এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ধুরন্ধর, ধুরন্ধর ২, এবং আমরা: একটি জাতি যারা সিনেমাকে সরকারি গেজেট ভাবে

    হারামির হাতবাক্স লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ মার্চ ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • বাঙালি জাতির একটি সুপ্রাচীন ও সুমহান ঐতিহ্য আছে। সেটি হলো, যেকোনো বিষয়ের "আসল সত্যি" জানা। পাড়ার মাছওয়ালা কেন আজ ইলিশ আনেনি, তার আসল সত্যি আমরা জানি। প্রতিবেশীর মেয়ের বিয়ে কেন ভেঙে গেল, তার আসল সত্যি আমরা জানি। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের আসল সত্যি আমরা জানি। মহাবিশ্বের উৎপত্তির আসল সত্যি আমরা জানি। শুধু নিজেদের আসল সত্যি জানি না। সেটা জানার দরকারও নেই, কারণ নিজেদের নিয়ে ভাবার সময় কোথায়? Dhurandhar সিনেমার "আসল সত্যি" বের করতেই তো রাত তিনটে বেজে গেল।
     
    ---
     
    Dhurandhar মুক্তি পেয়েছে। রণবীর সিং করাচিতে আন্ডারকভার এজেন্ট হয়েছেন। ISI ভেঙে পড়েছে। দেশ রক্ষা পেয়েছে। তিন ঘণ্টা চৌত্রিশ মিনিটে পুরো পাকিস্তানের আন্ডারওয়ার্ল্ড গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যে বাঙালি WhatsApp গ্রুপে বার্তা ঢুকে গেছে: "এটা কি সত্যি ঘটনা? এই মেজর মোহিত শর্মার জীবন নিয়ে বানানো?" বার্তার শেষে একটি তেরঙা পতাকার ইমোজি। পাঠানো হয়েছে ভোর পাঁচটায়। বাঙালি রাত তিনটেয় সিনেমা দেখে, ভোর পাঁচটায় ফ্যাক্ট চেক করে, সকাল সাতটায় পাড়ার লোককে জাহির করে। ঘুম আসে বিকেলে, যখন দেশের আসল বিপদের কথা চিন্তা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
     
    ---
     
    বাঙালির একটি বিশেষ মেধা আছে। সেটি হলো, যা স্পষ্ট লেখা আছে, তা না পড়া। Dhurandhar-এর শুরুতেই ডিসক্লেইমার আছে। ইংরেজিতে। স্পষ্ট করে লেখা: "This is a work of fiction." ডিরেক্টর অদিত্য ধর Twitter-এ লিখেছেন: "এটা মেজর মোহিত শর্মার জীবন নিয়ে নয়।" CBFC আদালতে জানিয়েছে: "No resemblance… work of fiction।" কিন্তু বাঙালি এত সহজে মানবে কেন? বাঙালির কাছে "fiction" শব্দটি একটি চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জ মানে—এর পেছনে নিশ্চয়ই কিছু আছে। নইলে fiction বলবে কেন? সরকার চাপ দিয়েছে! প্রোডিউসার ভয় পেয়েছে! RAW বলেছে সত্যি বলা যাবে না! এই লজিক পাকা। এই লজিক অখণ্ড। এই লজিকের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ চলে না, কারণ প্রমাণই হলো চাপা পড়া সত্যির প্রমাণ।
     
    ---
     
    আমাদের মধ্যে একটা বিশেষ দলও আছে। তারা বলে, "আমি তো ইন্টারনেটে পড়েছি।" ইন্টারনেটে কী পড়েছেন? "Operation Dhurandhar: The Real Story" শিরোনামের একটি ইউটিউব ভিডিও, যেটি বানিয়েছে সাতাশ বছরের একটি ছেলে, যার চ্যানেলের নাম "Desh Ke Liye Sach"। ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ডে গম্ভীর মিউজিক বাজছে। বলা হচ্ছে, রণবীরের চরিত্র আসলে এক রিয়েল এজেন্টের ছদ্মরূপ, কিন্তু নাম বলা যাবে না কারণ সে এখনো আন্ডারকভারে আছে। লাইক সংখ্যা: ৩৪ লক্ষ। এটাই প্রমাণ। এর চেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ আর কী হবে? CBFC-র কাগজ? আদালতের রায়? সেসব তো "সিস্টেম"-এর জিনিস। সিস্টেম মিথ্যা বলে। ইউটিউব সত্যি বলে। কারণ ইউটিউবে লাইক দেওয়া যায়।
     
    ---
     
    এবার আসি আসল সমস্যায়। বাঙালি কেন এই "আসল সত্যি" খোঁজে? কারণ "fiction" একটু ফাঁকা লাগে। যদি জানা যায় এটা সত্যি ঘটনা, তাহলে সিনেমা দেখাটা শুধু বিনোদন নয়, একটা রাষ্ট্রীয় কর্তব্য পালন হয়। তখন টিকিটের দাম সার্থক। পপকর্ন খাওয়াটা দেশপ্রেমের অঙ্গ। আর সিনেমা হলে তিন ঘণ্টা কেঁদে বের হওয়াটা একটা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা। কিন্তু যদি জানা যায় এটা ফিকশন, তাহলে? তাহলে আমরা শুধু একটা ভালো মসলাদার হিন্দি সিনেমা দেখেছি। সেটা বলতে একটু লজ্জা লাগে। কারণ হিন্দি সিনেমা দেখা বাঙালির কাছে স্বীকারোক্তির মতো। গোপনে দেখি, প্রকাশ্যে রবীন্দ্রনাথের কথা বলি।
     
    ---
     
    মেজর মোহিত শর্মার প্রসঙ্গটি আলোচনা করা দরকার, কারণ এখানে বাঙালির আরেকটি বিশেষ গুণ প্রকাশ পায়। সেটি হলো, একটি ট্র্যাজেডিকে তত্ত্বে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা। মেজর মোহিত শর্মা সত্যিকারের বীর। ২০০৯-এ কাশ্মীরে জীবন দিয়েছেন। তাঁর পরিবার আদালতে গেছেন, জানতে চেয়েছেন ছেলের নাম ব্যবহার হচ্ছে কিনা। এটা সম্পূর্ণ ন্যায্য আবেদন। ডিরেক্টর বলেছেন—না, এটা তাঁর গল্প নয়। CBFC বলেছে—না। আদালত নিষ্পত্তি করেছে। পরিবার মেনে নিয়েছে। ব্যাপার শেষ। কিন্তু বাঙালির কাছে ব্যাপার শেষ হয় না। বাঙালি বলে, "কিন্তু আসলে নিশ্চয়ই…" এই "আসলে নিশ্চয়ই"-টাই বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তির ইঞ্জিন। এটা চললে সব চলে। এটা বন্ধ হলে চা খাওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।
     
    ---
     
    Dhurandhar 2-তে ডিমোনেটাইজেশন ঢুকেছে। এখানেই বাঙালি উত্তেজিত হয়। কারণ এটা রাজনীতি। রাজনীতি মানে বাঙালির খেলার মাঠ। একদল বলছে, "দেখো, সরকার নোটবন্দিকে দেশপ্রেমের অঙ্গ বানাচ্ছে।" আরেকদল বলছে, "এটা কাউন্টারফেইট কারেন্সি নেটওয়ার্ক ভাঙার রিয়েল ঘটনা।" তৃতীয় দলটি বলছে, "সিনেমা হলো সিনেমা, রাজনীতি হলো রাজনীতি, দুটো গুলিয়ে ফেললে আর থাকে কী?" কিন্তু এই তৃতীয় দলকে কেউ শোনে না। কারণ তারা যুক্তি দিচ্ছে, আর যুক্তি বাঙালির আড্ডায় সবচেয়ে কম জনপ্রিয় বস্তু। আড্ডায় জনপ্রিয় হতে চাইলে চেঁচাতে হবে, গলা উঁচু করতে হবে, চা ঢেলে দিতে হবে এবং শেষে বলতে হবে—"তোমরা বুঝবে না।" এই পাঁচটি ধাপে বাঙালির যেকোনো বিতর্ক সম্পন্ন হয়।
     
    ---
     
    পাকিস্তানের দর্শকের কথাটা একটু ভাবা যাক। ভাইরাল ভিডিওতে পাকিস্তানি দর্শকরা অ্যান্টাগনিস্টকে "হিরো" বলে চিৎকার করছে। এটা দেখে ভারতে বিরাট হইচই। "দেখো দেখো, পাকিস্তানিরা ভিলেনকে হিরো মানছে!" আমরা একটু থামি। নিজেদের জিজ্ঞাসা করি—আমরা কি কোনো বাংলাদেশি বা পাকিস্তানি সিনেমায় ভারতীয় চরিত্রকে খলনায়ক দেখলে হাততালি দিই না? দিই। দিই বলে হলে মারামারি লাগে। কিন্তু সেটা "জাতীয় স্বাধীনতার প্রকাশ"। ওটা করলে সেটা "সন্ত্রাসীদের উল্লাস"। এই দ্বিচারিতা আমরা কত অনায়াসে বহন করি। আমাদের পিঠ শক্ত। প্রশ্ন তুলবেন না।
     
    ---
     
    বক্স অফিস নিয়ে বলা দরকার। Dhurandhar করেছে ১৩০০ কোটি টাকা। Dhurandhar 2 প্রথম উইকেন্ডে ৭৬১ কোটি। Rotten Tomatoes-এ ৩৫ শতাংশ। সমালোচকরা বলছেন "propaganda", "overstuffed"। বাঙালি এই পরিস্থিতিতে দুটো গ্রুপে ভাগ হয়। প্রথম গ্রুপ বলে, "দেখো, দর্শক পছন্দ করেছে, সমালোচকরা বিক্রি হয়ে গেছে।" দ্বিতীয় গ্রুপ বলে, "দর্শক বোকা, সমালোচকরাই বুঝেছে।" কেউ বলে না, "ভালো বিনোদন আর ভালো ইতিহাস এক জিনিস নয়, দুটো আলাদা ঘরে থাকতে পারে।" কারণ এই মধ্যম পথে হাঁটলে দুটো গ্রুপের কেউ তোমাকে চা দেবে না। বাঙালি চা না পেলে বাঁচে না। এটা সকলে জানে। এমনকি Dhurandhar-এর ISI-ও জানে।
     
    ---
     
    সবশেষে একটি কথা। অদিত্য ধর সত্যিই বলেছেন—IC-814 হাইজ্যাকিং ছিল, ২৬/১১ ছিল, করাচির গ্যাংওয়ার ছিল, ISI-ব্যাকড জাল নোটের নেটওয়ার্ক ছিল। এগুলো সত্যি ঘটনা। কিন্তু জসকিরাত সিং রাঙ্গি বা হামজা আলি মাজারি নামে কেউ সত্যি ছিলেন না। RAW কখনো "Operation Dhurandhar" অফিসিয়ালি স্বীকার করেনি। কারণ এই অপারেশন ছিল না। ছিল একজন ডিরেক্টরের কল্পনা, যিনি URI বানিয়েছিলেন, এবার আরও বড় করে বানালেন। এটা দোষের নয়। Shakespeare সত্যিকারের ডেনমার্কের রাজকুমার নিয়ে কাজ করেননি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে Hamlet "আসল সত্যি"। বাঙালি Shakespeare পড়েছে। রবীন্দ্রনাথ পড়েছে। জীবনানন্দ পড়েছে। তারপরেও Dhurandhar দেখে WhatsApp করেছে—"এটা কি সত্যিই হয়েছিল ভাই?" এই বৈচিত্র্যই বাঙালির শ্রেষ্ঠত্ব। এই বৈপরীত্যই বাঙালির পরিচয়। উচ্চ সংস্কৃতির দাবি এবং পাতি কৌতূহলের মিশেলে তৈরি একটি জাতি, যে IC-814-র কমিশন রিপোর্ট পড়বে না, কিন্তু রণবীরের আন্ডারকভার অপারেশনের "আসল তথ্য" রাত তিনটেয় খুঁজবে। ভালো থাকুন। সত্যি খুঁজুন। তবে সত্যিটা যদি একটু মসলাদার না হয়, তাহলে না খুঁজলেও চলবে। জয় হোক আমাদের—চির-অনুসন্ধানী, চির-আত্মতৃপ্ত, চির-বিস্মিত বাঙালির।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:০০739403
  • "আসল সত্যি"টা হল এই যে লেখক এত কিছু জানলেন কি করে... "আসলে নিশ্চয়ই" পরিচালকের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র আছে... এসব "তোমরা বুঝবে না" ... 

    যাই হোক, হেব্বি লাগল লেখাটা !
  • হারামির হাতবাক্স | ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৪২739406
  • সবই তো গূঢ় যোগসূত্রের খেলা! ভালো লেগেছে জেনে ধন্য।
  • আমরা বাঙালী | 14.139.***.*** | ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৮739407
  • সে কি মশায় ? সত্যি নয় ? 
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন