বউয়ের থেকে টাকা নিলে সমস্যা হয় বামপন্থীদের?
নানা জায়গায় দেওয়াল লিখন, ফেসবুকেও সিপিএম কভার ফোটো করে রেখেছে, বয়ফ্রেন্ডের চাকরির জন্য পরিবর্তন আনুন। এই সেই সিপিএম, যেখানে মহিলারা সংসার চালিয়েছেন, পার্টনার, স্বামী হোল্টাইমার। সেটাও নর্ম হওয়া ভাল না, কিন্তু এই বয়ফ্রেন্ডের চাকরি হলে বিয়ে করা যাবে, এটাকে প্রোমোট করা আরো রিগ্রেসিভ ভাবনা।
এছাড়াও, এই ভাতা, বিশেষ করে বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনোদের বহুবার বলতে শোনা গেছে, চাকরির পরীক্ষা দেওয়া, ফর্ম তোলা, পরীক্ষার প্রস্তুতি, ব্যবসার সুবিধা, এসবের জন্য ভাতা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও টাকা জমিয়ে মেয়েদের নিজস্ব উদ্যোগের কথা বলা হয়। এগুলো কেমন করে 'বামপন্থী'রা ট্যুইস্ট করে?
এছাড়াও সবলা, স্বনির্ভরতা নানা প্রকল্প রয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে পব একটানা শীর্ষস্থানে, সেও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদণ্ডেই। যা কিছু ভাল বা মন্দের ভাল বা অন্তত ঠিকঠাক সেসব আক্রমণ না করে, সরকারের খামতির জায়গাগুলো নিয়ে সঠিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারল না। শিক্ষায় দুর্নীতি করে করে এত মামলা মোকদ্দমা করে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই পিছিয়ে দিল, এমনকি চাকরি ছিনিয়ে নেওয়া নিয়েও বিকাশ ভট্টাচার্যরা উল্লাস করেছেন, মানুষ কি এসব বোঝেনা নাকি ভুলে যায়?
অথচ বাংলা মাধ্যমের হাঁড়ির হাল, স্কুল কলেজের পড়ার কোয়ালিটির দৈন্যদশা, সেনিয়ে আন্দোলন কই? তা হবেই বস কেমনে, সেসব শিক্ষকেরা স্কুল ফাঁকি দিয়ে সরকার ফেলার আন্দোলনে ব্যস্ত। এইসব শিক্ষকেরা স্কুল কলেজের হাল ফেরানোয় নিজেরা কী দায়দায়িত্ব বা আন্দোলন করেছেন, বামপন্থীদের সমর্থনে, একটু জানা যাবে?
বেসরকারিকরণ তো সেই বাম আমল থেকে, সেই ট্র্যাডিশনকে এরা আরো পাতালে নামাল।
বাম আমলে সুপারিশ, চিরকুট চাকরিও যেন সব লোকে ভুলে গেছে! এমন বিষয়ে পিছনে লাগতে যায়, যেখানে নিজেদেরই পোঁদে গোলাভরা গু!
যাইহোক, দাশুবাবুর লেখাটি খুবই যথাযথ লেগেছে।