albert banerjee কে?
albert banerjee কী? (আমি পুরুষ পুরুষ পুরুষ আমি কাঁদি কাঁদি কাঁদি আমি কাঁদছি কাঁদছি কাঁদছি আমার কান্না কী? কান্না কান্না কান্না না না না আমার কান্না কান্না না আমার কান্না অন্য কিছু অন্য অন্য অন্য আমার কান্না যৌন যৌন যৌন আমার কান্না উত্তেজনা উত্তেজনা উত্তেজনা আমার কান্না রক্ত রক্ত রক্ত আমার কান্না শুক্র শুক্র শুক্র আমার কান্না লালা লালা লালা আমার কান্না ঘাম ঘাম ঘাম আমার কান্না মাংস মাংস মাংস আমার কান্না হাড় হাড় হাড় আমার কান্না মজ্জা মজ্জা মজ্জা আমার কান্না আত্মা আত্মা আত্মা আমার কান্না শূন্যতা শূন্যতা শূন্যতা আমি পুরুষ আমি কাঁদি আমি তার জন্য কাঁদি তার জন্য তার জন্য তার ... ...
বন। বন। বন। শাল। পিয়াল। কাঁঠাল। হিজল। জারুল। শিমুল। অশ্বত্থ। বট। বটের ঝুরি। ঝুরির নিচে শিয়াল। শিয়ালের চোখে আগুন। আগুন। আগুন। আগুন। সেই আগুন যুদ্ধের না। সেই আগুন ক্ষুধার। ক্ষুধা। ক্ষুধা। ক্ষুধা। শিয়াল বলে – আমি শিয়াল। আমি বনের। আমি মাংস খাই। আমি রক্ত খাই। কিন্তু আমি মানুষের রক্ত খাই না। কারণ মানুষের রক্ত বিষ। বিষ। বিষ। বিষ। মানুষ যুদ্ধ করে। মানুষ মারে। মানুষ কাটে। মানুষ পোড়ায়। মানুষ হাসে। হাসে। হাসে। কে হাসে? সে হাসে। সে। সে। সে। যে সিংহাসনে বসে। যে মুকুট পরে। যে কর নেয়। যে প্রজা মারে। যে বন্দর চালায়। যে বাণিজ্য করে। সে হাসে। আমাদের কাঁদায়। ... ...
মাঝি বলে। তার গলা ভাঙা। তার হাত ফাটা। তার পিঠে চাবুকের দাগ। দাগ। দাগ। দাগ। পুরনো দাগ। নতুন দাগ। কালচে দাগ। লাল দাগ। দাগের উপর দাগ। দাগের নিচে দাগ। দাগ। দাগ। দাগ। সে বসে আছে নদীর ধারে। নৌকা নেই। জাল নেই। দাঁড় নেই। শুধু আছে জল। জল। জল। আর সেই জলে তার প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব দেখে সে হাসে। হাসি? না। হাসি না। হাসি শুকিয়ে গেছে। কান্না? না। কান্না শুকিয়ে গেছে। শুধু শূন্যতা। শূন্যতা। শূন্যতা। সে বলে – আমি মাঝি ছিলাম। আমার নৌকা ছিল। আমার জাল ছিল। আমার নদী ছিল। আমার গান ছিল। নদীর গান। জলের গান। ঢেউয়ের গান। মাছের ... ...
কর। কর। কর। শব্দটা ছোট। শব্দটা তীক্ষ্ণ। শব্দটা ছুরির মতো। শব্দটা কাটে। শব্দটা কাটে বণিকের গলা। শব্দটা কাটে মাঝির হাত। শব্দটা কাটে শ্রমিকের পিঠ। শব্দটা কাটে ক্রেতার পেট। শব্দটা কাটে বিক্রেতার স্বপ্ন। শব্দটা কাটে জাহাজের পাল। শব্দটা কাটে গুদামের তালা। শব্দটা কাটে বন্দরের হিসাব। শব্দটা কাটে খাতার পাতা। শব্দটা কাটে। কাটে। কাটে। কর। কর। কর। কে দেয়? সবাই দেয়। কে নেয়? সে নেয়। সে। সে। সে। যে সিংহাসনে বসে। যে মুকুট পরে। যে রাক্ষস। যে দশ মাথা। যে দশ মুখ। যে দশ চোখ। যে দশ কান। যে দশ নাক। যে দশ জিভ। তার দশটি জিভ প্রত্যেকে বলে – আরও কর। ... ...
সে। ভাই। না। ভাই নয়। ভাই ছিল। ছিল। ছিল। এখন নেই। নেই। নেই। শুধু আছে। আছে। আছে। শুধু আছে সেই শব্দ। ভাই। ভাই। ভাই। শব্দটা জ্বলছে আমার জিভে। পুড়ছে আমার তালু। গলে যাচ্ছে আমার দাঁত। ঝরে পড়ছে আমার গলায়। ঢুকছে আমার পেটে। নেমে যাচ্ছে আমার অন্ত্রে। মিশে যাচ্ছে আমার রক্তে। রক্ত। রক্ত। রক্ত। রক্তে মিশে যাচ্ছে ভাই। ভাই মিশে যাচ্ছে রক্তে। রক্ত মিশে যাচ্ছে ভাইয়ে। ভাই রক্ত। রক্ত ভাই। এক। এক। এক। আমরা এক ছিলাম। না। আমরা এক ছিলাম না। আমরা দুই ছিলাম। দুই। দুই। দুই। দুই হাত। দুই পা। দুই চোখ। দুই কান। দুই নাক। দুই জিভ। দুই হৃদয়। ... ...
albert banerjee আঁতেল হতে পারলেননা। তাঁর পড়ার উপযুক্ত বইঃ বেল পাকলে ন্যড়ার কী ... ...
