এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

  • অথ: কুক্কুট - ডিম্ব সংবাদ।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | ১৪ জুন ২০২৬ | ৩৭৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • অথ : কুক্কুট ডিম্ব সংবাদ।

    দিন কয়েক হলো বাজারে ডিমের দাম ভয়ানক বেড়ে গেছে। অবশ্য কেবল ডিমের ওপরে উষ্মা প্রকাশ করা কেন? বাজারে সবকিছুই এখন অগ্নিমূল্য। ডিমের দাম এমন উর্দ্ধমুখী কেন? - একথা পাড়ার দোকানী শঙ্করকে জিজ্ঞেস করতেই, সে আমার দিকে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে একগাল হেসে জবাব দিলো – কেন, মাস্টারমশাই আপনি জানেন না? এখন তো বাতিল ন্যাতাদের,পাবলিক ডিম ছুঁড়েই বরণ করছে। আমিও কিছু বাড়তি মাল এজন্য তুলে রেখেছি। বলা যায়না,কখন তেমন কাস্টমার এসে হাজির হয়!” মুখে কিছু না বললেও মনে মনে বলি – ভগবান, এই সংস্কৃতি যত দ্রুত বাতিল হয় তত মঙ্গল।

    ডিম নিয়ে এমন বিস্মৃতির আড়ালে লুকিয়ে পড়া এক সুখস্মৃতির কথা বরং বলি। সেই কবেকার কথা! যে সময়ের কথা বলবো বলে বসেছি সেই সময় পেরিয়ে গেছে কত কত বছরের পার। আমরা তখন নাবালক। বাড়িতে ডিম এলেও একালের মতো ডজন ডজন মুরগির ডিম আসার চল ছিলোনা। তাই বাজার থেকে হাঁসের ডিম আনা হতো প্রয়োজন মতো। এখানেই কিন্তু গপ্পো শেষ নয়। এরপরেই তা শুরু হবে। মা ডিম সেদ্ধ করে হয়তো বলেছেন – “এগুলোর খোসা ছাড়িয়ে রাখ।” যেমন বলা তেমন‌ই কাজ শুরু। মেঝেতে ডিমগুলোকে একটু ঠুকে নিয়ে কচি কচি আঙ্গুল দিয়ে তার খোসা ছাড়িয়ে নেবার কাজে লেগে পড়ি ঝটপট। আমাকে ওভাবে এনগেজড হতে দেখে আমার সব্ববিদ্যা পটিয়সী ভগিনীও গুটিগুটি পায়ে অকুস্থলে এসে হাজির। ডিমের পাত্রে একবার নজর বুলিয়েই তাঁর প্রশ্ন – “হ্যাঁরে দাদা! আমরা খাইয়ে হলাম পাঁচ জন, অথচ মা ডিম সেদ্ধ করেছে মাত্র তিনটে! কেনরে ? বাড়িতে আর ডিম নেই?” এতক্ষণে তাঁর গোবদ্ধন দাদার হুঁশ হয়েছে। “ সত্যিই তো খাইয়ে হলাম আমরা পাঁচ জন, অথচ মাত্র তিনটি ডিম সেদ্ধ করেছে মা! কেন?” অংকে আমি বরাবরই কাঁচা রয়ে গেলাম।

    ডিমের খোসা ছাড়ানো হয়ে গেছে। এবার মা কে খবর দেওয়া। হাতের টুকটাক কাজ সেরে মা এলেন রান্নাঘরে। পিঁড়িতে বেশ জুৎ করে বসে হাত বাড়ালেন মিটশেফের দিকে।
    সেখানে পেরেকের সঙ্গে টাঙিয়ে রাখা একটা ফিনফিনে সুতো। সেই সুতোর একটা দিক পায়ের আঙুলে পেঁচিয়ে নিয়ে, অন্য মাথাটা বাঁ হাতের আঙ্গুলের সঙ্গে জড়িয়ে বেশ টানটান করে নিলেন - যেন এক ইমপ্রোভাইজড করাত।এবারে ডানহাতে একটা করে ডিম তুলে নিয়ে সেই সুতো করাতের ওপর আলতো করে চেপে ধরতেই ডিমগুলো ডিডিং ফাঁক - দু টুকরো। এই দৃশ্য দেখে আমরা যুগপৎ বিস্মিত ও মর্মাহত।

    একালের -সানডে ইয়া মানডে / রোজ খাও আনডে বিজ্ঞাপন মুখরিত সময়ে, সেইসব অন্তরঙ্গ যাপনের মুহুর্তগুলোকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না, খোঁজ করেও লাভ নেই। আধখানা ডিমের কাহিনি আমরা নাবালক কায়া ছেড়ে সাবালক হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সময়ের ধূসর মলাটের নিচে সেই কবে চাপা পড়ে গেছে! সেই সময়টা ছিল ভাগ করে নেবার সময়।এখন সময় কেড়ে নেবার। ভাগ করে খাবার মধ্যে লুকিয়ে ছিল এক সহ যাপন,সম যাপনের শিক্ষা। সেই শিক্ষার মর্মবাণী আজ‌ও হৃদয়ে বয়ে নিয়ে চলেছি সঙ্গোপনে। কার পাতের ডিম ছোট আর কারবা পাতে বড়ো ডিম পড়েছে তাই নিয়ে আর মন কষাকষি হয়না। মা যেদিন খাবার থালায় একটা গোটা ডিম তুলে দিলেন সেদিন বুঝেছিলাম আমরা সাবালক হয়ে উঠলাম। আধখানা ডিমকে নিয়ে মনে যে টানাপোড়েন চলতো তার অবসান ঘটলো।

    তবে তা বলে বিবাদ বিসম্বাদ নেই,সব উবে গিয়েছে তেমন‌ও যে নয়। এই তো ডিম কিনতে গিয়ে দোকানে যেতেই দেখা হয়ে যায় নির্মল দার সঙ্গে। নির্মল দা আমার প্রতিবেশী, একটু গোলগাল চেহারা, নির্বিরোধী মানুষ। দোকানে যেতেই দেখি তাঁর সঙ্গে দোকানী শঙ্করের বেশ চড়া সুরে বাগবিতণ্ডা চলছে। নির্মল দা সুর চড়িয়ে শঙ্করকে প্রায় শাসাচ্ছেন যেন – “এতো চড়া দামে ডিম বিক্রি করছো, অথচ তাদের সাইজ দেখেছো? আমি তোমাকে মুরগির ডিম দিতে বলেছিলাম, আর তুমি আমাকে টিকটিকির ডিম ধরিয়ে দিয়েছো! কি তাদের সাইজ! আজ যেন বড়ো বড়ো ডিম হয়। নাহলে….! “--আমাকে দেখে নির্মল দা ওই তুঙ্গ অবস্থা থেকে যেন একটু ব্রেক কষে থমকে গেলেন – “আরে মাস্টারমশাই! আপনিই এর বিচার করে দিন তো! এই ছোট্ট ছোট্ট টিকটিকির ডিমের মতো ডিম! সে কথা বলতেই বলে – এই গরমে ডিম সাইজে ছোট‌ই হবে। এটা কোনো যুক্তির কথা হলো। আপনি এর একটা বিহিত করে দিন।” ক্রেতা হিসেবে দোকানে এসে, শেষে বিচারক হতে হবে বলে তো কখনও মনে হয় নি। যাইহোক ভার যখন পেয়েছি, তখন আর পিছিয়ে যাওয়া চলেনা। আমি দুপক্ষের মধ্যে একটা মান্য যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করি।

    “গরমকালে ডিম সাইজে একটু ছোট হয়ে যায় – একথা আমরা সবাই সেই কবে থেকে শুনে আসছি। তবে এ জন্য যদি হাঁস মুরগির ডিম ছোট হয়ে টিকটিকির ডিম হয়ে যায়, তাহলে সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। আমরা সবাই জানি যে এই মুহূর্তে পৃথিবী উষ্ণায়নের কবলে ত্রস্ত হয়ে আছে। এই পরিবর্তনের ফলে হাঁস - মুরগির ডিম আকারেই যে শুধু ছোট হয়ে গেছে তা নয়, ডিমের খোলগুলো‌ও বেশ নরম, দুর্বল হয়ে পড়েছে।” আমার এই কথা মনপসন্দ না হ‌ওয়ায় নির্মল দা আমার দিকে কটমট করে তাকাতেই আমি আমার কথা আবার চালু করে দিই।
    “ পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষদের মতে ডিম পাড়া মুরগিরা ১৯ -২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সবথেকে বড়োসড়ো মাপের ডিম পাড়ে। তাপমাত্রা এর থেকে যত বাড়তে থাকে তত ডিমের সাইজ কমতে থাকে। আসলে গরম বেড়ে যাওয়ায় পাখিরা এক ধরনের স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ অনুভব করে। ঠিক আমাদের মতো। এরফলে তাদের স্বাভাবিক ফিজিওলজিক্যাল কার্যক্ষমতা ব্যাহত হয় এবং ডিম পাড়ার সামর্থ্য কমে আসে।” – এই ব‌্যাখ্যা নির্মল দা আর শঙ্কর দুজনের‌ই বেশ পছন্দ হয়। বেশ বুঝদারের মতো দুজনেই পরস্পর পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ায়। আমার সালিশি ঠিক পথেই চলছে দেখে আমি বাকি কথা বলে ফেলার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠি।

    “আসলে মুরগিরা আমাদের মতো ঘাম ঝরাতে পারেনা। পারলে সহজেই নিজেদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে নিতে পারতো, তাহলেই স্ট্রেস দিব্যি কমে যেত। সেক্ষেত্রে ওরা কী করে? খানিকটা সময় ধরে দৌড়াদৌড়ি করলে আমরা যেমন হাঁপিয়ে গিয়ে ঘন ঘন শ্বাস নিয়ে থাকি এই খামারে থাকা লেয়ার মুরগিরা ঘন ঘন শ্বাস নিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করে। তবে যখন টানা গরমের দাপট চলে, যেমন এখন চলছে,এই কায়দাটা তেমন কাজে আসে না। এই কারণে মুরগিদের স্বাস্থ্য খারাপ হয় এবং খুব ভালো মানের ডিম উৎপাদনে ভাটা পড়ে।”

    অনেক গুরুগম্ভীর কথা বলে বেশ হাঁপিয়ে উঠি। দুই বুড়ো আর এক আধ বুড়োর আলাপচারিতা শুনতে আমাদের ঘিরে একটা ছোটোখাটো ভিড় জমে উঠেছে। সকলের মনে এক‌ই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে – “কি এমন হলো যে সাতসকালেই এমন তিন্নাথের আসর বসাতে হলো?” শঙ্করের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তার গিন্নি অন্নপূর্ণা এসে দোকানের হাল সামলাতে শুরু করেছে। সে তো জানে কেবল কথায় চিড়ে ভিজবে না। কারবারটাও যে ঠিকঠাক সামলাতে হবে।


    আজ আর সামান্য কয়েকটা কথা বলে এই তত্ত্বকথায় ইতি টানবো। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে অতিরিক্ত গরমের সময় মুরগিদের মানসিক সহন মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে ডিমের আকার, ডিমের ওজন, ভিমের খোসার কাঠিন্য সবার ওপরে ডিমের উৎপাদন বেশ কমে যায়। এর একটা বড় কারণ হলো গরম বাড়ার সঙ্গে তালমিলিয়ে মুরগির শরীরে ক্যালসিয়াম মেটাবোলিজম কমে যাওয়া।

    ডিমের খোসা তৈরি হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে যা ডিম তৈরির সময় প্রায় ২০ ঘন্টা ধরে জমা হয়।গরম খুব বেশি হলে মুরগিরা বাধ্য হয় খুব দ্রুত শ্বাস নিতে।এর ফলে শরীরে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। মুরগির শরীরের এই বিশেষ অবস্থাকে বলা হয় respiratory alkalosis বা শ্বাসযন্ত্রের এ্যালকালোসিস যা শরীরের রক্তের রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তন আনে। রক্তের pH ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে।এই কারণেই ক্যালসিয়ামের জোগানে টান পড়ায় ডিমের খোসা খুব শক্তপোক্ত হতে পারে না। খোসা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা পাতলা হয় এবং সামান্য নাড়াচাড়াতেই ভেঙে যায়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন যে অতিরিক্ত গরমের দিনে ডিম পাড়ার সময় পিছিয়ে যায়। তাছাড়া ডিমের আকারেও কিছুটা পরিবর্তন ঘটতে পারে।”

    আমার কথকতা শেষ হতে না হতেই নির্মল দার পকেটে রাখা মোবাইল ফোনটা হঠাৎ জেগে ওঠে। সুইচটা অন করে কানের কাছে নিতেই ওপার থেকে সুতীব্র বামা কন্ঠ ভেসে আসে – “বলি ভিম আনতে গিয়ে কি ভিরমি খেলে না ডিমে…. দিতে বসেছো? অন্যের দাম্পত্য জীবনের একান্ত কথোপকথনে কান দিতে নেই, তাতে ফিরতি মারের ঝুঁকি আছে। আমি সেসবে বিন্দুমাত্র আগ্রহ না দেখিয়ে ডিম আর পাউরুটি নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়াই। গিন্নি আজ ব্রেকফাস্টে ফ্রেঞ্চ টোস্ট বানাবেন।


    **
    গুরুচন্ডালির শ্রদ্ধেয় লেখক শ্রী রঞ্জন রায়কে এই লেখাটি উৎসর্গ করা হলো। ভালো থাকবেন দাদা।




    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    জুন ১৩.২০২৬.







     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ১৪ জুন ২০২৬ | ৩৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন্দম | ১৪ জুন ২০২৬ ১৬:৩২741198
  • Respiratory alkalosis ডিমের খোলা পাতলা হবার একটা কারণ, আরেকটি কারণ, মুরগীর খাবারে (বা পাখির খাবারে), ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, তার আবার অন্যতম কারণ মাটিতে অতিরিক্ত কার্বন fixing।
  • সৌমেন রায় | ১৪ জুন ২০২৬ ১৭:১৫741202
  • গল্পের ছলে কিছু নূতন তথ্য জানলাম। পুরানো দিনের কথাও মনে করিয়ে দিলেন লেখক।ধন্যবাদ।
  • শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী | ১৪ জুন ২০২৬ ১৭:২৭741203
  • এতো দিন শুধুমাত্র ডিম কিনে ই ক্ষান্ত দিয়েছি। কিন্তু ডিমের আকার ছোট হ ওয়া ও সেই সঙ্গে আরো অনেক নতুন তথ্য লেখাটা পড়ে জানতে পারলাম। মাস্টার মশাই কে ধন্যবাদ।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ১৭:৪০741204
  • @ অরিন্দম
    লেখাটা যে শেষ পর্যন্ত এই চেহারা নেবে তা শুরুতে ভাবিনি। দোকান থেকে ডিম আনার পর গিন্নি সাইজ আর নরম খোলের সমস্যার কথা বলেন। সেখান থেকেই ভাবনার সূত্রপাত। মুরগির খাবারের মান নিয়ে আজকাল পোল্ট্রি কর্তারা নানান অভিযোগ করেন। খাবারেই যদি পুষ্টি মৌলের ঘাটতি থাকে তাহলে এই পরিণতি অনিবার্য।
     
    @ সৌমেন
    ফেলে আসা সময়ের ওই স্মৃতিকে এখনও আগলে রেখেছি। সুযোগ পেয়ে জুড়ে দেওয়া হলো।
     
    @ শর্মিষ্ঠা
    খালি ডিম খেলে হবে? এসব‌ও জানতি হবে।
  • অভ্রদীপ | ১৪ জুন ২০২৬ ২০:০১741211
  • মজার ছলে নস্টালজিয়া মেশানো গল্পের আঙ্গিকে একেবারেই নতুন কথা জানলাম। কোনো ধারণাই ছিলো না গ্রীষ্মে ডিম ছোটো হয়ে যাওয়ার বিষয়ে! তার কারণ সম্পর্কে এই তথ্যসমৃদ্ধ বিস্তারিত আলোচনা খুব ভালো লাগলো। অরিন্দমবাবুকেও ধন্যবাদ। ব্যবসার খাতিরে ডিমের গুণমান বজায় রাখতে সারা দেশেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পোল্ট্রির প্রসার ঘটবে আশা করি।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৪ জুন ২০২৬ ২৩:২৮741227
  • সাধে কি আর নির্মল দা আর শঙ্কর দুজনেই মাস্টারমশাইকে সালিশি মেনে ছিল? সারাদেশে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত পোল্ট্রি স্থাপন আমাদের দেশে সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। ডিমের দাম তাহলে কোথায় পৌঁছবে?
  • Barnali Banerjee | ১৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫২741242
  • ছোটবেলারকথা মনেপড়ে গেলো .
  • পৌলমী | ১৫ জুন ২০২৬ ১৭:৩৭741243
  • ডিমের এই রহস্য উদঘাটন করে লেখক আমাদের চোখ খুলে দিলেন। হাঁসের ডিম ভাগ করে খাবার গল্প মায়ের মুখে শুনেছি, তবে তখন বিশ্বাস করি নি। এখন মেনে নিতে হবে। স্মৃতিচারণ অংশটা খুব ভালো। মন ছুঁয়ে যায়।
  • বহ্নি ভট্টাচার্য | ১৫ জুন ২০২৬ ১৮:০৬741245
  • হাসির কথা,পুরনো দিনের কথার সাথে তথ্যমূলক আলোচনা... নিজের অন্যতম প্রিয় খাদ্য নিয়ে এরকম লেখা বেশ ভালো লাগলো
  • Somnath mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ২০:২৪741248
  • @ বর্ণালি, পৌলমী,বহ্নি
    আপনাদের প্রত্যেককে অনেক অনেক ধন্যবাদ। পাঁচমিশালি কথা থেকে যে যার নিজের পছন্দের অংশকে বেছে নিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো।
  • Ranjan Roy | ১৫ জুন ২০২৬ ২০:৫০741250
  • @ Somnath mukhopadhyay
     
    লেখা নিয়ে কোন কথা হবে না l
     
    কিন্তু আমাকে "श्रद्धेय" বললে খেলব না l
     
    আমি শ্রদ্ধা নয়, ভালোবাসার কাঙাল!!
  • Somnath mukhopadhyay | ১৫ জুন ২০২৬ ২১:৫০741252
  • @ রঞ্জন রায়।
    ছিপ ফেলে বসে আছি,কখন রায় দিঘীর রাঘব এসে চারে ভিড়বে। শেষমেশ প্রতীক্ষার অবসান। ভালোবাসাই দিলাম অ ফু রা ন। খেলা চলুক।আব্বুলিস বলতে হবে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন