এস আই আর : অ্যাই কাগজ রেডি কর।সিপিএম : হ্যাঁ জনগণ ঘাবড়াবেন না, কাগজ রেডি করুন।এস আই আর : অ্যাই তোরা ডিলিট আর তোরা বিচারাধীন। কেন আবার কী? আমার ইচ্ছে, তাই।সিপিএম : বিচারটা কবে হবে যদি বলেন সার দয়া করে।এস আই আর : ট্রাইব্যুনাল তৈরী হবে, ওখানে যা আবেদন-নিবেদন করবি।সিপিএম : হ্যাঁ, আপনি বলছেন যখন নিশ্চয়ই তাই-ই করব। কিন্তু ট্রাইব্যুনালগুলো বড় দূরে দূরে। একটু কাছে আনতে পারবেন সার?মোথাবাড়ির জনতা : (বিডিও অফিস ঘেরাও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মারধোর, দুজন গুরুতর আহত)সিপিএম : বিচারকদের ঘেরাও! লজ্জা! ধিক্কার! রাজ্যটা কোথায় চলে গেছে!বিজেপি : বিচারকদের ঘেরাও! লজ্জা! ধিক্কার! মোল্লাদের হাতে রাজ্যটা কোথায় চলে গেছে!তৃণমূল : ... ...
SIR এমন একটি খেলা যার নিয়ম ঠিক করে দেবে বিজেপি। প্রথম রাউন্ডে মনের মত লোকজন বাদ পড়ল না, ব্যস নিয়ম পাল্টাও, 'লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি'তে ছাঁটাই কর। লোকে ডিমনিটাইজেশন থেকে লাইনে দাঁড়িয়েই আসছে। না এল কালোধন, না এল ১৫ লাখ, এল শুধু বাঁশ। ভোটার লিস্ট থেকে ইচ্ছামত ছাঁটাইয়ের সাথে রয়েছে বিজেপির ইচ্ছামত ফর্ম ৬ দিয়ে লোক ঢোকানো। ট্রাইব্যুনালে যেতেই পারেন, কিন্তু সেসব মামলার সময়ে নিষ্পত্তি হবে, এই গোটা SIR প্রক্রিয়া দেখার পরেও যদি কারও তাই-ই মনে হয় তবে সে প্রকৃতই বিজেপি ভোটার হবার যোগ্য। বাস্তবিক, ভারতের মত দেশে, যেখানে অধিকাংশ মানুষের সম্পত্তি, শিক্ষা, স্থায়ী বাসস্থান ও কর্মক্ষেত্র নেই, সেখানে কাগজ দাবি করে ... ...
অভয়ার মা বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়াবেন বলার পর থেকে যাঁরা বুকফাটা কান্না শুরু করেছেন, তাঁদের অনেকেই আমরা যখন শুরু থেকেই বিজেপি বিরোধিতা করার কথা বলেছিলাম, আমাদের গাল পেড়েছিলেন। গুরুচণ্ডালীতেই এই নীচের থ্রেডের কমেন্টগুলো দেখে নেবেন। আর না, "আমি তো আগেই বলেছিলাম" জাহির করার জন্য এই পোস্ট নয়। আপনাদের মূর্খামি এবং ঔদ্ধত্য যে আমাদের জীবনে কত বড় বাঁশ হয়ে দাঁড়ায়, সেটা বলার জন্য। সোশ্যাল মিডিয়াতে যখন আমরা আসামে এন আর সির বিরোধিতা করছিলাম, তখন আপনারা অনেকেই অনুপ্রবেশের কান্না কাঁদছিলেন। ভারতের লোকজনের কাছে কাগজ চেয়ে যে নাগরিকত্ব প্রমাণ হ ... ...
২০২০ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন মিডিয়া পলিসি চালু করে জম্মু ও কাশ্মীর এডমিনিস্ট্রেশন। এই পলিসি অনুযায়ী, যেকোনো মিডিয়া - প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক - যা-ই পাবলিশ করুক না কেন, সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে। সরকারের যদি পছন্দ না হয়, জেলহাজত অবধি হতে পারে। ২০২২ সালে কাশ্মীরের প্রেস ক্লাব বন্ধ করে দেয় কেন্দ্র। অনেক কাশ্মীরীর ওপর ট্র্যাভেল ব্যান লাগু হয়, পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বক্তব্য রাখা, বা বাইরে গিয়ে কথা বলাও কঠিন হয়ে পড়ে অনেক কাশ্মীরীর পক্ষে। কাশ্মীরের খবর ... ...
কেন্দ্র-রাজ্যে দুই ডানপন্থী দলের উৎপাতে রাজ্যের লোকের নাভিশ্বাস। এসময়ে বামেরা কী করছেন?কলকাতা শহরে পর পর কয়েকটি বড় আন্দোলন হয়েছে - এস এস সি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলন, এন আর এসে জুনিয়র ডাক্তারদের মার খাওয়ার পরে ডাক্তার ধর্মঘট, এন আর সি বিরোধী আন্দোলন, তিলোত্তমা ধর্ষণ ও হত্যার পর জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন, এবং বর্তমানে কর্মচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলনও দানা বাঁধছে। এর মধ্যের প্রতিটিতেই বিভিন্ন বাম সংগঠন যুক্ত ছিলেন। কিন্তু, এই আন্দোলনগুলির চরিত্র, এবং বাম দলগুলির এই আন্দোলনগুলিতে ভূমিকা নিয়ে কয়েকটা জিনিস লক্ষ্যণীয় - এক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোটবড় নীতিহীনতা, এবং দুই, আর্থসামাজিকভাবে দুর্বল অংশের দাবিদাওয়াকে আন্দোলনে একেবারেই তুলে না ধরা।পশ্চিমবঙ্গে এন আর সি বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ... ...
আমরা যারা বাম আমলে সরকারী স্কুলে পড়েছি, তারা স্কুল পার করে জেনেছি, স্কুলে লাইব্রেরি থাকে, খাবার জলের ব্যবস্থা থাকে। আমরা এসব দেখিনি, বলাই বাহুল্য। কিন্তু শিক্ষাব্যবস্থার এই ধ্বসে যাওয়া চেহারা বাম আমলে ছিল না। সরকারী কলেজে ভর্তি হয়েছি, বছরে ফি দিতে হত ৯০০ টাকা। আর্টসের লোকেরা এর অর্ধেক ফি দিত। ইউনিয়ন চাঁদা চাইত ৩০০ টাকা, কোনওবছরই দিইনি। দামড়া কিছু দাদা চাইতে এলে আজ দেব কাল দেব করে কাটিয়ে দিয়েছি, ওরাও বিরক্ত হয়ে চাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। তারপর এল তৃণমূল জমানা। ছোট পিসতুতো মাসতুতো ভাইবোনেরা যখন সরকারী কলেজে ভর্তি হতে গেল, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ তোলা চাইল হাজার হাজার টাকা। এ জিনিস সত্যিই ... ...
জগু "আমাকে অপমান করা হয়েছে" ধানখড়, আমাদের রাজ্যসভার চেয়ারম্যান, নির্দেশ জারি করেছেন, সংসদ টিভিতে এখন থেকে রাজ্যসভার সম্প্রচার হবে কেবলমাত্র হিন্দিতে। এতদিন পর্যন্ত যিনি যেমন স্পিচ দিতেন তেমনই দেখানো হত, কিন্তু এখন থেকে ইংরেজি স্পিচের হিন্দি অনুবাদই কেবল শোনানো হবে, আসল স্পিচটা আর শোনানো হবে না। ঘাড় ধরে হিন্দি হজম করানোর দিকে এটা একটা বড় পদক্ষেপ। সংসদ টিভির দর্শক যত কমই হোক, সংসদীয় আলোচনার ভাষা হিসেবে হিন্দিকে দাঁড় করিয়ে ... ...
মহারাষ্ট্রে বিজেপি হুলিয়ে জিতেছে, আর ঝাড়খণ্ডে গোহারা হেরেছে। মহারাষ্ট্রে বিজেপির প্রচারের একটা বড় অংশ ছিল তাদের 'লড়কি বহিন" প্রকল্প, যাতে ২১ থেকে ৬৫ বছরের মহিলা, যাঁরা কিছু আর্থসামাজিক অবস্থার ক্রাইটেরিয়া মিট করবেন, তাঁরা মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবেন। এ হচ্ছে সেইরকমের প্রকল্প, যাকে পয়সাওয়ালা ডানপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়াতে "freebie" বলে গাল পাড়েন, যে গাল আজকাল পশ্চিমবঙ্গের ট্যাঁকভারী বামপন্থীরাও দিচ্ছেন মমতার বিভিন্ন প্রকল্পকে। আর সেটা এই বাস্তবের মুখে দাঁড়িয়ে, যেখানে শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, সমস্ত ভারতের অধিকাংশই আর্থিক অনটনে ভুগছেন। এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। এমনকি, যেটুকু স্বাচ্ছন্দ্য এককালে আমরা বিনাপয়সায় পেতাম, যেটুকুকে ছোটবেলা আলাদা করে স্বাচ্ছন্দ্য বলেই মনে হত না, সেগুলোও আজকাল ... ...
বাংলার সোশাল মিডিয়াতে গণপরিবহন নিয়ে কথাবার্তা বিশেষ শুনি না। কোভিডের সময়ে সরকারী বাস-ট্রেন বন্ধ ছিল, লোকজন কয়েকটা বেসরকারী দূরপাল্লার বাসে বাদুড়ঝোলা হয়ে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং করছিল, তখনও খুব বেশী আওয়াজটাওয়াজ শুনিনি। এমনকি, বেসরকারীকরণের আপাত বিরোধী বামেরাও বেশী ট্যাঁ-ফো করেন না, সম্ভবত এ রাজ্যে সরকারী গণপরিবহন ব্যবস্থা লাটে ওঠার পেছনে তাঁদের ভূমিকা সামনে এসে যাবে বলেই। আমাকে নিয়মিত বাসে যাতায়াত ... ...
'অরাজনীতি'র আক্ষরিক অর্থ ধরে খুব সহজেই বলে দেওয়া যায় যে কথাটার কোনও মানে হয় না। অনেকে সেই কথা তুলেই 'অরাজনীতি'র বিরোধিতা করেন। কিন্তু, অরাজনীতি কথাটা যাঁরা সদর্থক অর্থে ব্যবহার করেন, তাঁরা সচরাচর অরাজনীতি বলতে অদলীয় বোঝেন। এবং, 'অদলীয়' আন্দোলন কোনও গুণের কাজ নয়, এই কথাটা জোরগলায় বলার লোক কমে আসছে। অধিকাংশ আন্দোলনই, কিছুদূর গড়ালে, একটা সংগঠন তৈরী করে, যেটা আন্দোলনের ... ...