এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb91:4c1f:10de:3989:5bab:4904:***:*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:২৪548566
  • আরে, মশামাসি স্বয়ং এসে গেছেন! কী ভালো যে লাগলো!smiley
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:২৪548565
  • Ranjan Roy ধুর ভয় পাওয়ানো হয়েছে। . শুধু অঙ্ক থেকে নয় যুক্তিবোধ থেকেও। এর দায়  আগের প্রজন্মের 
  • kk | 2607:fb91:4c1f:10de:3989:5bab:4904:***:*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:২২548564
  • অমিতাভদা,
    আপনাকে ভাটে আবার লিখতে দেখে বড্ড খুশি হলাম। অবশ্যই আবার পথ চলবেন। হয়তো কখনো আমরা হাত ধরেও চলবো। এমনও তো হয়ে যেতে পারে?

    অ্যান্ডর,
    দাঁড়াও না, যেদিন থানকুনি পাতা দিয়ে থাই চিলির পাতুরি রেঁধে ব্রাত্যবাবুকে নেওতো করে খাওয়াবো, সেদিন সব্বার মুখ গুলো দিস কাইন্ড অভ স্মল হয়ে যাবে!
     
  • Ranjan Roy | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১৯548563
  • অমিতাভ ভাই।
    সুস্থ শরীরে চমৎকার সব কাজকর্ম করছ। আমার শুভেচ্ছা। 
     
    তোমার আর রমিতের যুগলবন্দী গুরুর সম্পদ। 
  • Ranjan Roy | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১৭548562
  • ব্যানার্জি বাবু
     প্রাতঃপেন্নাম। 
     
    ফাজি লজিক আর বুলিয়ন লজিকের প্রাথমিক পাঠ চমৎকার হয়েছে।
    আমার মত গোলা লোকেরও জ্ঞান চক্ষু খুলছে। 
     
    শব্দটা অনেক বার শুনেছি আর ভেবেছি--এসব আমার জন্যে নয়। 
    আপনি ভয় ভেঙে দিলেন গো! 
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১৭548561
  • ৺জর্জ বুল বা "আবার ফাজি" তাই করবো  স্যার 
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১৪548560
  • লোকে বলে সমুদ্র কিছু নেয় না দেখা যাক কথা তা সত্য কিনা 
  • ৺জর্জ বুল | 2601:5c0:c280:d900:89f4:41c1:530a:***:*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১০548559
  • অ্যালবার্টবাবু আপনি খেরোতেই যেমন পর্বে পর্বে বুলিয়ান লিখছেন, লিখুন না। এক জায়গায় সবটা থাকে। আগ্রহী-অনাগ্রহী দুইদলের-ই সুবিধে। 
  • জীবন্ত জীবাশ্ম | 165.225.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:০৭548558
  • সবই তো বুঝলাম, কেবল জীবনের অনন্ত ইতিহাসমালা কেন ভাটসমুদ্রে ফেলা সেইটেই মালুম হল না! 
    ধরুন, জেমস জয়েস যদি ভাটিয়ালিতে ইউলিসিস লিখে রাখতেন তবে কি কেচ্ছাই না হত! 
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:০১548557
  •  "হ য ব র ল": ফাজি লজিকের আলোকে এক অস্পষ্ট জগতের সন্ধান

    ভাটের ভ্যাট বাজিতে ধারণা টা এলো ধন্যবাদ তাকেও 

    "হ য ব র ল" আসলে কী?

    গল্প শুরু হয় একটা রুমে। একটা ছেলে ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ জেগে দেখে, তার কাছে রাখা রুমালটা বেড়াল হয়ে গেছে। বেড়ালটা কথা বলে, হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। তারপর শুরু হয় এক অদ্ভুত জগতে যাত্রা — কাক্কেশ্বরের হিসেব, ছাগলের বক্তৃতা, হিজিবিজবিজের অট্টহাসি, উধো-বুধোর লড়াই, আর শেষে মামার বকুনি ।

    এই গল্পের নাম "হ য ব র ল"। বাংলায় আমরা এই শব্দটা ব্যবহার করি অর্থহীন, এলোমেলো, খাপছাড়া কিছু বোঝাতে। কিন্তু সুকুমার রায় এই শব্দকেই একটা মহাকাব্য বানিয়ে ফেলেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে — এই এলোমেলো গল্পের মধ্যে কি কোনো লজিক আছে? ফাজি লজিকের চোখে দেখলে কি আমরা নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারি?

    ফাজি লজিকের মূল
    আগের অধ্যায়গুলোতে আমরা ফাজি লজিক সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি। সংক্ষেপে মনে করিয়ে দিই:

    ১. ফাজি সেট: এখানে কোনো জিনিস সেটের মধ্যে পুরোপুরি (১), না-ও থাকতে পারে (০), বা আংশিকও থাকতে পারে (০.২, ০.৭ ইত্যাদি)।
    ২. মেম্বারশিপ ডিগ্রি: প্রত্যেক উপাদানের একটা মাত্রা থাকে — কতটুকু সে সেটের অংশ।
    ৩. লিঙ্গুইস্টিক ভেরিয়েবল: 'একটু', 'বেশি', 'খুব', 'সামান্য' — এসব শব্দের গাণিতিক রূপ।
    ৪. ফাজি AND/OR: AND = ছোট মান, OR = বড় মান।
    ৫. মেম্বারশিপ ফাংশন: প্রতিটি ইনপুটের জন্য আউটপুট কত হবে তার ফর্মুলা।

    এবার এই টুলস দিয়ে "হ য ব র ল"-এর বিশ্লেষণ শুরু করি।

    চরিত্রগুলো ফাজি সেট হিসেবে

     কাক্কেশ্বর কুচকুচে — হিসেবের ফাজি মাত্রা

    গল্পে কাক্কেশ্বর একটা স্লেট নিয়ে হিসেব করছে। তার হিসেব দেখলে মনে হবে — এটা কী বাজে! যেমন: ২+২ = ৫.৮, আবার ৩×৩ = ৭.২ । বুলিয়ান লজিকে এগুলো পুরোপুরি ভুল (০)।

    কিন্তু ফাজি লজিকে আমরা বলতে পারি:
    - সঠিক হওয়ার মাত্রা = ০.১ (প্রায় পুরোপুরি ভুল)
    - অর্থপূর্ণ হওয়ার মাত্রা = ০.৮ (কারণ এর মধ্যে একটা গভীর অর্থ লুকিয়ে আছে — বড়দের জগতের অর্থহীনতাকে ব্যঙ্গ করা)
    - মজার হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (পাঠক হিসেবে আমরা হাসি)

    কাক্কেশ্বর আসলে একটা ফাজি ক্যারেক্টার — সে একইসঙ্গে শিক্ষিত (হিসেব করতে জানে) আর অশিক্ষিত (ভুল করে), গুরুতর আর হাস্যকর, বাস্তব আর কাল্পনিক।

     ছাগল ব্যাকরণ শিং বি.এ., খাদ্যবিশারদ — সাবজেক্টের ফাজি মাত্রা

    ছাগল বক্তৃতা দিচ্ছে — কিন্তু কী নিয়ে? সে বলছে ছাগলে কী কী খায় না! কাগজ, সাবান, পাথর — এসব ।

    এখানে ফাজি সেট:
    - বক্তৃতার বিষয় 'ছাগলের খাদ্য' হওয়ার মাত্রা = ০.০ (একদম না)
    - বক্তৃতার বিষয় 'অর্থহীন' হওয়ার মাত্রা = ১.০ (পুরোপুরি)
    - বক্তৃতা 'গুরুতর' হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (কারণ সে খুব সিরিয়াস)
    - 'হাস্যকর' হওয়ার মাত্রা = ১.০

    ছাগল একটা ফাজি হাইব্রিড — পশু কিন্তু মানুষ, শিক্ষিত কিন্তু অর্থহীন, বক্তা কিন্তু শ্রোতাহীন।

     হিজিবিজবিজ — আবেগের ফাজি মাত্রা

    হিজিবিজবিজ অকারণে হাসে। সে ভাবে অসম্ভব পরিস্থিতি — যেমন "যদি কুমিরে গাছে ওঠে" — আর হেসে গড়াগড়ি খায় ।

    তার আবেগ বিশ্লেষণ করি:
    - হাসির কারণ থাকার মাত্রা = ০.১ (প্রায় নেই)
    - হাসির তীব্রতার মাত্রা = ১.০ (পুরোপুরি, সে গড়াগড়ি খাচ্ছে)
    - সংক্রামক হাসি হওয়ার মাত্রা = ০.৮ (পাঠক হিসেবে আমরাও হাসি)

    হিজিবিজবিজের হাসি একটা ফাজি ইভেন্ট — কারণহীন কিন্তু ফলপূর্ণ, ব্যক্তিগত কিন্তু সর্বজনীন।

     উধো আর বুধো — সম্পর্কের ফাজি মাত্রা

    উধো আর বুধো একমিনিট লড়াই করছে, পরের মিনিটে জড়িয়ে ধরছে ।

    তাদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ:
    - শত্রুতা থাকার মাত্রা (এক মুহূর্তে) = ০.৯
    - বন্ধুত্ব থাকার মাত্রা (পরের মুহূর্তে) = ০.৯
    - সম্পর্ক 'স্থিতিশীল' হওয়ার মাত্রা = ০.০ (একদম না)
    - সম্পর্ক 'অনিশ্চিত' হওয়ার মাত্রা = ১.০

    উধো-বুধো ফাজি সম্পর্কের জীবন্ত উদাহরণ — তাদের সম্পর্ক কোন নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ফেলা যায় না।

     দৃশ্যগুলো ফাজি টেবিল হিসেবে

     কাক্কেশ্বরের হিসেবের খাতা

    গল্পে কাক্কেশ্বরের একটা স্লেটে লেখা থাকে:
    - ২ × ৩ = ৭.৫
    - ৫ + ৩ = ৬.২
    - ৮ ÷ ২ = ৫.৩

    ফাজি ম্যাথমেটিক্সের দৃষ্টিতে দেখি:
    - ভাগের ফলাফলের সঠিকতা = ০.০
    - ফলাফলের 'হিসেব' হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (এটাকে কি হিসেব না বললে হয়?)
    - ফলাফলের 'হাস্যকর' হওয়ার মাত্রা = ১.০

    কাক্কেশ্বরের হিসেব আসলে ফাজি নাম্বারের একটা জগৎ — যেখানে সংখ্যা তাদের পরিচয় হারিয়ে ফেলে।

     আদালতের দৃশ্য

    শজারুর মানহানির মামলা। কুমির উকিল, শিয়াল উকিল। বিচারক প্যাঁচা। আসামি নেই !

    বুলিয়ান লজিকে মামলা চালানোর জন্য আসামি লাগে — না থাকলে মামলা হয় না (০)।

    ফাজি লজিকে:
    - মামলা 'চলছে' হওয়ার মাত্রা = ০.৮ (আসামি না থাকলেও চলছে)
    - আদালত 'আদালত' হওয়ার মাত্রা = ০.৭ (আসামি নেই, উকিল আছে, বিচারক আছে)
    - রায় 'নিরপেক্ষ' হওয়ার মাত্রা = ০.২ (কারণ আসামি না থাকায় পক্ষপাতিত্বের সুযোগ বেশি)
    - দৃশ্যটি 'হাস্যকর' হওয়ার মাত্রা = ১.০

    এই আদালত আসলে ফাজি সিস্টেমের এক অসাধারণ উদাহরণ — নিয়ম ভাঙা হয়, কিন্তু সিস্টেম চলে।

     কাক্কেশ্বরের গাছের সন্ধান

    বেড়াল বলে, "কাক্কেশ্বরকে খুঁজতে গেলে, যেখানে গেছোদাদার সন্ধান পাওয়া যায়, সেখান থেকে বাঁয়ে ঘুরে, যে গাছে উধো-বুধো বসে, সেই গাছটাই কাক্কেশ্বরের গাছ।"

    এটা একটা ফাজি অ্যালগরিদম!
    - 'যেখানে গেছোদাদার সন্ধান পাওয়া যায়' — গেছোদাদা তো কখনো দেখা যায় না, তার সন্ধানের মাত্রা সবসময় শূন্য।
    - 'যে গাছে উধো-বুধো বসে' — উধো-বুধো এক জায়গায় বসে না, তারা লড়াই করে ঘুরে বেড়ায়।

    ফাজি অ্যালগরিদমের আউটপুট = "কিছুই পাওয়া যাবে না" (০.৯)।

     অধ্যায় ৫: গল্পের ভাষা — ফাজি লিঙ্গুইস্টিক হেজেস

    গল্পে প্রচুর 'হেজ' শব্দ আছে — অর্থাৎ ভাষার অস্পষ্টতা বাড়ায় এমন শব্দ।

    উদাহরণ:
    - "একটু আগে তো ছিল"
    - "প্রায় মনে হচ্ছে"
    - "বেশ খানিকটা"
    - "সামান্য তফাৎ"

    এই শব্দগুলো ফাজি লজিকের 'হেজেস' (যেমন 'very', 'slightly', 'more or less')। এগুলো মেম্বারশিপ ফাংশনকে পরিবর্তন করে।

    গল্পের ভাষা আসলে ফাজি ল্যাঙ্গুয়েজের এক অসাধারণ নমুনা — যেখানে স্পষ্ট আর অস্পষ্টের মাঝখানের সব রকম অবস্থান আছে।

     শিশুর দৃষ্টিকোণ — বড়দের জগতের ফাজি ব্যাখ্যা

    গল্পটা আসলে একটা শিশুর স্বপ্ন। সেই শিশু বড়দের জগত দেখে যা বুঝেছে, তাই কল্পনায় এঁকেছে ।

    বড়দের জগতে অনেক কিছুই অস্পষ্ট:
    - দেনা-পাওনা (কাক্কেশ্বরের হিসেব)
    - আদালত-মামলা (শজারুর মামলা)
    - বক্তৃতা-বিশেষজ্ঞতা (ছাগলের বক্তৃতা)
    - সম্পর্ক (উধো-বুধো)

    শিশু এসব জিনিস দেখে — কিন্তু এদের ভেতরের অর্থ বুঝতে পারে না। তার কাছে এগুলো ফাজি ইমেজ — কিছুটা বাস্তব, কিছুটা কাল্পনিক, কিছুটা গুরুতর, কিছুটা হাস্যকর।

    ফাজি লজিকের ভাষায় বললে:
    - বড়দের জগত 'বাস্তব' হওয়ার মাত্রা (শিশুর চোখে) = ০.৩
    - 'অবাস্তব' হওয়ার মাত্রা = ০.৭
    - 'অর্থপূর্ণ' হওয়ার মাত্রা = ০.৪
    - 'অর্থহীন' হওয়ার মাত্রা = ০.৮

    শিশু এই ফাজি ইনপুট নিয়ে একটা ফাজি আউটপুট তৈরি করেছে — 'হ য ব র ল'।

     অধ্যায় ৭: গল্পের নাম — ফাজি টাইটেলের বিশ্লেষণ

    "হ য ব র ল" — এই নামটাই ফাজি। এর অর্থ কী?

    বুলিয়ান অনুসন্ধান:
    - অর্থবহ = ০
    - অর্থহীন = ১

    কিন্তু ফাজি অনুসন্ধান:
    - অর্থবহ হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (কারণ গল্পটা পড়ে আমরা অনেক কিছু বুঝি)
    - অর্থহীন হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (কারণ গল্পটা মনে হয় কিছুই বুঝি না)
    - এলোমেলো হওয়ার মাত্রা = ০.৮
    - সুসংহত হওয়ার মাত্রা = ০.৭

    এই নামটা আসলে ফাজি সেটের রাজা — একইসঙ্গে সব কিছু, আবার কিছুই না।

     চরিত্রের নাম — ফাজি আইডেন্টিটি

    প্রত্যেক চরিত্রের নামই ফাজি:
    - হিজিবিজবিজ: নামটা শুনেই বোঝা যায় — কিছু একটা এলোমেলো
    - কাক্কেশ্বর কুচকুচে: কাক আর ঈশ্বরের মিশ্রণ — একইসঙ্গে পশু আর দেবতা
    - গেছোদাদা: 'গেছো' মানে গাছে থাকে, 'দাদা' মানে বড় ভাই — গাছের ভাই? এই নামের মেম্বারশিপ ডিগ্রি:
       বাস্তব হওয়ার মাত্রা = ০.০
       কাল্পনিক হওয়ার মাত্রা = ১.০
       অর্থপূর্ণ হওয়ার মাত্রা = ০.৮ (আমরা তাকে 'চিনি')
       অর্থহীন হওয়ার মাত্রা = ০.৭ (আমরা তাকে 'চিনি না')

    ফাজি আইডেনটিটির এক অপূর্ব উদাহরণ এই নামগুলো।

     অধ্যায় ৯: দৃশ্যের গঠন — ফাজি টাইমলাইন

    গল্পের সময়ের গঠন ফাজি:
    - শুরু হয় ঘুম থেকে জেগে
    - তারপর স্বপ্ন দেখা
    - স্বপ্নের ভেতর আবার স্বপ্ন?
    - শেষে আবার ঘুম ভাঙে

    এটা একটা ফাজি টাইমলাইন — বাস্তব-স্বপ্নের মাত্রা সবসময় ওঠানামা করে।

    প্রথম দৃশ্যে:
    - বাস্তব হওয়ার মাত্রা = ০.৮ (ঘুম ভাঙা বাস্তব)
    - স্বপ্ন হওয়ার মাত্রা = ০.২ (এখনো স্বপ্ন শুরু হয়নি)

    মাঝের দৃশ্যে:
    - বাস্তব হওয়ার মাত্রা = ০.১ (স্বপ্ন চলছে)
    - স্বপ্ন হওয়ার মাত্রা = ০.৯

    শেষ দৃশ্যে:
    - বাস্তব হওয়ার মাত্রা = ০.৯ (ঘুম ভাঙল)
    - স্বপ্ন হওয়ার মাত্রা = ০.১

    কিন্তু বেড়ালটা শেষেও আছে — তাই বাস্তব-স্বপ্নের মাত্রা পুরোপুরি ০ বা ১ হয় না। সবসময় ফাজি থাকে।

     হাস্যরসের ফাজি বিশ্লেষণ

    গল্পের হাস্যরস অসাধারণ। কিন্তু এই হাস্যরসের মাত্রা কত?

    প্রতিটি দৃশ্যের জন্য হাস্যরসের মাত্রা বের করি:
    - কাক্কেশ্বরের হিসেব: ০.৯
    - ছাগলের বক্তৃতা: ০.৮
    - হিজিবিজবিজের হাসি: ০.৭
    - উধো-বুধোর লড়াই: ০.৮
    - আদালতের দৃশ্য: ১.০
    - শেষে মামার বকুনি: ০.৬

    পুরো গল্পের হাস্যরসের মাত্রা = গড়ে ০.৮ (অর্থাৎ 'বেশ হাস্যকর')।

    কিন্তু গল্পের গভীরতা আছে কি?
    - গভীরতা থাকার মাত্রা = ০.৯
    - শুধু হাসি থাকার মাত্রা = ০.৩

    ফাজি লজিক বলে — একইসঙ্গে গভীর আর হাস্যকর হওয়া সম্ভব। আর এটাই 'হ য ব র ল'-এর সাফল্য।

     অধ্যায় ১১: তুলনা — এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড বনাম হ য ব র ল

    গল্পটাকে প্রায়ই 'এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড'-এর সঙ্গে তুলনা করা হয় ।

    ফাজি তুলনা:

    | দিক | এলিস | হ য ব র ল |
    |------|------|-----------|
    | অ্যাবসার্ডিটি | ০.৯ | ০.৯ |
    | শিশুর দৃষ্টিকোণ | ০.৮ | ১.০ (এখানে শিশুই নায়ক) |
    | বড়দের ব্যঙ্গ | ০.৭ | ০.৯ |
    | বাংলা ভাষার খেলা | ০.০ | ১.০ |
    | চরিত্রের ফাজিনেস | ০.৮ | ১.০ |
    | স্থানীয় রসবোধ | ০.৩ | ১.০ |

    ফলাফল: হ য ব র ল বাংলা ভাষার এক অনন্য ফাজি মাস্টারপিস — যা পশ্চিমা অ্যাবসার্ডিটির সমতুল্য, কিন্তু সম্পূর্ণ নিজস্ব।

    গেছোদাদা — সর্বোচ্চ ফাজি চরিত্র

    গল্পে সবচেয়ে ফাজি চরিত্র হলো গেছোদাদা। তাকে আমরা কখনো দেখি না, শুধু শুনি । সে আছে নাকি নেই, কে জানে!

    গেছোদাদার ফাজি প্রোফাইল:
    - অস্তিত্ব থাকার মাত্রা = ০.২ (হতে পারে)
    - অস্তিত্ব না থাকার মাত্রা = ০.৮ (হতে পারে)
    - গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার মাত্রা = ১.০ (সবাই তাকে নিয়ে কথা বলে)
    - দেখা যাওয়ার মাত্রা = ০.০

    গেছোদাদা আসলে ফাজি সেটের প্রতীক — যা নেই, কিন্তু আছে। যে জিনিস আমরা সংজ্ঞায়িত করতে পারি না, কিন্তু তার প্রভাব আমরা অনুভব করি।

    শেষ দৃশ্য — ফাজি সমাপ্তি

    গল্প শেষ হয় মামার বকুনিতে। মামা বলছেন, "তোরা সব বাজে কথা বলিস। এই 'হ য ব র ল' কী জিনিস?"

    এই শেষ দৃশ্যের ফাজি বিশ্লেষণ:
    - গল্পের সমাপ্তি 'নির্দিষ্ট' হওয়ার মাত্রা = ০.৩
    - 'অনির্দিষ্ট' হওয়ার মাত্রা = ০.৮
    - মামা 'ঠিক' বলছেন কিনা — সেটার মাত্রা = ০.৫ (তিনি তো বড়দের প্রতিনিধি)
    - মামা 'ভুল' বলছেন কিনা — সেটার মাত্রা = ০.৫ (গল্প তো পড়েই মজা পেলাম)

    গল্প শেষ হয় একটা ফাজি প্রশ্ন দিয়ে — যা পুরো গল্পকে আবার ঘুরিয়ে দেয় শুরুতে।

    পাঠকের অনুভূতি — ফাজি রেসপন্স

    গল্পটা পড়ে পাঠকের অনুভূতি কী?

    ফাজি লজিকে পাঠকের অনুভূতি:
    - আনন্দ পাওয়ার মাত্রা = ০.৯
    - বিভ্রান্ত হওয়ার মাত্রা = ০.৮
    - গভীরতা উপলব্ধির মাত্রা = ০.৭
    - কিছু না বুঝার মাত্রা = ০.৬
    - আবার পড়ার ইচ্ছার মাত্রা = ০.৯

    গল্পটা আসলে একটা ফাজি ফাংশন — ইনপুট হিসেবে নেয় পাঠকের সময়, আউটপুট দেয় অস্পষ্ট কিন্তু গভীর আনন্দ।

    — হ য ব র ল এক ফাজি মাস্টারপিস

    সুকুমার রায়ের 'হ য ব র ল' শুধু একটা গল্প না — এটা ফাজি ফিলোসফির এক জীবন্ত উদাহরণ। এখানে:

    - চরিত্রগুলো ফাজি — কেউ পুরোপুরি ভালো না, খারাপ না; বাস্তব না, কাল্পনিক না।
    - ঘটনাগুলো ফাজি — কারণ ছাড়া ঘটে, অর্থ ছাড়া এগোয়, কিন্তু শেষে অর্থ হয়ে দাঁড়ায়।
    - ভাষা ফাজি — স্পষ্ট আর অস্পষ্টের মাঝের সব রকম শব্দে ঠাসা।
    - গঠন ফাজি — শুরু আর শেষের মধ্যে সীমারেখা অস্পষ্ট।
    - অর্থ ফাজি — গল্পটার অর্থ কী, সেটা নির্ভর করে পাঠকের ওপর।

    সুকুমার রায় কোনো ফাজি লজিকের বই পড়েননি, কিন্তু তাঁর প্রতিভা তাকে এমন এক জগৎ তৈরি করতে সাহায্য করেছে, যেখানে ফাজি লজিকের সব সূত্র কাজ করে। এটাই সাহিত্যের শক্তি — যা বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা করা যায়, কিন্তু তার আগেই অনুভব করা যায়।"

    , "বুলিয়ান লজিক, ফাজি লজিক, সাহিত্য — সবই এক সুতোয় গাঁথা। আর সেই সুতোটা হলো মানুষের চিন্তা। , যে কোনো কিছুকেই ফাজি চোখে দেখা যায়। আর তখন সেটা কত মজার হয়ে ওঠে!"

    "হ য ব র ল" পড়তে গেলে আমাদের বুলিয়ান মস্তিষ্ক কাজ করে না। এখানে কোনো স্পষ্ট সত্য-মিথ্যা নেই, কোনো নির্দিষ্ট শুরু-শেষ নেই, কোনো কঠিন চরিত্রায়ণ নেই। সবকিছুই ফাজি — অস্পষ্ট, ঝাপসা, কিন্তু অসাধারণভাবে অর্থপূর্ণ।

    ফাজি লজিকের ভাষায় বললে — 'হ য ব র ল'-এর সাফল্যের মাত্রা = ১.০। এটি বাংলা সাহিত্যের এক ফাজি রত্ন, যা যুগ যুগ ধরে পাঠকদের হাসাবে, ভাবাবে, আর অস্পষ্টতার মাঝে স্পষ্টতার সন্ধান দেবে।

    পৃথিবীর সবকিছুই ফাজি — শুধু আমরা বুলিয়ান চশমা পরে আছি।
     
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৫৮548556
  • জানিনা তবে টাকা দিয়ে এই বই টা  কিনতে হবে ,  না না ঠিকহবে না আর yt সেটআপ আমার নেই। 
  • . | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৪৩548555
  • কেন?
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:২৭548554
  • না এর কোনো ব্যাকআপ ও রাখবো না বই হিসাবে কোনোদিন বের হবে না .. শুধু খেরোর খাতা হয়েইথাকবে। 
  • . | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:২৪548553
  • গল্পের মাধ‍্যমে চমৎকার করে বুঝিয়েছেন।
    ইস্কুলের বাচ্চারা অতি সহজেই শিখতে পারবে যদি এটা বই হয়ে বের হয়।
    কিংবা ইউটিউবে যদি প্রত‍্যেক চ‍্যাপটারের জন‍্য ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে তো কথাই নেই।
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৫৫548552
  • আমি পরের লেখার পুরো খসড়া দিলাম যে কেউ  যোগ দিতে পারেন। 
     
    ফাজি লজিক: রাজার নতুন শিক্ষানীতি

     অধ্যায় ১: ফাজি লজিক কী? — লিলির গরম-ঠাণ্ডার গল্প

    গল্প শুরু হয় লিলির চায়ের কাপ নিয়ে। লিলি চা খেতে চায়। সে মাকে বলল, "মা, আমি এক কাপ চা খাব, কিন্তু খুব গরম না, আবার খুব ঠাণ্ডাও না — ঠিক মাঝারি গরম।"

    মা বললেন, "এই 'মাঝারি গরম' কথাটাই হলো ফাজি লজিকের শুরু। বুলিয়ান লজিকে হয় গরম (১) না হয় ঠাণ্ডা (০)। কিন্তু ফাজি লজিকে মাঝারি গরমও আছে — ০.৫, ০.৬, ০.৭ — যেকোনো মান হতে পারে।"

    লিলি বলল, "মানে শুধু সত্যি-মিথ্যা না, মাঝখানের কথাও বলা যায়?"

    মা বললেন, "ঠিক। ফাজি লজিকে যেকোনো মান ০ থেকে ১-এর মধ্যে হতে পারে। ০ মানে পুরোপুরি মিথ্যা, ১ মানে পুরোপুরি সত্যি, আর মাঝখানের মানগুলো আংশিক সত্যি।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি লজিক হলো অস্পষ্ট জিনিস বোঝার গণিত। এখানে 'একটু', 'বেশি', 'খুব', 'সামান্য' — এসব কথা গুরুত্ব পায়।

     অধ্যায় ২: ফাজি সেট — লিলির বন্ধুত্বের মাত্রা

    লিলির অনেক বন্ধু। কিছু বন্ধু খুব ঘনিষ্ঠ, কিছু মাঝারি, আর কিছু শুধু পরিচিত। বুলিয়ান সেটে 'বন্ধু' মানে হয় বন্ধু (১) না হয় বন্ধু না (০)। কিন্তু ফাজি সেটে প্রত্যেক বন্ধুর একটা মাত্রা থাকতে পারে।

    লিলি তার বন্ধুদের জন্য একটা ফাজি সেট বানাল:
    - রিয়া: খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু → ১.০
    - মিতা: ভালো বন্ধু → ০.৮
    - সুমি: মাঝারি বন্ধু → ০.৫
    - তিথি: সামান্য পরিচিত → ০.২
    - নিশা: শুধু নাম চেনে → ০.১

    মিমি বলল, "তাহলে ফাজি সেটে প্রত্যেক উপাদানের একটা করে মান থাকে, কতটুকু সে সেটের মধ্যে আছে, সেটা বোঝায়?"

    মা বললেন, "ঠিক। একে বলে মেম্বারশিপ ডিগ্রি।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি সেট হলো এমন সেট যেখানে প্রত্যেক উপাদানের একটা মাত্রা থাকে ০ থেকে ১-এর মধ্যে।

     অধ্যায় ৩: মেম্বারশিপ ফাংশন — লিলির উচ্চতা মাপা

    লিলি তার উচ্চতা মাপতে চায়। সে জানে, 'লম্বা' একটা অস্পষ্ট ধারণা। কারও কাছে ১৫০ সেমি লম্বা, কারও কাছে ১৬০ সেমি ছোট।

    লিলি একটা মেম্বারশিপ ফাংশন বানাল:
    - ১৪০ সেমি → ০.০ (একদম লম্বা না)
    - ১৫০ সেমি → ০.৩ (একটু লম্বা)
    - ১৬০ সেমি → ০.৬ (মাঝারি লম্বা)
    - ১৭০ সেমি → ০.৯ (বেশ লম্বা)
    - ১৮০ সেমি → ১.০ (পুরোপুরি লম্বা)

    মিমি বলল, "এটাকে গ্রাফ আঁকলে কেমন হয়?"

    মা বললেন, "এটা একটা ঢালু রেখা হবে। এই রেখাটাই মেম্বারশিপ ফাংশন।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, মেম্বারশিপ ফাংশন হলো সেই ফর্মুলা যা বলে দেয়, একটা ইনপুটের জন্য আউটপুট কত হবে (০ থেকে ১-এর মধ্যে)।

     অধ্যায় ৪: লিঙ্গুইস্টিক ভেরিয়েবল — লিলির পাখার গতি

    লিলির ঘরে একটা পাখা আছে। সে পাখার গতি বোঝাতে 'ধীর', 'মাঝারি', 'দ্রুত' শব্দগুলো ব্যবহার করে। এই শব্দগুলোকে বলে লিঙ্গুইস্টিক ভেরিয়েবল।

    পাখার গতি:
    - ধীর: ০-২০ আরপিএম
    - মাঝারি: ১৫-৩৫ আরপিএম
    - দ্রুত: ৩০-৫০ আরপিএম

    লক্ষ্য করো, এদের মধ্যে ওভারল্যাপ আছে। ২৫ আরপিএম একটু ধীরও, আবার একটু মাঝারিও। এই ওভারল্যাপই ফাজি লজিকের প্রাণ।

    মিমি বলল, "মানে একই জিনিস একাধিক ক্যাটেগরিতে পড়তে পারে?"

    মা বললেন, "হ্যাঁ। বাস্তব জীবনেও তাই হয়।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, লিঙ্গুইস্টিক ভেরিয়েবল হলো এমন চলক যার মান শব্দ (যেমন 'ধীর') এবং তার একটা মেম্বারশিপ ফাংশন থাকে।

     অধ্যায় ৫: ফাজি অপারেটর — AND, OR, NOT-এর ফাজি রূপ

    বুলিয়ান লজিকে আমরা AND, OR, NOT শিখেছি। ফাজি লজিকেও এগুলো আছে, কিন্তু একটু আলাদাভাবে কাজ করে।

    লিলির চা খাওয়ার শর্ত:
    - চা গরম হতে হবে (A)
    - চায়ে দুধ থাকতে হবে (B)

    বুলিয়ান AND: A ∧ B = min(A, B)
    ফাজি AND-এ আমরা দুটো মানের মধ্যে ছোটটা নিই।

    যদি A = ০.৭ (একটু গরম) আর B = ০.৮ (একটু দুধ), তাহলে A AND B = min(০.৭, ০.৮) = ০.৭

    ফাজি OR: A ∨ B = max(A, B) — দুটোর মধ্যে বড়টা
    ফাজি NOT: ¬A = 1 - A

    মিমি বলল, "এটা তো সহজ! ছোটটা AND, বড়টা OR, আর ১ থেকে বিয়োগ NOT!"

    মা বললেন, "ঠিক। এগুলোই ফাজি লজিকের মৌলিক অপারেটর।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি AND, OR, NOT কীভাবে কাজ করে।

     অধ্যায় ৬: ফাজি নিয়ম — যদি-তবে ফাজি হয়

    বুলিয়ান লজিকে যদি-তবে নিয়মগুলো খুব কড়া হয়। ফাজি লজিকে সেগুলো নমনীয় হয়।

    লিলির নিয়ম: "যদি চা খুব গরম হয়, তাহলে একটু ঠাণ্ডা করো।"

    এখানে 'খুব গরম' আর 'একটু ঠাণ্ডা' — দুটোই ফাজি ধারণা। এই নিয়মটা ফাজি ইনফারেন্সে ব্যবহার করা হয়।

    ফাজি নিয়ম লেখা হয়: IF (চা গরম) THEN (ঠাণ্ডা করো)

    মিমি বলল, "মানে ইনপুট ফাজি হলে আউটপুটও ফাজি হয়?"

    মা বললেন, "হ্যাঁ। এভাবেই ফাজি কন্ট্রোলার কাজ করে।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি নিয়ম কীভাবে লেখে আর কীভাবে সেগুলো কাজ করে।

     অধ্যায় ৭: ফাজি ইনফারেন্স — লিলির চা তৈরির মেশিন

    লিলি একটা ফাজি চা তৈরির মেশিন বানাতে চায়। মেশিনের নিয়মগুলো:
    ১. যদি চা খুব গরম হয়, তাহলে ঠাণ্ডা করো বেশি।
    ২. যদি চা একটু গরম হয়, তাহলে ঠাণ্ডা করো একটু।
    ৩. যদি চা ঠাণ্ডা হয়, তাহলে গরম করো বেশি।

    এখন ইনপুট যদি 'একটু গরম' হয় (০.৬), তাহলে সবগুলো নিয়মের আউটপুট হিসেব করে, তারপর সেগুলো কম্বাইন করে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই প্রক্রিয়ার নাম ফাজি ইনফারেন্স।

    মিমি বলল, "এটা একটু জটিল মনে হচ্ছে।"

    মা বললেন, "হ্যাঁ, কিন্তু ধাপে ধাপে করলে সহজ। প্রথমে প্রতিটি নিয়মের আউটপুট বের করো, তারপর সেগুলোর মধ্যে OR (max) করে একটা আউটপুট বের করো।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি ইনফারেন্সের ধাপগুলো।

     অধ্যায় ৮: ডিফাজিফিকেশন — ফাজি থেকে স্পষ্ট মানে রূপান্তর

    ফাজি ইনফারেন্সের পর আমরা একটা ফাজি আউটপুট পাই, যেমন 'একটু ঠাণ্ডা করো'। কিন্তু বাস্তবে মেশিনকে একটা স্পষ্ট মান দিতে হয় — যেমন "১০ সেকেন্ড ঠাণ্ডা করো"।

    এই প্রক্রিয়ার নাম ডিফাজিফিকেশন। অনেক পদ্ধতি আছে, যেমন সেন্ট্রয়েড মেথড — ফাজি সেটের ভারসাম্যের বিন্দু বের করা।

    লিলি বলল, "মানে ফাজি সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটাকে বাস্তব সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়?"

    মা বললেন, "ঠিক। মেশিন তো ফাজি মান বুঝতে পারে না, ওকে স্পষ্ট কমান্ড দিতে হয়।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ডিফাজিফিকেশন কী আর কীভাবে কাজ করে।

     অধ্যায় ৯: ফাজি কন্ট্রোলার — লিলির ফ্যান কন্ট্রোল

    লিলি তার ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটা ফাজি কন্ট্রোলার বানাতে চায়। ফ্যানের গতি নির্ভর করবে ঘরের তাপমাত্রা আর আর্দ্রতার ওপর।

    ইনপুট: তাপমাত্রা (ঠাণ্ডা, আরামদায়ক, গরম) আর আর্দ্রতা (শুকনো, আরামদায়ক, স্যাঁতসেঁতে)
    আউটপুট: ফ্যানের গতি (বন্ধ, ধীর, মাঝারি, দ্রুত)

    নিয়মের উদাহরণ:
    - যদি তাপমাত্রা গরম হয় আর আর্দ্রতা স্যাঁতসেঁতে হয়, তাহলে ফ্যান দ্রুত চালাও।
    - যদি তাপমাত্রা ঠাণ্ডা হয়, তাহলে ফ্যান বন্ধ করো।

    মিমি বলল, "এটা তো খুব ইম্পরট্যান্ট! আমাদের বাড়িতেও ফ্যান এরকম কাজ করলে ভালো হয়!"

    মা বললেন, "হ্যাঁ। এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিনে ফাজি কন্ট্রোলার ব্যবহার করা হয়।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি কন্ট্রোলার ডিজাইন করার মূল ধাপগুলো।

     অধ্যায় ১০: ফাজি লজিক বনাম বুলিয়ান লজিক — পার্থক্য বুঝি

    লিলি আর মিমি এখন দুই ধরনের লজিক জানে। তাদের পার্থক্য বুঝতে মা একটা ছক বানালেন:

    | বিষয় | বুলিয়ান লজিক | ফাজি লজিক |
    |------|--------------|-----------|
    | মান | শুধু ০ আর ১ | ০ থেকে ১-এর যেকোনো মান |
    | সত্যতা | সম্পূর্ণ সত্য বা মিথ্যা | আংশিক সত্য |
    | AND | min(০,১) | min(০.৩,০.৭) |
    | OR | max(০,১) | max(০.৩,০.৭) |
    | NOT | ১-০ বা ০-১ | ১ - মান |
    | ব্যবহার | ডিজিটাল সার্কিট, কম্পিউটার | কন্ট্রোল সিস্টেম, প্যাটার্ন রিকগনিশন |

    লিলি বলল, "বুলিয়ান লজিক কঠিন সিদ্ধান্তের জন্য, আর ফাজি লজিক নমনীয় সিদ্ধান্তের জন্য?"

    মা বললেন, "ঠিক। দুই জায়গায় দুই ধরনের লজিক লাগে।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি আর বুলিয়ান লজিকের মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো।

     অধ্যায় ১১: ফাজি লজিকের বাস্তব ব্যবহার — ১

    ফাজি লজিক শুধু বইয়ের কথা না, এর অনেক বাস্তব ব্যবহার আছে। মা তাদের কয়েকটা উদাহরণ দিলেন:

    ১. ওয়াশিং মেশিন: কাপড় কত নোংরা, কতটা তেলতেলে, তার ওপর ভিত্তি করে পানি আর সাবানের পরিমাণ ঠিক করে। এখানে 'নোংরা' আর 'তেলতেলে' ফাজি ধারণা।

    ২. ক্যামেরা: আলো কেমন, দৃশ্য কতটা দূরে, তার ওপর ভিত্তি করে ফোকাস আর শাটার স্পিড ঠিক করে। 'ভালো আলো', 'দূরের দৃশ্য' — এসব ফাজি।

    ৩. মেট্রো ট্রেন: ট্রেন কখন থামবে, কখন ছাড়বে, তা ঠিক করতে ফাজি লজিক ব্যবহার হয়। যাত্রীদের আরাম আর গতির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে।

    মিমি বলল, "আমরা তো প্রতিদিনই ফাজি লজিক ব্যবহার করি, জানতামই না!"

    মা বললেন, "হ্যাঁ। আমাদের মস্তিষ্কও ফাজি লজিকের মতো কাজ করে।"

    এই অধ্যায়ে আমরা শিখব, ফাজি লজিকের কিছু বাস্তব ব্যবহার।

     অধ্যায় ১২: ফাজি লজিকের বাস্তব ব্যবহার — ২

    আরও কিছু উদাহরণ:

    ৪. লিফট কন্ট্রোল: কত লোক দাঁড়িয়ে, কতজন আসবে, তা না জেনেই লিফট ঠিক করে কোন তলায় থামবে। এটা ফাজি লজিকের সাহায্যে হয়।

    ৫. ট্রাফিক সিগন্যাল: কতগুলো গাড়ি আছে, কোন দিকে বেশি, তার ওপর ভিত্তি করে সিগন্যালের সময় বদলায়। 'অনেক গাড়ি', 'কম গাড়ি' — ফাজি ধারণা।

    ৬. হিটিং সিস্টেম: ঘরের তাপমাত্রা কত, বাইরের তাপমাত্রা কত, কত তাড়াতাড়ি গরম করতে হবে — এসব ফাজি নিয়মে ঠিক হয়।

    ৭. রোবট কন্ট্রোল: রোবটকে দেয়াল থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হয় — 'একটু দূরে', 'বেশি কাছে' — এগুলো ফাজি।

    লিলি বলল, "আমি এখন থেকে সব জায়গায় ফাজি লজিক খুঁজব!"

    এই অধ্যায়ে আমরা আরও কিছু বাস্তব ব্যবহার দেখব।

     অধ্যায় ১৩: ফাজি লজিকের সুবিধা আর অসুবিধা

    প্রতিটি জিনিসের যেমন সুবিধা আছে, তেমন অসুবিধাও আছে। ফাজি লজিকের ক্ষেত্রেও তাই।

    সুবিধা:
    - বাস্তব জগতের অস্পষ্টতা সামলাতে পারে
    - গাণিতিক মডেল দরকার হয় না, বিশেষজ্ঞের জ্ঞান সরাসরি ব্যবহার করা যায়
    - সহজে বুঝতে পারা যায়, কারণ ভাষার কাছাকাছি
    - অনেক জটিল সিস্টেম সহজে কন্ট্রোল করা যায়

    অসুবিধা:
    - সবসময় সঠিক ফল দেয় না, আনুমানিক হয়
    - অনেক নিয়ম থাকলে সিস্টেম জটিল হয়ে যায়
    - ডিফাজিফিকেশন পদ্ধতি ঠিক না হলে ভুল হতে পারে
    - কিছু ক্ষেত্রে ক্লাসিক্যাল কন্ট্রোলার ভালো কাজ করে

    মিমি বলল, "কোনটা ভালো, সেটা নির্ভর করে কাজের ওপর?"

    মা বললেন, "ঠিক। কোন সরঞ্জামটা কোন কাজে লাগবে, সেটা জানাটাই আসল বুদ্ধি।"

    এই অধ্যায়ে আমরা ফাজি লজিকের সুবিধা অসুবিধা বুঝব।

     অধ্যায় ১৪: লিলির ফাজি প্রজেক্ট — নিজেরা কিছু বানাই

    লিলি আর মিমি ঠিক করল, তারা নিজেরা একটা ফাজি সিস্টেম ডিজাইন করবে। তারা বানাবে একটা অটোমেটিক লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম।

    ইনপুট ভেরিয়েবল:
    - ঘরের আলোর তীব্রতা (অন্ধকার, মাঝারি, উজ্জ্বল)
    - সময় (সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা, রাত)

    আউটপুট: লাইটের উজ্জ্বলতা (বন্ধ, মৃদু, মাঝারি, পূর্ণ)

    নিয়মের উদাহরণ:
    - যদি ঘর অন্ধকার হয় আর সময় সন্ধ্যা হয়, তাহলে লাইট পূর্ণ উজ্জ্বল করো।
    - যদি ঘর উজ্জ্বল হয় আর সময় দুপুর হয়, তাহলে লাইট বন্ধ করো।
    - যদি ঘর মাঝারি হয় আর সময় সকাল হয়, তাহলে লাইট মৃদু করো।

    তারা মেম্বারশিপ ফাংশন বানাল, নিয়ম বানাল, আর একটা ছোট সিমুলেশন করল।

    মা বললেন, "বাহ! তোরা এখন ফাজি ইঞ্জিনিয়ার!"

    এই অধ্যায়ে আমরা নিজেরা একটা ছোট ফাজি সিস্টেম ডিজাইন করব।

     অধ্যায় ১৫: ফাজি লজিকের ভবিষ্যৎ — লিলির স্বপ্ন

    লিলি ভাবছে, ভবিষ্যতে ফাজি লজিক কোথায় কোথায় কাজে লাগতে পারে।

    আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ফাজি লজিক খুব গুরুত্বপূর্ণ। মেশিন লার্নিং, প্যাটার্ন রিকগনিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং — সব জায়গায় ফাজি ধারণা দরকার।

    সে স্বপ্ন দেখে, একদিন সে এমন একটা রোবট বানাবে, যে মানুষের আবেগ বুঝতে পারবে — একটু দুঃখী, একটু খুশি, একটু রাগি — এই ফাজি আবেগগুলো চিনবে আর সেভাবে সাড়া দেবে।

    মিমি বলল, "সেই রোবটটা আমাদের সত্যিকারের বন্ধু হবে!"

    মা বললেন, "হ্যাঁ। আর সেই রোবট বানানোর ভিত্তি হবে ফাজি লজিক, "

    এই অধ্যায়ে আমরা ফাজি লজিকের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ভাবব।

     শেষ কথা

    লিলি আর মিমি এখন ফাজি লজিকের ওস্তাদ। তারা বুঝতে পেরেছে, পৃথিবীটা সবসময় সাদা-কালো না — অনেক ধূসর জায়গাও আছে। আর সেই ধূসর জায়গাগুলো বোঝার জন্যই ফাজি লজিক।

    তোমরাও যদি ফাজি লজিক শিখতে চাও, মনে রেখো, পৃথিবীটা শুধু ০ আর ১-এর না — ০.৫-ও অনেক জায়গায় আছে।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৫৪548551
  • কিছুদিন আগেই যাদবপুরে ইউনির মধ্যে একটা লিটল ম্যাগ মেলা হয়ে গেল।
     
  • r2h | 134.238.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৫০548550
  • মানালি, এ তো ভালো কথা না। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়েই তো নানা রকম মহোৎসব হয়, খবর রাখবেন সেখানে কবে বইমেলা হচ্ছে, গুরুই চলে যাবে খ'ন। গুরুর ঠেকের নিকট আপনি যাইতে না পারিলে গুরুর ঠেকই আপনার নিকট যাইবে। এ আর এমন কী কথা।
  • r2h | 134.238.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৪৮548549
  • আমাকেই বলছে, না? কী বদ সব হয়েছে লোকজন।
  • &/ | 107.77.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৩৮548548
  • হুতেন্দ্র , আপনাকেই  হুতাশ  বলেছে  নাটকে , আমি  তাড়াতাড়িতে  হুতাশন  পড়েছিলাম  :)
  • &/ | 107.77.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৩৫548547
  • কী  আপদ ! রুমালটা  ম্যাঁও  করে !!
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৩৫548546
  • থ্যাংক ইউ 
  • Manali Moulik | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৩৪548545
  • বাহ্ @albert banerjee আপনার উদ‍্যোগ শুনে খুব ভালো লাগলো। এগিয়ে যান।
     
    পাই, একমাত্র সন্তান হওয়ার এই এক প্রবলেম। আমার থার্ড সেম পর্যন্ত এইভাবে একটা চাপ ছিলো, এখন মোটামুটি নিজেই যাতায়াত করি। কিন্তু ওই নির্দিষ্ট বাসে যাওয়া আসা। আহলে দোষটা আমারই, কিছু প্রপারলি চিনি না সেভাবে তাই বাড়িতে সবাই worried আর কী !  আমি অতিমাত্রায় ল‍্যাবেন্ডিশ 
  • albert banerjee | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:২৩548544
  • Manali Moulik এবং সবাই কে ইটা আমার প্রায়াশ্চিত্ত বলতে পারেন। একদিন টাকার দম্ভে নিজে ইংরেজি তে পড়াশুনো করেছিতার হিসাবে পিত সম একব্যক্তিকে বলেছিম "না বুজলে ইংরেজি শিখে নিক"। কিন্তুআজমনে হয় ........... আমি যা পারছি বাচ্চা দের  জন্য করে যাচ্ছি . আর আমি মনে অনেকে  লেখায় অংশ গ্রহণ না করলে সেটা সমাপ্ত হয় না। এলেখার কোনো রাইট আমি দাবি করবো না দয়া করে আপনার লিখুন . আমিভুল লিখলে সেটা শুধরে আবার লিখুন। চলুন না বই গুলো ওই বাচ্চাদের জন্য বানাই যারা ইউনিভার্সিটি [প্রাইভেট ] টাকে দূর থেকে দেখে ......... তবে কুকুর কেত্তন এর কথা বললে এই বই গুলো সবার জন্য হোক ............ 
  • π | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:১৯548543
  • ভাল কথা, একটা ব্যাপারে অহৈতুকী কৌতূহল আছে। ঠিক হেতুহীনও নয়, মেয়েদের একা রাস্তাঘাটে বেরন নিয়ে আমার কিছু বক্তব্যও আছে, কর্মসূত্রেই। তো, প্রশ্নটা হল, যাদবপুরেও আপনাকে বাড়ি থেকেই নিয়ে যায়?  
    উত্তরটা না হলেও, মেয়েদের ব্যাপারে প্রশ্নটা থেকেই যায়। বাড়ি থেকে এত আতুপুতু নারীসুরক্ষার অনিশ্চয়তা থেকে, নাকি এটা পিতৃতান্ত্রিক সামাজিক নর্ম যে, মেয়েরা একটা বয়সের পর একা বেরবে না, মূলত পুং প্রহরী সমভিব্যাহার প্রয়োজনীয়?  
  • &/ | 151.14.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:১২548542
  • কেকে, সত্যিই তুমি থানকুনি দিয়ে থাই চিলি দিয়ে রান্না করলে? ঃ-)
  • π | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৫৫548541
    • Manali Moulik | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৫548507
    • বাঘাযতীন - বিজয়গড় ? ইসস্...গেলে হতো যে! তা এখন আর সম্ভব নয়।
    • Manali Moulik | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৭548516
    • চলবে তো পয়লা মার্চ অব্দি। যেকোনো দিন এলেই হল, চিন্তা কী?
       
      নিয়ে যাবে না বাড়ি থেকে....... crying
     
    এদুটো পরপর পরে ঘেঁটে গেলাম। কিম্বা কিছু মিস করেছি, তাই বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। আগে হলে বাড়ি থেকে নিয়ে যেত?  
     
  • একক | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪৮548540
  • @প্যালারাম 
     
    ঠিক ঠিক!  :) 
  • &/ | 151.14.***.*** | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪৪548539
  • বিদ্যাসাগরকে নিয়ে নতুন করে কী হল আবার?
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪৩548538
  • @রঞ্জনদা এবং কেকে
    পড়া ভাল হয়েছে জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ। বহু আগে ছেড়ে যাওয়া পথে চণ্ডালের আবার পথ চলা, গুরু-অভিলাষে। ইচ্ছে আছে কোনদিন আপনার/তোমার লেখাও পডার। আশা রাখি আপনার/তোমার শুভেচ্ছা আর গুরুর উৎসাহে সে ইচ্ছা পূর্ণ হবে। দেখা যাক।
  • Srimallar | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪৩548537
  • π | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪০548536
     
    laugh
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত