এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নীল করিডোরে ফ্রান্সেসকার মুখ- অরিত্র আহমেদ 

    Aritra Ahamed লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫২ বার পঠিত
  • *
    এই রুমালটা
    হাতের ফাঁকে জ্বলুক,
    পুড়ুক, তপ্ত হোক,
    আমরা ঘুমাই,
    মখমলের মতো ঘুম
    স্নায়ুতে জাল বুনুক, বাসা বানাক,
    মাছি ধরুক,
    তারপর পৃথিবীতে
    গ্রাফাইটের মতো রাত্রি আসলেও
    আমাদের আর ক্ষতি নেই!

    *
    বরফের মতো গলে যাও, ক্ষতি নেই।
    বেঁচে দিতে পারো হৃদয়ের ওই এক রতি সোনা
    চটুল, চপল স্বর্ণকারের কাছে!
    তোমার যা কিছু টুকরো টুকরো মায়াবী বাঁকল
    রোদে রেখে যাও- পাপী কাঠুরিয়া চুরি করে নিক!

    তুমি তো সবুজ নও!
    স্বর্ণক্ষরিত নও!
    বুকের ভেতরে আর নেই সেই তুষারের গোলা!

    কেবল শব্দ ছিলে,
    কেবল স্বপ্ন, কেবল বিষাদ,
    স্বরবর্ণের সোনালী পুকুরে ভাসমান লাশ!

    *
    তুমি যখন অনিদ্রাতুর,
    কবর খোঁড়ো,
    আমার দেহে সুগন্ধি এক কবর খোঁড়ো
    হন্তারকের!
    নিজ বাসনে গ্রহণ করো মাটির আমিষ!
    আমিও এক তাম্রজ্বলা সবুজস্রাবী
    কবর খুঁড়ি
    তোমার দেহে!

    *
    (স্মরণীয়তমা)

    যখন শরীরে আলোড়িত পিপীলিকা,
    পৃথিবী গিয়েছে নীলনীলান্তে হারিয়ে,
    অন্ধকারের চুলের উদ্ভাসিকা
    অনবসরের ধোঁয়াশায় গেছে জড়িয়ে;
    যখন চোয়ালে নিবিড় ম্লানিমা নমিত,
    থেমে গেছে সব স্মরণের সৎকার,
    সুরেলা রাত্রি বিউগলে অবদমিত,
    আমাদের মনে প্রতিভাস বেদনার;
    বয়সের স্নানে দু’জনে তখন ক্লান্ত,
    স্বপ্ন গিয়েছে শশকের মতো হারিয়ে,
    (নিরবলম্ব; কারো কথা কেউ রাখিনি,
    প্রাণদিগন্তে সৌর সুরভি মাখিনি)
    চাঁদনীর বুকে ক্ষুরধার রাত বাড়িয়ে
    হে ফ্রান্সেসকা, খুলে দাও আঁখিপ্রান্ত!

    *
    এভাবেই গলে গেছি
    স্বপ্নে, সোনায়, দৃশ্যে, ক্রেংকারে,
    তোমার নৈঃসঙ্গ্যে।
    এভাবেই গলে গেছি
    বিচ্ছিন্ন অণুর মতো, আমি
    আর মানুষেরা
    শেষ বসন্তের রুপালি আকাশ!

    *
    পরতে পরতে বেদনা,
    সোনার স্ফূর্তি,
    নিরলস স্মৃতি
    কী আশ্চর্য শব্দের বেলা!
    তুমি অলক্ষ্যে
    গাইছো ঠাণ্ডা কফিনের গান,
    ভীরু সিম্ফনি!
    হে ফ্রান্সেসকা,
    আমাদের এই ভালোবাসা যেনো
    দু’টি লাল-নীল-সবুজ মাংসপিণ্ডের ঘড়ি
    মরা দোজখের উজ্জ্বল ঘাসে
    হেসে শুয়ে আছে!

    *
    তোমার দিকে বাড়িয়ে দেওয়া
    গোলাপগুলো ব্যর্থ হলেও
    বিস্ফোরিত হয়েছো তুমি,
    স্নানশিল্পে পিছিয়ে থাকোনি!

    *
    রক্তের পাপড়িগুলো
    তোমার
    সোনালী তালায় ছুঁয়ে
    আমার গির্জায় আমি
    একা যাবো
    এই তো নেমেসিস!

    *
    এই বসন্ত
    লিলির মতো
    তোমার স্যান্ডেলে ফুঁটে আছে।
    তাকে তুমি দিচ্ছো স্তন,
    আলিঙ্গন,
    বয়ে বেড়াচ্ছো দিগ্বিদিক দূরে!
    প্রশান্ত এপ্রিলে
    সব মৌমাছি, সোনালী অপেরা আর
    গ্যাসোলিন পাইপগুলো
    বিলুপ্তির মোহিনী ফিতায় চড়ে দুলছে, যখন
    শুধু আমি
    স্মৃতি-কুমিরের অন্ত্রে বিক্ষত,
    ফিরে চাই
    তোমার সুদীপ্ত অশ্রুর জেসমিন!

    *
    সারা দিন কাঁদো,
    সেলাই না করে ইচ্ছে করেই
    আঙুলে ফোঁটাও মায়াবী সুঁচ,
    এ তো নেকড়ের কান্না!
    সারা রাত কাঁদো,
    দু'ঠোঁট ফোলাও, জীবনে আনো
    পরিস্রুতি! একটু নিষ্ঠা!
    অশ্রুর আয়নায় চেয়ে দেখো
    নিজেরই ঘাতক মুখ!

    *
    এই আমার আপন সিনেগগ,
    এইখানে গেড়ে আছি জন্ম, জীবন, মৃত্যু,
    পান করছি বিষাক্ত লসিকা
    জীবনের।
    আমি ছাড়া আর কারো
    অধিকার নেই এই সুপ্ত পেয়ালায়;
    কেননা আমার সিনেগগের শিশির
    বিবিধ আদমের ঐশ্বর্য হতে পারে না!

    *
    তার চোখে
    যখন উজ্জ্বল বসন্ত ভাসমান,
    নীল প্রাসাদের মুখে সূর্যাস্ত,
    হৃদয়ের চৌবাচ্চা তখন
    শীতাতুর,
    আর অজস্র ফসফরাসে ভরে আছে,
    আমি ওই নীল প্রাসাদের দেহে
    জটিল উল্কি আঁকছি,
    যেনো অর্ফিয়ুস
    বিষণ্ণ গোলাপ হাতে
    হেঁটে যাচ্ছে স্নিগ্ধ করিডোরে!

    *
    (আবৃতবীজী)

    নিখাঁদ সেতুর মতো ভেসে আছো শূন্যে তুমি,
    নিঃশ্বাস নাও, হে শহর!
    তোমার প্রাণগ্রস্ত রন্ধ্রে, ওষ্ঠে, বুকে, নাভিমূলে স্রবিত অক্ষর!
    খুলে ফেলো ওই সিল্ক, রুপালি চাদর, এসো,
    তন্দ্রার সুশীতল শাওয়ারে আমৃত্যু স্নান করি!

    আরক্ত নিঃশ্বাসে ভাসো, হে সুমিত, সুনীল শহর!
    তোমার প্রতিটা নুড়ি স্বতন্ত্র শব্দের পিরামিড!
    সুরে সুরে ঢাকা,
    আঙুলের স্বেদবিন্দু যেনো অলৌকিক ব্রিফকেস,
    সুন্দরের অমল নদী, পূর্ণ, ক্ষিপ্র, শিল্প-খরস্রোতা!
    এসো, এসো, টেনে নাও এই হাওয়া, এই শুভ্র হাওয়া!

    প্রাচ্যের রক্ত শুষে
    প্রতীচ্যের সুগন্ধি চুলের আঘ্রাণে
    আমিও নিমজ্জিত!
    আমিও মোহিত তার স্বপ্নের নিখাঁদ শুভ্রতায়!
    আমার আত্মায় মেশো,
    বৈদ্যুতিক, হাওয়াতুর, ঝলকিত নিঃশ্বাস নাও,
    হে শহর!
    আমার কবিতার ঘাড়ে, খাদ্যের শ্বেতসারে,
    রাতের পোশাকের লোমে, বস্তিতে, জলের ফিল্টারে,
    মোহর ছড়াও তুমি, জেগে ওঠো, নিঃশ্বাস নাও!
    তোমার নিকটে আমি ধেড়ে ইঁদুরের মতো তুচ্ছ আর
    নিতান্ত ভিখিরি! মূলস্পর্শী হে শহর,
    ফেলনা লুকমার মতো
    তিলে তিলে
    টেনে নাও
    আমাকে ভেতরে
    আর
    উষ্ণ নিঃশ্বাস নাও,
    হে শহর,
    অনন্য, অমেয়!

    *
    হাওয়ায় স্রবিত সুর ভাসে ভাসে ভাসে
    অপলক মাধুর্যে, দীপ্তিতে, পাথুরে কার্নিশে!
    আমার নরম হাতে অনুভবনীয় স্থানু পিরামিড
    অশ্রুয় আচ্ছাদিত লোবানের গন্ধে ওঠে নেচে;
    আমার স্মৃতির তীর্থে এলোমেলো, উদ্বাহু, পেলব
    দুগ্ধফোঁটা চুয়ে পড়ে অতীতের স্তন থেকে
    অবিরত অবিরাম! স্মৃতির কোমল বালু
    ঝিকিমিকি ডানায় সওয়ার, আর হাওয়ায় স্রবিত সুর
    ভাসে ভাসে ভাসে অপলক স্পন্দনে, শ্রান্তির বেলুনে;
    মহাসড়কের এপারে ওপারে নাচে মূহ্যমান, ছোঁয়াচে শহর!

    *
    আছে চাদর শুয়ে অলস, ক্লান্ত
    বেলীর মতো নীল বিছানা প্রান্তে;
    নয়নাভিরাম দাঁড়িয়ে আছো, দৃপ্তা,
    ওষ্ঠ যেনো গোলাপি দুই নৌকো;
    তোমার চোখে হীরকজ্বলা চিত্র,
    হাত পেতেছি তোমার বাহু-গন্ধে,
    বায়ুকোঠায় শিশিরঝরা কান্তি,
    আছে চাদর শুয়ে নিঝুম, ক্লান্ত!

    *
    বৃষ্টি কারো
    একার আঙুরের রস নয় যে,
    আমরা তাতে ভিজতে পারবো না!

    মানুষ আঙুর ভালোবাসে,
    কিন্তু ফিরে যায় বিষের দিকেই।

    আমরা মানুষের চেয়ে
    কয়েক ধাপ উপরে এবং এক ধাপ নিচে!

    আমরা কান পেতে অনুভব করবো বৃষ্টির সুঘ্রাণ!
    ঠোঁট খুলে আত্মস্থ করবো বৃষ্টির শিলালিপি!
    চোখে চোখে দেখে নেবো বৃষ্টির শিউলির শাদা কুঁড়ি!

    বৃষ্টিই আমাদের পবিত্র আঙুর!

    *
    আমাদের ক'টি কথা বিচ্ছিন্ন শহরতলী থেকে,
    হলুদ পিস্টন, ট্রাক,
    স্টপেজ, সান্দ্র ক্লান্তি,
    অসার ঈশ্বর, গান, নিঃশ্বাস, ছান্দিক নাড়িভুড়ি,
    মিউজিক-
    আমাদের ক’টি কথা থেকে আলাদা, ভুতুড়ে,
    ধূসর;
    আমাদের ক'টি কথা
    ঝলকিত স্টিমারের ছাদে ভায়োলিন, কম্প্র, আর একাত্ম পাঞ্জেরি!

    *
    তবে কি দুই
    বাহুতে রুদ্ধ
    শ্বেত সন্ত্রাস
    শুদ্ধ সাঁতারু?
    স্ফীত, তন্ময়,
    হে নীল নগ্না,
    হে সুদূরিকা,
    প্রস্ফুটিত?

    *
    হাসছে একটি শিউলি
    ক্যাফেটেরিয়ার টেবিলে,
    শিশিরে পাপড়ি জড়ানো
    উজ্জ্বল ঠোঁটে কাঁপছে!

    কাঁদছে সিক্ত নয়নে
    জ্যোৎস্নায় ভরা অশ্রু,
    শুনছে বাতাসে তার
    হৃদপিণ্ডের শব্দ!

    সে শুধু হাসছে, কাঁদছে,
    সে শুধু ঘামছে, উষ্ণ
    গোলাপি কফির বাষ্পে
    ঝরছে নরম রাত্রি!

    আঙুলে আঙুলে স্বপ্ন,
    নামছে স্মৃতির বৃষ্টি,
    নীল ভালোবাসা উড়ছে
    শরীর ছাড়িয়ে শরীরে!

    অথচ একটি শিউলি
    ক্যাফেটেরিয়ার টেবিলে
    অবিরত ক্ষীণকণ্ঠে
    কাঁদছে এবং কাঁপছে!

    *
    আমি চুরি করেছি সমস্ত ফুল;
    তার আঁচল, ফুলের ডালি
    আর তার স্বপ্ন থেকে।
    যেনো যে ফুল আমি দেবো,
    তা-ই হয় তার একমাত্র চাওয়া!

    আমি চুরি করেছি সমস্ত শিশির;
    বালু, ঘাস, পাতা
    আর নিরালা সমাধি থেকে!
    যেনো আমার চোখের জলে সে পায়
    অনন্ত জ্যোৎস্নাধারা, শীতের শিশির!

    আমি চুরি করেছি সমস্ত হৃদয়;
    হাজারো পাজর খুঁড়ে,
    নুড়িপাথরের মতো ছুঁড়ে ফেলেছি সবাইকে।
    যেনো সে যে বুকে শান্তি পায়,
    সেই বুক থাকতে পারে কেবল আমার!

    *
    আবার গোলাপ ফুঁটলে,
    তোমার সামনে মেলে দেবো
    এই স্বপ্নের আলকেমি!
    পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা!
    সোনার পরতে সোনা!
    তুমি কি তখন আলোয় ঢালবে
    আপেলের ঝুড়ি?
    শিশিরমাখানো শুভ্র অস্থি?
    বৃষ্টির ভেজা তন্তুর মতো
    চপল আঙুল আমার আঙুলে?

    [৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে এক চরম অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে এই কবিতাগুলি লেখা। বয়স তখনো ১৮ হয়নি, পঠন-পাঠনও সীমিত। কিন্তু উত্তেজনাটা খাঁটি। প্রায় একটা ঘোরের মধ্যে কয়েক সপ্তাহে লিখেছিলাম ৩০/৩৫ টা কবিতা। অরিজিনাল খাতা হারিয়ে যাওয়ায় তার মধ্যে কয়েকটা কবিতা চিরকালের জন্য বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যেগুলো রয়ে গেছে, সেগুলোর কিছু কিছুর ফর্ম একটু অদ্ভুত। ফলে, গুরুচণ্ডালীতে সেগুলো দেওয়া গেলো না। এই ছাড়া বাকি কবিতাগুলি এখানে আপলোড করে রাখলাম 'নীল করিডোরে ফ্রান্সেসকার মুখ' শিরোনামে। প্রথম যৌবনের সেই নীল করিডোর পেরিয়ে আমি এখন অনেক দূরেই এসেছি। স্মৃতি হিসেবে ও শেষ কৈশোরের বিলম্বিত উদযাপন হিসেবে কবিতাগুলি আমার কাছে অমূল্য। শিল্পগুণ যেমনই হোক।]
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন