এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সবজান্তা সৈকত | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৩558561
  • হিহি, অরিনকে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না!
  • . | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫০558560
  • আপনারা সাঁকো কেন "না নাড়াতে" বলছেন?
  • হেঁয়ালি | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৭:০২558559
  • যৌথ তালিকায় থাকা মানে রাজ্যের ওপর ছড়ি ঘোরানো না। পুরুলিয়ার বা আলিপুরদুয়ারের কোনো মেয়ে যদি নীলরতনে ভর্তি হতে চায় তাকে আরও কুড়ি লাখ ছেলেমেয়ের সঙ্গে নিটে বসার যুক্তি কী? ডিনোমিনেটর বাড়লে ছাত্র অভিভাবকের হয়রানি তো বেড়ে যাওয়ার কথা যেহেতু সিটের প্রোবাবিলিটি কমে যাবে।
  • তরমুজ | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৩১558558
  • সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারিকরনের এই প্রক্রিয়ায় স্কুল ক্ষেত্রে ইতি মধ্যেই কাম তামাম হয়ে গেছে। আর কলেজ গুলোরও কাম তামাম করার কাজ চলছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল প্লেসমেন্ট। সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কোনো মেধাবী ছাত্রকে 70 - 80 হাজার টাকা বেতন দিয়ে জয়েন করানোর চেয়ে বেসরকারি কলেজ থেকে 20 - 30 হাজার টাকা দিয়ে জয়েন করাতে তারা বেশি আগ্রহি। আর উপরের দিকের দু একটা পজিশনের জন্য আইআইটি কটা থাকলেই হবে। বাকিরা সব কুলিগিরি করবে। এটাই এই শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব সত্য। যা পুঁজিপতিরা চাপিয়ে দিচ্ছে।
  • তরমুজ | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৫০558557
  • //সব মিলিয়ে ছবিটা যা তাতে এই পরিস্থিতিতে রাজ্য তালিকায় শিক্ষা এলে কোন বাস্তব সমস্যার সমাধান হবে? সেটাই বুঝতে চাইছি। একটু কেউ বলবেন?//
     
    প্রথমে একটা বিষয়কে ভালো করে বুঝতে হবে। এই জেন জি আন্দোলন কোন শিক্ষা বা আদর্শকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেনি। এর মূলে রয়েছে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়। এবং এটা কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক বিপর্যয়। তাই পুরো দেশেই আন্দোলন ছড়াচ্ছে। এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় যদি না হত, তাহলে ইতিহাস থেকে আকবরকে সরিয়ে দেওয়া হোক বা গান্ধিকে, তাতে কিছুই হত না। দেশের বেশির ভাগ অংশের মানুষের কাছে বিষয়গুলি অপ্রাসঙ্গিক। এবং বর্তমান ভোট বাক্সে এর কোনো প্রভার পড়ে না। বারো বছর ধরে মোদি সরকারের অপদার্থতা, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়, যার বহিঃপ্রকাশ হতে দেওয়া হয়নি। সেটাই আগ্নেয়গিরির মত বেরোচ্ছে। এবং এটা হওয়ারই ছিল, দুদিন আগে আর দুদিন পরে। কারন ভুল তথ্য প্রকাশ করা যায়, অপদার্থতা অস্বীকার করা যায়, মিডিয়া কিনে নেওয়া যায়। কিন্তু মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে তো পাল্টানো যায় না। আর এই বিপর্যস্ত মানুষগুলি হল দেশের 95% মানুষ। এরাই অগ্নিবীর হয়ে চার বছরের কন্ট্রাক্টে ভারতীয় সেনায় সেবা করছে। সুতরাং শাসক যতই শক্তিশালী ও ফ্যাসিস্ট হোক না কেন। দেশের 95% মানুষ ভালো না থাকলে সেই দেশের ক্ষমতায় শাসক থাকতে পারে না। কারন মানুষ নিয়েই দেশ। সেজন্য ফ্যাসিজমের প্রথম ধাপ হল পপুলিস্ট রাজনীতি। যে যায়গায় মোদি শাহের ভুল হয়ে গেছে।
     
    আর শিক্ষার কথা বলতে গেলে ভারতের 99% মানুষ শিক্ষাকে অর্থনীতির বাইরের কোনো বিষয় ভাবে না। যে শিক্ষা রোজগার দিতে পারে না সেই শিক্ষা তাদের কাছে গুরুত্বহীন। যে ছেলেটা বিটেক পাশ করে ডেলিভারি বয়ের কাজ করছে, সেই ছেলেটার কাছে বিটেক ডিগ্রি গুরুত্বহীন। সেজন্য সমস্যাটা সিলেবাসের নয়। সমস্যাটা হল ফান্ডিং, দুর্নীতি, ভাষা, এবং বেসরকারিকরনের। .... রাজ্যে কেন্দ্রীয় বোর্ডের কটা সরকারী স্কুল আছে? সরকারি স্কুলের ফান্ডিং এর অবস্থা কী? গত বারো বছরে দেশে 40% থেকে 50% মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে সরকারী কর্মচারিদের ডিএ তো বেড়েছে। কিন্তু স্কুল ফান্ডিং কত বেড়েছে? শিক্ষকদের বেতন বাদ দিয়ে। কারন ফান্ডের অর্থ দিয়েই তো দ্রব্য সামগ্রি কিনতে হবে। যা স্কুলের কাজে ব্যবহার করা হবে। যে দ্রব্যের দাম বেড়ে গেছে। .... এছাড়া বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষার একটা গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় ভাষায় শিক্ষা দিলে বিজ্ঞান শিক্ষার বেশি অগ্রগতি হয়। ..... আরেকটা সমস্যা হল বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি ঠেলে দেওয়া। প্রথমত অনেক টাকা খরচ করে বেসরকারি স্কুল কলেজে পড়ে যারা নুন্যতম টাকার চাকরি পাচ্ছে না। তারা নিজেদের প্রতারিত মনে করছে। যেটা অর্থনৈতিক সমস্যা। তার সাথে অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ও শিক্ষকের মান অতিব জঘণ্য। বর্তমানে দেশে সরকারি বনাম বেসরকারি শিক্ষক ও শিক্ষার মান বিশ্লেষন করতে গেলে, সরকারি শিক্ষক ও শিক্ষার মান বেসরকারি শিক্ষার মানের চেয়ে এখনো অনেক ভালো। যদিও আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে। এবং বেসরকারি স্কুলে পড়ে শিক্ষিত হয়ে, আবার বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করার মাধ্যমে শিক্ষার ক্রম-অবনতি হয়েছে। ..... সুতরাং শিক্ষা ক্ষেত্রে সমস্যাটা হল ফান্ড, দুর্নীতি এবং বেসরকারিকরনের।
  • Manali Moulik | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩৬558556
  • আমাদের কন্সটিটিউশনে
  • Manali Moulik | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩৫558555
  • //সব মিলিয়ে ছবিটা যা তাতে এই পরিস্থিতিতে রাজ্য তালিকায় শিক্ষা এলে কোন বাস্তব সমস্যার সমাধান হবে? সেটাই বুঝতে চাইছি। একটু কেউ বলবেন?//
     
     
     
     
    আমার এখানে হয়তো বলাটা উচিত হবে না তবু বলছি। শিক্ষা তালিকা অনুযায়ী আমার কন্সটিটিউশনে এটা।চ্ছে যুগ্ম তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এবার কেন্দ্রীয় প্রভাব অবশ‍্যই শিক্ষায় বেশী কারণ অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা চান যেকোনোভাবে CBSE board এ পড়তে দিতে। রাজ‍্যগুলির বিষয় সংবিধান যেহেতু ফেডেরাল ষ্ট্রাকচার অনুসরণ করে, তাই এর ইতিহাস, কৃষ্টি, সভ‍্যতা ও বিভিন্ন বিষয় সংযুক্ত করে আলোচনায় রাখা যায়। কিন্ত সেই federalism with unitary bias থেকেই যায়। এবার সম্প্রতি মাতৃভাষায় শিক্ষা নিয়ে যা বলা হচ্ছে, সেগুলি বলবৎ করতে হয়তো রাজ‍্যতালিকায় আনা হতে পারে। তাতেও বলবো 80% লোকজন কেন্দ্রীয় বোর্ডে যাবে। কারণ একটা প্রথাগত ধারণা আমি দেখেছি (ইভেন নিজের পরিবারের মধ‍্যেও) "বাংলা ফাংলা কোথাও কাজে লাগে না।" এবার অধিকাংশ রাজ‍্যে এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তাই ইতিহাস বা রাষ্ট্রবিজ্ঞন যদি বিকৃত করতে হয় তাতে কেন্দ্র বা রাজ‍্যের পার্থক‍্য থাকার কথা না। আগেও বিকৃতি হয়েছে। পিসিমা কবে সর্ষেখেতে বীজ ছড়ালেন, মদনভস্মের পূর্বে ও পরে কী কী ঘাসফুলের পঞ্চশর এসেছিলো এসব ক্লাস এইটের বইটার লাষ্ট চ‍্যাপটারকে অখাদ‍্যে পর্যবসিত করেছিলো। ওটা আমরা জাষ্ট চোখ বুলিয়ে যেতাম, একটা রাজনৈতিক ইতিহাস হিসাবে পড়তে হতো কিন্তু ওর থেকে তেমন প্রশ্নও আসে না কোনো দরকারও নেই। তো এই হচ্ছে ব‍্যাপার। ক্ষমতা কাঠামোর ছায়া শিক্ষাকে অলওয়েজ গ্রাস করে। এবার যুগ্ম তালিকার যেকোনো বিষয় নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ‍্যে ক‍্যাচাল লাগলে সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রের মতই প্রযোজ‍্য হয়। রাজ‍্য তালিকায় এনে যদি মাতৃভাষায় শিক্ষা সত‍্যি করা যায় আন্তরিক অভিনন্দন। তবে শিক্ষার মানটা খেয়াল রাখতে হবে।
  • MP | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:১২558553
  • মানালী আপনার গ্রুপ প্রোজেক্ট নিয়েও কিছু শুনবার ইচ্ছা রইলো l
  • albert banerjee | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০৪558552
  • নাম নেই | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০২yes
  • নাম নেই | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০২558551
  • সেই কোন যুগে সুভাষ, গান্ধী, বিদ্যাসাগর, কি করেছিল, বলেছিল সেই নিয়েই এরা ব্যস্ত! সবাই .. দেখ কত জানি! বর্তমান নিয়ে এদের মাথাব্যথা নেই কারন কাউকে টেক্কা দেওয়ার যাবে না!
  • Manali Moulik | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫৯558550
  • মানালিকে অভিনন্দন। আপনার টপিক কি ছিলো জিয়োপলিটিক্স এর উপরেই ?
     
     
     
     
    না। আমাদের গ্রুপ প্রোজেক্ট ছিলো কমিউনিটি পুলিশিং ও প্রণাম স্কিমের উপর। কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাষ্টের বিল্ডিং ঘুরে দেখে এসে ডেটা কালেকশন করে করে সেসব বানানো।
  • albert banerjee | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২১558549
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫৫
     
    এই বইটা আমার বাবা লিখেছে?
    আর উত্তর টা দেওয়া হয়েছে একটা বিশেষ প্রশ্নের
    নাহলে শম্ভূচন্দ্র ব্যানার্জীর নাম লিখতাম
     
    অশিক্ষিত কত দেখাবো আস্তাকফিরুল্লা
  • স্বাতী রায় | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১২:২৮558548
  • আমার একটা অনুরোধ আছে। শিক্ষা পুরোপুরি রাজ্য তালিকায় আনার একটা দাবি আবার ভেসে উঠছে। তাতে কি কি সুবিধা হবে তা জানতে চাওয়ায় একজন আমাকে ক্লাস ইলেভেন এর পলিটিক্যাল সায়েন্সের বই পড়তে বলেছেন। অত ধৈর্য নেই। আর বেসিক বক্তব্য গুলো যেমন স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা নীতি তৈরি করা, ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রক্ষা করা প্রশাসনিক দায়িত্ব রাজ্যের থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও রাজ্যের থাকা উচিত এই সব কিছুটা জানি। আবার কেন্দ্র শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় নীতি, পাঠক্রম, পরীক্ষা ব্যবস্থা ইত্যাদি চালায় বলে রাজ্যের স্বায়ত্ব শাসনে ঘাটতি পরে।সত্যি কথা বলতে ছাত্র -অভিভাবকের হয়রানি কমাতে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা খুবই কাজের একশ টা পরীক্ষার একশ ধারার প্রিপারেশন এর বদলে কয়েকটা দিলেই কাজ হয়। পয়সা এনার্জি সবের সাশ্রয়। এদিকে বর্তমানে রাজ্যের যা শিক্ষার ছবি তাতে রাজ্য বোর্ডের মোটামুটি ছয় জন ছাত্র পিছু এক জন কেন্দ্রীয় বোর্ডে ( CBSE বা CISCE) পড়ে। এদিকে যুগ্ম তালিকায় থেকেও এতদিনে রাজ্যে বাংলা শিক্ষা বাধ্যতা মুলক করা যায় না। সিলেবাস সর্বত্র ক্রমেই রাজনীতিকরণের অস্ত্র হয়ে উঠছে।

    সব মিলিয়ে ছবিটা যা তাতে এই পরিস্থিতিতে রাজ্য তালিকায় শিক্ষা এলে কোন বাস্তব সমস্যার সমাধান হবে? সেটাই বুঝতে চাইছি। একটু কেউ বলবেন?
     
  • Ranjan Roy | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩০558547
  • অনেক অনেক ধন্যবাদ, রমিত !
  • MP | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:০৮558546
  • মানালিকে অভিনন্দন। আপনার টপিক কি ছিলো জিয়োপলিটিক্স এর উপরেই ?
  • অরিন | ০৫ আগস্ট ২০২৬ ০৮:৩৭558545
  • বাঙালি কমিক আর্টিস্ট চার্বাক দীপ্ত'র লেখা "লুবলু'র পৃথিবী" ২০২৬ এর Eisner Award (comics এর দুনিয়ায় অস্কারের মত), এর জন্য মনোনীত হয়েছে, একটি পুরস্কারও পেয়েছে
     
     
    নীচের লিঙ্কে ক্লিক করলে কিছুটা পড়তেও পারবেন,
     
  • Ranjan Roy | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৪558543
  • একটা অনুরোধ।
    গুরুতে "গরীবের অর্থশাস্ত্রঃ একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া" নাম দিয়ে অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জি ও এস্থার ডাফলো'র 'পুয়োর ইকনমিক্স' বইয়ের একটা সংক্ষিপ্ত রিভিউ লিখেছিলেম। এখন হারিয়ে ফেলেছি।
     
    কেউ কি তুলে দিতে পারবেন?
    একটু দরকার ছিল।
  • . | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:৪৩558542
  • congratulations! @মানালি
  • নীরব শ্রোতা | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪৬558541
  •  
    মানালিকে অভিনন্দন।
     
     
    ইসে, প্রশ্ন একটাঃ মনে হচ্ছে সেখানে তো সবাই জেঞ্জিরাই ছিল, সেক্ষেত্রে তো জেঞ্জিরাই কেবল জিতবে!
     
    নাকি বুরবকের মত প্রশ্ন হয়ে গেল!
  • Manali Moulik | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪১558540
  • জেঞ্জির জয় !!!
     
    শেষ ও চরমতম প্রেজেন্টেশনের দিন ক‍্যালকাটা পুলিশ ল ইন্সটিটিউশনে যদুবংশীয়দের জয়জয়কার !
    বেষ্ট স্পিকার আরো তিনজনের সঙ্গে অধম (IR !! IR!!)
     
    পরিশ্রম সফল হো গ‍্যয়া !
  • অরিন | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৬:০৬558539
  • @lcm,
    "তাই, দিনের শেষে প্রামাণ্য বই নিজে পড়ে জানার বিকল্প অবস্থায় এখনও এআই আসে নি, মানে এখনও অবধি সেই নির্ভরযোগ্যতার জায়গায় এআই নেই, তবে ভবিষ্যতে হবে নিশ্চয়ই ..."
     
    সহমত
     
    যদিও এআই এর hallucination এর সমস্যা আছে, ইদানীং frontier বা retrieval augmented generation (RAG) মডেলগুলো যেহেতু সরাসরি ওয়েব access করে, সেই কারণে হ‍্যালুসিনেশনের সমস্যা আগের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম। বিশেষ করে ল‍্যাংচেন বা ঐ ধরণের এজেনটিক এআই হয়ে আরেকটু সুবিধা হয়েছে। নতুন মডেলগুলো যেমন জেমিনি, Claude, Deepseek, হালের kimi k3 বেশ ভাল দেখছি।
     
    তবে ঐ আর কি। সবসময়েই এ আই কে বিশ্বাস করার আগে যাচিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন আছে।
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৪৬558538
  • //বিসি ডাট-এর মেমোয়ার্সটা পড়লেই তো হয়। মিউটিনি অফ দি ইনোসেন্টস।//
     
    পড়া আছে এবং সেটা অস্বীকারও করছি না। কিন্তু এখানে আলোচনার বিষয়বস্তু ওটা ছিল না।
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৩৮558537
  • @lcm, সহমত। এআই ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হল টাইপিং এর জন্য সময় নষ্ট না হওয়া। তবে নিজের ভার্সনের সাথে যদি এআই ভার্সন না মেলে, সেক্ষেত্রে পোস্ট করি না।
  • lcm | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৩২558536
  • এআই নিয়ে একটু সাবধানে ... উইকিপেডিয়া চলেবেল ...
     
    উইকিপেডিয়ায় যে কোনো সাধারণ ইউজার অ্যাকাউন্ট খুলে আপডেট করতে পারেন... যেমন ধরুন, আপনি নেতাজির উইকি পেজে গিয়ে একটা চেঞ্জ রিকোয়েস্ট করলেন, যে নেতাজি এখনও বেঁচে আছেন এবং তালতলার মোড়ে ওনাকে দেখা গেছে... এবার এই চেঞ্জ রিকোয়েস্ট জমা দেবার পর অন্য একটা গ্রুপ এই চেঞ্জ রিভিউ করবে.. যদি এটা অ্যাপ্রুভ হয়েও যায়, অন্য একজন এই তথ্যকে চ্যালেঞ্জ করে মুছে দেবার আবেদন করতে পারেন... এবং এই তথ্য মুছেও দেওয়া হতে পারে, যদি মুছে নাও দেয়, কোনো তথ্য যদি বিতর্কিত হয়, তারও একটা ইঙ্গিত উইকিতে দেওয়া থাকে ...

    এআই এর লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের পিছনের ডেটা বিভিন্ন জায়্গা থেকে নেওয়া... এরা কেউই ঠিকভাবে বলতে চায় না কীভাবে ইনফর্মেশন কম্পাইল করছে কারণ সেটা ​​​​​​​হল ​​​​​​​এদের ​​​​​​​ট্রেড ​​​​​​​সিক্রেট... মাঝে মাঝে উত্তরের শেষে অন্য সাইটের কিছু লিংক দেয় বটে কিন্তু সেখানে গেলে অনেক সময় দেখা যায় যে বিশেষ তথ্যটি নিয়ে আপনার ডাউট আছে সেটি সেখানে নেই... এর কারণ হল, এদের অনেক তথ্যই এসেছে বই স্ক্যান করে, নিউজ পেপার আর্কাইভ থেকে, লাইব্রেরি থেকে এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে (আজকাল অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন অফিসিয়াল মাস কমিউনিকেশনের জন্য) - এসব কিছুর লিংক নেই ​​​​​​​বা ​​​​​​​লিগ্যাল ​​​​​​​কারণে দেয় ​​​​​​​না​​​​​​​ ... প্লাস এই বিপুল পরিমাণ মেটিরিয়াল স্ক্যান করার ব্যাপারটা নিয়ে লিগাল কমপ্লিকেশন আছে ... অনেক মামলা অলরেডি শুরু হয়েছে ...

    তাই, দিনের শেষে প্রামাণ্য বই নিজে পড়ে জানার বিকল্প অবস্থায় এখনও এআই আসে নি, মানে এখনও অবধি সেই নির্ভরযোগ্যতার জায়গায় এআই নেই, তবে ভবিষ্যতে হবে নিশ্চয়ই ...

    তো, এই হল ব্যাপার ...

    এআই সংক্রান্ত মামলা নিয়ে --

    Over 70 major copyright lawsuits target generative AI companies globally, challenging unauthorized data scraping for model training, output generation and sometimes leading to straight copyright violation.

    মোটামুটি ৭০টা কেসের মধ্যে হয় প্রোফাইল কেস হিসেবে খবরে এসেছে -
    A federal judge granted final approval for Anthropic's $1.5 billion class-action copyright settlement with authors and book publishers, marking the largest payout in U.S. copyright history. The agreement resolves allegations that the AI lab used millions of pirated books from online shadow libraries to train its Claude AI models.

    আর এআই এর হ্যালুসিনেশন নিয়ে ... প্রভূত ঝামেলা ...
    AI engine hallucination lawsuits and court sanctions typically involve lawyers or litigants submitting court briefs containing fabricated data, fake quotes or misquoted statutes generated by artificial intelligence tools like ChatGPT or CoPilot or Claude. Courts globally treat unverified AI submissions as professional misconduct, handing down heavy monetary penalties and disciplinary referrals.

    এখানে একটা ডেটাবেস আছে এআই হ্যালুসিনেশন রিলেটেড কেস নিয়ে
    https://www.damiencharlotin.com/hallucinations/

    বিভিন্ন কারণে কিছুদিন আসা হয় নি এদিকে... এআই নিয়ে কথা হচ্ছে দেখে ভাবলুম দু পয়সা দিয়েই দিই ...
  • xyz | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৩০558535
  • বিসি ডাট-এর মেমোয়ার্সটা পড়লেই তো হয়। মিউটিনি অফ দি ইনোসেন্টস।
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৫:২২558534
  • অমিতাভ রায়চৌধুরী- রিপোর্ট- নিউজক্লিক

    "A rating who had forgotten to hide a bottle of gum in a rush was arrested on the wee hours of December 1, 1945. His name was Balai Chandra Dutt. When the sentries took him for interrogation, he shouted: "I am ready to face the firing squad." An infuriated commander of HMIS Talwar, FM King, later called the revolting naval ratings "sons of coolies and bitches”, which inflamed the situation further. As the news of Dutt's arrest spread the next day through the morning newspapers, there was uproar across the Bombay city with people coming out on the streets to protest. This arrest was a trigger for the week-long Royal Indian Navy (RIN) revolt that occurred 75 years ago, starting February 18, 1946.

    December 1945 onwards, the ratings from the HMIS Talwar and the shore establishment Castle Barracks, who were already inspired by the role of the Indian National Army (INA) led by Subhash Chandra Bose, went around Bombay in lorries, waving the Congress tricolour and the Red Flag of the then undivided Communist Party of India (CPI), and got into scraps with Europeans and police officers who tried to confront them. People looted and ransacked British shops, a situation that continued for several days. As tension mounted, Dutt was released after 17 days. He returned to the barracks to plan out a full-scale mutiny."

    এই অংশটির বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো:
    "১৯৪৫ সালের ডিসেম্বর থেকে, 'এইচ.এম.আই.এস. তালওয়ার' (HMIS Talwar) এবং উপকূলীয় আস্তানা 'ক্যাসল ব্যারাকস'-এর নৌসেনারা (ratings)—যারা ইতিমধ্যেই সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন আজাদ হিন্দ ফৌজের (INA) ভূমিকায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন—তারা লরিতে করে বোম্বাই শহর ঘুরে বেড়াতে থাকেন। তারা কংগ্রেসের তেরঙা পতাকা এবং তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (CPI) লাল পতাকা নাড়াচ্ছিলেন এবং তাদের মুখোমুখি হওয়া ইউরোপীয় ও পুলিশ অফিসারদের সাথে হাতাহাতি বা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছিলেন। সাধারণ মানুষ ব্রিটিশদের দোকানপাটে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায়, যা বেশ কয়েক দিন ধরে অব্যাহত ছিল। উত্তেজনা বাড়তে থাকায়, ১৭ দিন পর দত্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। ব্যারাক-এ ফিরে এসে তিনি এক পূর্ণাঙ্গ বিদ্রোহের পরিকল্পনা করতে শুরু করেন।"
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩০558532
  • @একক, ওসব বলবেন না প্লিজ। তবে জিগানোর হলে ফেসবুকের মেসেঞ্জারে জিগাতে পারেন। গুরুতে জিগালে চোখে পড়ার সম্ভাবনা কম।
     
    আপনার কাজের জন্য আগাম শুভেচ্ছা রইল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত