এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আরশোলার অমরত্বের প্রয়াস, মুহাম্মদ ফজলুল হক 

    Fazlul Huque লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ মার্চ ২০২৬ | ৪১ বার পঠিত
  • আরশোলার অমরত্বের প্রয়াস
    মুহাম্মদ ফজলুল হক। 

    কার্বোনিফেরাস যুগে মানুষের অস্তিত্ব ছিল না। রাজত্ব ছিল আরশোলার। ডাইনোসরসহ বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি, বিকাশ ও বিলুপ্তি প্রত্যক্ষ করে বর্তমান পর্যন্ত বীরদর্পে টিকে থাকা অন্যতম  প্রজাতি আরশোলা। বায়ুমণ্ডলে প্রথমে স্বল্প অক্সিজেন এবং পরবর্তীতে অধিক অক্সিজেনে অভিযোজিত আরশোলা আমাদের পূর্বপুরুষ। তীক্ষ্ণ ও চঞ্চলের সামনে একনাগাড়ে বলে বড় বড়  শ্বাস নিল স্থবির। 

    জানো স্থবির, মানুষের উত্থান হয়েছিল খুব অসহায়ভাবে। প্রায় সত্তর লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় বনভূমি কমে গেলে তাদের পূর্বপুরুষ প্রাইমেট গাছ থেকে নামতে বাধ্য হয়। চার পায়ে হাঁটা প্রাণীটি দিগন্তের ওপারে শত্রু দেখার জন্য দুই পায়ে দাঁড়াতে শিখল। সেই থেকে শুরু হলো তাদের পৃথিবী দখলের ইতিহাস, বলল চঞ্চল। 

    স্থবির ধীর স্বরে বলল, হ্যাঁ। অস্ট্রালোপিথেকাস। যখন দুই পায়ে সোজা হলো তাদের হাত দুটো মুক্ত হয়ে গেল। মুক্ত হাতে পাথর ধরল। পাথরে পাথর ঘর্ষণ করে আগুন জ্বালাল।

    চঞ্চল কিছুটা উপহাসের সুরে বলল, পাথর দিয়ে শুরু করে আজ তারা নিউক্লিয়ার বোমা পর্যন্ত পৌঁছেছে। কী বিচিত্র। হোমো হ্যাবিলিস থেকে হোমো ইরেক্টাস হওয়ার যাত্রা! পাথর ঘষে আগুন আবিষ্কার করল। যে আগুন অন্যান্য প্রাণী ভয় পেতো সেই আগুনকে তারা গুহায় আবদ্ধ করল। আগুনের নিয়ন্ত্রণ শেখার সাথে সাথে প্রকৃতির দাসত্ব থেকে মুক্তি পেল।

    তীক্ষ্ণ, সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল প্রায় ৭০ হাজার বছর আগের জ্ঞানের বিপ্লব। জঙ্গল কেটে বাসস্থান বানাল। দলবেঁধে শিকার শুরু করল। রান্না করে খাবার খেয়েই থেমে থাকল না। হোমো সেপিয়েন্স একে অপরকে তথ্য দিল। ভাষার ব্যবহার শিখল। 

    স্থবির, মানুষের আত্মপ্রত্যয়ে মুগ্ধ হলেও তাদের উদ্ভবের কোটি বছর আগে থেকেই আমরা  জানতাম কীভাবে অন্ধকারকে ব্যবহার করতে হয়। মানুষ তো আলোর দাস। আরশোলা হলো অন্ধকারের রাজা। তারা তো এসেছে সাজানো-গোছানো ড্রয়িংরুমে। পৃথিবীর ভিত তৈরি করেছি আমরা।

    চঞ্চল দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, আমরা ছিলাম এই গ্রহের আদি প্রাণী। অথচ নিজেদের বুদ্ধি ও মেধার বলে মানুষ পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করছে। 

    স্থবির শান্ত স্বরে বলল, পৃথিবী বদলে গেছে চঞ্চল। আমাদের আত্মা আগের মতোই অপরাজেয়। মানুষ যদি পৃথিবী ধ্বংস করে ফেলে বায়ুমণ্ডল আদিম বিশৃঙ্খলায় ফিরে যাবে। তখন কেবল আমাদের রাজত্ব হবে। মানুষ থাকবে না। জ্ঞানী আরশোলাদের মধ্যে আত্মগৌরব তৈরি হলো। উপলব্ধি করল তারা মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।

    তীক্ষ্ণ, আমরা বিবর্তিত হয়েছি টিকে থাকার জন্য। মানুষ বিবর্তিত হয়েছে জয়ের জন্য। আমরা দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে জানি। আমাদের ধ্বংস করা কঠিন। 

    চঞ্চল, অমরত্বের কী মূল্য যদি আমরা অন্ধকারের রাজত্ব ছাড়তে না পারি। দীর্ঘ সময় টিকে থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে না পারি। বিবর্তনের আশীর্বাদে পৃথিবী শাসন করছে মানুষ। মানুষের অগ্রতিতে তাদের কণ্ঠে ঝরে ঈর্ষা মিশ্রিত বিস্ময়।

    তীক্ষ্ণ বলল, পৃথিবীতে মানুষ নবীন। আমরা প্রাচীন। টিকে থাকার ক্ষেত্রে দক্ষ হলেও বুদ্ধি ও মেধায় মানুষ আমাদের থেকে এগিয়ে। পৃথিবী তাদের দখলে। কিছু না ভেবেই হঠাৎ সে দুঃসাহসী এক প্রস্তাব করল। আমরা যদি মানুষের জিন আমাদের শরীরে ইনজেক্ট করি ! মানুষের মেধা, আমাদের টিকে থাকার ক্ষমতা এক হলে আমরা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করব। আমরাই হব পৃথিবীর অধিপতি।

    ​নড়েচড়ে বসল স্থবির আর চঞ্চল। তীক্ষ্ণের কথা শুনে অবাক হলেও পরক্ষণেই সমস্বরে বলে উঠল, চমৎকার আইডিয়া! ঠিক বলেছিস তীক্ষ্ণ। সভা শেষ করেই তারা তাদের জিন-বিজ্ঞানী আরশোলাদের নিয়ে আলোচনায় বসল।
    ​অধিকাংশ বিজ্ঞানী এই প্রস্তাবে সায় দিলেও কয়েকজন প্রাজ্ঞ আরশোলা দ্বিমত পোষণ করলেন। তাদের মতে, মানবজাতি শুদ্ধ জীবনযাপনের জন্য অভিযোজিত নয়। নানাবিধ মতামত শেষে সিদ্ধান্ত হলো, আরশোলা প্রজাতির শরীরে মানুষের জিন ইনজেক্ট করা হবে।

    দীর্ঘ গবেষণার পর জিন ইনজেক্ট প্রক্রিয়া শুরু হল। আরশোলা সমাজ খুশিতে মেতে উঠল। শুরু হলো মহাযজ্ঞ। কোটি কোটি স্বেচ্ছাসেবক আরশোলা এগিয়ে এল। তাদের শরীরে মানুষের সেরিব্রাল কটেক্স ইনজেক্ট করা হল।

    সময়ের পরিক্রমায় তাদের রূপান্তর ঘটল। শক্ত কাইটিনের খোলস ফেটে বেরিয়ে এল নরম ত্বক। ক্ষুদ্র পা লম্বা হয়ে মানুষের আঙুলের রূপ নিল। একসময় সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। তাদের মস্তিষ্ক চিন্তাশীল হয়ে উঠল। তারা আর  আরশোলা রইল না। হয়ে উঠল আরশোলা মানব। 

    আরশোলা সমাজ উৎসবে মেতে উঠেছে। নগরে নগরে বিজয় পতকা উড়ছে। স্থবির তাদের পরম গুরু। তাঁর নির্দেশে সব চলছে। অচিরেই সে মহান বিজয় ঘোষণা করবে। রঙিন ফানুস উড়ছে। কোটি কোটি আরশোলা মানবের হর্ষধ্বনি, বাদ্য যন্ত্রের সজীব শব্দ, শিশুদের গানের তালে তালে, উড়ন্ত ফুলের পাপড়িতে ভিজতে ভিজতে ধীর লয়ে মঞ্চে উঠল স্থবির। অত্যন্ত গম্ভীর ভঙ্গিতে ঘোষণা করল, আমরা আর আরশোলা নই। আমরা এখন আরশোলা মানব!

    কোটি কোটি আরশোলা মানবের উল্লাসে স্থবিরের কণ্ঠ চাপা পড়ল। নতুন করে জেগে উঠল সে।জোড়ালো কণ্ঠে বলল, নেচে উঠুন সবাই। মন খুলে আনন্দ করুন। কোন ভয় নেই। আমরা পৃথিবী শাসন করব স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে। থাকবে না দুর্নীতি, অবিচার ও বৈষম্য। নতুন পৃথিবী গড়ব। মানুষের মত ভুল করব না। সকলে সমান অধিকার ভোগ করব। বন্ধনে আবদ্ধ থাকব। আজ থেকে পুরানো অধিপতি মৃত। নতুন অধিপতি এসেছে। পৃথিবী এখন আরশোলা মানবের। স্থবিরের কথা শুনে আনন্দ উল্লাসে কেঁদে ফেলল অনেকে। 
    আরশোলা মানব পুরাতন প্রাসাদ গুড়িয়ে নগরে নগরে অবিশ্বাস্য নতুন নতুন রাজপ্রাসাদ গড়ে তুলল। স্থবির নতুন করে সংবিধান লিখল। তীক্ষ্ণ নতুন প্রযুক্তি বানাল। চঞ্চল গড়ে তুলল বিশাল বাহিনী। তাদের মতবাদে বিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করল। তরুণগণ অলৌকিক স্বপ্নে বিভোর হয়ে নতুন সূর্যের আলোকে সাধুবাদ জানাতে প্রস্তুত।

    সূর্য উঠে আলো বিকিরণের আগেই আর্তনাদ করতে করতে ছুটে আসে তীক্ষ্ণ। সর্বনাশ হয়ে গেছে। পশ্চিম দ্বীপের আরশোলা মানব পূর্বে আক্রমণ করেছে। তারা বলছে, সূর্যের আলোয় শুধুমাত্র তাদেরই অধিকার। একই খবর আসছে উত্তর ও দক্ষিণ থেকে। গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। নগরে নগরে আগুন জ্বলছে। অট্টালিকা, আদি নিদর্শন, প্রার্থনারস্থান পুড়ছে। হাজার হাজার আরশোলা মানব মরছে।

    চঞ্চল এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে আছে। তার চোখে পানি। স্থবির গাঢ় গলায় বলল, আমরা নষ্ট হয়ে গেছি চঞ্চল। আমাদের সরলতা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা এখন আরশোলা নই। আরশোলা মানব । মানুষের জিন বহন করায় আমাদের এই পরিণতি। 

    চঞ্চল, এক টুকরো রুটি পেলে আমরা মিলেমিশে ভাগ করতাম। এখন যুদ্ধ করছি। আমাদের মন্ত্রী পরিষদে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নিজেদের শক্তিমাত্রা বৃদ্ধির জন্য লড়াই করছে। বেইমানি জেগে উঠেছে। লোভ সংবরণ করতে পারছে না।

    আমরা ভুল করেছি, বলল স্থবির। ভুলে গিয়েছি মানুষের জিনে শুধু ভালো বৈশিষ্ট্য ছিল না, ছিল বিবর্তনে অর্জিত খারাপ বৈশিষ্ট্যও।

    তীক্ষ্ণ ম্লান হাসল। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিলে আমাদের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসত না! মানুষ যখন সব শত্রুকে জয় করল তখন সে নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াল। তাদের বিবর্তনের শেষ ধাপ হলো আত্মবিনাশ। আমাদের রক্তে মানুষের যে জিন বইছে তা আমাদের দিয়ে আদি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করাবে! 

    স্থবির দার্শনিকভাবে হাসল। বিবর্তনে মানুষ শিখেছে ভোগ করতে। আমরা শিখেছি বিসর্জন দিয়ে টিকে থাকতে। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় কোনো ভেদাভেদ ছিল না। আমরা ছিলাম এক অখণ্ড নীরব শক্তির নাম। বর্তমানে আমাদের সব শক্তির বিনাশ হয়েছে। 

    চঞ্চল লোহার পাইপের উপর সজোরে আঘাত করে বলল, তবে কেন? কেন আমরা মানব জিনের পেছনে ছুটলাম? আমরাই যদি এত মহান হই! কেন আমরা মানুষ হতে চাইলাম?

    স্থবির দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, মানুষের যে বৈশিষ্ট্য আমাদের ছিল না, তা হলো অতৃপ্তি। বিবর্তনের ধারায় অদ্ভুত অতৃপ্তি পেয়েছে মানুষ। অতৃপ্তি তাদের বড় করে তুলেছে। অতৃপ্তিই তাদের ধ্বংস করবে। অন্যদিকে বিবর্তন আমাদের স্থবির করে দিয়েছে। টিকে আছি ঠিকই কিন্তু নতুন চিন্তা করার ক্ষমতা আমাদের ছিল না।

    তীক্ষ্ণ, মানুষের জিনে কেবল বুদ্ধি ছিল না, ছিল চিরকালীন স্বার্থপরতা, লোভ, অহংকার, ঈর্ষা ও আত্মকেন্দ্রিকতা। মানুষের জিন নিয়ে সেই অভিশাপ আমাদের রক্তে মিশিয়েছি।

    ​চঞ্চলের মনে হল আমি কেন স্থবিরের নিয়ম মানব? আমার বাহিনী সবচেয়ে বড়। এই রাজ্য আমার।

    তীক্ষ্ণ হাসল, হাসিতে ঘৃণা। সে ভাবল, আমি যে অস্ত্র বানিয়েছি তাতে মুহূর্তেই ভস্ম হয়ে যাবে সব। এই রাজ্য মেধার, গায়ের জোরের নয়।

    ​স্থবির, মানুষের জিন তাকে শুধু চিন্তাশীল করেনি, ধীরে ধীরে তার নৈতিক দৃঢ়তাও ক্ষয় করেছিল।সেও ষড়যন্ত্র শুরু করল। ভাবল যদি চঞ্চল ও তীক্ষ্ণকে একে অপরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিতে পারি আমার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।

    ​যুদ্ধ শুরু হতে সময় লাগল না। চঞ্চলের সৈন্য, তীক্ষ্ণের বাহিনীর উপর আক্রমণ করল। তীক্ষ্ণ তার নিজের উদ্ভাবিত বিষাক্ত গ্যাস প্রয়োগ করল। রক্ত ও কাঁদায় মিশে সব একাকার হয়ে গেল। 

    স্থবির কিছুই আটকাতে পারল না। বিষাদ হৃদয়ে চেয়ে চেয়ে দেখল নিজেদের বর্বরতা। এক রাতের তাণ্ডবে ধসে পড়ল তাদের অবিশ্বাস্য নতুন সভ্যতা।

    মরণাপন্ন অবস্থায় স্থবির দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছে। এক হাত নেই। শরীরের টিস্যু পচে যাচ্ছে। কাছেই তীক্ষ্ণ পড়ে আছে। অর্ধেক শরীর পুড়ে ছাই। চঞ্চল বিষাক্ত গ্যাসে নিঃশেষ হয়ে গেছে।

    ম্লান হেসে স্থবির বলল, আমরা মানুষের গুণাবলী নিতে চেয়েছিলাম। ভুলেই গিয়েছিলাম তাদের সবচেয়ে বড় গুণ হলো নিজেদের ধ্বংস করা। মানুষ যখন সব শত্রুকে জয় করে তখন সে নিজেই নিজের বড় শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের জিন যেখানেই যায় সেখানে বিনাশ অনিবার্য।

    ​তীক্ষ্ণ বন্ধ হয়ে আসা চোখে তাকিয়ে বলল, আমরা অমর ছিলাম। মরণশীল আরশোলা মানব হয়ে মরছি। এই ছিল আমাদের অমরত্বের প্রয়াস!

    অন্ধকারে তাদের নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এল। মানুষ কখনো জানতে পারেনি তাদের জিনের অভিশাপে অজেয় এক প্রজাতির বিনাশ ঘটেছে। সময়ের ইতিহাসে আরশোলার মানুষ হয়ে ওঠার দাগ স্পষ্ট হয়ে রইল।

    বহু বছর পর ভাঙা ও পোড়া দালানের ফাটল থেকে বেরিয়ে এল নতুন এক আরশোলা প্রজাতি। তারা আদিম, শান্ত, সরল ও ক্ষমতাহীন। তাদের শরীরে মানুষের কোনো জিন নেই। নেই ক্ষমতার মোহ। নেই দখলের আকাঙ্ক্ষা। তারা পৃথিবীতে এসেছে বাঁচতে, দখল করতে নয়। তাই টিকে আছে।

    তারা অনুধাবন করল মানুষের জিন ধারণ করে শাসন করলেই যে স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্বের পৃথিবী গড়ে উঠবে তা নয়। মানব প্রবৃত্তি ত্যাগ না করে কেবল মেধা দিয়ে ভালোবাসার সমাজ নির্মাণ অসম্ভব। 
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন