mina dan লেখকের গ্রাহক হোন০৩ নভেম্বর ২০২৬ | ১০৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
প্রথম পর্ব
প্রথম পর্ব
আমার সবচেয়ে পছন্দের শব্দবন্ধের অন্যতম হল একটি বাংলা বাগধারা - উঠল বাই তো কটক যাই! আর সবচেয়ে আনন্দের কাজ হল ওই কটকটার জায়গায় অন্য অন্য নাম বসিয়ে একটা বেড়াবার দিবাস্বপ্নের ছক কষে ফেলা! এমন দিবাস্বপ্নের সংখ্যার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই! সেই কোথাও আমার হারিয়ে যাবার নেই মানা.... ! তবে এই সব দিবাস্বপ্নের মধ্যে যেকটি বাস্তবায়িত হয় তাদের সংখ্যাটা নেহাৎই সীমিত। সেই রকম বাস্তবায়নেরই একটা ঘটনা ঘটে গেল সদ্য। আমরা চার বন্ধু মিলে – মধুমিতা, সর্বাণী, কাকলি আর আমি, চার সিনিয়র সিটিজেন – কটা দিন কাটিয়ে এলাম মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে টুকটাক ঘুরে বেড়িয়ে। অক্টোবরের ন’তারিখ সন্ধ্যেরাতে ট্রেনে চড়েছি, বম্বে মেইল। সেই মেইল দশ তারিখে সকাল সাড়েনটায় পৌঁছবে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর। আমাদের আসা-যাওয়ার ট্রেনের টিকিট ও থাকার জায়গা বুক করা আছে। আর প্ল্যান হল বিলাসপুর-অমরকণ্টক, সেখান থেকে কানহা, কানহা থেকে জবলপুর – এই তিনটি দূরত্ব অতিক্রম করা হবে গাড়িতে। সেই গাড়ি এখনও বুক করা হয়নি, তবে পকেটে তস্য তস্য করে পরিচিত এক বিলাসপুরী ট্রান্সপোর্টারের ফোন নম্বর আছে। হাওড়া স্টেশনে ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দিল দেরিতে, ছাড়লও প্রায় আধঘন্টা দেরিতে। ট্রেন ছাড়ার পর সেই ট্রান্সপোর্টারকে মেসেজ করলাম। কপাল ভালো, তিনি উত্তরও দিলেন। তারপর তাঁর সঙ্গে ফোনে বাতচিৎ করে একটা গাড়িও ঠিক হল। তাঁকে শুধু বলা হল ট্রেন ট্র্যাক করতে, কারণ লেট হবার সমূহ সম্ভাবনা। এখানেও একটা পাপস্বীকার করার মতো কথা আছে – এক্ষেত্রে বাতচিৎ হবে হিন্দিতে। কিন্তু আমার হিন্দি শুনলেই যেকোনো হিন্দিভাষী প্রথমেই চিৎ হয়ে পড়বেন, তারপর যদি রিকভার করেন তবে আমার খুন হয়ে যাবার সম্ভাবনা। ফোনের মাধ্যমে খুন হব না ঠিকই, কিন্তু গাড়ি জুটবে কি সন্দেহ! মধুমিতার সে ভয় নেই, তার বছরের পর বছর বোকারোয় ঘরকন্না করার রেকর্ড আছে, কলেজে হিন্দিতে পড়ানো ও হিন্দিতে লেখা খাতা দেখারও সুপার রেকর্ড আছে। অতএব এই স্পেশালাইজড কাজটা ওর। রাতে বা সকালে যখনই কোচ অ্যাটেনডেন্টকে জিগেস করেছি - গাড়ি কতটা লেট? তখনই উত্তর পেয়েছি – গতকাল ছ’ঘণ্টা লেট ছিল, পরশু তিন ঘণ্টা ইত্যাদি, কিন্তু আজ কতটা লেট, সেই গুপ্ত কথাটা ফাঁস করেনি! যাইহোক পরদিন প্রায় দু’ঘণ্টা লেটে বিলাসপুর। ইতিমধ্যে গাড়ির চালকের নাম ও নম্বর পেয়েছি, তার সঙ্গে কথাও হয়েছে। বিলাসপুরে নেমে ওভারব্রিজ পেরিয়ে আমরা চার নম্বর গেট দিয়ে বেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের গাড়ি রয়েছে অন্য কোনো গেটে। চালক তার নম্বর জানে না, চার নম্বর গেট বললে সে বুঝতে পারছে না। বারবার ফোন হচ্ছে দু’তরফ থেকেই। সে বলে – আমি তো সামনেই রয়েছি। আমরা বলি – তোমাকে গাড়িসহ দেখতে পাচ্ছি না তো, আমরা তো লাগেজ নিয়ে অন্যত্র যেতে পারব না, তুমি লোককে জিগেস করে চার নম্বরে এসো। সে আবার বলে – ফোন বাবু কো দিজিয়ে! বলা হল যে এখানে সবাই বিবি, নো বাবু! এই রকম এক ফোনাফুনির মাঝে দেখা গেল আমাদের অভীষ্ট নম্বরের গাড়ি চার নম্বরের গেট দিয়ে ঢুকছে! আমাদের ইষ্টলাভ! চালকটি যুবক। ভদ্র, সভ্য। আমরা তার মাতাজী হয়ে গেলাম! চারজন মহিলা, বয়স্ক, সঙ্গে কোনো বাবু নেই! গেরুয়া থাকুক বা না থাকুক মাতাজী তো বটেই। তার দায়িত্বও বেড়ে গেল। কোনো তাড়া না দিয়ে যত্ন করে নিয়ে গেল। আমরা যাব অমরকণ্টক, বিলাসপুর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূর। মাঝে ঘুরে নেব মাডকু দ্বীপ। তাই দূরত্বে আরো প্রায় ৮০ কিলোমিটার যোগ হবে। অমরকণ্টক পৌঁছতে বিকেল চারটে হয়ে যাবে। তা হোক। আজ আমাদের ঘোরার লিস্টে তেমন কিছু নেই, বরং ইচ্ছেমতো সব! মাডকু একটা ছোট্ট ভার্জিন দ্বীপ। নদীর ওপর দ্বীপ। তেমন লোকজন নেই। খানিকটা অংশ ছাড়া বাকিটা ঘন জঙ্গল। দুপাশে দুটো নিচু বাঁধ দিয়ে দ্বীপটি মেনল্যান্ডের সঙ্গে জোড়া। আপাতত সেই বাঁধ ছাপিয়ে এপাশ থেকে ওপাশে নদীর জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের ওপর দিয়েই বাইক, সাইকেল, গাড়ি চলছে, মানুষ হাঁটছে। আমাদের গাড়িও মেনল্যান্ড থেকে দ্বীপের মাটিতে পৌঁছল। নদীর নাম শিবনাথ। এটি ছত্তিশগড়ের মহানদীর দীর্ঘতম উপনদী। আমাদের গাড়ি পাঁচিলঘেরা একটি মন্দির চত্বরের ভেতরে গিয়ে থামল। আমাদের চালক এই প্রথম এখানে এল। ফলে তার কৌতূহলও অসীম। মন্দির চত্বরে বাইরের মানুষজন কেউ নেই, মন্দির ও অন্যান্য স্ট্রাকচারগুলোও বেশ ছড়িয়েছিটিয়ে দূরে দূরে, অর্থাৎ বেশ ফাঁকা। প্রথমে একটি বিশাল মূর্তি। ইনি মণ্ডূকঋষি। বসে গ্রন্থ অধ্যয়ন করছেন। কথায় আছে মণ্ডূকঋষি এই দ্বীপে সাধনা করেছিলেন। মূর্তির আশপাশে বেশ কয়েকটি ব্যাঙের মূর্তি। মণ্ডূক শব্দের অর্থ ব্যাঙ। এই দ্বীপের নামের সঙ্গেও ব্যাঙের যোগ। দ্বীপের আকৃতিটি ব্যাঙের মতো, নাম তাই মাডকু। এইমূর্তির প্রায় গায়ে লাগোয়া মন্দির। তার উল্টোদিকে কয়েক ধাপ নিচে নেমে একসার প্রাচীন মন্দির। ঊনিশটি শিবের মন্দির। এই কারুকার্যখচিত মন্দিরগুলি ২০১১ সালে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে মাটি খুঁড়ে বের করেছে। এগুলি ১০ম-১১শ শতাব্দীর কালচুরি রাজবংশের সময়ের মন্দির। এখানে প্রাচীন লিপি খোদাই করা পাথরও পাওয়া গেছে। দু’মাস আগে বন্যায় এই ঊনিশটি মন্দির কাদায় ডুবে গেছিল। জল নামার পর এখন লোকজন সেই কাদা পরিস্কারের কাজ করছে। এই চত্বরে পানীয়জলের মেশিন রয়েছে। আমরা জল ভরে নিলাম। আর আছে একটি ছোটো চৌবাচ্চা তাতে ছোটো ছোটো কচ্ছপ ও মাছ। এই চত্বর থেকে বেরিয়ে এর পেছন দিকটাতে গিয়ে নদীর ওপর দ্বিতীয় বাঁধটির দেখা পেলাম। সেখানে অনেকে চান করছে, বাইক ধুচ্ছে, মাছ ধরছে। জল কাঁচের মতো পরিস্কার। দেখলেই নেমে যেতে ইচ্ছে করে। বহু মানুষ বাইকে করে জলের ওপর দিয়ে বাঁধ পেরিয়ে ওপারে যাচ্ছে, এপারে আসছে। তাদের মধ্যে যারা বাইকে বৌ-বাচ্চা পুরো সংসার নিয়ে যাচ্ছে তারা বাঁধের মুখে একটু থেমে জল মেপে নিয়ে আবার ইঞ্জিন স্টার্ট করছে, আর যারা একা বা সঙ্গে বন্ধু রয়েছে তারা টানা চলে যাচ্ছে। এই দ্বীপে ফেব্রুয়ারি মাসে হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মের লোকেরা সম্মিলিতভাবে মসিহি মেলার আয়োজন করে। এবারে যাওয়া হল নদীর ঘাটের দিকে যেখান থেকে নদীর অবস্থান ও তার ওপরের এই ভূমিখণ্ডটুকু যে একটি দ্বীপ তা স্পষ্ট বোঝা যায়। নদীর ঘাটটা শান্ত সমাহিত ছবির মতো। এক বিশাল বটের বাঁধানো ফাটা চাতালে এক সাধু বসে আছেন, জলে কটা ছোটো ছোটো ডিঙি নৌকো। তাতে চড়ে নদীর বুকে দ্বীপের ধার বরাবর বেড়ানো যায়। মাডকু থেকে বেরিয়ে বিলাসপুরের দিকে অনেকটা পেছিয়ে অমরকণ্টকের রাস্তা ধরা হল। পথে আর থামা হয়নি। সঙ্গে টুকিটাকি যা ছিল – হালুয়া চালভাজা ঝুড়িভাজার সদ্ব্যবহার করতে করতে অমরকণ্টক পৌঁছলাম প্রায় সাড়ে চারটের সময়। এখানে আমাদের ডেরা জে পি প্যালেস। এদের রেস্টুরেন্ট এখানে নয়, একটু দূরে বাজারে। তবে খাবার অর্ডার করলে আনিয়ে দেবে। এত বেলায় আর লাঞ্চ নয়। আমরা ধোসা আনিয়ে খেয়ে, একটু বিশ্রাম নিয়ে বেরোলাম। আমরা হোটেল বুকিংয়ের সময় চেষ্টা করেছিলাম যাতে অন্তত একটি দ্রষ্টব্যের কাছাকাছি হয় হোটেলটি। সন্ধ্যের মুখে বেরিয়ে দেখা গেল আমাদের প্যালেসটি নর্মদা মন্দিরের পাশেই। পাঁচিলঘেরা বিশাল মন্দির চত্বর। বাইরে একপাশে জুতো খুলে অরক্ষিত রেখেই সবাই ঢুকছে। আমরাও তাই করলাম। ভেতরে আলোকসজ্জিত অনেক ছোটো ছোটো মন্দির, একটি জলাশয়, একদিকের পাঁচিলের গায়ে রিলিফের কাজে পৌরাণিক গল্পের সমাহার। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, পুণ্যার্থী সমাগম থাকলেও ভিড় নেই। এখানে সব ভক্তির আয়োজনই নর্মদা-কেন্দ্রিক, নর্মদামাঈ। তারপরেই আছেন শিব। জানা গেল যে এখানে দুরকম আরতি হয় – নর্মদার ঘাটে দাঁড়িয়ে নদীর আরতি আর মন্দিরে নর্মদাদেবীর মূর্তির সামনে আরতি। নদীর আরতির কোথায়-কখন তথ্যগুলো ঠিকঠাক পাওয়া গেল না। তবে এবারে মন্দিরে আরতি হবে শুনে আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম। নর্মদামাঈয়ের ছোটো মন্দির, তিনপাশ কাঁচে ঘেরা, নিচে জলের ওপর ছোটো একটি চাতালে দেবীমূর্তি। পুজো-আরতি সবই জলে দাঁড়িয়ে। যথাযোগ্য পুজো দিলে ভক্ত নিজেও আরতি করার সুযোগ পাবে। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর মাইকে স্তব-স্তোত্র শুরু হল। মন্দিরের সামনে কয়েকজন পুরোহিতও স্তোত্রপাঠ করছিলেন। আরতি শুরু হল। সবার করতালি ও জয়ধ্বনিতে শেষও হল একসময়। সামনেই একজন প্রসাদ দিচ্ছিলেন। একটু করে মিষ্টি। আমরাও নিলাম। তারপর এদিক ওদিক একটু ঘুরে ওই চত্বর থেকে বেরোলাম। জুতো কিন্তু স্বস্থানেই ছিল। এবার যাওয়া হল বাজারের দিকে। সেখানে একটি অটো ঠিক করা হল পরের দিন ঘুরে ঘুরে দ্রষ্টব্য দেখার জন্য। ওখানেই একটি দোকানে রাতের খাওয়া সেরে হোটেলে ফেরা।
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এককালীন বা ধারাবাহিক ভাবে গুরুভার বহন করুন।
বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে,
মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা,
কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
আমাদের কথা
আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের
কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি
জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
বুলবুলভাজা
এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ।
দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও
লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
হরিদাস পালেরা
এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে
পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান
নিজের চোখে...... আরও ...
টইপত্তর
নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান।
এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর।
... আরও ...
ভাটিয়া৯
যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই,
সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক
আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
টইপত্তর, ভাটিয়া৯, হরিদাস পাল(ব্লগ) এবং খেরোর খাতার লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব, গুরুচণ্ডা৯র কোন দায়িত্ব নেই। | ♦ :
পঠিত সংখ্যাটি ১৩ই জানুয়ারি ২০২০ থেকে, লেখাটি যদি তার আগে লেখা হয়ে থাকে তাহলে এই সংখ্যাটি সঠিক পরিমাপ নয়। এই বিভ্রান্তির জন্য আমরা দুঃখিত।
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি।
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি
বার পঠিত
সকলকে জানান
উপরে যে কোনো বোতাম টিপে পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করে নিন
গুরুচন্ডা৯ বার্তা
গুরুতে নতুন?
এত নামধাম দেখে গুলিয়ে যাচ্ছে? আসলে আপনি এতদিন ইংরিজিতে সামাজিক মাধ্যম দেখে এসেছেন। এবার টুক করে বাংলায়ও সড়গড় হয়ে নিন। কটা তো মাত্র নাম।
গুরুর বিভাগ সমূহ, যা মাথার উপরে অথবা বাঁদিকের ভোজনতালিকায় পাবেনঃ
হরিদাসের বুলবুলভাজা : গুরুর সম্পাদিত বিভাগ। টাটকা তাজা হাতেগরম প্রবন্ধ, লেখালিখি, সম্ভব ও অসম্ভব সকল বিষয় এবং বস্তু নিয়ে। এর ভিতরে আছে অনেক কিছু। তার মধ্যে কয়েকটি বিভাগ নিচে।
শনিবারের বারবেলা : চিত্ররূপ ও অক্ষরে বাঙ্ময় কিছু ধারাবাহিক, যাদের টানে আপনাকে চলে আসতে হবে গুরুর পাতায়, ঠিক শনিবারের বারবেলায়।
রবিবারের পড়াবই : পড়া বই নিয়ে কাটাছেঁড়া সমালোচনা, পাঠপ্রতিক্রিয়া, খবরাখবর, বই নিয়ে হইচই,বই আমরা পড়াবই।
বুধবারের সিরিয়াস৯ : নির্দিষ্ট বিষয় ধরে সাপ্তাহিক বিভাগ। ততটা সিরিয়াসও নয় বলে শেষে রয়ে গেছে ৯।
কূটকচা৯ : গুরু কিন্তু গম্ভীর নয়, তাই গুরুগম্ভীর বিষয়াশয় নিয়ে ইয়ার্কি ফুক্কুড়ি ভরা লেখাপত্তর নিয়েই যতরাজ্যের কূটকচা৯। কবে কখন বেরোয় তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই।
হরিদাস পাল : চলতি কথায় যাদের বলে ব্লগার, আমরা বলি হরিদাস পাল। অসম্পাদিত ব্লগের লেখালিখি।
খেরোর খাতা : গুরুর সমস্ত ব্যবহারকারী, হরিদাস পাল দের নিজের দেয়াল। আঁকিবুঁকি, লেখালিখির জায়গা।
টইপত্তর : বিষয়ভিত্তিক আলোচনা। বাংলায় যাকে বলে মেসেজবোর্ড।
ভাটিয়া৯ : নিখাদ ভাট। নিষ্পাপ ও নিখাদ গলা ছাড়ার জায়গা। কথার পিঠে কথা চালাচালির জায়গা। সুতো খুঁজে পাওয়ার দায়িত্ব, যিনি যাচ্ছেন তাঁর। কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।
লগিন করে থাকলে ডানদিকের ভোজনতালিকায় যা পাবেনঃ
আমার গুরুঃ আপনার নিজস্ব গুরুর পাতা। কোথায় কী ঘটছে, কে কী লিখছে, তার মোটামুটি বিবরণ পেয়ে যাবেন এখানেই।
খাতা বা খেরোর খাতাঃ আপনার নিজস্ব খেরোর খাতা। আঁকিবুকি ও লেখালিখির জায়গা।
এটা-সেটাঃ এদিক সেদিক যা মন্তব্য করেছেন, সেসব গুরুতে হারিয়ে যায়না। সব পাবেন এই পাতায়।
গ্রাহকরাঃ আপনার গ্রাহক তালিকা। আপনি লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন নোটিফিকেশন।
নোটিঃ আপনার নোটিফিকেশন পাবার জায়গা। আপনাকে কেউ উল্লেখ করুক, আপনি যাদের গ্রাহক, তাঁরা কিছু লিখুন, বা উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটুক, জলদি পেয়ে যাবেন নোটিফিকেশন।
বুকমার্কঃ আপনার জমিয়ে রাখা লেখা। যা আপনি ফিরে এসে বারবার পড়বেন।
প্রিয় লেখকঃ আপনি যাদের গ্রাহক হয়েছেন, তাদের তালিকা।