সে জানত না কী কারণে সে এই আবর্জনাগুলো লিখে ফেলছিল। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো,যখন সে এটা করছিল, ঠিক তখনই তার মনে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি স্মৃতি স্পষ্ট হয়ে উঠল, এতটাই যে তার প্রায় মনে হচ্ছিল সে স্মৃতিটা লিখেই ফেলবে। সে এখন বুঝতে পারল, এই অন্য ঘটনাটির কারণেই সে হঠাৎ করে আজ বাড়ি এসে ডায়েরিটা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।ঘটনাটা ঘটেছিল সেদিন সকালে মন্ত্রণালয়ে, যদি এত অস্পষ্ট কোনো ঘটনাকে আদৌ ঘটে থাকে বলা যায়।তখন প্রায় এগারোটা বাজে, এবং রেকর্ডস ডিপার্টমেন্টে, যেখানে উইনস্টন কাজ করত, তারা ‘টু মিনিটস হেট’-এর প্রস্তুতির জন্য কিউবিকলগুলো থেকে চেয়ারগুলো টেনে বের করে বড় টেলিস্ক্রিনের উল্টোদিকে হলের মাঝখানে জড়ো করছিল। উইনস্টন সবে মাঝের সারিগুলোর একটিতে নিজের জায়গায় বসছিল, ... ...
সে হেলান দিয়ে বসল। এক চরম অসহায়ত্বের অনুভূতি তাকে গ্রাস করেছিল। প্রথমত, সে নিশ্চিতভাবে জানত না। যে এটা ১৯৮৪ সাল। তারিখটা নিশ্চয়ই ওইরকমই হবে, কারণ সে মোটামুটি নিশ্চিত ছিল যে তার বয়স উনচল্লিশ,এবং তার বিশ্বাস ছিল যে তার জন্ম ১৯৪৪ বা ১৯৪৫ সালে; কিন্তু আজকাল এক-দুই বছরের মধ্যে কোনো তারিখ নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। হঠাৎ তার মনে প্রশ্ন জাগল, সে এই ডায়েরিটা কার জন্য লিখছে? ভবিষ্যতের জন্য, অনাগতদের জন্য। তার মনটা এক মুহূর্তের জন্য পাতার ওপর থাকা অনিশ্চিত তারিখটার চারপাশে ঘুরপাক খেল, এবং তারপর ‘নিউজস্পিক’ শব্দগুলোর ‘ডাবলথিঙ্ক’-এর সাথে সজোরে ধাক্কা খেল। প্রথমবারের মতো সে যা করতে শুরু করেছে তার বিশালতা তার কাছে স্পষ্ট হলো। ভবিষ্যতের সাথে কীভাবে যোগাযোগ ... ...
বলা হতো, মিনিস্ট্রি অফ ট্রুথ-এর মাটির উপরে তিন হাজার ঘর ছিল এবং নিচেও অনুরূপ শাখা-প্রশাখা ছিল। লন্ডন জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা একই রকম দেখতে ও আকারের মাত্র তিনটি ভবন ছিল।সেগুলো আশেপাশের স্থাপত্যকে এতটাই ম্লান করে দিয়েছিল যে, ভিক্টরি ম্যানশনসের ছাদ থেকে একই সাথে চারটি ভবনই দেখা যেত। এগুলো ছিল চারটি মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর, যেগুলোর মধ্যে সরকারের সমগ্র কাঠামো বিভক্ত ছিল। মিনিস্ট্রি অফ ট্রুথ, যা সংবাদ, বিনোদন, শিক্ষা এবং চারুকলা নিয়ে কাজ করত। মিনিস্ট্রি অফ পিস, যা যুদ্ধ নিয়ে কাজ করত। মিনিস্ট্রি অফ লাভ, যা আইন- শৃঙ্খলা বজায় রাখত। এবং মিনিস্ট্রি অফ প্লেন্টি, যা অর্থনৈতিক বিষয়াদির দায়িত্বে ছিল। নিউজস্পিকে তাদের নামগুলো ছিল: মিনিট্রু, মিনিপ্যাক্স, মিনিলাভ এবং মিনিপ্লেন্টি। মিনিস্ট্রি অফ লাভ ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। সেখানে কোনো জানালা ... ...
নিরপেক্ষতার মুখোশ ও অস্তিত্বের সঙ্কটপৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতের ৫০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী যেখানে প্রতিদিন তাদের কথা, মতামত ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সেই মেটা (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) কি সত্যিই একটি মুক্ত প্রাঙ্গণ? নাকি এটি ধীরে ধীরে একটি অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে গেছে? সাম্প্রতিক বছরগুলোর ঘটনাপ্রবাহ আমাদের সামনে একটি অস্বস্তিকর সত্যকে এনে দাঁড় করিয়েছে—মেটা আর কোনো নিরপেক্ষ মাধ্যম নয়; এটি ভারতের ক্ষমতাসীন শক্তির হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে।কিন্তু এই 'পুতুল' হওয়ার নাটকটি শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং এটি একটি গভীর অস্তিত্বিক আত্মপ্রবঞ্চনা। কোনো সত্তা যখন নিজের স্বাধীন ইচ্ছাকে অস্বীকার করে, যখন সে বলে 'আমার কোনো বিকল্প নেই'—অথচ প্রতিটি মুহূর্তে তার হাজারো বিকল্প থাকে—তখন সেই ... ...