এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আমরা একত্রে নারী হবো- অরিত্র আহমেদ 

    Aritra Ahamed লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৬ বার পঠিত
  • *
    আমি বাতিঘরে আছি। এখানে আ-মধ্যরাত
    বড়োলোকদের বই-পড়া দেখা যায়;
    অধ্যয়নরত কিছু খটকা দেখা যায়;
    বই পড়ার মতো করে কিচ্ছু না পড়ার কেরদানি
    দেখে চোখে পানি আসে; আহা, আহা,
    এভাবেও বই পড়া যায়?

    এখানে স্বয়ং ব্যাংক বই পড়ে মনোযোগ দিয়ে;
    এখানে সচিবালয় থেকে ক্লান্ত মহাপাতকেরা
    বই পড়তে আসেন সস্ত্রীক;
    এখানে ডলার ভেঙে বস্তাপঁচা আবর্জনা কেনে
    দেশসেরা ডাকাতের সমুজ্জ্বল বংশধরগণ।

    সচিবের মতো করে বই আমি পড়তে পারি না।
    সি.ই.ও.-র মতো করে বই আমি পড়তে পারি না।
    কদাচিৎ বাতিঘরে আসি, আর এসেই যখন এই
    নম্রভদ্র, ছাঁচে ঢালা বই পড়া দেখি,
    বড়োদের ঝলোমলো বইপড়া দেখি,
    ইচ্ছে হয়, আগুন লাগায়ে দিতে কোটিপতিধন্য বাতিঘরে:

    তাতেও কিছুটা যদি আলো পাওয়া যায়,
    যে আলোয় বড়োদের ছোটোলোকি ফাঁস হয়ে যাবে;
    বাঙলা ভাষা ঝেড়ে ফেলবে সব বুজরুকি;
    যে আলোয় চোর আর বড়োলোকে বেসামালভাবে চটিগল্প পড়তে পারে।

    *
    যখন তুমি কারো দু'টো চোখ উপড়ে নিচ্ছো,
    এবং সেখানে বসিয়ে দিচ্ছো নিজের টাটকা দু’টো চোখ;
    এবং নিজের জোড়া শূন্য কোটরে বসিয়ে নিচ্ছো
    দু’টো ফুলের মতো তার শিশিরভরা দু’টো চোখ,

    যাতে সে তোমার চোখ দিয়ে দেখতে পায় তোমার যন্ত্রণা,
    এবং তার চোখ দিয়ে তুমি দেখতে পাও তার যন্ত্রণা-

    ঠিক তখনই তোমাদের দু'জনের মাঝখানে
    একটা আয়না এসে দেয়ালের মতো দাঁড়ায়,
    আর ভণ্ডুল করে দেয় পুরো ব্যাপারটা;
    তখন তুমি তার চোখ দিয়েই দেখো নিজের মুখ, মুখোশ, মৃত্যু আর যন্ত্রণা;
    আর সে তোমার চোখ দিয়ে দেখে তার নিজের প্রাণ, কারাগার, শূন্যতা আর ভয়;
    তখন তুমি ফেরত পেতে চাও তোমার চোখ, সে-ও তারটা;

    কিন্তু ততক্ষণে বড্ড দেরী হয়ে গেছে;
    কারণ মাঝখানের দেয়ালটা চওড়া হতে হতে
    একসময় মহাবিশ্বকে ঢেকে ফেলে,
    আর তখন সারা বিশ্বেই শুধু তুমি, তুমি, তুমি, আর তোমার যন্ত্রণা!
    সে, সে, সে, আর তার কারাগার;
    আর নিজের প্রাণে নিজের মৃত্যু, নিজের কবর নিজে খোঁড়া, নিজেকে নিজে সম্মোহন, ভয়!

    *
    ঘিলুর মধ্যেও ভালো করে খুঁজলে কিছু উঁকুন পাওয়া যাবে,
    ঘিলুর রঙে রঙ, রক্তের মতো দেখতে
    ছারপোকা যেমন;

    এই উঁকুনগুলো চুল তো ভালোবাসেই,
    কিন্তু তার চেয়ে বেশি ভালোবাসে ঘিলু,
    মানে এমনিতে দিনভর চুলে চুলে বিচরণ করে বেড়াবার পর
    এদের ইচ্ছা হয় সত্যিকার কিছু মজা দেখতে,
    উদ্ভট ভাবে ভাবতে,

    এবং উদ্ভট ভাব তো ঘিলুতে গুলেমিশেই থাকে বলা যায়,
    পরিপাকে সহযোগী আঁশের মতন
    বিচিত্র অদ্ভুত রতি-কাকলি কাতুকুতু দেয় মগজে-
    উকুনেরা জানে, মজা আছে এইখানে,
    ফলে একবার ঢুকলে
    বেরোনোর নাম আর করে না,
    বেরোয়ও না;

    অতএব, ঘিলু ঝাঁকা দিলে টুপটাপ
    ঝরে পড়বে যে উকুনেরা,
    ওদের মেরে না ফেলাই শ্রেয়;
    কেননা বিষ ওরা খায়নি, শুধু কৌতুকটুকু নিয়েছে, কৌতুক হয়ে গেছে;

    ওরকম একটা উকুন মেরে ফেলা মানে চিরতরে কিছু কৌতুক
    শেষ করে দেওয়া।

    *
    হ্যাঁ, ঠিক, পাথর। কিন্তু পাথরেরও অভিজ্ঞান আছে।
    ডান পাশে কিংবা বাম পাশে
    হাত রাখো, সহজেই টের পেয়ে যাবে
    কতো ধানে কতো চাল, আনচান কতো বা কৌতুক!

    উদ্ভিদের অভ্যন্তরে বাঁচো।
    কিছু কিছু পাতা আছে তোমার আমার মতো,
    কিছু কিছু নেহাত ভণিতা;
    কেউ যদি চায়, তবে অবিকল পাতা হতে পারে।

    তোমার দোসর হবে ধবল সিন্দুক, ডানাভাঙা
    ক্যালেন্ডারের প্রিয় সংখ্যাগুলি আর মৃত্যুকামী
    দেয়ালের ব্যর্থ টিকটিকি; ওরা
    ঠিক কথাই বলে: তোমার দোসর হবে পাথুরে ফুলের অভিজ্ঞতা।

    *
    বড়ো বেশি তোমার দখলে চলে গেছি, তুমি
    আমার ক্ষয়িষ্ণু অস্থি, ব্যথিত স্নায়ুর চাপ,
    নাড়িভুঁড়ি, পেটের যন্ত্রণা, রক্ত, দীর্ঘ বিবমিষা;
    আমার চালক, বহুদিন তোমার অভাবে
    নিঃসঙ্গ স্বাস্থ্যের ভারে ন্যুব্জ হয়ে থেকেছি গোপনে;
    তোমাকে আকণ্ঠ গিলে, অথবা তোমার খাদ্য হয়ে
    যে বিষে জ্বলেছি, যে খোঁড়া পোঁকার মতো
    খুবলে খেয়েছি যন্ত্রণাকে, নিজেকে, তৃষ্ণাকে-
    সবকিছু তোমার দখলে ফিরে গেছে, তুমি
    ভেতরে বাইরে অতিকায়ভাবে ভরে আছো, স্বাস্থ্যে, স্বপ্নে,
    গন্ধে, ভ্রমণে, ব্যবসায়৷ আমি নিজের রক্তে
    তোমার আশ্চর্য পুঁজ দেখে আঁতকে উঠেছি, তোমার ফোঁড়ায়
    আমার দূষিত রক্তকণিকারা সাঁতার কাটছে,
    তুমি আছো, আমি আছি, নির্মমভাবে আছি, নিরর্থকভাবে
    ভরে আছি কয়েক টুকরো শূন্যতা, চিনি, সেই শূন্যতাকে,
    চিনি নিজের তৃষ্ণাকে, চিনি জোনাকির অত্যাচারে
    বিচলিত লালসাকে, চিনি আমাকে, মৃত্যুকে, শুধু
    সবকিছু যে তোমার অজ্ঞান দখলে চলে গেছে, তাকে,
    সেই তোমার রক্ত চিনি, পুঁজ চিনি- তোমাকে চিনি না!

    *
    আমার দিকে তাকিয়ে আছে ধ্বংস,
    চুনকালিমাখা, উদভ্রান্ত, মুরগির বাচ্চার মতো কোমল,
    দুবলো ঘাসের মতো এলোমেলো- পালাতে চাই, কিন্তু পারছি না;
    আমার বইপত্র আমাকে পাহারা দিচ্ছে, যেনো কুকুর;
    প্রেমের জালে ফাঁসাচ্ছে আয়না, দিনরাত সহ্য করছি আয়নার লাম্পট্য;
    এমনকি চিন্তাগুলো পর্যন্ত অত্যাচারী, মা-বাবার মতো শাসন করছে কারণে-অকারণে;
    লুকোতে চাইলে পারি না, কেননা সর্বক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে আছে মৃত্যু;
    মৃত্যুর অজস্র চোখে, অজস্র কানে আমি বন্দী, আমার যেকোনো ঠিকানা সে জানে;
    এবং যা কিছু আমি ভালোবাসি, যেমন, স্মৃতি, সূর্যাস্ত, অপরাধ, প্রার্থনা-
    সব গেছে মৃত্যুর কবজায়, এখন তারা মৃত্যুর কথাই শোনে;
    এখন আমি পালাতে গেলে আমাকে আটকাবে আমারই অন্তরঙ্গ বর্ণমালা-
    কেননা প্রতিটা বর্ণ আর প্রতিটা উচ্চারণ পালা করে পাহারা দিচ্ছে আমাকে,
    যেনো সময়মতো আমাকে জল্লাদের হাতে তুলে দেওয়া যায়-
    চুনকালিমাখা, অপদস্থ, বৈরী, মায়া বিড়ালের মতো আদুরে-
    বাঁচা ও মরা সমান পাপ- এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী;
    চরম শাস্তির অপেক্ষা করা ছাড়া এই মুহূর্তে করণীয় বিশেষ আমার নেই;
    পালাতে চাওয়ার ইচ্ছে আমার প্রাণ, তবু আমি পালাতে পারবো না, পালাতে পারবো না!

    *
    আমি কেনো ভয় পাবো, মজা নাকি?
    ভাষার কাপড় খুলে বেরিয়ে এসেছি স্বপ্নলোকে
    আমি, ক্রমশ গভীর থেকে অগাধ গভীরে, যেতে যেতে,
    ভয় পাবো? যাচ্ছেতাই? তারিয়ে তারিয়ে পাঁকা ফল,
    ভাষার কলিজা চিবিয়ে উদযাপন করেছি স্বপ্নকে,
    বাঁচার জন্য, মরার জন্য, কালক্ষেপণ করার জন্য,
    আমি তো নিজেকে ছাড়া কাউকে স্বপ্ন দেখিনি,
    তবে কেনো ভয় পাবো? মজা নাকি? ঠাট্টা-মশকরা?

    *
    আমরা একত্রে পশু হবো;
    জোয়ার-ভাটায় অব্যর্থ কচুরিপানার মতো
    জল থেকে জলে ভেসে যাবো, মরে যাবো, পুনর্জন্ম নেবো,

    নতুবা একত্রে খাবো বিষ কি অমৃত!

    যে কেবল চলে যেতে চায়, তার সঙ্গে বনিবনা নেই।
    যে কেবল আসতে চায়, তার মুখ দু'চোখে দেখবো না।
    যে কেবল হতে চায়, তার সঙ্গে চিরতরে আড়ি।

    তাবৎ জলে ও ঘাটে বিচিত্র ভ্রমণ সেরে
    আমরা স্তন্যপায়ী থেকে পাখি, সরীসৃপ থেকে গুল্ম হবো!
    আমরা একত্রে নারী হবো।

    *
    প্রভূত ব্যাথায় নীল হয়ে আছে প্রকৃতির মুখ;
    মাঝেমাঝে দেখা হয়, কথা বলি, প্রত্যুত্তরে সে-ও
    কথা বলে, ইনিয়েবিনিয়ে, বলে, বেশ আছি, বেঁচেবর্তে আছি;
    শুনে চুপ থাকি, ভালোবাসি বলে বিবাদ করি না।

    কিন্তু আমি সাক্ষী তার উরুভঙ্গ, আত্মহননের;
    সে যে কবে উলঙ্গ পালিয়ে গেছে দিক থেকে দিকশূন্যতায়,
    আর কবে যে নিতম্বে তার বিঁধে গেছে প্রকাণ্ড ত্রিশূল,
    আমি সব জানি, তবু চুপ থাকি, বিবাদ করি না।

    একটি আয়না আছে, আমি তাকে প্রকৃতি জেনেই
    সুখ পাই, তার সামনে নত নই, তাকে নগ্ন করে দেখি,
    স্বপ্নে, বিস্বপ্নে, আমি কথা বলি, সে-ও কথা বলে;
    সবই জোচ্চুরি, তবু ভালোবাসি, বিবাদ করি না।

    *
    শুধু হীনতার মধ্যে জেগে আছি আমি।

    আসল দরজা ভেঙে নকল অন্দরে ঢুকে পড়ি;
    নকল জানালা খুলে আসল প্রান্তরে চলে যাই-
    পাকা ইঁদুর যেমন তাড়া খেয়ে মধ্যরাত্রে,
    ঠাঁই নেয় বিচালির খসখসে স্তনে-

    তেমনই ঘুমিয়ে আছি হীনতার মধ্যে,
    স্বয়ম্ভর; নিজেই হীনতা হয়ে:
    আসল-নকল ভুলে- অন্ধকার, প্রবৃত্ত, মন্থর।

     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন