হিন্দুত্ব - বিজেপি স্টাইল, বা বলা ভালো আরএসএস স্টাইল - বাস্তবে কী জিনিস তাই নিয়ে আগে লিখে ফেলেছি। তবে এই হিন্দুত্ব কখনওই সম্পূর্ণ হবে না যতক্ষণ না ইতিহাসকে নতুন করে লেখা হবে। একশো কোটি হিন্দুকে টুপি পরাতে গেলে তো সেইটা লাগবে, হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটিতে যে ইতিহাস পড়ানো হবে, প্রমোট করা হবে, তো সেইটা একটু বলা দরকার। এই সিরিজে এইটাই শেষ লেখা। আরএসএসের কাছে ইতিহাস প্রমাণ বা যুক্তিনির্ভর বিষয় নয়। কোনোদিনই ছিল না। ইতিহাস ওদের অস্ত্র, আর এটা শুধু আরএসএস বলে নয়, পৃথিবীর যে কোনও স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির ক্ষেত্রেই সত্যি। অরওয়েলের ১৯৮৪ যদি পড়ে থাকেন (না পড়ে থাকলে অবশ্যই পড়বেন) সেখানে দেখবেন একটা কথা ... ...
যে কথাটা কালও বলেছিলাম — ফাইনাল লড়াইয়ের সময় এসে গেছে। সেখানে আপনাকে জানতে হবে আপনার শত্রু কে।আরএসএসের মতাদর্শ নিয়ে কথা বলব, অথচ মেয়েদের সম্পর্কে মনুবাদী সঙ্ঘ পরিবারের ধ্যানধারণার কথা বলব না তা তো হয় না। বিশেষ করে রেপিস্টদের ফুল মালা দিয়ে বরণ করাটা যাদের নিত্যনৈমিত্তিক কাজ তারা সেই বিজেপি তিলোত্তমার বিচার দেবে বলে দাবী করে, নারী সুরক্ষা নিয়ে বাণী দেয় তখন বাস্তবটা সামনে আনতেই হয়। তো তাই, হিন্দুত্ব আখ্যান তৈরী সিরিজে এবারে রইলো —সঙ্ঘ পরিবারের নারীপ্রতিমা নির্মাণের কিস্সাখুব বেশিদিন আগের ঘটনা নয়, কাজেই আপনাদের মনে আছে আশা করি, ভারতের সেরা মহিলা কুস্তিগীরদের কথা; কেউ অলিম্পিকে পদকজয়ী, কেউ বা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, তারা ... ...
যুদ্ধটা শুরু হয়ে গেছে। বিজেপী বাংলা দখল করার জন্য যেভাবে অল আউট ঝাঁপিয়েছিল তাতে বোঝা যাচ্ছে এটা জাস্ট শুরু। এই যুদ্ধের জন্য সংঘের প্রস্তুতি অতি দীর্ঘকালীন। এই প্রস্তুতির হাতিয়ার ওদের স্কুলগুলো। বেনারসে বিভিন্ন ঘাটে যে আরতিগুলো হয় খেয়াল করে থাকলে দেখবেন সেগুলো করে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরা। বাচ্চা মেয়েরা সেখানে প্রদীপ জ্বালিয়ে দেয়, পা ধুইয়ে দেয় ইত্যাদি, আরতি তারা করে না। এরা সব আসে আশেপাশের গ্রামের অতি দরিদ্র ঘর থেকে। এই বাচ্চারা জানে শিখেছে সত্তরোর্ধ মানুষও ব্রাহ্মণ না হলে,।এবং তার কুল ও গোত্রীয় না হলে প্রণম্য নয়। অতি বৃদ্ধও দলিত হলে অচ্ছুৎ এবং যে কোন রকম অত্যাচারের যোগ্য। তা ওই যে যুদ্ধটার ... ...
বাংলাদেশে ইসলামিক মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে বহুদিন ধরেই, তবে ৫ই আগস্টের পর তা যেন চতুর্দশ অশ্বারোহীতে চেপে হৈ হৈ করে ছেয়ে ফেলছে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরের সবটুকুকে। তবে ঘোর অমানিশা ঘনিয়ে আসার সময়েও কেউ না কেউ ঠিক জ্বেলে রাখে একটা ছোট্ট প্রদীপ। লিখে রাখে কীভাবে অন্ধকার হয়ে উঠছে গাঢ় থেকে গাঢ়তর। তেমনই এক অন্ধকার ঘনিয়ে আসার দলিল রইল লিংকে। পড়ুন, জানুন ... ...
হয়েছে কি আমার কালীতারাকে (অল্টো এলএক্সআই ) তো ডিসেম্বর মাসে বিক্রি করে দিলাম, এদিকে গাড়িতে যে ফাস্ট্যাগ স্টিকার রয়ে গেছে সেটার কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম। তাতে আবার ৫০০/- ভরাও ছিল। কিন্তু জীবন তখন এমনই ধোবিপাটে আছড়াচ্ছে আর গাড়ি বিক্রিটা এমনই দ্রুত করেছিলাম যে ফাস্ট্যাগের ব্যপারটা মাথা থেকে এক্কেবারে বেরিয়ে গেছে, হুঁশ ফিরল মার্চে যখন মোবাইলে মেসেজ এলো তোমার ফাস্ট্যাগ থেকে xx টাকা কাটা হয়েছে অমুক ... ...
হ্যাপীইজিগো, এদের সাইট আর অ্যাপ দুইই আছে। অনেকসময়ই অন্য সাইটের তুলনায় ৫০০- ৬০০ টাকা কমে টিকিট পাওয়া যায়। ২০১৯ থেকে আমি মাঝে মাঝেই কাটতাম। ২০২২এও কেটেছি, কোনও সমস্যা হয় নি। এমনকি একবার সকাল বিকেল গুলিয়ে রাত দুটোর টিকিট কেটে বসেছিলাম, সেও ওদের ফোন করে দিব্বি বদলে বিকেলের নিয়েছিলাম। গোলমাল হল ১৫ই নভেম্বর। পুণে থেকে বাগডোগরার টিকিট বুক করতে গেলে বার তিনেক পেমেন্ট ফেল হল। তখনই থামা উচিৎ ছিল কিন্তু ভাবলাম আরেকবার চেষ্টা করি। চতুর্থবারে পেমেন্ট দিব্বি গেল, ট্যাংট্যাং করে ৮৭৬৪/- টাকা কাটার ঘন্টিও বাজল ফোনে। কিন্তু টিকিট হল না। কি একটা এরর দেখিয়ে ভ্যানিশ হয়ে গেল। এত দ্রুত হল যে ... ...
রেললাইনে ছড়িয়ে থাকা হালকা পোড়াদাগওয়ালা কটি হাতরুটি, তাতে রক্তের ছিটে, এই ছবি আমাদের অনেককেই তাড়া করে ফিরেছে গত বছরের বেশ কিছুদিন। ‘পরিযায়ী শ্রমিক’, ওই যারা শতেকে হাজারে হেঁটে চলে মাইলের পর মাইল হাতে পিঠে বোঁচকা আর ঘাড়ের উপর বাচ্চাকে বসিয়ে। এমনিতে এ রাজ্যে আন্য রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক আমরা দেখে আসছি বরাবরই, কিন্তু লকডাউন বোধহয় আমাদের প্রথম দেখায় এঁদের সংখ্যার ব্যপ্তি, দুর্দশার বিস্তার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এঁরা অন্যত্র যাচ্ছেন বহুদিন। মালদা থেকে দিল্লিগামী ট্রেন ফরাক্কা এক্সপ্রেস, যাকে মালদার লোক বলেন ‘লেবার ট্রেন’, লোকবোঝাই হয়ে চলে যায় দিল্লিতে শ্রমিকের যোগান দিতে। ওইরকম আরো ট্রেন চলে যায় মুম্বাই, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, কেরালা মায় উত্তরাখন্ড ... ...
ইমতিয়ার শামীম বাংলা আকাদেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন জানালেন বন্ধু অদিতি। আমাকে ইমতিয়ার শামীমের লেখার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন অদিতিই। বন্ধু নজরুলের হাতে পাঠিয়েছিলেন 'আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিকঝিক'. সে বই শেষ করার পরের সেই অদ্ভুত বিষাদ... চিঠিযুগ শেষ হয়ে যাবার শুন্যতা... ফাঁকা প্ল্যাটফর্মে একা দাঁড়িয়ে থাকার বিষাদ... বেশ কদিন ঘিরে ছিল। এরপরে অদিতির কাছে ঘ্যানঘ্যান করে আরো কয়েকটা বই আনাই। ওঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই আমরা হেঁটেছি যারাগ্রামায়ণের ইতিকথাআত্মহত্যার সপক্ষে কখনো বৃষ্টিশেষেডানাকাটা হিমের ভেতর। অভিনন্দন প্রিয় লেখক। ... ...
করোনার জন্য ওয়ার্ক ফ্রম হোমের বৃদ্ধি আর রিয়েল এস্টেটে তার প্রভাব। ... ...