এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • লুৎফুন ও জগতের সেকেলে প্রেমের খুঁটিনাটি- অরিত্র আহমেদ 

    Aritra Ahamed লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩৫ বার পঠিত
  • *
    আজকের দিনে কেউ আসবে না তুমি কুমকুম মেখেছো কিনা দেখতে!
    তোমার চুলে ফুল না ঝরা পাতা, মুখে হাসি না কান্না,
    আজকের দিনে তুষার পড়লে তোমাকে বাঁচাতে কেউ আসবে না!
    না প্রিয় কুকুর, না প্রেমিক, না পেটুক বিড়াল!
    আজকে শহর সবথেকে নিষ্ঠুর, বছরের নিষ্ঠুরতম দিন আজ,
    দুঃখ পেলে পাবে, মরলে মরবে, তোমার কান্না মিশে যাবে
    কার্জন হলের পুকুরে; আজকে দুপুরে জেনে নাও ভালোবাসা কাকে বলে,
    তোমার তুচ্ছ জীবনে এসেছে শিক্ষার দিন, শিক্ষার্থিনী, শেখো,
    আজকের দিনে কেউ আসবে না তুমি নববধূ হতে চাও কিনা জানতে!
    তোমার আঙুলে আজ কাটা ফুটুক, ব্যাথা দিক, কাল তুমি গোলাপের দিবাস্বপ্ন দেখো!

    *
    একটা ভীষণ চাঁদ গোল হয়ে উঠেছে আকাশে!
    একটা পাগল সূর্য ডুবে গেছে আলো-আঁধারিতে!
    এমন দুর্গত দিনে, এমন ভুবন কালো করে
    অন্ধকার এলে, বলো, চরাচরে কী থাকে তোমার?
    মানুষ, প্রেমিক, ফুল, বেখবর চাঁদ, পাখি, তারা?
    নাকি আলেয়া, অসূয়া আর ভাঙা কাচ, এক কাপ কফি?

    *
    কে আর তাকাতে পারে দেয়াল ফুঁড়ে?
    কে ভালোবাসতে পারে সব হারিয়ে?
    টিকিট হারিয়ে গেছে, কিন্তু সর্বহারা
    নাটক দেখবেই, নদী পার হবে সাঁতরে,
    সকালে চামচে চিনি না মেপে চা খাবে!
    বহুমূত্র হলে হবে, নশ্বর পৃথিবী!
    জীবন পেয়েছে জেনে জীবন দেখাবে
    গোপনে যে ভালোবাসে, তাকে ও নিজেকে!
    টিকিট হারিয়ে গেছে, কিন্তু বেদনার
    টিকির দেখাটি নেই- যে ভালোবেসেছে,
    তার কি বেদনা আছে? তেমন বেদনা,
    সবার যেমন থাকে, সবাই কি পারে
    তাকাতে দেয়াল ফুঁড়ে, সর্বস্ব ফুঁ দিয়ে
    উড়িয়ে দিনকে দিন ভালোবেসে যেতে?

    *
    এই কাঁচা সোনার নৌকো তোমার ভরা নদীতে ভিড়াবো না!
    বরং পলি পড়ুক তোমার বুকে, বরং মৌসুম শেষ হোক,
    আলোর অঙ্গারে পুড়ে পুড়ে দু'পাড় জুড়ে ফুল ফুটুক!
    এই ভালোবাসার জোয়ারে কাঁচা সোনার নৌকো ভিড়াবো না!

    কেবল কূলেই বাঁধা রবো, চরম শিকড় গড়বো ঘাটে,
    পারলে দু'দিক ভেঙে ছোটো, আমি তাকিয়ে দেখবো না!
    ঢের খেলেছি দিশাহীনের খেলা! চোরাস্রোতে জল খেয়েছি ডুবে!
    আমি নামেই মৌসুমী! ঝরে গেছে আমার বারো মাসের ফুল!

    বরং শান্ত হও, বরং জলে মাটিতে এক হয়ে যাও ত্বরা!
    আরো অপরূপ হোক পৃথিবী, আরো অদ্ভুত হোক জীবন!
    তোমার হৃদয় তৃপ্ত হোক, তোমার হাহাকার ফুরিয়ে নিক!
    এই কাঁচা সোনার নৌকো তোমার আড়ম্বরে ভিড়াবো না!

    *
    অন্ধ যে, ভুলেও সে কি সূর্যাস্তের সামনে দাঁড়াবে?
    কী দায় পড়েছে তার চোখ বুজে চির সোনালিতে
    ডুব দেবার? এ শুধু তোমার জন্য, এসো, বসো, দেখো,
    কার সোনা বেশি, ভাবো, অফুরান সূর্য না তোমার?
    তোমারও হৃদয়ে ওড়ে অন্ধকারে আলেয়ার সারি?
    আবার সূর্য উঠলে দুম করে কালকের সকালে
    অন্ধ যে, জীবনে তার আছে কি কোনোই সূর্যোদয়?
    এ শুধু তোমার জন্য, তুমি পাখি, মেঘ কেটে কেটে
    সূর্যের দেশেই উড়ে যাও, আনো মুঠি মুঠি সোনা!
    ঘেমে-নেয়ে একাকার মানুষের শূন্য সিন্দুক
    সোনায় প্লাবিত করো। অন্ধের মুঠোয় মুঠো দাও!
    আজব স্বর্ণকার, ভালোবেসে যে ব্যর্থ, তাকেই
    নিভৃতে লালন করো, মনে রেখো, হাজারো আলেয়া
    অন্ধকার এলে পর মানুষকে অন্ধ করে দেয়!

    *
    খামোখাই এই কথা বলে গেছে পূর্বপুরুষেরাঃ
    ‘পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর, তার কিছুই টেকে না!’
    এই যে অখ্যাত তুমি, এই যে আশ্চর্য ফুটে আছো
    লোকের অচেনা হয়ে, এর মানে কখনো জেনেছে কেউ?
    তুমিই কতটা জানো? খামোখাই বলেছে জ্ঞানীরাঃ
    ‘মানুষ যেমন, তার সৌন্দর্যও তেমনই গরল!’
    একবার যে জেনেছে পার্থিবার রূপের মহিমা,
    কী আর তফাত হয় তার কাছে জীবনে মরণে?
    বসো, ভাবো, তোমার নিজের কাছে প্রশ্ন করে দেখো,
    তুমি কি কেবল ছবি? কেবল মুখোশ? নাকি মায়া?
    এই জনমের দিনে সৌন্দর্যের অর্থ দাও, দাও!
    তোমাকে দেখেনি, তাই হতভাগ্য পূর্বপুরুষেরা
    জানেনি যে, তোমার মুখের দিকে নীরবে তাকালে
    জ্ঞানীর সকল জ্ঞান মনে হয় মিথ্যের বেসাতি!

    *
    খামোখাই সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে
    উন্মনা হয়ে দাঁড়াও প্রতিটা বার!
    অথৈ আবীরে মনের মাধুরী ভাসিয়ে
    স্মৃতিকেই করো আপন, নিজেকে পর!
    খামোখাই ভাঙা হৃদয় আবীরে রাঙিয়ে
    পথ চেয়ে থাকো। পুরনো ঘাটের সিঁড়িতে
    নতমস্তকে বয়ে যাও লাঞ্ছনা!
    আমরা তো কোনো প্রিয় পূর্ণিমা তিঁথিতে
    এ ঘাটে বসিনি; সূর্যের আনাগোনা
    দেখিনি কখনো! তাহলে সে কোন বারতা
    হৃদয়ে ঘটায় ফুলশয্যার রচনা?
    সূর্যাস্তের মোহন মরণশীলতা
    বুকে সুর তোলে, চির আনন্দ, উত্তাপ!
    খামোখাই তবে ভর করেছিলো জড়তা?

    *
    পাখিরা কিন্তু তোমাকে দেখেছে।
    তুমি হাঁটছিলে, ছাদের হাওয়ায়
    চুল উড়ছিলো, আকাশে তখন
    সূর্য ডুবছে, সূর্যের শোকে
    আকাশের মুখ কেঁদে কেঁদে লাল!

    ঠিক তক্ষুনি কে জানে কী দেখে
    তুমি হেসে হলে আত্মহারা!
    সেই হাসাহাসি দূর, দূর থেকে
    আকাশ দেখলো, পাখিরা দেখলো!

    তুমি ভাবো, তুমি নিছক রমণী,
    নিজের হাসির মূল্য জানো না!
    পাখিরা কিন্তু আরো বেশি ভাবে,
    যে-ই বুঝে গেলো, তুমি তো মানুষ;
    পাখিরা বললো, মানুষ হবে!

    *
    দাও, রোদ্দুরে ছবি তুলে দাও। ঘাটে রোদ আছে,
    সিঁড়ি ফাঁকা আছে, লেকে জল আছে, বন্ধুরা আছে,
    যাও, হাত ধোও, হাত থেকে মুছে ফেলো পঁচা কাদা,
    কুচো চিংড়িটা পরে ধরো। এসো, দেখো, জুঁইফুলে চুল সাজিয়েছি!
    মিহি রোদ্দুরে মিহি চুলে মায়া ফুলে ফুলে ফুলে, সুন্দর কিনা?
    সিঁড়িতেই বসি? সিঁড়িতেই ভালো ফোঁটে ছবি, হেসে ভরে মন!
    দাও, রোদ্দুর আছে, বন্ধুরা আছে, ছবি তুলে দাও! ছবি তুলে দাও!

    *
    কথা বলতে গেলে কথা বাঁধে।
    চোখ টাটায়; চোখ রাখি না চোখে।
    তুমি কি সূর্য? না ভূতের ছায়া?
    কথা বলতে গেলেই মুখে তালা!
    আড়ালে গেলে আপনা চাবি আসে!

    হঠাৎ বুকে ভয়, বিষম জ্বালা?
    ভালোবাসো? প্রমাণ কী তার, জানো?
    আলো এখন তোমার চোখে-মুখে;
    অন্ধকারে আমার চোরাচালান,
    কথার দাম ভালোই জানা আছে!

    কিন্তু ভালোবাসি, সন্দেহ কী!
    হাজার কথা বুকেই পড়ে আছে;
    সময় হোক, ঠিক সময় হলে,
    কথা বলবো; এখন তবে ফাঁকি!
    চোরা চোখের বাণিজ্যেই থাকি!

    *
    পাগল তার পাখি পেয়েছে, পোষা পাখি,
    তাতে তোমার এতো পুড়ছে কেনো?
    সে তো আর পাখিটার সাথে উড়ে যাচ্ছে না!
    বাচ্চা ছেলে তো কাঁচের গুটি গিলে খাচ্ছে না!
    তোমার এতো পুড়ছে কেনো? এ তো স্নেহ নয়!
    নাকি রক্তে হিংসা আছে, ডাকিনীর হিংসা?
    যে সুখ তোমার, শুধু তোমার কাছে পাওয়ার কথা,
    সে সুখ পাখির, কেনো পাখির কাছে পেতে হবে?

    *
    সব কথার ওই এক কথা, ভালোবাসা চাই!
    কে কতো বড়ো নক্ষত্র, কতো বড়ো রাজার গোলাম,
    কার গোলায় কতো ধান, কার গলায় কেমন সুর-
    এসব কিচ্ছু ভেবে কিচ্ছু হবে না; ঠেকে শেখো;
    সব কথার ওই এক কথা, ভালোবাসা চাই!
    এটা শেষ দান, বাঁচতে চাও তো ভালোবেসে বাঁচো!

    *
    যতো বড়ো সর্বহারাই হও না কেনো,
    টিকিট যদি হারায় তোমার, খবর আছে!
    তোমার মুখে ফুল ছুঁয়েছে ফুলের রেণু,
    তুমি এখন ফুল হয়েছো, গান হয়েছো,
    এমনি এমনি? কারণ তোমার টিকিট আছে!
    যতো বড়ো ধকলই থাক, শান্তি আছে!
    পায়ে হাঁটো কিংবা চড়ো যানবাহনে,
    আকাশ-পাতাল এক করছো? ভুল শিকড়ে
    জল ঢালো তো, ফুল হবে না! স্মরণ আছে?
    যতো বড়ো সর্বহারাই হও না কেনো,
    টিকিট যদি হারায় তোমার, খবর আছে!

    *
    আমাদের বুকে পাথর পেয়েছে
    প্রজাপতি হওয়ার সুযোগ;
    পাগল পেয়েছে অফুরান সান্ত্বনা,
    দুঃখ পেয়েছে শান্ত হওয়ার অবসর!

    আমাদের বুকে প্রেমিক পেয়েছে
    প্রেমিক হওয়ার সুযোগ;
    আয়না হয়েছে অবিকল মানুষ;
    মানুষ হয়েছে ফুল, পাখি, প্রেমিক!

    আমাদের বুকে ক্লান্তি হয়েছে
    অবসর, নদী হয়েছে তীর,
    ঘোর দুর্যোগের দিন শান্তি হয়ে গেছে,
    পিপাসা হঠাৎ নিজে জল হয়ে গেছে!

    *
    তফাত রেখে আয়না দেখো,
    আয়না তোমার স্পর্শ পেলে
    আয়না হয়ে রইবে না আর,
    তোমার মতো মানুষ হবে!
    মানুষ কি আর এক হতে চায়?

    দুঃসময়ে দুঃখ করো,
    যা স্বাভাবিক, ভুলো না তা।
    ভুলে তোমার ছোঁয়াচ পেলে
    দুঃখ নিজে শান্তি হবে!
    মানুষ কি আর নিখাদ শান্তি?

    তফাত রেখে বাগানে যাও,
    তোমার মতো নয় বলে যে
    ফুলের মনে প্রশান্তি নেই,
    ফুল তো তোমার স্পর্শ খোঁজে!
    মানুষ কি আর ফুলের মতো?

    *
    হলুদ জুতায়, তার সুতার জামায়,
    মুখের হাসিতে, দেয়ালের আয়নায়,
    ঝলক, ঝলক? সে কি ঝলকের বেশি?
    কল্যাণ? মাধুরী? মুক্তো? নাকি সে পাথর?
    নাকি সে নিষ্ঠুর আর নাকি সে অটুট?

    যদি সে পাথরও হয়, যদি সে নিষ্ঠুর,
    যদি সে ঝলকও হয়, কেবলই ঝলক,
    হলুদ জুতায়, তার সুতার জামায়,
    মুখের হাসিতে আর হাতের আয়নায়,
    সুর তো আছেই, খালি ধরলেই হয়!

    *
    ভালোবাসাকে ঝরে যেতে দাও, দাও পাতা বদলানোর ফুরসত,
    ভুলেও তাকে চিরসুখী গুল্ম হতে বাধ্য কোরো না,
    ভালোবাসাকে ভেসে যেতে দাও, ভাসিয়ে চলে যেতে দাও সীমাহীন,
    ভালোবেসে বরণ করে নাও দুর্যোগ, দুর্ভোগ, মৃত্যু, আগুনের উদগীরণ, লাভা!

    ভালোবাসাকে মূক হতে দাও, মুখরা হতে দাও, মুখচোরা হলে সহ্য করো,
    পাখি এক গান গায় না, বারবার গায় না, পুরনো কথার ঝুল
    পাখি সহ্য করে না, ভালোবাসাকে পাখি হতে দাও, পালক ঝরাতে দাও,
    ভালোবাসাকে জানালা দিয়ে সূর্য দেখিও না, বরং বাইরে বেরোতে বলো!

    ভালোবাসাকে ফুল ফোটাতে দাও, ভেঙে ফেলতে দাও ফুলদানি,
    সে যেনো মাটি হয়, হাওয়ার মতো বয়, সে যেনো ঝরে পড়ে
    বৃষ্টিধারা হয়ে, সে যেনো কিষাণের মতন নিংড়ায় বনের আগাছা দু'হাতে,
    ভালোবাসাকে কাগজের ফুল ছিঁড়তে বলো, মৌমাছি হতে বলো, মালী হতে বলো!

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন