এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হাউলিং | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৯559103
  • এই সরকার এখন ইসরোর মত সংস্থারও বেসরকারিকরন করবে!

    ভারতীয় ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (IN-SPACe)-এর চেয়ারম্যান ড. পবন গোয়েঙ্কার মতে, বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিজনেস টুডের India @ 100 Economy Summit-এ বক্তব্য রাখার সময় গোয়েঙ্কা বলেন, “ISRO আর কোনো উৎক্ষেপণযান তৈরি করবে না এবং কোনো উৎক্ষেপণযান উৎপাদনও করবে না। এগুলো সবই বেসরকারি ক্ষেত্র অথবা PSU-এর মাধ্যমে করা হবে।" ...... তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত ISRO কোনো উৎক্ষেপণযানই তৈরি করবে না।” একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে Small Satellite Launch Vehicle (SSLV)-এর মাধ্যমে। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার পর SSLV-এর প্রযুক্তি এবং উৎপাদনের অধিকার Hindustan Aeronautics Limited (HAL)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সরকার Polar Satellite Launch Vehicle (PSLV) এবং Launch Vehicle Mark-3 (LVM3)-এর প্রযুক্তি হস্তান্তরের পরিকল্পনাতেও এগোচ্ছে। এর ফলে উৎক্ষেপণযান উৎপাদন এবং উৎক্ষেপণ কার্যক্রমে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ আরও বাড়ার পথ তৈরি হচ্ছে।

    রিপোর্ট: ইটিভি ভারত
  • hehe | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:১০559102
  • এইবার হুতোর ডিফেন্স দেকুন। দগ্ধকবির বিদগ্ধ চটিচেতনায় টান মেরেচে গা !
  • Manali Moulik | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০৮559101
  • আর টি আই থাকে কদ্দিন তাই দেখুন
  • ।। । | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:৫৯559100
  • মাসে কত লাখ কোন কোন পদাধিকারের মাইনে মিলিয়ে সেটাও লিখো। কবি গায়ক নাট্যকার চিত্রশিল্পী সবারই হিসেব কষে। এদের আবার চটানো চলে না তাই এদের ইডি সিবিআই হবে না কোনো সরকারেই। পাতি পাবলিকে আর টি আই করলে জানতে পারবে?
  • Manali Moulik | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:৫২559099
  • //জয় গোস্বামীকে অপবিত্র জন্তুজাত বলার কারন কী?//
     
     
    হুতোদা,! জয় গোস্বামীর রচনার প্রতিভা নিয়ে কেউ সংশয় প্রকাশ করছে না। সে কিছু কবিতা আছে যা সত‍্যি আধুনিক বাংলাসাহিত‍্যে অনবদ‍্য। মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া কনটেক্সট্। কিন্তু 'আমার জন্মাবধি এমন মুখ‍্যমন্ত্রী দেখিনি, আমার বাকি জীবন ওনাকে সর্বত্র অনুসরণ করবো...." বড্ড বেশী হয়ে গেলো না? যাই হোক, সেজন‍্য কাউকে গাল দেওয়া চলে না। প্রত‍্যেকের নিজ নিজ রাজনৈতিক পছন্দ ও ব‍্যক্তিগত মতামত আছে। তার বাইরে তাঁর নিজস্ব ফিল্ডের কাজ নিয়ে আলোচনাই বড়ো কথা। আপনি আজই লিখলেন, কবি যশোকাঙাল জোয়ারদারের উপর রাগ চলে না। তেমন হলে বলতে হয় কেবল দুষ্টুমি করে,
     
    " আজকে ভ‍্যাপসা গ্রীষ্ম আমার, তোমায় বলতে পারি
    হেলিপ‍্যাড নামতো ডুমুরজলায়, মিষ্টিপিসির বাড়ি।"
     
     
    আর বকে লাভ নেই @অ‍্যালবার্ট দা,
    আপনি সত‍্যি করে বলুন তো, মেডেল, উত্তরীয়, দু চারটে ইন্টারভিউ, দপ্তরের দায়িত্ব বা প্রকাশনা না পেলে কেউ কবি হবে কোন্ দুঃখে? মানুষের মহাতীর্থ রচনার স্বপ্নে? সে কি হয় রিয়েলি? আপনি বাস্তব বুদ্ধিতে বলুন তো!
     
    বদ্ধডোবায় চরে হাঁস।
    কার ঝাড়ে কে কাটে বাঁশ?
  • Manali Moulik | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:৪২559098
  • একটা বাচ্চার মুখের খাবার কেড়ে নেওয়া হলো আর এখানে আর্ট ফর আর্ট সেক চলছে। তাও আবার বস্তাপচা ঢঙে। আজ মাইরি টপ মুডে আছি।
     
     
     
     
    অ‍্যালবার্টদা, আজ শ্বেতাশ্ব নাকি বৃদ্ধ সন্ন‍্যাসী নাকি কৃষ্ণ সারমেয় নাকি একশত নলসমূহ? কী অনুপান?
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:৩৭559097
  • আলবার্ট, খিস্তি দেবেন না। সহভাটুরেদের কুকথা বলবেন না।শ্রীমল্লার আপনাকে কোন কুকথা বলেননি। কাউকে আপনার অপছন্দ হলেই তাকে খিস্তি করার অধিকার জন্মায় না।

    জয় গোস্বামীকে অপবিত্র জন্তুজাত বলার কারন কী?
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:৩৪559096
  • এইটা নিয়ে গুরুতেই বোধহয় কেউ আগে বলেছিলেন, এমনিতেও কথা হয়ে থাকে, অন্য সব দল বিরোধী ও বিরোধীতার জায়গা একটা রক্ষা করে, অন্তত মুখে, দেখানোয়, ওপরতলায়, কারন গনতন্ত্রের ঐ পরিসর; আর বিজেপির লক্ষ্যই হল বিরোধীশূণ্য। শুরু এদের হয়েছিল কংগ্রেসমুক্ত ভারত দিয়ে। তাতে কোটি কোটি জনগন, যাদের সব এসেনশিয়ালি চাড্ডি বা হিন্দুত্ববাদী না, দুর্নীতিদমনের অলীক স্বপ্ন ইত্যাদি ছিল, নেচেছিল। আজ দেখলাম কাগজে বেরিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন মমতা যেন রাস্তায় বেরুতে না পারেন তা উনি দেখবেন। একেবারেই, টিপিক্যাল পাড়ার গুন্ডার মত কথা। তো তাঁর নেতৃত্বে যাঁরা দল করছেন, তাঁরা যে সব বিবেক বুদ্ধি মগজ ইত্যাদি বিসর্জন দিয়ে করছেন, এতে আর আশ্চর্য কী।
    অবাক লাগে, কোন প্রত্যক্ষ স্বার্থ নেই, এমন শিক্ষিত ওয়াকিবহাল অ্যাপারেন্টলি রাজনীতি সচেতন লোকজনও পবতে বিজেপির আগমনে আশার আলো দেখেছিলেন; হয়তো এখনও কেউ কেউ দেখছেন।

    ফুটপাতবাসীকে হুড়কো দেওয়া কি উচিত না অনুচিত? ফুটপাথ থাকার জন্য না হাঁটার জন্য? এমনিতে তো এগুলি বড় প্রশ্ন, কেউ শখ করে ফুটপাথে থাকে না, মানে বিলিতি হোমলেসদের একটা বড় অংশের ব্যাপার আলাদা, কিন্তু আমাদের দেশে, যাঁদের মোটের ওপর অনেকেরই সংসার পরিবার ইত্যাদি আছে। চিত্রটা বিচিত্র, কিন্তু নানান জিনিস।
    এবার তা থেকে যদি বেরিয়েও যাই, বিষয় হল ছবি তৈরি করা। ঐ অপটিক্স না ন্যারেটিভ কীসব বলে, ঐসব। পুলিশ চিরাচরিত শতাব্দীপ্রাচীন প্রথায় বিবাদীবাগের খাবারের দোকানে হল্লা করার মত এল, সে এক জিনিস। তথাকথিত উচ্চশিক্ষিত সুবেশা মন্ত্রী ক্যামেরা নিয়ে এই জিনিস করা - এ আলাদা। দেখিয়ে দেওয়া, এরা পোকা মাকড়, এদের যা খুশি তাই করা যায়। তো এই ছবি তৈরিটাই এদের ব্যাপার।

    পরিতাপ এই, যে এই দলের আগমনে তথাকথিত আলোকপ্রাপ্ত লোকজন আশার আলো দেখেছিলেন।
  • albert banerjee | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:২৫559095
  • শ্রীমতী অপালা | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০২
    আর একবার এইখানে দেখি একে নিয়েই হরর ফিকশন লিখবো।
  • albert banerjee | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:২৩559094
  • ২০২৬ ২১:০৮
    সোনা গো আমার বিজেপি যেন সব ঠিক বলে?
    ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫২
    আর কবি দের রঙ পাল্টানো দেখে গিরগিটি টিটকারি মারছে, বিশেষ করে ওই অপবিত্র জন্তুজাত পুত্র জয় গোস্বামীকে দেখে। আর কপিবর মল্লার ওর কাজ করার ক্ষমতা আছে নাকি না লিখতে পারে না প্রতিবাদ করতে পারে ওর বই চাড্ডিরা ছাপাবো বললে ও এ তু তু বলে ডাকলেই চলে যাবে। এপোলিটিক্যাল ঢ্যামনা যতসব।
  • :{ | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৮559093
  • অগ্নিমিত্রা বলেন, '৬ মাসের শিশু তো আর এক গামলা দুধ খাবে না! এরকম ব্যস্ত রাস্তার রাশে ৬ মাসের শিশু হামাগুড়ি দিচ্ছে, স্টোভে দুধ জাল দেওয়া হচ্ছে, বড় বিপদ ঘটলে দায় কে নেবে? ধুলো ময়লার মধ্যে আকাশের নীচে দুধ গরম করে শিশুকে খাওয়ালে তার স্বাস্থ্যেরই বা কী হবে? আর ওদের বাড়ি তো ধাপায়। তা হলে ধাপা থেকে পার্ট স্ট্রিটে দুধ গরম করতে আসতে হবে কেন? সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ, ফুটপাত পথচারীদের জন্য।'
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫২559092
  • আচ্ছা, নতুন বস্তার ঢঙে করতে হবে? বেশ তো।
  • albert banerjee | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:৪৬559091
  • // কবিরা কি আপনাকে কামড়ায়//না না কামড়াবে কিকরে তিনু কবিদের দেখেছি তো একটা মেডেল আর একটা উত্তরীয় ব্যাস পা চাটা শুরু। পা চাটা কুকুর আবার কাম্ড়াতে পারে নাকি? একটা বাচ্চার মুখের খাবার কেড়ে নেওয়া হলো আর এখানে আর্ট ফর আর্ট সেক চলছে। তাও আবার বস্তাপচা ঢঙে। আজ মাইরি টপ মুডে আছি।
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:৩৯559090
  • আহা, পুরনো দিনের বিয়ে বাড়ির বেগুনি, তা এতই সুদূর অতীত যে মাঝে মাঝে অবিশ্বাস হয়। সত্যিই ছিল নাকি নেহাত কল্পনা।

    তবে সেবার কলকাতায় রাস্তার পাশের ফাস্ট ফুডের দোকান থেকে অনেক বছর পর অনেক স্বপ্ন বুকে নিয়ে মোগলাই পরোটা খেলাম। খেয়ে অবশিষ্ট এঁটেল মাটির অধিকাংশটা পিছল হয়ে গেল। সত্যিই এর নাম পাল্টে দীনদয়াল পরোটা করে দিলেও আপত্তি করবো না।
  • প্রায় অবিশ্বাসী | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:২২559089
  • ওহঃ, কেকের সাথে তো দেখছি বিস্তর মিল।
    জিলিপি, বেগুনী, ও ডিমের উত্তেজক খাবার্দাবার ছাড়া আম্মো আর কিচুই বিশ্বাস করি না, নিজের মন সুদ্ধ!
  • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:১৭559088
  • ২০:২৫ করিনি তো নির্ঘাৎ। ডিলিউশনকে বিশ্বাস করিনা তো। আছি কি নাই এই সংশয়টি তো মায়ামাত্র। আপনার থাকাকে বিশ্বাস করি তার প্রকাশকে বিশ্বাস করি তার ভালোবাসায় বিশ্বাস করি।
  • kk | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:০৫559087
  • কী আর বলি, ঐ আমি যে "আছি" সে বিশ্বাসটাও তেমন পাকা বলে তো বুঝতে পারিনা! অনেক সময়ে আমি আমিই কিনা তা মালুম দেয়না। আমি আসলেই আমার ভূতও হতে পারি, বা কাঁঠালগাছ, কিম্বা জাপানী তারের ধাঁধা। লিখেছি এসব কথা আগেও তো, ভাটের ছলে। আপনারা তা 'বিশ্বাস' করেননি, দেখেছেন তো?
  • একক | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:০১559086
  • বুকের এঁটেল মাটির উপমাটি লেখিকা নবনীতার কম্পোজিশন। সৃষ্টিশীল মানুষ কম্পোজিশনের জন্যে হাসে কাঁদে কম্পোজিশনের জন্যেই বাঁচে। তাতে যতটুকু অবিশ্বাসের অভিজ্ঞতা ততটুকুই অর্জন। কপিপেস্টের জিনিস নয়।
     
    আমার এক বয়েসে অনেক ছোট বন্ধু বড় দুঃখের গান লেকে। সুর টুর মন্দ না গলাটিও রিয়াজে তৈরি। কিন্তু বাণী পুরাই মডলিন ।
    তাকে গতকাল সরোজ অফ ইয়ং আর্থার পড়তে দিলুম। গোয়েথ নামের সঙ্গে পরিচিতিটুকু আচে। পড়েনি আরকী। খুবই আগ্রহী "গল্পটা কী " জানতে।
     
    " এ বই পড়ে তোমার মত বহু তরুণ একসময় কড়িকাঠ থেগে ঝুলে পড়েচে, বুজলে ".........
  • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৫৮559085
  • এইটি অসম্ভব, ১৯:৫২! আপনি যে "আছেন" সেটুকু বিশ্বাস তো করেনই। সেটিই তো আত্মবিশ্বাস।
  • kk | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৫২559084
  • ফুটিচার সাহেব,
    আমার মোটেই পক্ষপাত দোষ নেই। কাজেই আত্মবিশ্বাসও টেন্ডস টু জিরো।
  • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪৯559083
  • ১৯:৩২ -- ওয়াটয়াবাউট আত্মবিশ্বাস?
  • kk | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৩২559082
  • বিশ্বাস সম্পর্কে -- হ্যাঁ বেশি বিশ্বাস না করাই ভালো। বিশ্বাস সব সময় বনফুলের বিশ্বাস মশাইয়ের মত তো হয়না? একটু বেশি লাই দিয়েছেন কি ঐ হুতোর বলা জগদ্দল পাথর হয়ে বসবে। কিম্বা শক্ত লোহার খোঁটা ও নাইলনের দড়ি। তাছাড়া বিশ্বাস কোনো স্থির বস্তু নয়। কতবার ভাঙে, গড়ে, রূপান্তরিত হয়, অন্য রকম আকার নেয়। পুরনো বিশ্বাস লাল-কমলা-বাদামী রঙ নিয়ে ঝরে পড়ে, নতুন কোমল সবুজ বিশ্বাস মুকুল থেকে উঁকি দেয়। এই পৃথিবীতে সবই শুধু পাল্টাচ্ছে। সেখানে বুকের এঁটেল মাটিতে কোনো বিশ্বাস গেড়ে বসলো তাইই বা হবে কেন? অবশ্য আমি যে এসব কথা বলছি তার কারণ আমার তো ভয়ানক ট্রাস্ট ইস্যু আছে। জগতে কাউকে বা কিছুকেই বিশ্বাস করতে অসম্ভব অসুবিধা! sad
  • kk | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:২৪559081
  • ও ও ও, ঐ লাল কাপড়ে বাঁধা ধনেগুলোই মনে হয় কিছুদিন পর টাকা বা মোহর হয়ে যাবে! ইয়ার্কি না, আমাদের বাড়িতে একজন সাধু না ফকির কে আসতেন। তিনি জোর দিয়ে বলতেন যে ওঁকে একটা পাঁচ টাকার নোট দিলে সেটা লাল কাপড়ে বেঁধে উনি বিশেষ জায়গায় রেখে দিয়ে যাবেন। তারপর কত যেন দিন পরে সেটা খুললেই দেখা যাবে টাকা হয়ে গেছে কবচ। সেই কবচ ধারণ করলেই তারপর টাকার বন্যা আটকায় কে! আর এই ক্রিয়া করার জন্য অবশ্য আগে ওঁকে শ-দুশো টাকা দিতে হবে আরাধ্য দেবের ঊদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য, তো শিগ্গিরই যে লাখপতি হতে চলেছে তার ঐ সামান্য কটা টাকার কথা ভাবলে চলে না। সে আশির দশকের কথা, তখন শ-দুশো কিছু কম ছিলোনা। তবু ঐ যে লাখপতি ইত্যাদি।
    এখন কথা হলো লাল কাপড়, ধনে এসব নয় জুটে যাবে। হুতোর প্রশ্নটার উত্তর কেউ দিয়ে দিলেই ঐ দিকটা সিকিওর্ড করে ফেলবো। কিন্তু আপনারা কি কেউ সহৃদয় হয়ে আমাকে একটা পাকা তেঁতুল ধার দেবেন? এখানে ইন্ডিয়ান গ্রসারীতে যে তেঁতুল পাওয়া যায় তা পাকা না কাঁচা সে চেনার তো আমার সাধ্যি নেই।
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৫৫559080
  • আমিও তাই ভাবছিলাম। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে হিং দিয়ে রাখলে হবে? আর টাকা পয়সার ব্যাপারটা, ব্যাংকে গিয়ে লাল কাপড়ে বাঁধা ধনে দিয়ে আসবো? নাকি লুকিয়ে রেখে আসবো? তারপর ক্যামেরায় ধরা পড়ে হাজতবাস হয় যদি? পেয়াদা প্রতিরোধের কোন নিদান তো নেই। দেখা যাক ভবিষ্যতে যদি আসে।
  • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২০559079
  • 18:02 - হিং কচুরির বদলে ঘর মোছার জলে দেওয়াটা কেমন সুবিধার লাগছে না। তাছাড়া ন্যাতা বালতির বদলে ঘর ভ্যাক্যুম ক্লিন করলে হিঙের ব্যবহার নিয়ে কবি কি কিছু বলেছেন? অথবা ফুটপাথ নিকোনোয় হিঙের ব্যবহার কি মন্ত্রীর দুর্ব্যবহারকে কাউন্টার করার বিষয়ে?
  • একক | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৪559078
  • এইসব বিশ্বাস অবিশ্বাস এসব লিকে লিকে বানিয়েসে কিচু লোক। যত ফলস ​​​​​​​বাইনারি।
     
    এহলো : বাতাসে ঠেস দিয়ে দাঁড়ালে আর সে দেয়াল হয়ে গ্যালো, সেই জিনিস। বা যেমং পুকুরের মধ্যিখানে হাত পা না নেড়ে থির হয়ে থাকা। শুদু জেনো যে জলের উপ্রে আচ। ঐটি ভুল্লেই ডুবে যাবে।
     
    নাচের ছন্দটি যেন ঠিক থাকে। অপস্মার পায়ের তলা ডিসার্ভ করে। ওখেনেই থাগবে।
  • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৪559077
  • ১৭:৫৪ -- না না। উনি নমস্য বিজ্ঞানী। না ছিলো ওনার ধারে কাছে যাবার যোগ্যতা না আছে লেখার মতো কলম-কীবোর্ড। এই গুরুতে ছোট্ট ছোট্ট ফুট-ই ঠিকাছে।
  • শ্রীমতী অপালা | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০২559076
  • জীবন থাকলে সমস্যা তো থাকবেই। কিন্তু মাঝেমধ্যে সমস্যা এত বেশি হয়ে যায় যে কী করা উচিত বুঝে উঠতে পারি না। সে সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে উঠতে আমাদের নাজেহাল হতে হয়। অনেক চেষ্টা করেও কোনও সমাধান পাওয়া যায় না। হেঁশেলের কিছু উপাদান দিয়েই সে সমস্ত টোটকা করা যায়। তবে অবশ্যই উপায়গুলো সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে।
     
    পাকা তেঁতুল: প্রায় সব বাড়িতেই পাকা তেঁতুল থাকে। সেই তেঁতুলের একটা বীজ সব সময় নিজের কাছে রাখুন। এর ফলে শত্রুরা চেয়েও আপনার ক্ষতি করতে পারবে না।
     
    হিং: হিং শুধুমাত্র খাবারে স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, বাস্তুর সমস্যা মেটাতেও কাজে আসে। বাড়ি থেকে সমস্ত প্রকার নেগেটিভ শক্তি দূর করতে প্রতি দিন ঘর মোছার জলে হিং দিয়ে ঘর মুছুন।
     
    মৌরি: দাম্পত্যকলহ থেকে মুক্তি পেতে কাচের বাটিতে ভর্তি করে মৌরি নিজেদের শোয়ার ঘরে রেখে দিন।
     
    গোটা ধনে: টাকাপয়সা জলের মতো খরচ হচ্ছে? সে ক্ষেত্রে একটা লাল কাপড়ে কিছুটা গোটা ধনে বেঁধে টাকা রাখার জায়গায় রেখে দিন।
     
    গুড়: চাকরি পেতে সমস্যা হচ্ছে? সে ক্ষেত্রে প্রতি বৃহস্পতিবার গরুকে গুড় খাওয়ান।
  • Qstn | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫৪559075
  • ফুটিচারসাহেব কি সদ্য অসীমা চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কিছু লিখেছেন পুজোতে?
  • r2h | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৬:০৭559074
    • :|: | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ১০:৫১
    • ... গুরুতে কি নিজের লেখা বই দত্তক নেওয়া যায়?
     
    তা যায় না। যায় না মানে জাবেদা খাতায় লেখা কিছু নেই, তবে নেওয়া হয় না। প্রস্তাবটা আছে, প্রতিবারই ভাবনা চিন্তা হয়, কিন্তু তারপর আর এগুনো হয়নি কখনো। তবে আবার ধরুন এই যে আমার বই বেরুলো, তার দত্তক নিলেন অরণ্যদা, শুচিস্মিতা, হীরেনবাবু, সুমনদা, ইমানুলদা। তো ঐখানে স্বজনপোষনজনিত একটা সুযোগ আমি পেয়ে গেলাম, সবাই এত দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুলোক। না হলে আমার বই কে-ই বা দত্তক নিত।
    ভাবলে অবাক লাগে, কত কাল হয়ে গেল।

    তবে কিনা নিজের পয়সায় বই ছাপানো নিয়ে অত নাক করেন কেন? রবিবাবুর কথা স্মরণ করুন না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত