সাঁকো: “তোর মা কোথায়? কোথায়?”
তারকা: “নেই তো মা, মায়ের তো এখন ছুটি। ওয়টস্যাপে লিখেছি তোমাকে। দ্যাখো দ্যাখো... দ্যাখোনি?”
সাঁকো: “আচ্ছা বলছি, গরম ভাতের সঙ্গে উচ্ছে নাকি পটল ভাজা? কোনটা যাচ্ছে?”
তারকা: “জেঠিমা তোমাকে খুঁজছিলেন। পনেরো লক্ষ মতো টাকা দরকার। তুমি দিতে পারবে কিনা সে বিষয়ে যদি...”
সাঁকো: “সুনীলদাকে বলেছিলাম জানিস, তোমার নীরা না থাকলে আমার সম্ভবত বেঁচে থাকা হতো না”
তারকা: “তোমাকে কিছু একটা বলছিলাম...”
সাঁকো: “সমরেশদার সঙ্গে কত আড্ডা দিয়েছি! সমরেশ বসুর কথা বলছি। তুই বড্ড ভাল কবিতা লিখছিস আজকাল... শক্তিদা বেঁচে থাকলে ওঁর কাছে নিয়ে যেতাম তোকে।”
তারকা: “বলছি বাবা, তুমি ভাল আছো তো?”
সাঁকো: “নইলে তোর সঙ্গে কথা বলতে পারি?”
তারকা: “তুমি কী যে বলছ...”
সাঁকো: “ভেঙেছে শরীর, তবু ভাঙিনি নিজে/ দিয়েছি নতুন মন, পুরনো কাজে” আমার অনেক আগের লেখা একটা কবিতার এই লাইন। সম্ভবত ১৯৯১...”
তারকা: “বাহ্! আধুনিক বাংলা কবিতা।”
সাঁকো: “আমি গানও লিখেছি। কিন্তু প্রকাশ করিনি। প্রয়োজন মনে হয়নি, তাই।”
তারকা: “জানা এসব, আচ্ছা তোমার জীবন এগোচ্ছে?”
সাঁকো: “চিংড়িই ভাল। ইলিশটা থাক।”
তারকা: “বুঝলাম... তুমি আর ওয়টস্যাপেও নেই, সংসারেও নেই।”
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।