এই সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ব্যর্থ হয়েছে। একের পর এক পুজি দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। শুধু বিদেশী ইনভেস্টমেন্ট নয়, দেশীয় শিল্পপতিরাও বিনিয়োগ কমিয়ে আনছে, পুজি বিদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেরা পাঁচ ভারতীয় IT কোম্পানির বর্তমান আর্থিক বছরে, এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মোট প্রকৃত নিয়োগ হল 17 জন ( মোট নিয়োগ 25,833 - মোট ছাটাই 25,816 = 17 জন; সূত্র: Economic Times)। সাধারন মানুষের জমি আধিগ্রহণের ক্ষেত্রে, জমি অধিগ্রহণ করে, ব্যাপক শিল্পায়ন বা ম্যানুফ্যাকচারিং সেভাবে হচ্ছে না। সেখানে রিয়েল-এস্টেট, বন্দর, মাইনিং, পাওয়ার প্রযেক্ট, এই ধরনের শিল্প হচ্ছে। এই ক্ষেত্রগুলি মনোপলি গোছের। এইসব দ্রব্য বা সার্ভিস-গুলি ছাড়া, বর্তমানে আপনার আমার ... ...
আমার এ কথা কিছু উচ্চ-মধ্যবিত্ত মানুষের খুব একটা পছন্দ নাও হতে পারে। কিন্তু এটা সত্য যে কনজিউমারিজমের ভিত্তিতে তৈরি হওয়া পুজিব্যবস্থা, আজ তার শেষ মুহূর্তে এসে দাড়িয়েছে, বিজ্ঞান-সম্মত কারনেই। যা আমার আগের ব্লগ গুলোয় কিছু কিছু বিশ্লেষন করেছি। পৃথিবী আর কনজিউমারিজমের ভার নিতে পারছে না। একথা আমার-আপনার চেয়েও ভাল জানে পুজিপতিরা। আর জানে বলেই এ আসন্ন সংকট, আপনাকে আমাকে বুঝতে দেওয়া হচ্ছে না।বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বাইরে উপনিবেশ স্থাপনের কথা বলেছেন। আপনারা শিক্ষিত মানুষ, যদি কোন খবর পান যে আগামী পাচশো বছরের মধ্যে বহির্বিশ্বে উপনিবেশ স্থাপনের প্ল্যান রেডি, তো আমাকে একটু জানিয়ে দেবেন। সারা বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ... ...
বর্তমানে এক কথায় দুর্নীতি বলতে কী বোঝায়?দুর্নীতি বলতে মূলত অর্থনৈতিক দুর্নীতি বা অনৈতিক অর্থ বন্টনকে বোঝায়। অনৈতিক-ভাবে শুধু অর্থই নয়, মেধারও বন্টন হয়। এই বন্টন সম্ভব হয়, মেধার স্বীকৃতির মাধ্যমে। কয়েকটি সংস্থা যাকে বলবে মেধাবী, সেই ব্যক্তিকেই সবার মেধাবী বলে মানতে হবে। যে বিষয়ে তারা বলবে গবেষণা করতে, কেবল সেই বিষয়েই গবেষণা করতে হবে।অর্থনৈতিক দুর্নীতি, অর্থ-বন্টনের সাথে জড়িত। অর্থ সঞ্চয় করা যায় এবং পুনর্বিনিয়োগ করা যায়। অর্থ বা ফিনান্সের প্রকৃতি হল পরিমানগত। অপরদিকে মেধার প্রকৃতি হল গুণগত। যেমন একজন উচ্চ-শিক্ষিত ব্যক্তি মোটা মাইনের চাকরি করে, তার উচ্চ মেধার কারনে। অন্য দিকে একজন স্বল্প-শিক্ষিত শ্রমিক, কম বেতনে কাজ করে, তার স্বল্প ... ...
যে কোন ব্যবসার মূল লক্ষ্য মুনাফা। এই মুনাফার জন্য, গবেষণার চাইতেও বেশি প্রয়োজন হল উপভোক্তা, উৎপাদনের পরিমান ও দাম। কারন প্রতিটি উৎপাদিত দ্রব্যকেই বিক্রি করতে হবে। আর সেই কারনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সুস্থ একটি অর্থনীতির। কারন পুজিপতিদের সঞ্চয়ের মতই, জন-সাধারনেরও কিন্তু একটি সঞ্চয় বা পুজি থাকে। এবং এই সঞ্চয় তাদের জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে।মমতা ব্যানার্জী শুধু জমি আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে ক্ষমতায় এসে ছিলেন; এ কথা কিন্তু ভুল। 2011-তে ক্ষমতা পরিবর্তনের আগে, কেন্দ্রে ছিল মনমোহন সরকার, রাজ্যে বাম ফ্রন্ট। বাম আমলে শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতিকে পূরণ করার জন্যও কিন্তু এক ধরনের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল। সেই জায়গায় মমতা ... ...
সমাজে বিজ্ঞানকে আমরা মোটামুটি তিন-ভাবে প্রত্যক্ষ করে থাকি।১) বিজ্ঞান-শিক্ষা২) প্রযুক্তি৩) বিজ্ঞান সচেতনতা বা চেতনাবিজ্ঞান-শিক্ষা প্রযুক্তিতে নিয়োজিত হয়। প্রযুক্তি পণ্যে নিয়োজিত হয়। পণ্য মানুষের জীবনকে আরামপ্রদ করার কাজে নিয়োজিত হয়। অন্যভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, বিজ্ঞানের কাজ হল মানুষের জীবন-যাপনকে সুবিধাজনক ও আরামপ্রদ করে তোলা।অনেক সময় মনে হয় যদি পণ্য (দ্রব্য ও সেবা উভয়ই হতে পারে) না থাকত, তাহলে বিজ্ঞানের উপস্থিতিকে ইন্দ্রিয়গোচর করা, একটি দুরূহ বিষয় হয়ে দাড়াত। পণ্যই আমাদের জীবনকে বিজ্ঞানময় করে তোলে। আর এই মর্মে বাজার অর্থনীতিরও বিশেষ গুরুত্ব আছে।সমাজে সাহিত্য, রাজনীতি, অর্থনীতি, বানিজ্য নিয়ে চর্চা করতে গেলে, সেইসব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হওয়াটা বাধ্যতামূলক না। যেমন আমি সাহিত্যিক না হয়েও ... ...