লেখক উমাদাস ভট্টাচার্য-এর লেখালিখির সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলাম 'শিকড়ের অলিগলি'-র (শারদ নির্মুখোশ, ১৪৩১) মাধ্যমে। কোনওরকম ভণিতা ছাড়াই আমার সরাসরি স্বীকারোক্তি: আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এ-ব্যাপারে আমার কোনও নিরপেক্ষ অবস্থান নেই। ছোট-ছোট বাক্য, শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে রিপিটেশন, ছোট-ছোট সংলাপ দিয়ে তিনি যে-গদ্যটি বুনেছিলেন তাতে ছিল সময়ের মধ্যে দিয়ে চরিত্রদের বাধাহীন যাতায়াত। অতীত কখন যেন এসে বর্তমান সময়ের মধ্যে প্রবেশ করে। স্বপ্নের আবেশ তৈরি করে। ঠিক ম্যাজিক রিয়ালিজম বলব না; কিন্তু দৃশ্যগুলো ম্যাজিকের মতো আমাকে আবিষ্ট করেছিল। অত্যন্ত সাধারণ একটা পরিসর—বাজার—তার মধ্যে 'সময়'-কে ঘিরে চরিত্ররা ডালপালা ... ...
প্রায় দশ বছর ঘুমিয়ে থাকার পর আমি ঘুম ভেঙে উঠলাম। নিজের গায়ের দুর্গন্ধে ভয় পাচ্ছি, ঘেন্নায় যদি কেউ আমাকে থুতু দেয়! একটা ঘর। বাড়ি। যে বাড়িটা কখনও আমার হবে নাসেটার কয়েকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুলে নিয়েছি, কতটা ঘাম কতটা রক্ত লেগে থাকলে তবে আমার বলা যায়, জিভ দিয়ে চেটে চেটে বোঝার চেষ্টা করছি। নোনতা বিস্বাদ স্বাদহীন আঁশটে গন্ধমাথাটা, মাথাটা... মাথাটায় অসংখ্য শকুন জড়ো হয়েছে। খুবলে খাচ্ছে বিড়ালটাকে... চেটে নিচ্ছিল থাবায় লেগে থাকা রক্ত... আমার নিজের মাংসের জানালা দরজা সিঁড়ি ছাদ ঘরগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে... বাড়িটার মরচের প্রলেপ উঠে গিয়ে থকথকে কাঁচা মাংসের গোলাপি।স্মৃতি মহাকর্ষ ছাড়িয়ে ছিটকে পড়ছে, কাদায়। দুর্গন্ধময়, পচা জমা জলে পোকার কিলবিল। ... ...
আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা ২০২৫-এ আমার একটি চলচ্চিত্র সংক্রান্ত গ্রন্থ আসতে চলেছে। চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রবিদ্যা নিয়ে আগ্রহী পাঠক ও সিনেফাইল'রা পৃষ্ঠা উলটে-পালটে দেখতে পারেন। ব্লার্ব: চলচ্চিত্র কি শুধুই চলমান চিত্রমালার প্রবাহ, নাকি তার মধ্যে ধরা থাকে সময়, স্মৃতি এবং ইতিহাসের অনন্য নথি? এরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে এই গ্রন্থ। এখানে দর্শনতত্ত্বের আলোকে চলচ্চিত্রে সময়ের ধ্বংসাবশেষ, স্মৃতির স্থাপত্য এবং যন্ত্রণার ইতিহাসকে এক গভীর বীক্ষণের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে মানব অভিজ্ঞতার অনন্য সম্পদ। আলোচনায় উঠে এসেছে চলচ্চিত্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি, যেমন আন্দ্রেই তারকোভস্কি'র 'নস্টালজিয়া', ক্রিস মার্কারের 'লা জেটে' ... ...
মুছে দেওয়া হয়েছে। ... ...
লেখাটি মুছে দেওয়া হয়েছে।ধন্যবাদ। ... ...
লেখাটি মুছে দেওয়া হয়েছে।ধন্যবাদ। ... ...
"অমিত বলে, ফ্যাশনটা হল মুখোশ, স্টাইলটা হল মুখশ্রী। ওর মতে, যারা সাহিত্যের ওমরাও-দলের, যারা নিজের মন রেখে চলে, স্টাইল তাদেরই। আর যারা আমলা-দলের, দশের মন রাখা যাদের ব্যাবসা, ফ্যাশান তাদেরই। [..]"– 'শেষের কবিতা', রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরতিনি মহান, তিনি 'লেখকদের লেখক', তাঁর লেখায় জাদু আছে, এরকম লেখা আর কে লিখতে পারে ইত্যাদি কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই অন্তত। কারণ খুব সোজা, এগুলো বলে কারওর সাহিত্য প্রতিভাকে আদপেই মর্যাদা দেওয়া যায় না, আর কোনও টেক্সট'কে বোঝা যায় না। আরেকটা ব্যাপার, দু'-চারটি প্রতিক্রিয়া ও লেখালিখিতে দেখেছি যে তিনি দুর্বোধ্য, পাঠকপ্রিয় নন। প্রসঙ্গ অমিয়ভূষণ মজুমদার। এর আগেও স্বীকার করেছি যে, আমি সাহিত্য কম পড়েছি। কিন্তু যখন ... ...