এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ও নির্বাচিত নিরবতা: ভারতীয় গণতন্ত্রে অনাক্রম্যতার ছায়া

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ৫৮ বার পঠিত
  • ভারতীয় গণতন্ত্রের মন্দিরে, যেখানে সার্বভৌম জনগণই একমাত্র দেবতা, সেখানে একজন নবনিযুক্ত পুরোহিতের হাতে চাবুক তুলে দেওয়া হলো। আর সেই চাবুকটি এমন এক রূপকথার ধুলো মাখানো যে, তা যেকোনো আঘাতকে নির্দোষ, যেকোনো সিদ্ধান্তকে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে, এবং যেকোনো সম্ভাব্য অপরাধকে আইনের দৃষ্টিতে অদৃশ্য করে দিতে সক্ষম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ, চাকরির শর্তাবলী ও কার্যকাল) আইন, ২০২৩-এর ১৬ ধারা মূলত তাই-ই করে। এটি নির্বাচন কমিশনারদের তাদের কার্যকরী ক্ষমতায় গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য আইনি অনাক্রম্যতা বা সুরক্ষা প্রদান করে। এটি একটি আইনি প্রহরীকে স্বয়ং তারই তৈরি কাঁটাতারের বেড়ার ভেতর আটকে রাখার সামিল। এটি ভোটার, যিনি সেই সার্বভৌম সত্তা, তার হাত থেকে শেষ অস্ত্রটি কেড়ে নেয়—জবাবদিহিতার অধিকার। এটি ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ডে একটি চূড়ান্ত আঘাত, যা শব্দহীন, কিন্তু অনুরণন গভীর।

    এই অনাক্রম্যতার ধারণাটি নতুন নয়। এটি রাজকীয় বিশেষাধিকারের আধুনিক রূপান্তর, যেখানে ‘রাষ্ট্র’ নামক বিমূর্ত সত্তাকে রক্ষা করার অজুহাতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির ঊর্ধ্বে স্থাপন করা হয়। কিন্তু একটি গণতন্ত্রে, যেখানে ক্ষমতার উৎস জনগণ, সেখানে ক্ষমতার কর্তাদের থেকে জবাবদিহিতা চাওয়াই হলো সেই ভিত্তিভূমি, যার ওপর জনগণের আস্থা দাঁড়িয়ে থাকে। নির্বাচন কমিশন ভারতীয় গণতন্ত্রের সেই নিরপেক্ষ রেফারির ভূমিকায়, যে মাঠের নিয়ম-কানুন রক্ষা করে। যখন সেই রেফারিকেই বলা হয় যে তার কোনো সিদ্ধান্তই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, তখন খেলাটি আর ন্যায্য থাকে না; এটি ক্ষমতাসীন দলের জন্য একটি ‘ঘরোয়া মাঠ’ হয়ে ওঠে।

    কোনো বিখ্যাত dystopian উপন্যাসে যেমন একটি সমাজের কথা বলা হয়েছে, যেখানে তথ্য নিয়ন্ত্রিত, ইতিহাস পাল্টে ফেলা হয়, এবং ভাষাকেই বিকৃত করে ক্ষমতা রক্ষা করা হয়, তেমনি এই আইনি অনাক্রম্যতাও একটি শব্দের জাদু। এটি ‘দায়িত্ব’ শব্দটির অর্থকে পাল্টে দেয়। কমিশনারের ‘দায়িত্ব’ এখন আর শুধুমাত্র সৎ, নিরপেক্ষ ও দক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা নয়; তাদের ‘দায়িত্ব’ এখন আইনের একটি ধারার আড়ালে থেকে কোনো রকম  জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যাওয়া। এটি একটি নীরব কিন্তু শক্তিশালী বার্তা ; এখানে পক্ষপাত থাকতে পারে, কিন্তু তা অদেখা; এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, কিন্তু তার কোনো উত্তর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

    এই আইনের সবচেয়ে ভয়ংকর দিকটি হলো এর প্রয়োগের অস্পষ্টতা। ‘কার্যকরী ক্ষমতায় গৃহীত সিদ্ধান্ত’ বলতে ঠিক কী বোঝায়? এটি কি শুধুই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা বা মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের মতো প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত? নাকি EVM ব্যবস্থাপনা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, বা অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও এর আওতায় পড়বে? এই অস্পষ্টতাই তো ক্ষমতার সবচেয়ে পছন্দের হাতিয়ার। এটি একটি বৈধ আইনের মুখোশ পরে ক্ষমতার নিরঙ্কুশতা প্রতিষ্ঠা করে। ভবিষ্যতে, কোনো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত—যেমন হঠাৎ করে ভোটের পর্যায় পরিবর্তন, বা নির্দিষ্ট অঞ্চলে কঠোর নজরদারি শিথিল করা—যদি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্তকে ‘কার্যকরী দায়িত্বের অংশ’ বলে চালিয়ে দিয়ে কোনো রকম তদন্ত বা আইনি চ্যালেঞ্জকে নস্যাৎ করে দেওয়া সম্ভব হবে।

    এটি ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রমাগত ক্ষয়িষ্ণু হওয়ার একটি ধারাবাহিকতারই অংশ। স্বাধীন বিচার বিভাগ, একটি সক্রিয় মিডিয়া, এবং একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন—এগুলো ছিল ভারতীয় গণতন্ত্রের ট্রিপল লক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই লকগুলো একে একে দুর্বল হতে শুরু করেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন, মিডিয়ার উপর কর্পোরেট ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, এবং এখন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতার উপর আঘাত—এগুলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। যখন একটি প্রতিষ্ঠানকে অনাক্রম্যতা দেওয়া হয়, তখন তার মধ্যে দুর্নীতি, ঔদাসীন্য ও আত্মতুষ্টির বীজ রোপিত হয়। ইতিহাস সাক্ষী, যে কোনো ক্ষমতা, যদি তাকে জবাবদিহি থেকে মুক্ত করা হয়, সে অনিবার্যভাবে তার লালিত উদ্দেশ্যকে বিকৃত করে।

    নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ পদ্ধতিতেই যখন বিতর্কের শুরু—যেখানে নির্বাহী বিভাগের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—সেখানে তাদের কার্যকলাপের জন্য অনাক্রম্যতা দেওয়া হলো একেবারে চূড়ান্ত সিলমোহর। এটি একটি ভয়ানক বার্তা পাঠায় সাধারণ নাগরিককে: তোমাদের ভোটই চূড়ান্ত, কিন্তু সেই ভোট কীভাবে গুনে হচ্ছে, কীভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে, তার উপর তোমাদের কোনো অধিকার নেই। তোমরা মালিক, কিন্তু গুদামের চাবি অন্য কারো হাতে, এবং সেই চাবি যেনতেন ব্যবহার হলেও তোমরা কিছু বলতে পারবে না। এটি গণতন্ত্রকে একটি অনুষ্ঠানে পরিণত করে, যেখানে নাগরিক শুধুমাত্র দর্শক; অংশগ্রহণকারী নয়।

    একটি দেশ, যেখানে কয়েক কোটি মানুষ দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা ও তথ্যহীনতার সঙ্গে লড়াই করে ভোট দিতে যায়, তাদের একমাত্র বিশ্বাস হলো এই প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা। এই অনাক্রম্যতা সেই বিশ্বাসের মূল্যে আঘাত হানে। এটি বলতে চায়, “তোমরা আমাদের ওপর ভরসা রাখো, কিন্তু আমাদের কোনো ভুল হলে আমরা তার জন্য দায়ী নই।” এটি একটি বৈধ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরে একটি স্বৈরতান্ত্রিক বীজের রোপণ। এর ফলে, ভবিষ্যতের কোনো বিতর্কিত নির্বাচনের ফলাফল চিরতরে বিতর্কের ঊর্ধ্বে চলে যেতে পারে। বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ, বা সাধারণ ভোটার—কেউই প্রমাণ করতে পারবে না যে কমিশনের কোনো কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে পক্ষপাত ছিল, কারণ সেই সিদ্ধান্তকে আইনের ঢালে বন্দি করে রাখা হবে।

    এটি কি তবে ভারতীয় গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টা? এখনই হয়তো নয়, কিন্তু এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুতর অসুস্থতার সূচনা। একটি স্বাস্থ্যকর গণতন্ত্রে, সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই সবচেয়ে বেশি স্বচ্ছ ও জবাবদিহি হতে হয়। আমেরিকায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা, ব্রিটেনে তাদের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা—সবাই কোনো না কোনোভাবে জনগণের কাছে বা আইনের কাছে জবাবদিহি করেন। ভারতেও, জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে সংবিধানেই প্রতিকার আছে। কিন্তু এই আইনটি নির্বাচন কমিশনকে সেই জবাবদিহির বৃত্তের বাইরে নিয়ে যায়।

    কী হতে পারতো এর বিকল্প? একটি শক্তিশালী, বহু-সদস্যের নিয়োগ কমিটি যেখানে নির্বাহী বিভাগের একাধিপত্য না থাকে। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করা, যেখানে প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ ও প্রকাশ্য হয়। এবং সর্বোপরি, একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া, যেখানে কমিশনারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ একটি স্বাধীন সংস্থা বা সংসদের একটি বিশেষ কমিটি তদন্ত করতে পারে। অনাক্রম্যতার প্রয়োজন হতে পারে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে, কিন্তু পেশাগত দুর্নীতির নয়, পক্ষপাতের নয়, বা সংবিধান ও নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের নয়।

    ভারতের গণতন্ত্রের সামনে এখন চরম সময়। এটি সেই পথচিহ্ন, যেখানে একটি পথ গেছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনগণের আস্থা অর্জনের দিকে। অন্যটি গেছে নীরবতা, অনাক্রম্যতা এবং কর্তৃত্ববাদের দিকে। ২০২৩-এর এই আইন সেই দ্বিতীয় পথেই একটি বড় মোড়। এটি ভোটারকে একটি যন্ত্রে পরিণত করে, যে যন্ত্রের কাজ শুধু ভোট দেওয়া, কিন্তু প্রশ্ন না করা। এটি নির্বাচন কমিশনকে একটি ছাপমার যন্ত্রে পরিণত করতে পারে, যা ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছা অনুযায়ী ফলাফল ছাপতে থাকে, কোনো প্রতিবাদ বা জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই।

    গণতন্ত্রের সত্যিকারের শক্তি কোনো পাথরে খোদাই করা আইনে নয়, বরং জনগণের সচেতনতায় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর নৈতিক সাহসে। একটি অনাক্রম্য নির্বাচন কমিশন হয়তো ক্ষমতাসীনদের জন্য স্বল্পমেয়াদে সুবিধাজনক, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি সমগ্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য বিষবৃক্ষ। এটি ভবিষ্যতের ভারতকে এমন এক দিশাহীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে, যেখানে নির্বাচন হবে মাত্র একটি অনুষ্ঠান, ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যম নয়; যেখানে জনগণের কণ্ঠস্বর সংখ্যায় গণনা হবে, কিন্তু মূল্যে অবহেলিত থাকবে। এই আঘাতের চিহ্ন হয়তো আজ স্পষ্ট নয়, কিন্তু এর ব্যথা অনুভব করবে আগামী প্রজন্ম, যখন তারা একটি খাঁচার ভেতর বন্দি গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখবে, যার চাবি হাতে একজন অনাক্রম্য পুরোহিতের, যার কাছে তারা কখনোই জবাবদিহি করতে পারবে না।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন