এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শাহাজাদা আলি গৌহরের অভিযান 

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫৪ বার পঠিত
  • ঔরঙ্গজেবের মনের ভেতরটা ছিল অতল গভীর, কেউ বুঝতে পারত না তাঁর মনের ভাব আর বাদশাহ আলমগীর - দুই মনের কথা ক্ষমতার বিচারে গোপন করতে শেখেনই নি। তখতে তাঁকে বসিয়েছেন উজিরে আজম ইমাদ উল মুলুক, আর তিনিই সে ক্ষমতার নাম যার অতলে কী যে আছে কেউ বোঝে না, আর এখানেই আলমগীর-দুই আর তাঁর ছেলে শাহাজাদা আলি গৌহরের আপত্তির শুরু। বাদশাহ, যিনি ঔরঙ্গজেব আলমগীর কে আদর্শ ঠাউরেছেন, তাঁর পক্ষে কতদিন আর উজিরে আজমের সব কথায় সায় দেওয়া সম্ভব। তাই তিনি দরবারে যারা ইমাদ উল মুলুকের বিরোধী সবার সঙ্গে কথা চালতে শুরু করলেন। কথা শুরু হয় মির বকশি রোহিলা আফগান নাজিব উদ দৌলার সঙ্গে, যিনি ছিলেন ইমাদ উল মুলুকের সমান্তরাল ক্ষমতাধর। কথা চালতে চালতে ক্ষমতার দাবার বোর্ড তৈরি হয়। এবার এক দুর্দান্ত চাল চালতে হয় যার মোদ্দা কথা হল নিজের তাকত বাড়ানো। নিজের তাকত বাড়াতে ফৌজ লাগে। ফৌজ আসবে কোত্থেকে? দিল্লী আগ্রার চারপাশে জাট আর রোহিলা আফগানরা যে যার মতো রাজত্ব করছে। নড়বড়ে মোঘল ফৌজ তাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না। এদিকে বাজারে বারুদের অভাব নেই, প্রতিটা গ্রামের সামন্তরা নিজেদের কামান –বন্দুক সাজিয়ে বসে আছে। যে যার রাজা তারা, কেউ শাহী খাজানায় টাকা জমা করছে না। চাইতে গেলে তালুকদারদের মেরে তাড়িয়ে দেয়। বাদশাহ দুর্দান্ত চালটা চেলে ছিলেন। প্রিয়তম ছেলে শাহাজাদা আলি গৌহরকে এত্তেলা দিলেন।
    - হুজুর, জরুরি তলব?
    - হ্যাঁ, কথা আছে।
    - কথা?
    - জরুরি।
    - জো হুকুম।
    - তুমি জানো খাজনা উঠছে না।
    - জানি হুজুর।
    - কী জান?কেন উঠছে না জান?
    - জানি হুজুর।
    - জান কিন্তু বোঝ কি?
    - কিছুটা বুঝি হুজুর। থোড়া …
    - কী?
    - জি শাহী ফৌজের তাকত কমেছে। রায়ত আর জমিদার ভরসা পাচ্ছে না। যে যার মতো বাঁচতে চাইছে।
    - তাই কী করতে লাগে?
    - ভরসা দিতে লাগে হুজুর।
    - কীভাবে?
    - ফৌজ খাড়া করে হুকুম। তাদের নিয়মিত তনখা দিয়ে।
    - উজিরে আজম কি বলেন?
    - তিনি কিছু বলেন কি হুজুর?
    - শাবাশ, তোমাকে লাল কেল্লা ছাড়ার ইজাজত দিলাম। যা করার তুমি করবে।
    - জি হুজুর।
    - তুমি হানসি যাবে। আর সেখানে জাটদের সঙ্গে বাৎচিত করে কী করবে?
    - জি খাজনা তুলব আর ফৌজ খাড়া করব।
    - শাবাশ, দুটোই তোমায় করতে হবে।
    - জি হুজুর।
    উজিরে আজম ইমাদ উল মুলুকের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে শাহাজাদা আলি গৌহর লাল কেল্লা থেকে বেরিয়ে প্রথমে যাচ্ছেন মেহরুলির বর্ষার শাহি মহলের মধ্যিখানে হজরত কুতুব উদ্দিন বক্তিয়ার কাকির দরগাহতে। সেখানে তখন সন্ধের মেহফিল এ সামার কাওয়ালি শেষ করে বড় বড় কাওয়ালরা বাড়ি ফিরেছে, ফকির আর সাধুরা ঘুমিয়ে রয়েছে এখানে ওখানে। তাড়াহুড়ো করে যেতে গিয়ে এক সাধুর গায়ে পা পড়ে যাচ্ছে শাহাজাদার, সাধু আরক্ত চোখে তাকিয়ে বলে, ’বোম ভোলে’। শাহাজাদা কপালে মাথা ঠেকিয়ে মাফ চাইলেন, ‘বোম ভোলে, বোম ভোলে’। তারপর অবারিত দ্বার মাজারে মাথা ঠেকিয়ে মুরশিদের আশীর্বাদ চাইলেন, তারপর শাহাজাদার কাজকাম করতে চললেন। এ কথা উমাদ উল মুলুকের কানে পৌঁছে ছিল যথা সময়ে।

    শাহাজাদা আলি গৌহর হানসি অভিযানে ধেড়িয়ে ছিলেন। মোঘল কেন্দ্র দীর্ঘ দিন দুর্বল থাকায় ততদিনে স্থানীয় জাট সামন্তরা এতটাই ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে যে খাজনা দেওয়া দূরস্থান, তারা শাহাজাদার মুখের ওপর যে যার সিংহ দুয়ারের হুড়কো টেনে পাত্তা না দিয়ে অপমান করল তাঁকে। শুধু তাই নয় রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাঁর ফৌজকে নাস্তানাবুদ করেছিল জমিদারদের ফৌজ। এ খবরটাও অতি অতল বিনয়ী ইমাদ উল মুলুকের কানে যেতেই তিনি হঠাৎ খুব খাতিরদারি দেখিয়ে শাহাজাদাকে বিরাট প্রশংসায় ভরিয়ে, নানা উপহার আগাম পাঠিয়ে ডেকে পাঠাচ্ছেন লাল কেল্লায়। এমনিতে মনখারাপ শাহাজাদা উজিরের ব্যবহারে, অতি বিনয়ে, প্রমাদ গুনেও ফেরেন তবে লাল কেল্লায় নয় শাজাহানের প্রধান সেপাইসালার ঔরঙ্গজেবের একসময়ের গুরুদেব আলি মর্দা ন খানের উত্তর দিল্লীর হাভেলিতে উঠলেন। সেখানে ভালো রকমের পাহারা বসানো হচ্ছে। ছাদের ওপরের মোটা দেওয়ালের মধ্যকার ফুটোয় লম্বা ব্যারেলের প্রাণঘাতী জেজেইল বন্দুক তাক করে পাখতুন জেজেইলচিরা বসে রয়েছে, গেটের ধারে সর্বক্ষণ নজর আর ওয়াচ টাওয়ারে বান- রকেট সাজিয়ে সেপাইরা। উজির তাঁর ফৌজের বড় অংশটাকে আরো বড়সড় খাজনা সংগ্রহ অভিযানে এখানে ওখানে ছড়িয়ে যেতে বলেছিলেন। শাহাজাদা ঠিক তাই করে বাছাই করা ফৌজিদের একদল সঙ্গে রেখে দেন। ফৌজ সামান্য হলে দ্রুতগামী হয়। সেই গতিকেই কাজে লাগিয়েছিলেন শাহাজাদা যখন তাঁর শ চারেক ফৌজ ইমাদ উল মুলুকের অনেক শক্তিধর হাজার দেড়েক ফৌজ আর তাদের সঙ্গে থাকা ষাট জন ইউরোপীয় দক্ষ বন্দুকবাজের আমনে সামনে মোকাবিলা করবে। আলি মর্দা ন খানের হাভেলি থেকে শাহাজাদা আলি গৌহরকে বার করে আনতে উজির মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে অনেক চেষ্টা করেছিলেন হপ্তাখানেক কিন্তু তাতে কাজ হয় না। তাই ইমাদ উল মুলুক নিজেই লাল কেল্লা থেকে বের হয়ে এলেন পুরো ফৌজ নিয়ে, চললেন কদম শরিফের দরগাহতে চাদর চড়াতে ওখানে নবীজির পবিত্র পদচিহ্ন রক্ষিত আছে যে! ভক্তি টকতি বাহানা আসলে এটা ছিল সুবিধাজনক জায়গা থেকে শাহাজাদাকে পাকড়াও করার ছক। তখন সতেরশো আটান্নর গরমকাল যমুনাতে জল ছিল না, উজিরের ফৌজ চারপাশ থেকে হাভেলি ঘিরে ফেলল আর ভীষণ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। গোলাম হোসেন খান তাঁর সিওর মুতাখেরীন - নব যুগের কথা তারিখে ঢেউয়ের মতো আক্রমণের মুখে শাহাজাদার বীরত্বের কথা লিখেছেনঃ হাভেলির পেছনের দিকের দেওয়াল ভাঙা পড়েছিল। সেখান দিয়েই ঘোড়সওয়ার দল নিয়ে ঘেরাবন্দি ভেঙে বেরিয়ে যাবার সময় শাহাজাদা নিজের হাতে দুজনকে কতল করেন আর তাঁর ভীষণ রূপ দেখে আগের কালের বীরেরা উত্তেজনায় হাতের নখ কেটে ফেলতেন। শাহাজাদা ফৌজ নিয়ে বেরিয়ে যান দেখে শত্রু মরিয়া হয়ে পেছু ধাওয়া করে আর তাদের অনেককে কচুকাটা করে হাতের তলওয়ারকে রাজকীয় পতাকার মতো শূন্যে উঁচিয়ে বেরিয়ে গেল বীর ফৌজিরা।

    ফকির খৈর উদ্দিন ইলাহাবাদি তাঁর ইবরাত নামা তারিখে শত্রুর অবরোধ ভেঙে শাহাজাদার বেরিয়ে যাওয়ার অন্য এক বীরত্বব্যঞ্জক ন্যারে টি ভ সাজিয়েছেন যা ডেলরিম্পল ব্যবহার করছেনঃ সন্ধে হয়ে আসছে দেখে শাহাজাদার সেপাইসালার মির জাফর আর আলি আজম খান সমস্বরে বলে উঠেছিলেন, “হুজুর এখনই সময়!”
    - কিসের?
    - বেরিয়ে যেতে হবে মালিক!
    - কোন দিক দিয়ে?
    - আচমকা আক্রমণ করে হুজুর! ইনশাল্লাহ যদি পারি তবে দুশমনের মাথা গুঁড়িয়ে, ঘাড় ভেঙে বেরিয়ে যাব মালিক!
    - যদি না পারি?
    - না পারলে বাহাদুরের মতো মরব হুজুর। চিরকাল মনে রাখবে লোক, বলবে বাপের ব্যাটা ছিল বটে!
    - শাবাশ!
    শাহাজাদা উদ্দীপ্ত হয়ে উঠে দাঁড়ালেন আর সেরা তলোয়ারবাজদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন হতচকিত দুশমনের ওপর। কাটতে কাটতে এগোচ্ছিলেন তিনি আর ফৌজ তাঁকে ঘিরে নিয়ে বেরিয়ে চলে। সরু পথ দিয়ে বেরোবার সময় দুশমন কায়দা করে তাদের গতি থামায় আর চারপাশ থেকে ঘিরে ধরার চেষ্টা করে, তলোয়ারের কোপ এসে পড়ল শাহাজাদার ঘোড়ার গায়ে। সে যন্ত্রনায় চিৎকার করে লাফিয়ে ওঠে। দুশমন শাহাজাদাকে টান মেরে নামিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে পড়ছে দেখে সেপাইসালার আলি আজম খান তাঁর স্বভাবসিদ্ধ দুঃসাহসে বললেন, ''হুজুর একদিন আপনি হাজারো ইনসানের ইনসাফ করবেন, আপনার জান আমাদের থেকে অনেক কিমতি। আপনি চলে যান হুজুর ! যতক্ষণ না আপনাকে অনেক দূর চলে যেতে দেখছি এ বান্দার শামসের থামবে না..চারপাশে ঘুরবে হুজুর যে সামনে, পেছনে, আগে পরে থাকবে তাকেই কাটবে। '' এই বলে আলি আজম খান ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে সরু রাস্তায় ঢাল হয় দাঁড়িয়ে হাতের তলোয়ারের খেলা দেখতে শুরু করলেন, এ খেলা যে সে খেলা ছিল না তাই অনেক দুশমনকে কেটে, নিজেও ঘা খেয়ে অবশেষে হয়ত দূর থেকে ছোঁড়া তীরের বা বন্দুকের গুলিতে মাটি নিচ্ছেন তিনি আর ততক্ষণে অনেক দূর চলে গেছেন শাহাজাদা আলি গৌহর আর তাঁর দেহরক্ষীর দল, দুশমনের নাগালের বাইরে অনেক অনেক পথ অতিক্রম করছেন তাঁরা।
    প্রথমে তাঁরা ঠাঁই নিচ্ছেন দিল্লীর সীমানায় পেশওয়া বাজি রাওয়ের ছোট ছেলে রঘুনাথ রাওয়ের অধীনস্থ মারাঠা সর্দার ভিঠাল রাওয়ের সৈন্য শিবিরে। ইমাদ উল মুলুকের থেকে নিয়মিত টাকা পয়সা নিয়ে আপাতত চুপচাপ ছিলেন মারাঠা সর্দার। কিন্তু মোঘল শাহাজাদাকে কুত্তা খেদান খেদাচ্ছে তার উজির! এ আর কাঁহাতক সহ্য করা যায়!ইতিমধ্যে শাহাজাদার বীরত্বের খবরও আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। তাড়া করে আসা ইমাদ উল মুলুকের ফৌজকে মারাঠাদের পাল্টা তাড়া খেয়ে পালিয়ে বাঁচতে হচ্ছে আর শাহাজাদাকে দেখে ''জয় ভবানী জয় ভবানী'' রব ওঠে মারাঠা শিবিরে। ভেরী বাজিয়ে মোঘল শাহাজাদাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে ভিঠাল রাওয়ের ফৌজ। শাহাজাদা আর তাঁর দেহরক্ষীদের জন্য শিবির সাজিয়ে, সাদরে তাঁবু খাটিয়ে দেওয়া হয়।

    শাহাজাদা বোঝেন দিল্লীর দরজা তাঁর জন্য চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। ইমাদ উল মুলুক আর তাঁর ঘাতকদের থেকে বাঁচতে তাঁকে হাতে হবে প্রবল শক্তিমান। শক্তিশালী করতে হবে মোঘল সালতানাতকে। ভিঠাল রাও তাঁকে পৌঁছে দিচ্ছেন ফারুখাবাদ, সেখানে তিন লাখ টাকার নজরানা পেলেন তিনি। নাদির শাহের হাতে ধ্বস্ত মোঘল সালতানাতকে শক্তিশালী করতে শাহাজাদা সম্ভাব্য সবার সাহায্য চেয়েছিলেন। পঞ্চাশ বাছর ধরে চলা নৈরাজ্য এখানে ওখানে অনেক মোঘল আমির পরিবারকে চূড়ান্ত দুর্দশায় ফেলেছিল। তরুণ এক পরিশীলিত মোঘল শাহাজাদার বিদ্রোহে তারা আশার আলো দেখছে। কয়েক মাসের মধ্যে হাজার তিরিশ লোক হাতিয়ার ঘোড়া নিয়ে তাঁর ফৌজে যোগ দিল। আব্বাজান কবে যেন শাহাজাদাকে শাহ আলম খেতাব দিয়ে রেখেছিলেন। সেটা সবাই ভুলেই গিয়েছিল, ভুলে গিয়েছিলেন শাহাজাদাও। এখন সবাই তাঁকে শাহ আলম শাহ আলম বলে ডাকে, সবাই শাহ আলমের ফৌজে ভর্তি হতে চায়। শাহাজাদা ভাবেন, ”সালতানাতের আসল জোর কোথায় ?না, জন্নত উল বিলাদ সুবে বাংলায়। সেখানে ফিরিঙ্গীরা কী করে? কী করে তারা? নবাব সিরাজকে কতল করেছে তারা!ক্লাইভই আসল নবাব!’’ এইসব ভেবে আলি গৌহর পূব মুখো হবার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন!সেখান থেকেই তিনি সালতানাতকে আবার গড়ে তুলবেন। সালাতানাতের রূপোর সঞ্চয় সেখানে, বুলিয়নের পাহাড় নিয়ে বসে জগত শেঠ। যেখানে বুলিয়ন – রৌপ্য মুদ্রার পাহাড় সেখান থেকে ক্ষমতার শুরু। শাহাজাদা ধরে ফেলেছেন আসল কথা যা সিরাজ হয়ত পুরোপুরি বোঝেন না। শাহাজাদা বেশ বোঝেন শতেক বাধার সে পথে আল্লাহ ভরসা। প্রথমে তাঁর পথে পড়বে বিহার। বিহারের জং ফতে হলে মুর্শিদাবাদ। তাঁর মতলবে দোয়াবের অনেক রাজা বা নবাবই এগিয়ে আসেন। এরপর তাঁর গন্তব্য সেই অওধ। তখন সেখানকার নবাব হয়েছেন মোঘল উজির স ফদর জঙের ছেলে বিশালাকায়, এক কোপে তাগড়া মোষের মাথা উড়িয়ে যিনি হাসতে থাকেন সেই সুজাউদৌলা। নবাব ফৈজাবাদে সাদরে বরণ করছেন তাঁকে। তখনো লখনৌ নবাবদের কেন্দ্র হয়নি যে।

    উপল মুখোপাধ্যায়ের বেগম রানী কম্যান্ডার ডকুফিকেশনের অংশ
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন