এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিপ্লবীদের দঙ্গলে 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ মার্চ ২০২৫ | ৫৫৪ বার পঠিত
  • কলকাতার বিপ্লবীদের দঙ্গলে  মাঝে মাঝেই নানা কাণ্ড ঘটে। কিন্তু এবারে যা পড়লাম, সেটা মাত্রার অনেক উপর দিয়ে। সবই "সত্য" ঘটনা, কিন্তু ফিকশনের বাবা। একজন মহিলা, ধরা যাক তাঁর নাম প্রথমা, যিনি সব সময় ছুরি আর পেপার স্প্রে নিয়ে ঘোরেন, তিনি কাল একটা ফেসবুক পোস্ট করেন, যা থেকে এটা জানাজানির শুরু। প্রথমা লিখেছেন, কোনো এক রাতে, তিনি প্রচুর ফেমিনিস্ট আইডিওলজির লোকজন, মহিলা এবং নিজের বাবার সঙ্গে, বাবার বাড়িতে বসে উপরোধে মদ্যপান, গান-বাজনা এইসব করছিলেন। তারপর রাত্তির দুটোয় নিজের ঘরে শুতে গেলে সেখানে একজন মহিলাও শোবার জন্য এসে উপস্থিত হন, ধরা যাক তাঁর নাম দ্বিতীয়া। তারপরে তৃতীয় এক পুরুষ, ধরা যাক তাঁর নাম মহিষাসুর, তিনিও চলে আসেন। দ্বিতীয়া মহিষাসুরকে বলেন, তুমিও এখানে শুতে পারো, এবং তিনিও ধপ করে শুয়ে পড়েন। মহিষাসুর কিছুক্ষণ বাদে বলেন, আমার নেশা কেটে গেছে। তারপর আবার এক পেগ মেরে আসেন। এসে ধপ করে শুয়ে পড়েন এবং বলিউডি স্টাইলে প্রথমার হাত খামচে ধরেন। প্রথমা সিঁটিয়ে সরে গেলে তিনি দ্বিতীয়ার সঙ্গে যৌনতা শুরু করেন। দ্বিতীয়া শীৎকার করতে শুরু করে। সব মিটে গেলে প্রথমা তাদের ঘর থেকে বার করে দেন। মা কে বলেন, বাবাকে বলেননি, কারণ বাবা এসবে মোটেই সংবেদনশীল নন। এই প্রথমা, দ্বিতীয়া, মহিষাসুর, সব্বাই প্রচণ্ড নারীবাদী, কাঁচা বিপ্লব গিলে খান, খুবই পরিচিত। পোস্ট টোস্টগুলোও পাবলিক, কিন্তু নাম নিচ্ছিনা, কারণ, আমি নিজের ভাষায় সারসংক্ষেপ করছি, পুরোটা পড়তে হলে আসলগুলো পড়ে নিন।  

    এরপর আসে দ্বিতীয়ার পোস্ট। তিনি বলেন, প্রচুর মদ শুধু না, প্রচুর গাঁজাও  খাওয়া হয়েছিল। যদিও গাঁজা খেলেই তাঁর প্যারানইয়া হয়, কিন্তু তাও খেয়েছিলেন, কারণ প্রথমাই গাঁজা এনেছিলেন। উপরোধে মদ খাওয়া যায়, কীকরে গাঁজা আনা যায়, সেটা আমি বুঝিনি। যাহোক, তিনি প্রচুর বমি করছিলেন, এবং মহিষাসুর তাঁর বমি মুছিয়ে দিচ্ছিল। তারপর তিনি আধা অচৈতন্য হয়ে শুয়ে পড়েন। তিনি মহিষাসুরকে থাকতে বলেছিলেন কিনা জানা নেই, কিন্তু তাঁর জন্যই মহিষাসুর ওই ঘরে ঢুকেছিলেন তা নয়, কারণ তিনি শুনেছেন, প্রথমা আর মহিষাসুর ওই ঘরে বসে মদ খাচ্ছিলেন। যাহোক, তিনি তো আধা অচৈতন্য। এই অবস্থায় তিনি ফিল করেন, তাঁকে কেউ একটা চুমু খাচ্ছে। তিনি হ্যালুসিনেট করছিলেন, তৃতীয়া নামক একটি মেয়ে চুমু খাচ্ছে। পরে বোঝেন, আসলে কী হয়েছে। যা লিখেছেন, তার মোদ্দা কথা, আধা অচেতন অবস্থায় কনসেন্ট দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব না। অবভিয়াসলি শীৎকারের ব্যাপারটা নিয়ে কিছু লেখেননি, নিশ্চয়ই মনে নেই।  এর পরের দিন মহিষাসুর তাঁকে বলেন, যা হয়েছে উভয়ের সম্মতিপূর্বক। শুধু মহিষাসুর না, তৃতীয়া (যাকে হ্যালুসিনেট করা হচ্ছিল)  এবং চতুর্থী, এই দুজন মহিলাও এই ধাপাচাপা এবং ম্যানিপুলেশনের কাণ্ডারী। তাঁকে যা করা হচ্ছে, তা স্লাটশেমিং। 

    এরপর আসে তৃতীয় পোস্ট। সেটা একজন হুইসল-ব্লোয়ার জনৈক বাঁশরীর । তিনি বলেন, এইভাবে দুই ভিক্টিমের লড়াই মোটেই ভালো কাজ হচ্ছেনা। আসল কাজ হচ্ছে  ভিকটিমদের একজোট হয়ে মহিষাসুরের বিরুদ্ধে লড়া।  শুধু মহিষাসুর না, তৃতীয়া, এবং চতুর্থীও এর সঙ্গে যুক্ত। এরা সবাই মিলে  অপ্রাপ্তবয়স্কদের এইভাবে হাতেখড়ি দেয়। তিনজন মিলেই মাঝে মধ্যেই কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক চালায়। এই নিয়ে উনি কনফ্রন্টও করেছ্ন, এবং এরা লিখিত ভাবে ক্ষমাও চেয়েছে। সেই সময় নানাভাবে 'সুশীল বামপন্থী' সমাজের একাংশ তাঁকে এবং তাঁদের  ঠান্ডা আক্রমণ করেছে, বিভিন্ন জায়গায় ' মিথ্যাচারের' জন্য রটনা রটিয়েছে, চরিত্র নিয়েও কথা বলেছে। উনি বুঝেছেন, যে, এইসব তথাকথিত  বামপন্থী, নারীবাদীরা আসলেই এক একটা পোটেনশিয়াল রেপিস্ট। এরা বামপন্থার আড়ালে রেপিস্টদের জায়গা দেয়। 

    ফলে এর পরেও, বাঁশরী লিখেছেন, দিনের পর দিন মহিষাসুর, তৃতীয়া , চতুর্থীরা মেয়েদের নিয়ে আন্দোলন করছে, নারীদের অধিকার নিয়ে সংগঠনে  সংগঠকের জায়গা পেয়েছে। "সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে এই রেপিস্ট , মোলেস্টাররা গ্রামগঞ্জের খেটে খাওয়া মায়েদের আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আর ওই সংগঠনের অনেকেই এদের বিষয়ে সবটা জেনেও এদের জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে। একদিকে মেয়েদের অপ্রেস করে অন্য দিকে মেহনতি মায়েদের অধিকারের আন্দোলনকে হাতিয়ার করে এরা রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করেছে। 2024 সালে যখন তিলোত্তমার বিচার চেয়ে গোটা রাজ্য উত্তাল সেখানেও নির্লজ্জের মত ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে সামনের সারিতে ব্যানার ধরে মিছিল করছে এই ধর্ষকরা। এবং পরবর্তীতে সেই আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অভয়া মঞ্চেও স্থান পেয়েছে এরা।" 

    এই খানেই মোটামুটি আমার বিবরণ শেষ। শেষ অংশটা হুবহু উদ্ধৃতি। পড়ে অলীক, উদ্ভট লাগলেও, বিশ্বাস করুন, নামগুলো বাদ দিয়ে মোটামুটি যথাযথ সারসংক্ষেপই করেছি। আসল পোস্টগুলো অবশ্য লম্বা, তাতে আরও নানা প্রসঙ্গ আছে সব পড়তে হলে আসলগুলো পড়ুন।  এর সত্যি-মিথ্যে আমার জানা নেই। ভয়াবহ বিরক্তিকরও। কিন্তু তা সত্ত্বেও পনেরো মিনিট ধরে টাইপ করলাম, একটাই কারণে। বিশ্বাস করুন বা না করুন, এই হল "অগ্রণী", "বিপ্লবী" অংশের এবং তাদের আলাপচারিতার দশা, মান। এঁরা সকলেই প্রচণ্ড নারীবাদী, বিশাল বিপ্লবী, প্রচুর ইংরিজি জানেন, গ্যাসলাইটিং, স্লাট-শেমিং, ইত্যাদি বুলি দিয়ে ফাটিয়ে দেন, এঁদের অনেকেই ক্যাটক্যাটে কথা বলি বলে আমাকে দেখতে পারেন না। গালমন্দ দিয়েছেনও বিস্তর। তা দিন, কিন্তু কদিন আগেই লিখেছিলাম, এই অংশটার বিশ্বাসযোগ্যতা বলে কিছু নেই, কিছুদিন বাদেই বোঝা যাবে, সেটা নিজেরাই প্রমাণ করে চলেছেন। ভবিষ্যদ্বাণী ফলছে বলে আনন্দের কিছু নেই, এরকম না হলেই ভালো হত। কিন্তু ফ্যাক্ট হল ফ্যাক্ট। এই বুলিসর্বস্বতার বাইরে, বেরিয়ে সিরিয়াসলি যদি কেউ ভাবতে চান, তাঁদের উচিত এই আবর্জনাকে একদম বিসর্জন দিয়ে শুরু করা। কারণ, এবারও দেখছি, এই কাণ্ড থেকে শিক্ষার কোনো ব্যাপার নেই, আবার সেই বাঁধা বুলিবাজি শুরু হয়েছে। এ ওকে বলেছে ভিক্টিম-ব্লেমিং ও তাকে বলছে স্লাট-শেমিং। কালচারটা নিয়ে সব্বাই চুপ। কিছু বলতে বললেই মুখস্থ বিদ্যে থেকে বলবে রেপ-কালচার। এর থেকে মাইরি হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটি ভালো। 

    পুঃ এগুলো রক্ষণশীলতার জায়গা থেকে বলা না। নেশা-ভাঙ, থ্রিসাম, এইসবে আমার কোনো নৈতিক আপত্তি নেই। কিন্তু যা পড়লাম, তাতে আছে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতেখড়ি দেওয়াটা তো সব সীমা ছাড়িয়েছে। বলে দেবার দরকার ছিলনা, কিন্তু কিছু মহলের যা আইকিউ, ভরসা হয়না। 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২৩ মার্চ ২০২৫ ১২:৩১541850
  • কলকাতার প্রগতিশীল কলেজ-বিবি চত্ত্বরে নিজেদের বিপ্লবী দেখানোটা মনে হয় একটা 'কুল' ব্যাপার। পটাতে সহায়ক ট্যাগের মত যে 'আমি ভিসিকে খিস্তি মারিয়াছি অতএব আমি বিপ্লবী হইয়াছি'। বা সেরা বাঙালির লিংকডইন হেডলাইনের মত ব্র্যান্ডিং। তালি একহাতে বাজে না বলে আলকাজার থাকলে পেগিসোনাও থাকবে। তাদের কাছে বিপ্লবীদের সঙ্গে বসে নেশা করা হয়ত একরকম 'ফেটিশ'। আদতে তো মার্ক্স লেনিন ​​​​​​​মাওয়ের ​​​​​​​সঙ্গে ​​​​​​​লিবেরাল ​​​​​​​বা ​​​​​​​গ্রীনদের ​​​​​​​মিল ​​​​​​​নেই। ​​​​​​​কিন্তু এখন ​​​​​​​এগুলো ​​​​​​​একসঙ্গে ​​​​​​​করে ​​​​​​​দেবার একটা ​​​​​​​ব্যাপারও ​​​​​​​আছে। 
     
  • | 2405:8100:8000:5ca1::af:***:*** | ২৩ মার্চ ২০২৫ ১২:৫৮541852
  • যাদবপুর থেকে কমলা হারিস প্রগতিশীল মানেই খোরাক। অন্যরা আরজিকরে খুনই করুক আর শিক্ষাদপ্তর তুলে দিক সবই এখন স্বাগত।
  • PRABIRJIT SARKAR | ২৩ মার্চ ২০২৫ ১৮:৪০541856
  • থ্রী সাম ব্যাপারটা কী? জিরো সাম গেম শুনেছি।
  • b | 117.238.***.*** | ২৩ মার্চ ২০২৫ ২০:০৯541858
  • প্রবীরবাবু, এই বয়সে আর নাই বা জানলেন ঃ )। ইয়ে মানে ঐ আর কি । 
  • তাতিন | 117.194.***.*** | ২৩ মার্চ ২০২৫ ২১:১২541860
  • মদ-গাঁজা খাওয়া,রাতভর হুল্লোড়ে পার্টি করা এগুলো বামপন্থী আন্দোলনের বিচ্যুতি। সেই রাস্তাতেই এইসব হচ্ছে
  • PRABIRJIT SARKAR | ২৪ মার্চ ২০২৫ ০৬:৩২541867
  • আজকাল একটা ব্যঙ্গ শোনা যায় ফাঁকা ফ্ল্যাটে লেনিন বোঝানো। এদিকেই ইঙ্গিত করে।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২৪ মার্চ ২০২৫ ০৬:৪৩541868
  • আর আছেই বা কী? একটাই যা সম্বল। একেবারে একেশ্বরবাদ। (প্রজাতি হিসেবে মানুষ খুবই লিমিটেড। কী আর করবে? )
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৪ মার্চ ২০২৫ ০৮:৫৫541870
  • মদ গাঁজা খাওয়াকে বিচ্যুতি বলে ধরা হচ্ছে বলে মনে হয়না। বাচ্চা ছেলে মেয়েদের ভুল বুঝিয়ে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট করা অবশ্যই সিরিয়াস অফেন্স। আর এরা যখন রেপ কালচারের বিরুদ্ধে পথে নামছে, তাহলে এরা নিজেরা সেই কালচারের অংশ হবেনা, এটুকুও কি আশা করা যায়না ?
     
    এখানে লেখকের লেখার গুণে ব্যাপারটা ভারী মজাদার মনে হচ্ছে, কিন্তু আসল ঘটনাটা পড়েছি। যথেষ্ট সিরিয়াস ব্যাপার। এই সব লোকজন যদি বাম ও অন্যান্য সামাজিক আন্দোলনের পুরোধা হয়ে থাকে, তাহলে তো চিন্তার বিষয় বটেই।
  • &/ | 107.77.***.*** | ২৪ মার্চ ২০২৫ ০৯:০৩541871
  • আবার বলে কিনা 'হাতেখড়ি' !!!!
  • PRABIRJIT SARKAR | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১০:৫৪541873
  • বেশ কিছুদিন আগে ইংল্যান্ডের একটা খবর পড়েছিলাম। এক দক্ষিণ ভারতীয়
    বাম পন্থী দাদা কমিউন খুলেছিলেন লন্ডনে। বেশ কিছু মেম কে কমিউনে আদর্শের বন্ধনে বেঁধে রেখেছিলেন। একজন বেরিয়ে এসে জগৎ কে জানিয়েছিল কী চলছে সেখানে। বাদশা দের হারেম কে হার মানিয়ে দেয়।
  • :|: | 2607:fb90:bd89:4ace:cd11:3095:251a:***:*** | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১০:৫৯541874
  • মূল খবরটি দেখিনি। আবাপ আর বর্তমান ছাড়া খুব কিছু পড়াও হয়না। এই দুটি মাধ্যমে মনে হয় আসেনি। যাই হোক আলোচনা শুনে এই মুভিটির কথা মনে পড়লো: 
  • PRABIRJIT SARKAR | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১২:৩৫541875
  • গুগুল সার্চ করে দেখলাম উইকি তে   পাওয়া যাছে। মাও বাদের নামে কমিউন খুলে এক 'মাও' গুরু মেয়েদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখছিল। ওই গুরুর জেল হয়। উনি জেলে মারা যান।
  • Somnath | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১৬:০০541879
  • বামপন্থীদের পক্ষে কনজিউমারিজম বিচ্যুতিই। ঐ গলতায় পড়ার পর থেকে এরা ভোগে গেছে।
  • sangeeta das | ২৮ মার্চ ২০২৫ ০৮:৫৮541953
  • "বহুরূপে সম্মুখে তোমার/ছাড়ি কোথা খুঁজিছ .." 
    ফেসবুকে মূল বিবরণ পড়লাম এবং বিবরণ পড়ে একটুও চমকিয়ে যাইনি।  এমন প্র্যাক্টিস হয় এবং বুক বাজিয়েই হয়।
    গুরুবাদ অতি ভয়ংকর আগ্রাসন। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন