সোমনাথ তুমি একটু দেখ তো। ওকে লাইনে আনতে পার কিনা... '

    সোমনাথ সিদ্ধার্থবাবুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। তার মুখের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল তিনি কী বলেন দেখার জন্য। সিধুবাবু সোমনাথের দিকে তাকিয়ে সরলভাবে হাসলেন। বললেন, ' জি... সাহি সালামত রহিয়ে। ফির মিলেঙ্গে জরুর। ফির আনা কিজিয়েগা। আব হামে জলদি ছোড় দিজিয়ে। নমাজকা ওয়াক্ত হো গ্যয়া। তুরন্ত ঘর লটনা হ্যায়। ওহিঁসে মাজার যাউঙ্গা... '
    সোমনাথ তাকিয়ে ছিল সিধুবাবুর চোখের দিকে। সে সতীনাথবাবুকে হাতছানি দিয়ে ডাকল। সতীনাথ তার পাশে এসে দাঁড়ালেন। সোমনাথ বলল, ' ওনার চোখটা দেখুন তো একটু ... '
    সতীনাথ সিদ্ধার্থবাবুর চোখে চোখ ফেললেন। প্রায় দশ সেকেন্ড পর বলে উঠলেন, ' আরে... স্ট্রেঞ্জ ! সিধু কি চোখে কন্ট্যাক্ট লেন্স লাগিয়েছে নাকি ? ওর চোখ আবার বাদামী হল কবে ! সিধুর চোখের মণি দুটো তো একেবারে কালোজাম ... '
    ----- ' ঠিক সেটাই বলতে চাইছি আমি। দেখুন জিজ্ঞেস করে...' সোমনাথ বলে।
    সতীনাথ সিদ্ধার্থবাবুর কাঁধে একটা আলতো ধাক্কা মেরে বললেন, ' অ্যাই সিধু... তুই কী আরম্ভ করেছিস ? এবার নাটক থামা... নে চল এবার। সব লোক বেরিয়ে গেছে...
    চল চল... '
    সতীনাথবাবু এবং সোমনাথের মনে হচ্ছে না যে সিধুবাবু আদৌ তাদের কথা শুনছেন। সতীনাথের কথা শুনে তার বাল্যবন্ধু একবার অর্থহীন ভঙ্গীমায় হাসলেন সরলভাবে।
    তারপর মুখ ফাঁক করে একটা বড় হাঁ করলেন হাই তোলার মতো করে। তারপর আবার স্বাভাবিকভাবে মুখ বন্ধ করে নিলেন। এরকম পরপর দুবার করলেন।
    প্রবল শিহরণে দুলে উঠলেন সতীনাথবাবু প্রায় বাহান্ন বছর আগেকার এই ফতেপুর সিক্রির সিরসিরে স্মৃতির ঝাপটায়। শেরওয়ানি কুর্তা, পাতলা দাড়ি, তামাটে গায়ের রঙ, কটা চোখ... ওই দূর আকাশের চিলের মতো চক্কর মারতে লাগল সতীনাথের সামনে।

    সতীনাথবাবু সোমনাথের মুখের দিকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। সোমনাথ তার শ্বশুরমশাইয়ের এ হতবাক বিহ্বলতা বোঝার চেষ্টা করতে লাগল।
    বোঝার চেষ্টা করলে কী হবে দুজনেই তো ঘন কুয়াশার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। শম্পালি তার মা এবং ছেলেকে নিয়ে সোমনাথদের কাছে এসে দাঁড়াল। সতীনাথবাবুর স্ত্রী খুবই স্বল্পবাক। তিনি ব্যাপারটা মোটামুটি বুঝে নিয়ে বললেন, ' এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে থেকে কী করবে ? গাড়ি ছাড়ার সময় হয়ে যাচ্ছে। এখানকার লোকাল লোকের সাহায্য নাও না। ওরা হয়ত কিছু সাহায্য করতে পারে ... '
    সোমনাথ চিন্তা করে দেখল কথাটা ঠিকই। একটু পরে তো অন্ধকার নেমে যাবে। অত্যন্ত বিব্রতভাবে এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখতে লাগল কাকে বলা যায়। ব্যাপারটা তো অদ্ভুত ধরণের। কাউকে বোঝানো মুশ্কিল। এখানে কয়েকজন গাইড ঘোরাঘুরি করছে। সোমনাথ ভাবল, এদের মধ্যেই কাউকে বলা যাক। কাকে বলা যায় চিন্তা করতে লাগল। বিশ্রী একটা অস্বস্তি হচ্ছে। কিন্তু কিছু একটা ব্যবস্থা তো করতেই হবে। সিধুকাকার এ কিরকম অস্বাভাবিক হাবভাব !
    কিন্তু সোমনাথ কারও শরণাপন্ন হবার আগেই একজন মোটা মতো মধ্যবয়স্ক লোক, খুব সম্ভবত এখানকার গাইডই হবে, ধীর পায়ে তাদের দিকে এগিয়ে এল। আধময়লা শার্ট প্যান্ট পরা। ওদের কাছে এসে ভাঙা বাংলায় বলল, ' কী হয়েছে বাবুজি ? পরেশান লাগছে। কোন প্রবলেম হল কি ? '
    সতীনাথবাবু বললেন, ' হ্যাঁ... ইয়ে, ওই প্রবলেম মানে... কী বলব.... এই যে এনাকে নিয়ে একটু ঝামেলায় পড়েছি .... ', সিদ্ধার্থবাবুর দিকে দেখালেন সতীনাথ।
    লোকটি আরও একটু এগিয়ে এসে সিধুবাবুকে দেখতে লাগল। খানিকক্ষণ ভালোভাবে দেখে নিয়ে সতীনাথবাবুকে বলল, ' অওর থোড়া ইন্তেজার করুন। ঠিক হয়ে যাবে... '
    ----- ' মানে ? ', সোমনাথ বলে।
    ----- ' সাড়ে পাঁচ বাজে তক ঠিক হো যায়েগা... '
    ----- ' তাই নাকি? এখন তো সোয়া পাঁচটা বাজে ... '
    ----- ' হাঁ হাঁ .... দেখুন না... '
    বলে লোকটি সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল ওদের পরিত্রাতার মতো। আকাশের উত্তর দিকে একসাথে চক্কর মারা চিলগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে।
    সাড়ে পাঁচটা বাজল। সতীনাথরা দেখল ওখান থেকে একটা চিল নীচে উড়ে আসছে। চিলটা ঝড়ের গতিতে উড়ে এসে সিধুবাবুর মাথায় একটা ঝাপটা মেরে আবার আকাশের দিকে কোথায় চলে গেল উড়তে উড়তে। লোকটি তাকিয়ে রইল সেদিকে।
    এবারে মাথা নামিয়ে বলল, ' বাসস্... আব দেখিয়ে উনকো। জরুর ঠিক হয়ে গেছে.... '
    সতীনাথ তাড়াতাড়ি সিদ্ধার্থবাবুর মুখোমুখি হলেন। ওনার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলেন তার চোখের তারা আবার জামের মতো কালো হয়ে গেছে। কন্ট্যাক্ট লেন্স টেন্স উধাও। তার সামনে যেতেই সিধুবাবু বললেন, ' আরে... তোরা কোথায় ছিলি এতক্ষণ ? আমি তোদের খুঁজে মরছি কখন থেকে। এই বুড়ো বয়সে এত হ্যাপা পোষায়... হ্যারে আমার ছাতাটা কি তোর কাছে আছে? পাচ্ছি না ... '
    তার পরিচিত স্বাভাবিক স্বরে বলতে লাগলেন সিদ্ধার্থ দত্ত মশায়।
    গাইড লোকটি বলল, ' হর রোজ অ্যায়সাই হোতে রহতে হ্যায় কিসি না কিসিকো উপর। কেয়া কিয়া যায়ে ? '
    ----- ' ও আপনি জানেন সব ? ', বিস্মিত, হতচকিত সতীনাথবাবু জিজ্ঞাসা করলেন।
    ----- ' হাঁ তা জানি। মজবুরি হ্যায় না... '
    ----- ' কেন কেন, কিসের মজবুরি ? '
    ----- ' কারণ আমি সিরাজ মহম্মদ আর আমার বাবার নাম গোলাম মহম্মদ যো দশ সাল পহলে গুজর গ্যয়া। মগর ইয়ে সিক্রি ছোড়া নেহি আভিতক। কেয়া কিয়া যায়ে বাবুজি ... '
    ----- ' লেকিন ইয়ে হোতা হ্যায় ক্যায়সে ? ' সোমনাথ বিস্ময়বিমূঢ় গলায় প্রশ্ন করে।
    ----- ' কুছ ভি পাতা নেহি বাবুজি .... উপরওয়ালাকি চমৎকার সমঝ লিজিয়ে... '

    ( শেষ )

    ************************************************


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন